আজকে ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯ | | সময়ঃ-১২:০৫ অপরাহ্ন    

Home » লাইফস্টাইল

লাইফস্টাইল

বান্দরবান পুলিশ লাইনে মিশ্র ফলের গাছ রোপণ

সিএইচটি নিউজ ডেস্কঃ- বান্দরবান জেলা পুলিশের উদ্যোগে বিভিন্ন ইউনিটের মিশ্র ফলের গাছ রোপণ কর্মসূচীর উদ্বোধন করা হয়েছে।গত শনিবার (১৯ মে) সকালে বান্দরবান পুলিশ লাইন্সে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই মিশ্র ফলের গাছের চারা রোপণ কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন।এসময় অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন বান্দরবানের জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকির হোসেন মজুমদার,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মুহাম্মদ আলী হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো.ইয়াছির আরাফাত,সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.গোলাম ছরোয়ারসহ বান্দরবান জেলা পুলিশের বিভিন্ন বিভাগের উর্ধতন কর্মকর্তারা।মিশ্র ফলের গাছ রোপণ করতে গিয়ে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী বলেন,একটি গাছ কাটলে চারটি গাছের চারা রোপন করতে হবে।গাছ আমাদের পরম বন্ধু,গাছ কখনো মানুষের সাথে বেঈমানী করে না।গাছ আমাদের অক্সিজেন দেয়,ফল দেয়,ফুল দেয় এবং সেই গাছের বয়স হলে আমরা চড়া দামে বিক্রি করে একটা বড় অংকের মুনাফা পেয়ে থাকি।গাছের যখন বয়স হয় তখন গাছ কাটতে হবে এবং সেই একটি গাছের পরিবর্তে আরো চারটি গাছের চারা রোপন করতে হবে।এসময় তিনি গাছের চারা রোপণের জন্য ১ লক্ষ টাকা অনুদানের ঘোষণা প্রদান করেন।শনিবার সকালে তিনি পুলিশ লাইনে পৌছালে বান্দরবান এর পুলিশ সুপার মোঃজাকির হোসেন মজুমদার ও জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপিকে ফুলের শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করে নেন।পরে পুলিশ লাইনের সাদা পোশাকের পুলিশ সদস্যরা লাল গালিচায় ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে তাকে মূল ভবনে নিয়ে যান।পরে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী পুলিশ সুপার কে সঙ্গে নিয়ে রাষ্ট্রীয় সালাম গ্রহণ করেন।মিশ্র গাছ রোপণ এর বিষয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকির হোসেন মজুমদার সাংবাদিকদের জানান,বান্দরবান পার্বত্য জেলায় পুলিশ লাইন্স, থানা,পুলিশ বেরাক,পুলিশ ফাঁড়ি,পুলিশ ক্যাম্প, পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র সহ বিভিন্ন স্কুল কলেজ ও রাস্তার ধারে প্রায় ১ লক্ষ মিশ্র ফলের গাছের চারা রোপণ করা হবে।আর এই গাছের চারা রোপণের ফলে বান্দরবান পার্বত্য জেলার সৌন্দর্য্য আরো দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাবে।

দই চিড়ায় স্বাস্থ্যকর ইফতার

সিএইচটি নিউজ ডেস্কঃ- সারাদিন রোজার পর ক্লান্ত হয়ে পড়ে শরীর।প্রয়োজন একটু সতেজতা।আপনার শরীরে সেই সতেজতা এনে দিতে পারে দই চিড়া।একই সঙ্গে বাড়বে হজম প্রক্রিয়া,দূর হবে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা।তবে ইফতারে মিষ্টি দইয়ের চেয়ে টক দই বেশি উপকারী।জেনে নিতে পারেন ইফতারে দই চিড়া খাওয়ার দারুণ এই রেসিপি।

উপকরণ:-টক দই (২ কাপ),চিড়া (১/২ কাপ),পাকা কলা (স্কয়ার করে কাটা ১টি),চিনি (প্রয়োজন মতো), লবণ (প্রয়োজন মতো),এলাচি গুঁড়া (১/৪ চা চামচ), কিশমিশ (১ টেবিল চামচ)।

প্রস্তুত প্রণালী:-প্রথমে চিড়া ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে।এরপর বাটিতে টকদই,চিনি ও লবণ দিয়ে ভালোভাবে ফেটে নিতে হবে।ফেটানো দইয়ে চিড়া মেখে ফ্রিজে রাখুন।এক ঘণ্টা পর ফ্রিজ থেকে বের করে কলা,এলাচি গুঁড়া ও কিশমিশ ভালোভাবে মিশিয়ে পরিবেশন করুন।

সকালের নাস্তায় পাঁউরুটি নয় কেনও

লাইফস্টাইল নিউজ ডেস্কঃ- সকালের নাস্তার কোমল খাবারের মধ্যে পাঁউরুটি আমাদের সবচেয়ে প্রিয় বলা যায়।ডিম,মাখন,পনির,জেলি বা চায়ের সঙ্গে পাঁউরুটি খেলে দারুণ একটা হালকা,স্বাস্থ্যকর নাস্তা হয় বলেই আমার জানতাম।কিন্তু বর্তমান গবেষণাগুলো বলছে অন্য কথা।তাদের মতে পাউরুটি খেলে শরীরে বাঁধতে পারে এই নানাবিধ রোগগুলো:-

 

মানসিক অবসাদ বাড়েঃ-পাউরুটি খেলে সত্যিই নাকি মানসিক অবসাদ হয়,এটা গবেষণায় প্রমাণিত।পাঁউরুটি খেলে শরীরে এমন কিছু পরিবর্তন হয়,যার ফলে বিশেষ কিছু হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়।ফলে যার প্রভাবে মানসিক অবসাদ এবং হতাশা তৈরি হতে থাকে।

 

খারাপ কোলেস্টেরল বৃদ্ধি পায়ঃ-টানা ১২ সপ্তাহ ৩৬ জন মানুষের ওপর গবেষণায় দেখা গেছে,নিয়মিত পাঁউরুটি বা ময়দা দিয়ে তৈরি খাবার খেলে শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা মারাত্মকভাবে বেড়ে যায়।কোলেস্টরল আমাদের হার্টের জন্য় খুবই ক্ষতিকর কারণ কোলেস্টরল বাড়তে থাকলে হার্ট অ্যাটাকসহ বিভিন্ন হার্টের রোগ বেড়ে যায়।

 

শরীরে পুষ্টিঘাটতি হয়ঃ-পাউরুটিকে আমরা স্বাস্থকর বলেই জানি।এটা ভুল ধারণা।কারণ ময়দা প্রক্রিয়া করার সময় এর আর কোনো পুষ্টি উপাদান থাকে না।তাই শরীরে এটি কোনো কাজে আসে না।উল্টো ময়দা পেটের রোগে আক্রান্ত করে দিতে পারে।

 

ওজন বাড়েঃ-গবেষণা বলছে পাঁউরুটি খেলে শরীরে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পায়,সঙ্গে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণও থাকে।ফলে এরকম চলতে থাকলে ওজন বাড়তেই পারে।এছাড়া কোলেস্টেরল এবং উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা তো আছেই।

শরীরে ক্ষতিকর লবণের মাত্রা বাড়েঃ-বেশি পরিমাণে পাঁউরুটি খেলে শরীরের সোডিয়ামের মাত্রা বাড়তে পারে।ফলে স্বাভাবিকভাবেই রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ে। আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়,সেই সঙ্গে হার্টের অনেক রোগও বাড়ে।তাই ময়দা দিয়ে বানানো সাদা পাঁউরুটি না খাওয়াই ভালো।

ডায়াবেটিস আতঙ্ক বাড়ায়ঃ-পাঁউরুটি হজম হতে সময় নেয়।কিন্তু হজম হওয়া শুরু হলে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে শুরু করে।ফলে ইনসুলিনের ক্ষরণও বেড়ে যায়।এটা নিয়মিত হলে শরীরে ইনসুলিন রেজিস্টেন্স তৈরি হয়ে যায়।ফলে টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্তের আশঙ্কা বাড়ে।

মেনোপজ পরবর্তী হতাশাঃ-পাঁউরুটি খেলে হতাশা বাড়ে সেটা আগেই বলেছি।বিশেষত পোস্ট মেনোপজাল সময়ে মহিলাদের হতাশা বাড়ে।তাই এই সময়ে পাঁউরুটি কেলে যে সমস্যা আরও বাগে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

ছোট চুল নিয়ে ৭ সুবিধা

সিএইচটি নিউজ ডেস্কঃ- চুল মানবদেহের একটি আকর্ষণীয় অংশ।বিশেষ করে যাদের মাথায় চুল নেই তারা এ বিষয়টি ভালভাবে অনুভব করেন। যাদের মাথা ভর্তি চুল তারা এ দুঃখ অতটা বুঝেন না।তবে এটা ঠিক,চুল আপনার আউটলুক সহজেই বদলে দেয়। তাই অনেকে চুলের পেছনে অনেক টাকা ও সময় খরচ করেন।কেউ কেউ প্রতি মাসে হেয়ার স্টাইল পরিবর্তন করেন।এ সব বলা শুধু ছেলেদের চুলের জন্য।ছেলেদের অনেকে ছোট চুলকে খুব পছন্দ করেন।আবার সামাজিকভাবেও এটি কাম্য।পাঠকদের জন্য ছোট চুল রাখার কিছু সুবিধা তুলে ধরা হল।

১. সময় বাঁচান : আপনার মাথায় চুল কম থাকলে কোথাও বের হতে হলে খুব কম সময়ে তৈরি হতে পারবেন। কেননা মাথায় চুল কম থাকলে চুল এলোমেলো আছে কিনা- এ বিষয় মাঝে মাঝে ভুলে গেলে সমস্যা নেই।

২. টাকা বাঁচান : লম্বা চুল পরিপাটি ও ভাল রাখার জন্য বিভিন্ন প্রসাধনী ব্যবহার করতে হয়, যা খানিকটা ব্যয়বহুল। বিশ্বের অনেক নামীদামী খেলোয়াড়রা চুলের পিছনে অনেক অর্থ ব্যয় করে থাকেন। তারা যদি আপনার আইডল হন, তাহলে তো কথাই নেই।

৩. রোগমুক্ত থাকুন : লম্বা চুলের যত্ন না নেওয়া হলে অনেক রোগ হতে পারে। বিশেষ করে মাথাব্যথা ও বিভিন্ন চর্ম রোগ হতে পারে। এ ছাড়া চুল শরীর থেকে অনেক পুষ্টি শোষণ করে। তার মানে এ নয় ছোট চুলে যত্মে নিতে হয় না। একটু কম লাগে আর কি!

৪. মাথা ঠাণ্ডা রাখুন : মাথায় কম চুল থাকলে আপনার মাথায় শীতল বাতাস অনুভব করবেন। অতিরিক্ত গরম থেকে আপনাকে রক্ষা করবে, যা আপনার মাথাকে সব সময় ঠাণ্ডা রাখবে। নিশ্চয় জানেন গরমে চুল ছোট রাখা অতি প্রচলিত সংস্কৃতি।

৫. আত্মরক্ষায় চুল : বিষয়টা নিয়ে হাসতে পারেন, তবে একবারে ফেলনা নয়। চুল ছোট থাকলে অনাকাঙ্ক্ষিত বা মধুর মারামারিতে কেউ সহজে আপনাকে হারাতে পারবে না। কেননা বড় চুল ধরে সহজে কাবু করে ফেলা যায়। আপনি লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন সেনাবাহিনী ছাড়াও বিভিন্ন বাহিনী সদস্যদের মাথায় চুল ছোট রাখা হয়।

৬. ভদ্রতার প্রতীক : যারা মাথায় ছোট চুল রাখে সাধারণত মানুষ তাদের পছন্দ করে। ছোট চুলের জন্য তাদের সম্মানের চোখে দেখা হয়। তবে এ ক্ষেত্রে বড় চুলওয়ালাদের খারাপ চোখে দেখার কারণ নেই। অনেক লোক ধর্মীয় কারণে বড় চুল রাখেন।

৭. মেধাবিকাশে সহায়তা : আলো বাতাস ছাড়া যেভাবে কোনো প্রাণী বাঁচতে পারে না, ঠিক আপনার মাথার অতিরিক্ত চুল মাথাকে আলো বাতাস থেকে দূরে রাখে, যা আপনার মেধাবিকাশে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। এটাও একটি প্রচলিত ধারণা। দুনিয়ার বড় বড় বিজ্ঞানী ও দার্শনিকদের মাথায় বড় চুল দেখতে পাবেন।

রাজধানী ঢাকার নগরে পোষাকের নতুন ব্র্যান্ড সারা

সিএইচটি নিউজ ডেস্কঃ-রাজধানী ঢাকার মহানগরে এলো নতুন পোশাকের ঠিকানা।স্নোটেক্সের নিজস্ব ব্র্যান্ড ‘সারা’।আগামী ১২ মে ‘সারা’র প্রথম আউটলেট উদ্বোধন হতে যাচ্ছে মিরপুরে।গত মঙ্গলবার (৮মে) সন্ধ্যায় দ্য ডেইলি স্টার সেন্টারের তৌফিক আজিজ হলে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই ব্যান্ড সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়।সেখানে বলা হয়, ‘স্নোটেক্স’ ২০০০ সালে বায়িং হাউজের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে।আজকের ‘স্নোটেক্স’ হয়ে উঠেছে তিনটি বড় কারখানার একটি প্রতিষ্ঠান রূপে। ‘স্নোটেক্স’ ২০০৫ সালে নিজেদের প্রথম কারখানা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে স্নোটেক্স অ্যাপারেলস।

 

এরপর সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ২০১১ সালে ‘কাট অ্যান্ড সিউ’ এবং ২০১৪ সালে ‘স্নোটেক্স আউটওয়্যার’ প্রতিষ্ঠিত করা হয়।স্নোটেক্স আউটওয়ার গ্রিন ফ্যাক্টরি হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছে ইউএসজিবিসির লিড গোল্ড সার্টিফিকেটে।এটি এখন ১০ হাজারের বেশি মানুষের কর্মসংস্থান করে যাচ্ছে।যেটি ২০২০ সালের মধ্যে প্রায় ১৮ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের জায়গা হয়ে দাঁড়াবে।বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ‘স্নোটেক্স’ তাদের নিজস্ব ব্র্যান্ড ‘সারা’ প্রতিষ্ঠা করল ‘সারা লাইফস্টাইল লিমিটেড’-এর মাধ্যমে।

 

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সারা লাইফস্টাইল লিমিটেড ও স্নোটেক্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম খালেদ,পরিচালক শরীফুন নেসা,সহকারী পরিচালক মতিউর রহমান,উপ-পরিচালক জাকি হাসান খান এবং হেড অব ডিজাইনার কাশফীয়া নেহরীনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।এতে উপস্থাপনা করেন ফ্যাশন ডিজাইনার কাশফীয়া নেহরীন।‘সারা’ ব্র্যান্ড প্রসঙ্গে ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম খালেদ বলেন, ‘আমরা দেশি ও বিদেশি ফেব্রিকে সারা ব্র্যান্ডের পোশাক তৈরি করেছি।বিভিন্ন বয়সী নারী ও পুরুষের পাশাপাশি শিশুদের জন্যও আমাদের পোশাক রয়েছে।’ সারা’র পরিচালক শরীফুন নেসা বলেন, ‘আমরা প্রথমে মিরপুরে সারা ব্র্যান্ডের শাখা উদ্বোধন করব। এরপর আমাদের ইচ্ছে আছে রাজধানী বড় বড় শপিং মলগুলোতে এর শাখা খোলার। এর মধ্যে আমরা প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেছি।’

মিরপুরে এই আউটলেটটির ঠিকানা: প্লট নম্বর : ১০, ব্লক নম্বর : ক, সেকশন : ৬, সেনপাড়া, মিরপুর।

ইনাদের সৌন্দর্যের কাছে বয়সও হার মানে..!!!

বিনোদন নিউজ ডেস্কঃ-জন্মের পর মানুষের বেড়ে ওঠা চিরন্তন ব্যাপার।এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে শারীরিক গড়ন,চেহারা,আচার-আচরণ ও স্বভাবেও আসে পরিবর্তন।শৈশব,কৈশোর,যৌবন ও বার্ধক্য,প্রত্যেকটা সময়ে মানুষের মধ্যে ভিন্নতা দেখা যায়।বিশেষ করে কৈশোর পেরিয়ে যৌবনে পা দেয়া মানুষের চেহারাই তার বাকি জীবনের পরিচয় বহন করে।এমনকি এই সময়কার চেহারার ধরণ সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী হয়।বয়সের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সবার মধ্যেই আস্তে আস্তে বার্ধক্য আসে।তবে কেউ কেউ যেন বয়সকেও হার মানায়।নিজের তারুণ্য ধরে রাখার যাদুকরি কোনো উপায় যেন তাদের জানা থাকে।হ্যাঁ,এমন কয়েকজন তারকাকে নিয়েই এই আয়োজন।বয়স বাড়লেও যাদের রূপ-লাবণ্য কমে যায়নি।বরং পাল্লা দিয়ে বেড়েই চলেছে।

মৌসুমী:-জন্ম ১৯৭৩ সালে।সেই মোতাবেক বয়স পেরিয়েছে ৪৪-এর ঘর।অভিনয় জীবনের বয়সও হয়েছে ২৫ বছরের বেশি।কিন্তু না,মৌসুমীর সৌন্দর্য কমেনি একটুও।তার সময়কার অধিকাংশ অভিনেত্রী বার্ধক্যে পৌঁছে গেলেও এখনো যেন তারুণ্যেই রয়ে গেছেন মৌসুমী।এখনো তার ভুবন ভোলানো হাসি আর নজরকাড়া রূপে মুগ্ধ হয় সব বয়সী দর্শক।

পূর্ণিমা:-বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় একজন নায়িকা তিনি।উইকিপিডিয়ার তথ্য অনুসারে তার জন্ম ১৯৮১ সালের ১১ জুলাই।অর্থাৎ তার বয়স এখন ৩৬ বছর।১৯৯৭ সালে চলচ্চিত্রে অভিষেক। তারপর টানা কাজ করেছেন ২০০৯-১০ সাল পর্যন্ত। এরপরেও তাকে দেখা গেছে বিভিন্ন চলচ্চিত্রে।কিন্তু নিয়মিত হননি আর।বর্তমানে টিভি অনুষ্ঠান ও নাটকের কাজেই ব্যস্ততা তার।৩৬ বছর বয়স হয়ে গেলেও পূর্ণিমার সৌন্দর্য হারিয়ে যায়নি।শরীরে আসেনি বয়সের ছাপ।বরং দিন দিন যেন আরো বেশি আকর্ষণীয় ও মোহময়ী হয়ে উঠছেন।অনেকেই বলেন,পূর্ণিমার আগের চেহারার চেয়ে এখনকার চেহারাই বেশি সুন্দর।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও তার বর্তমান রূপ-লাবণ্য নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হতে দেখা যায়।

জয়া আহসান:-দুই বাংলায় তার সমান জনপ্রিয়তা ও সাফল্য।বয়স ৪৫! জন্ম ১৯৭২ সালে।কিন্তু চেহারা দেখে কারোর মনেই হবে না,তিনি এতো বয়সী একজন নারী।রূপ-লাবণ্যে এই সময়কার নায়িকাদেরও হার মানান জয়া।চলচ্চিত্রের পর্দা কিংবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চোখ রাখলেই দেখা যায়,জয়া আহসান যেন দিন দিন আরো বেশি সুন্দরিই হচ্ছেন।আর তাতে নিয়ম করে মুগ্ধ হচ্ছেন ভক্তরা।

সাদিয়া ইসলাম মৌ:-দেশের নৃত্য ও মডেলিং জগতের অনন্য এক নাম সাদিয়া ইসলাম মৌ।সেই ১৯৮৯ সাল থেকে শোবিজে তার বিচরণ।এই সময়কার অনেক মডেলের আদর্শ মৌ।বর্তমানে কাজ কম করলেও তার প্রতি ভক্তদের ভালোবাসা ফুরিয়ে যায়নি।কারণ ৪১ বছর বয়সেও তিনি নিজের সৌন্দর্য ধরে রেখেছেন।মোহময়ী চাহনী কিংবা আকর্ষণীয় শারীরিক গড়নে মাত করেন যে কাউকেই।

৪০ কোটি টাকার শাড়ি মুকেশ আম্বানির পুত্রবধূর জন্য,গুজব নাকি সত্যি???

বান্দরবান অফিসঃ-এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হচ্ছে ভারতীয় ধনকুবের মুকেশ আম্বানির পুত্রবধূর শাড়ি ও ব্লাউজের ছবি।পরে আছেন দুই মডেল।সেখানে বলা হচ্ছে‚ ৪০ কোটি টাকা মূল্যের ওই শাড়ি তৈরি হচ্ছে মুকেশ-নীতার ভাবী পুত্রবধূ শ্লোকের জন্য।৩৬ জন পোশাকশিল্পী মিলে নাকি এক বছর ধরে বানিয়ে চলেছেন দুর্মূল্য শাড়িটি। কাঞ্জিভরম গোত্রের শাড়িটি বোনা হচ্ছে চেন্নাইয়ে। খাঁটি সোনার জরি ও নবরত্ন দিয়ে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে নকশা।আঁচল জুড়ে রাজা রবি বর্মার আঁকা ছবিকে বোনা হচ্ছে।শাড়িটির ওজন হবে ৮ কেজি।শাড়ির মতো বিশেষত্ব আছে ব্লাউজেও।সেখানেও শাড়ির মতোই সোনার জড়ি আর নবরত্ন দিয়ে ঘন নকশা।চলতি হাওয়ার ব্যাকলেস বা লটকন নয়।পিঠে থাকছে অভিনব নকশা।সেখানে আগে আগে ঘোড়ায় চেপে যাচ্ছে বর।পেছনে বেহারাদের কাঁধে পাল্কিতে নববধূ।সোনার জড়ি‚নবরত্নর পাশপাশি নকশায় থাকছে হীরা।মুকেশ ও নীতার বড় ছেলে আকাশের বয়্স ২৫ বছর।তিনি রিলায়েন্স জিও এবং রিলায়েন্স রিটেল-এর বোর্ড অফ ডিরেক্টরস-দের মধ্যে একজন।বিশ্বের ধনকুবের শিল্পপতিদের মধ্যে অন্যতম।মুম্বাইয়ের ধীরুভাই ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে সহপাঠী ছিলেন আকাশ ও শ্লোক।দুজনেই বহু বছরের ঘনিষ্ঠ বন্ধু।পরবর্তীকালে প্রিন্সটন ইউনিভর্সিটি এবং লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্সের ছাত্রী শ্লোক বর্তমানে পারিবারিক সংস্থা ‘রোজি ব্লু ডায়ামন্ডস‘-এর ডিরেক্টর।পাশাপাশি বিভিন্ন এনজিও-র সঙ্গে যুক্ত।মুকেশ ঘরনি নীতা জানিয়েছেন‚শ্লোকের বয়্স যখন ৪ বছর‚তখন থেকে তিনি ওকে চেনেন।তাঁদের হৃদয়ে আগেই এসেছেন শ্লোক।এখন বাড়িতে আসার অপেক্ষা।

ইন্টারনেট থেকে …

বৈশাখের প্রভাতে পান্তাভাতেই ভরসা জয়ার.!!!

বিনোদন ডেস্কঃ-আবহমান কাল ধরে বাংলা বর্ষবরণ করে আসছে বাঙালি।এদিনকে ঘিরে নানা উৎসব পালন রীতিসিদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়েছে।পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে ‘পান্তা’ খাওয়ার ধুম পুরনো।অনেকে বর্ষবরণের প্রথম সকালে পান্তা-ইলিশ খাওয়াকে নিয়মে পরিণত করেছেন।পহেলা বৈশাখের সাথে পান্তা খাওয়ার রিচুয়ালে আবদ্ধ অভিনেত্রী জয়া আহসানও!পহেলা বৈশাখে নিজেই পান্তাভাত মাখেন জয়া!এমনটাই সম্প্রতি জানালেন কলকাতার একটি দৈনিকে।বললেন: পহেলা বৈশাখের দিনে আমিই পান্তাভাত মাখি।আমার হাতের পান্তাভাত খেতে বাড়ির সকলে খুব পছন্দ করেন।এর সঙ্গে ডিম ভাজা,বেগুন ভর্তা,শুঁটকি ভর্তা থাকে।সাধারণত শুকনো লঙ্কা দিয়ে পদগুলো তৈরি হয়।আর থাকে বিভিন্ন রকম বাটা।সর্ষে বাটা,পোস্ত বাটা,কালো জিরে বাটা,শাক বাটা।পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে ইলিশের দাম চড়ে গেলেও অভিনেত্রী জয়া আহসানের কাছে বৈশাখের প্রথম প্রহরে ভরসা রাখছেন পান্তা-ইলিশেই।পহেলা বৈশাখের সকালে পান্তা-ইলিশ আর শুঁটকির কথা জানিয়ে জয়া বলেন: বাংলাদেশে এই সময় খুব চড়া দামে ইলিশ মাছ বিক্রি হয়।তবে বেশি দামেই আমরা সেটা কিনি। আর শুঁটকি মাছ অবশ্যই থাকবে।বর্তমানে কলকাতায় সিনেমার কাজে ব্যস্ত রয়েছেন জয়া আহসান।এরইমধ্যে তার প্রযোজিত প্রথম সিনেমা ‘দেবী’র ফার্স্ট লুক মুক্তি পেয়েছে।অনম বিশ্বাস পরিচালিত হুমায়ূন আহমেদের মিসির আলী সিরিজের ‘দেবী’ উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হচ্ছে ছবিটি।কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী,জয়া আহসান ও অনিমেষ আইচ।

ছবি:-(((জয়ার ফেসবুক)))

গরমে সুস্থ থাকতে মেনে চলতে হবে কিছু নিয়ম

বান্দরবান অফিসঃ-গরমের সময় শরীর অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে বেশি।বাইরের তাপমাত্রা, রোদের তীব্রতা,ধূলা বালি সব মিলিয়ে শরীরকে খুব সহজেই অসুস্থ করে ফেলতে পারে।তাই আমাদের উচিত যথাযথ সাবধানতা অবলম্বন করা যেন শরীর সবসময় সুস্থ রাখা যায়।গরমের সময় বাইরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়,বেড়ে যায় ধূলা বালি।যার জন্য শরীর অসুস্থ হয় বেশি।গরমে সুস্থ থাকতে মেনে চলতে হবে কিছু নিয়ম।

প্রচুর পানি পান করুনঃ-গরমে ঘামের সাথে বের হয়ে যায় প্রচুর পরিমাণ পানি।শরীর সুস্থ রাখতে পানির কোন বিকল্প নেই।পর্যাপ্ত পানি পান দেহে প্রয়োজনীয় পানির যোগান দেবে।দেহ,মন দুটোকেই সতেজ রাখতে পানির বিকল্প নেই।সেই সাথে ত্বককে সুস্থ রাখে পানি।প্রতিদিন ১০-১৫ গ্লাস পানি পান করা উচিত।

পোশাক নির্বাচনঃ-গরমে সুতি এবং হালকা পোশাক পরাটাই আরামদায়ক।সুতি কাপড়ের তৈরি পোশাক শরীর ঠাণ্ডা রাখে এবং সহজেই ঘাম শুষে নেয়।ভারি কাপড় এড়িয়ে চলুন।এতে আরো বেশি গরম লাগবে এবং অস্বস্তিও হবে।হালকা রঙ এবং হালকা পোশাক আপনাকে ফুরফুরে রাখতে সহায়তা করবে।যেমন রঙের ক্ষেত্রে হতে পারে সাদা, অফহোয়াইট,গোলাপী ইত্যাদি রঙ।আঁটসাঁট পোশাক না পরে যথাসম্ভব ঢিলেঢালা পোশাক পরুন।

খাবারঃ-খাবার নির্বাচনের ক্ষেত্রে বেশ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত গরমে।বিশেষ করে তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে চলাই শ্রেয়।বেশি করে ফলের জুস, ডাবের পানি,স্যুপ ইত্যাদি তরল খাবার খাওয়া শরীরের পক্ষে ভাল।তাছাড়া খেতে পারেন নানা রকমের ফল।চর্বিযুক্ত খাবার যেমন মাংস, বাইরের ভাজাভুজি ইত্যাদি যতটা সম্ভব না খাওয়া উচিত। এতে শরীর খারাপের সম্ভাবনা থাকে।তাই এগুলো এড়িয়ে প্রচুর পরিমাণ ফল এবং শাক সবজি খাওয়া উচিত।তাছাড়া গরমে অন্যতম একটা সমস্যা হচ্ছে হিটস্ট্রোক।এটা এড়াতে যথা সম্ভব রোদ এড়িয়ে চলতে হবে এবং পানি পান করতে হবে।

সাথে রাখুন ছাতা আর সানগ্লাসঃ-গরমে রোদের তাপ থাকে তীব্র।রোদ থেকে বাঁচতে তাই সাথে রাখুন ছাতা আর সানগ্লাস।এতে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্নি সরাসরি আপনার উপর পরবেনা।রোদ চশমা আপনার চোখকে বাঁচাবে রোদ এবং ধূলা বালি থেকে।বাজারে বিভিন্ন রঙের এবং ডিজাইনের সানগ্লাস পাবেন।বাইরে বের হওয়ার আগে ব্যবহার করুন সানস্ক্রিন লোশন।এতে ত্বক সূর্যের ক্ষতিকর রশ্নি থেকে বাঁচবে এবং রোদে পুড়বে না।বাজারে ভ্যাসলিন,লোটাস,গার্নিয়ার ইত্যাদি অনেক রকমের সানস্ক্রিন লোশন রয়েছে।সানস্ক্রিন ত্বকের উপর একটা প্রলেপ তৈরি করে যা ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্নি থেকে বাঁচায়।

ত্বক পরিষ্কার রাখুনঃ-গরমে বাইরে ধূলাবালির পরিমাণ বেড়ে যায়।এতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয় আমাদের ত্বক।গরমে তাই ত্বক রাখতে হবে পরিষ্কার। একটু পর পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুতে পারেন। আর গরমে ঘাম হয় বেশি যার ফলে ত্বকে দেখা দিতে পারে র‍্যাশ,ঘামাচি ইত্যাদি।তাই ত্বক পরিষ্কার রাখাটা জরুরি।নিয়মিত গোসল করুন।রোদ এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন।

সাংগ্রাই উপলক্ষ্যে বান্দরবানে ৪ দিনের ব্যাপক কর্মসূচি

বান্দরবান অফিসঃ-কারও জন্য সাংগ্রাই কিংবা কারও জন্য বিযু অথবা কারও জন্য পানি উৎসব,এককথায় পুরনো বাংলা বছর কে বিদায় জানিয়ে নতুন বছর কে বরণ করে নেয়া যা বর্ষবরণ হিসেবেই পরিচিত।আর এই বর্ষবরণের ক্ষেত্রে বান্দরবান পার্বত্য জেলা সারাদেশের তুলনায় অনন্য।উৎসাহ উদ্দীপনা একটু বেশী পরিলক্ষিত হয়।হাজার হাজার পর্যটকদের ভীড়ে বান্দরবানের বর্ষবরণ হয়ে উঠে অনবদ্য এবং বর্ণিল।আর এই বর্ষবরণ উৎসব অর্থাৎ সাংগ্রাই উপলক্ষ্যে বান্দরবান পার্বত্য জেলায় হাতে নেয়া হয়েছে ৪ দিনের ব্যাপক কর্মসূচি।প্রতিবছরের ন্যায় এবারও বর্ষবরণে মুখিয়ে আছে বান্দরবানের ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর জনসাধারণ।বান্দরবান পার্বত্য জেলায় বর্ষবরণ উৎসব সাংগ্রাই উদযাপনে হাতে নেয়া বিভিন্ন কর্মসূচি গুলোর মধ্যে রয়েছে ১৩ এপ্রিল সকাল ৮.৩০টায় সাংগ্রাই মঙ্গল শোভাযাত্রা, সকাল ১০.০০টায় বয়োজ্যেষ্ঠ পূজা।১৪ এপ্রিল বিকেল ৩ টায় বুদ্ধমুর্তি স্নান।১৫ এপ্রিল বিকেল ৩টা মৈত্রী পানি বর্ষন।১৬ এপ্রিল বিকেল ৩টা মৈত্রী পানি বর্ষন,৩.১৫ টায় ঐতিহ্যবাহী খেলাধূলা আয়োজন, ৩.৩০টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মতো বর্নাঢ্য আয়োজন।অনুষ্ঠান গুলো সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ টি স্পট।বান্দরবানের ঐতিহ্যবাহী রাজার মাঠে অনুষ্ঠিত হবে সাংগ্রাই এর এই বর্ণাঢ্য র‌্যালী,পানি বর্ষণ,ক্রীড়া প্রতিযোগীতা, সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা।অন্য দিকে বুদ্ধমূর্তি স্লান ও পুজা অনুষ্ঠিত হবে উজানীপাড়ার সাঙ্গু নদীর তীরবর্তী বালুচরে।এছাড়াও জেলা শহরের অত্যন্ত পরিচিত এবং বেশিরভাগ উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত মধ্যম পাড়া,উজানীপাড়ার মতো ছোটবড় বিভিন্ন পাড়ায় চলবে দিনরাত পিঠাপুলি বানানোর উৎসব।বর্ষবরণ অর্থাৎ মাহা সাংগ্রাই এর মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে বর্ণাঢ্য এক র‌্যালীর মাদ্ধমে।আর এই র‌্যালীতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে র‌্যালীর নেতৃত্ব দিবেন বলে জানা যায়।র‌্যালীতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা,জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেন,জেলা পুলিশ সুপার মোঃজাকির হোসেন মজুমদার সহ স্থানীয় প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।