আজকে ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯ | | সময়ঃ-১২:০৪ অপরাহ্ন    

Home » তথ্যপ্রযুক্তি

তথ্যপ্রযুক্তি

হার্ট অব ডিজিটাল বাংলাদেশ

নিউজ ডেস্কঃ- সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে সরকারি-বেসরকারি খাতের তথ্য সংরক্ষণের জন্য বড় পরিসরে ডেটা সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা থেকে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের অধীনে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল ‘ফোর টিয়ার ন্যাশনাল ডেটা সেন্টার’ স্থাপনের এ প্রকল্প হাতে নেয়। এ ডেটা সেন্টারকে ‘হার্ট অব ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বলছেন সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা।
কালিয়াকৈর বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্কে প্রায় ৭ একর জায়গার ওপর প্রায় ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হচ্ছে জাতীয় তথ্য ভাণ্ডার বা জাতীয় ডেটা সেন্টার। এ ডেটা সেন্টারে আগামী জুন মাস নাগাদ পুরোপুরি কার্যক্রম শুরু হবে। তখন চাইলে বাণিজ্যিকভাবে কাজ শুরু করা যাবে বলে জানিয়েছেন এ প্রকল্পের সংশ্লিষ্টরা। বর্তমানে ডেটা সেন্টারের ভবন নির্মাণকাজ শেষ পর্যায়ে। এর মাঝেই কয়েকটি তলায় কার্যক্রম শুরু হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার জন্য যুক্ত করা হয়েছে আধুনিক সব যন্ত্রপাতি।
এটি ডেটা সেন্টারগুলোর মধ্যে বিশ্বের অষ্টম বৃহত্তম ডেটা সেন্টার হতে চলেছে। সরকারের অঙ্গীকার ‘রূপকল্প-২০২১ ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ার অংশ হিসেবে দেশের তথ্য–উপাত্ত নিরাপদে সংরক্ষণ ও নিরবচ্ছিন্ন গুণগত মানসম্পন্ন ই-সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়। এখন সরকারি-বেসরকারি খাতে তথ্য সংরক্ষণের জন্য বড় পরিসরে ডেটা সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। এ প্রকল্প বাংলাদেশ সরকারের তথ্যপ্রযুক্তিসহ অন্য সব প্রকল্পের বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। ক্লাউড কম্পিউটিং ও জি-ক্লাউড প্রযুক্তিতে ডেটা সেন্টারগুলোর মধ্যে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ স্থাপনা এটি যার ডাউন টাইম শূন্যের কোঠায়। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আপটাইম ইনস্টিটিউট থেকে টিয়ার-৪ (TIER-IV) সার্টিফিকেশন অব অপারেশনাল সাসটেইনেবিলিটির সনদ পাবে এই ডেটা সেন্টার। জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, নির্বাচন কমিশন, ভূমি জরিপ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো, এটুআই প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-উপাত্ত এ ডেটা সেন্টারে স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এর পাশাপাশি ডেটাগুলোর নিরাপত্তায় একটি বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ, যা ভবিষ্যতে আরও প্রকট আকার ধারণ করতে পারে। তাই তথ্যের সুরক্ষার জন্য এই ডেটা সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন শেষে সরকারের বিভিন্ন সংস্থার ডিজিটাল কনটেন্ট সংরক্ষণের ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং ডিজিটাল কনটেন্টগুলোর সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।
এদিকে নব নির্বাচিত তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক জানান, চীনের সহযোগিতায় প্রায় ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ে এই ডেটা সেন্টারের ৯৯ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। ডেটা সেন্টারের নির্মাণকাজ সম্পূর্ণভাবে শেষ হওয়ার পরে দ্রুতই বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করা হবে।
জনপ্রশাসনে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কাজের দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়ানো, তথ্য সংরক্ষণ ও জনগণের দোরগোড়ায় ডিজিটাল সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে গাজীপুরে তৈরি এ ডেটা সেন্টার প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নকে আরো একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।

এক রেটে ইন্টারনেট সারাদেশে: জব্বার

সিএইচটি টাইমস, বান্দরবানঃ- সারাদেশে একই দামে ইন্টারনেট দিতে উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু সম্মেলন কেন্দ্রে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সংগঠনগুলোর দেয়া এক সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে এ কথা জানান ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার গতকাল। মন্ত্রীর সঙ্গে সম্বর্ধনায় ছিলেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকও। বেসিস, বিসিএস, আইএসপিএবি, বাক্য এবং ই-ক্যাব দুই মন্ত্রীকে এই সম্বর্ধনা দেয়।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, চট্টগ্রামে যে রেটে ইন্টারনেট পাবো, ঢাকা শহরে যে রেটে ইন্টারনেট পাবো, ময়মনসিংহে বা পঞ্চগড়ে বসবাস করে সে রেটে ইন্টারনেট পাওয়া যাবে না, এর জন্য বাড়তি টাকা গুনতে হবে- এটা কোনো যুক্তির মধ্যে পড়ে না।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে বসবাস করাটা তো অপরাধ না! গ্রামাঞ্চলে বসবাস করার জন্য বাড়তি পয়সা নেবেন, এটি কোনোভাবে অন্তত সমতা সেবা দেওয়ার পর্যায়ে পড়ে না। ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারদের সঙ্গে আলোচনা করে কীভাবে এই রেট এক করা যায় তা দেখা হবে।

জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি খাতভিত্তিক বাণিজ্য সংগঠন একসাথে মিলে কাজ করছে বলেই তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা নিজেদের চ্যালেঞ্জের কথা জানাতে পারছেন এবং সরকারের তরফ থেকে বরাদ্দকৃত প্রণোদনা সঠিকভাবে পাচ্ছেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বেসিস সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর। উপস্থিত ছিলেন বিসিএস সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত সরকার, আইএসপিএবির সভাপতি এম এ হাকিম, বাক্যের সভাপতি ওয়াহিদুর রহমান শরীফ এবং ই-ক্যাবের সভাপতি শমী কায়সার।

অনুষ্ঠানে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উদ্যোক্তারা এবং সংগঠনগুলোর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সরকারি সব সেবা হবে স্মার্টফোনকেন্দ্রিক

সরকারের সব ধরনের সেবাকে স্মার্টফোন কেন্দ্রিক করা হবে বলেছেন ডাক, টেলিযোগাোযাগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, দেশে স্মার্টফোনের প্রবৃদ্ধি কিছুটা কম বলা হয়। এখন অন্তত ২৫ শতাংশ মানুষ স্মার্টফোন ব্যবহার করে বলে জানানো হয়। কিন্তু এর প্রকৃত প্রবৃদ্ধি অনেক বেশি। কারণ, আমাদের দেশে এখনো গ্রে মার্কেটে অনেক হ্যান্ডসেট আসে। সেটা হিসাবে আসে না। গ্রে মার্কেটের এই দৌরাত্ম রুখতে হবে বলে বলেন তিনি।

সেজন্য মোবাইল ফোনের আইএমইআই নম্বর ডেটাবেজেরে কাজ শুরু হচ্ছে জানিয়ে বলেন, চলতি জানুয়ারি মাসের মধ্যেই মোবাইল ফোনের আইএমইআই নম্বরের ডেটাবেজ তৈরির কাজ শুরু হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা করছে। খুব তাড়াতাড়ি এর জন্য নীতিমালা প্রণয়নের কাজ করা হবে।এছাড়াও আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের ডাকঘরগুলোকে ডিজিটাল ডাকঘরে রূপান্তর করা হবে। আর শিক্ষাকে ডিজিটাল শিক্ষায় রূপান্তর করা হবে বলেও জানান তিনি।

আবারও প্রধানমন্ত্রীর অবৈতনিক উপদেষ্টা হলেন জয়

বান্দরবান অফিসঃ- সজীব ওয়াজেদ জয়কে আবারও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী রুলস অব বিজনেস ১৯৯৬-এর প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই নিয়োগ দিয়েছেন। এই দায়িত্ব পালনে সজীব ওয়াজেদ জয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ও পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করবেন। তবে জয়ের এই নিয়োগ খণ্ডকালীন ও অবৈতনিক।

এর আগে আওয়ামী লীগের বিগত মেয়াদের সরকারে ২০১৪ সালেও প্রধানমন্ত্রীর অবৈতনিক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান শেখ হাসিনার ছেলে বঙ্গবন্ধুর এই দৌহিত্র।

এছাড়া গত সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাঁচজন উপদেষ্টাকে পুনরায় নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। তারা হলেন- প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা মসিউর রহমান, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভী, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক।

গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট বিপুল ভোটে বিজয় লাভ করে। এরপর ৭ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ৪৭ জনের মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেন। যাদের সবাই আওয়ামী লীগের।

নির্বাচনী গুজব ছড়ানোর অভিযোগে বিএনপির ৮ কর্মী আটক

নিউজ ডেস্কঃ-  একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ও উসকানিমূলক ভিডিও ছড়ানোর দায়ে আটজন বিএনপি কর্মীকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। তারা রাজধানীর মগবাজার ও মৌচাক এলাকার বিএনপির কর্মী।

২৮ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে রাজধানীর মগবাজার ও মৌচাক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটকৃতদের বিস্তারিত পরিচয় সম্পর্কে জানা যায়নি। তবে এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

জানা গেছে, নজরদারির ভিত্তিতে তাদের আটক করা হয়। তারা নির্বাচনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপতৎপরতা চালাত।

প্রসঙ্গত, আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু করতে এবং অপপ্রচার রোধে মাঠে নেমেছে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা। এর সঙ্গে একযোগে কাজ করছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন শাখায় যেকোন ধরণের গুজব ছড়ালেই তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এমনকি অপপ্রচারকে ছড়িয়ে দিতে যারা ওই খবরে লাইক, শেয়ার করবে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে এবং তার ও তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানা গেছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র মারফত জানা গেছে, এরইমধ্যে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, র‌্যাব, পুলিশের স্পেশাল ইউনিট মাঠে নেমেছে। তারা ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন শাখায় নজরদারি চালাচ্ছে। অপপ্রচার রোধে যোগাযোগ মাধ্যমের সকল শাখায় ২৪ ঘণ্টাই মনিটরিং অব্যাহত রাখছে।

এদিকে এরইমধ্যে নির্বাচন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া সংবাদ প্রচার এবং অপপ্রচার হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে মামলা দায়েরসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি ইসি নিজস্ব টিম দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মনিটরিং করছে।

যে ৫৮টি ওয়েবসাইট বন্ধ হলো

নিউজ ডেস্কঃ-বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন(বিটিআরসি) সকল ইন্টারনেট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এবং আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট গেটওয়েকে (আইআইজি) ৫৮টি সাইট বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশই অনলাইন নিউজ সাইট।

বিটিআরসি আইআইজিকে একটি চিঠির মাধ্যমে এই নির্দেশনা দিয়েছে।

বাংলাদেশে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি জেনারেল ইমদাদুল হক জানিয়েছেন, রোববার সন্ধ্যায় তারা এই নির্দেশনা পেয়েছেন এবং সেসব বাস্তবায়ন করতে পদক্ষেপ নেওয়াও শুরু হয়ে গেছে।

বিটিআরসির পক্ষ থেকে যেসব সাইট বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সেগুলো হলো:

www.poriborton.com/

www.justnewsbd.com/

www.priyo.com/

www.bdpolitico.com/

www.dhakatimes24.com/

www.risingbd.com/

www.newsbd71.com/

www.pagenews24.com/

www.reportbd24.com/

www.rarenews24.com/

www.bnpnews24.com/

www.prothombangladesh.net/

www.dailyamardesh.xyz/

www.dnn.news/

www.razniti24.com/

www.rbn24.co.uk/

www.sangbad247.com/

www.deshbhabona.com/

www.amardesh247.com/

www.analysisbd.com/

www.awaazbd.com/

www.badrul.org/

www.bnponlinewing.com/

www.en.bnpbangladesh.com/

www.bnpbangladesh.com/

www.bnponlinewing.com/

www.banglamail71.info/

Advertisement

www.atv24bd.com/

www.banglastatus.com/

www.bbarianews24.com/

www.sheershanews24.com/

www.shibir.org.bd/

www.news21-bd.com/

www.1newsbd.net/

www.expressnewsbd.com/

www.dailybdtimes.com/

www.mymensinghnews24.com/

www.muldharabd.com/

www.cnnbd24.com/

www.dailymirror24.com/

www.deshnetricyberforum.com/

www.alapon.live/

www.diganta.net/

www.moralnews24.com/

www.potryka.com/

www.dawahilallah.com/

www.alehsar2.wordpress.com/

www.aljamaah1.wordpress.com/

www.bangladarsulquran.wordpress.com/

www.gazwah.net/

www.jongimedia.wordpress.com/

www.maktabatulislamiabd.wordpress.com/

www.millateibrahimbd.wordpress.com/

www.myquranstudyoneayahaday.com/

www.shuhadarkafela.wordpress.com/

www.defenseupdatebangladesh.wordpress.com/

www.defbd.com/

www.bangladeshdefence.blogspot.com/

সম্ভাবনাময় তথ্য প্রযুক্তি খাত জয়ের দিকে এগোচ্ছে বাংলাদেশ : আধুনিক যোগাযোগ পদ্ধতির হাতিয়ার সাবমেরিন ক্যাবল ( পর্ব – ২)

নিউজ ডেস্কঃ-অপার সম্ভাবনার দেশ বাংলাদেশ। এ দেশের উন্নয়নে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার বিপুল জনশক্তি। বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তির যে প্রবল বিস্তার ঘটেছে, এর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। তরুণ প্রজন্মের কল্যাণে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে এখন অপার সম্ভাবনার খাত হয়ে উঠেছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। সরকারি ও বেসরকারিভাবে নানা উদ্যোগ এবং এ খাতের বিকাশে অবকাঠামোগত উন্নয়নের কারণে মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই তথ্যপ্রযুক্তি হয়ে উঠেছে দেশের অন্যতম প্রতিষ্ঠিত খাত।

তথ্য প্রযুক্তির এই অগ্রগতির জন্য জাতিসংঘের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি ) বিষয়ে বিশেষায়িত সংস্থা আইটিইউ এর ২০১৭ সালের আইসিটি উন্নয়ন সূচকে বাংলাদশের অবস্থান তালিকাভুক্ত ১৭৫টি  দেশের ভেতর ১৪৭তম। তথ্য প্রযুক্তির উপর ভর করে এই দেশের মানুষের নাগরিক সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করা হয়েছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও এখন পৌঁছে গেছে ডিজিটাল ব্যাংকিং সুবিধা। পল্লী গ্রামের জনসাধারণ বর্তমানে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে নিরাপদে অর্থ বিনিময় করতে পারছেন এমনকি ভবিষ্যতের জন্য টাকাও জমা করতে পারছেন এই মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সাহায্যে। গ্রামের জনসাধারণকে সময়, অর্থ ব্যয় করে এখন আর সদরে গিয়ে অর্থ আদানপ্রদান করতে হয় না। হাতের মুঠোয় তাদের আছে মোবাইল ব্যাংকিং। এসব সম্ভব হয়েছে দেশের তথ্যপ্রযুক্তির অগ্রযাত্রার জন্য আর এই অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করেছে অত্যাধুনিক সাবমেরিন ক্যাবল।

সাগরতল দিয়ে একদেশ দেশ থেকে আরেক দেশ কিংবা এক মহাদেশ থেকে আরেক মহাদেশে পর্যন্ত যে বিস্তৃত অত্যন্ত দ্রুতগতি সম্পন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে তা সাবমেরিন ক্যাবল নামে পরিচিত। মূলত সাগরতল বা সাবমেরিন থেকেই এই ক্যাবলটির নামকরণ হয়েছে ৷ দেশে প্রথম সাবমেরিন ক্যাবল ‘সি-মি-উই –ফোর’ স্থাপন করা হয়। তখন যার ব্যান্ড উইথ ছিল মাত্র ৩০০ গিগাবাইট। তথ্য প্রযুক্তি সম্প্রসারণের জন্য বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড সরকারের উদ্যোগে দেশের সাবমেরিন ক্যাবলের উন্নত করার পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এর মাধ্যমে ২০১৭ সালে ১০ সেপ্টেম্বরে ‘সি-মি-উই-ফাইভ’ স্থাপন করা হয় যার ব্যান্ডউইথ ১৫০০ গিগাবাইট। পটুয়াখালীর কুয়াকাটা থেকে কোনো ‘সি-মি-উই-ফাইভ’ চালু করা হয়। প্রথম সাবমেরিন ক্যাবল কোনো কারণে খারাপ হলে বা যান্ত্রিক কোনো ত্রুটির কারণে সমস্যা দেখা দিলে তখন দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলটি বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এই সাবমেরিন ক্যাবলের জন্য দেশের ইন্টারনেট সংযোগ আরো বিস্তৃত করা হয়।

বর্তমানে দেশের এক হাজারটি ইউনিয়ন পরিষদে অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপন করা হয়েছে। দেশের ৬৪টি জেলায় ১১৪টি উপজেলা থেকে ১১০৪টি ইউনিয়নে প্রায় আট হাজার কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল স্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে ইউনিয়ন পর্যায়ে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সুবিধা সম্প্রসারিত হয়েছে। সাবমেরিন ক্যাবলের ব্যান্ডউইথ বহনের জন্য ঢাকা ও কক্সবাজারের মধ্যে বিটিসিএল ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি লিমিটেড অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহারের মাধ্যমে বিদ্যমান ৩০০ জিবিপিএস ক্ষমতার বর্তমান অপটিক্যাল ফাইবার ট্রান্সমিশন লিংককে এক হাজার ৮০০ জিবিপিএস ক্ষমতায় রূপান্তর করা হয়েছে। এর ফলে বর্তমানে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহার আগের থেকে হয়েছে আরো বেশি দ্রুত গতি সম্পন্ন।

দেশের জনগণের জীবনমান উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের সার্বিক উন্নয়ন করা বর্তমান সরকারের মূল উদ্দেশ্য। এজন্যই দেশের বাজেট প্রণয়ন করা হয় জনগণের উন্নয়ন বান্ধব সম্মত এবং বাজেটের অর্থ যথাযথ ভাবে উন্নয়নের কাজে ব্যবহারের মাধ্যমে দেশ এগোচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে। দেশের কর্ণধারদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ পৃথিবীর মানচিত্রে হবে অনন্য একটি দেশ, এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট সকলেই।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের মালিকানা বুঝে পেলো বাংলাদেশ

নিউজ ডেস্কঃ-উৎক্ষেপণের ছয় মাসের মাথায় আজ (শুক্রবার) বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের মালিকানা বুঝে নিয়েছে বাংলাদেশ। নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ফ্রান্সের থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেসের কাছ থেকে সন্ধ্যায় দেশের প্রথম এ স্যাটেলাইটের মালিকানা সম্পূর্ণভাবে বুঝে নেয়া হয়।

রাজধানীর বাংলামোটরে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের (বিসিএসসিএল) কার্যালয়ে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, বিসিএসসিএল চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ, বিটিআরসি চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক, ঢাকায় নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত উপস্থিতিতে মালিকানার কাগজপত্র হস্তান্তর করা হয়।

এ বছরের গত ১১ মে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হয়। এর মধ্যে দিয়ে বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট যুগে প্রবেশ করে।

এর মধ্যে সেপ্টেম্বরে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সাফ চাম্পিয়নশিপ সরাসরি সম্প্রচার করার পরীক্ষাতেও এটি সফলতা দেখিয়েছে। পরে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে দুবাইতে এশিয়াকাপ ক্রিকেটের সম্প্রচারসহ আরও কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষাও করেছে বাংলাদেশ টেলিভিশন।

একইসঙ্গে অন্য কয়েকটি বেসরকারি টেলিভিশনের সঙ্গেও বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।

এদিকে গত ৩১ জুলাই এ স্যাটেলাইটের জন্য গাজীপুর ও রাঙামাটির বেতবুনিয়ায় দুটি ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

গাজীপুর গ্রাউন্ড স্টেশন থেকে সার্বক্ষণিক মহাকাশে থাকা বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর গতিবিধি ও অবস্থান পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বিষয়গুলো দেখভাল করছে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ফ্রান্সের থ্যালেস অ্যালেনিয়া। স্যাটেলাইট মহাকাশে উৎক্ষেপণের পর এখন গ্রাউন্ড স্টেশন থেকে সংকেত দিচ্ছে ও নিচ্ছে। গ্রাউন্ড স্টেশন থেকে ট্র্যাকিং ও কন্ট্রোলিংয়ের কাজ হচ্ছে এবং পুরো সিস্টেমটিকে টেস্ট করা হচ্ছে।

এ স্যাটেলাইটটিকে ব্যবসায়িকভাবে সফল করতে ইতোমধ্যে থাইল্যান্ডের কোম্পানি থাইকমের সঙ্গে চুক্তি করেছে বিসিএসসিএল। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যবসার দিকটি তারাই দেখবে। বর্তমানে বিদেশি স্যাটেলাইটের ভাড়া বাবদ যে ১৪ মিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণে সেই অর্থ সাশ্রয় বলে আশা করছে সরকার।

সব মিলে স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণ করতে সরকারের খরচ হয়েছে দুই হাজার ৭৬৫ কোটি টাকা। আগামী সাত বছরের মধ্যে এ খরচ উঠে আসবে বলে হিসাব করেছে উৎক্ষেপণকারী সংস্থা বিটিআরসি।

ইতোমধ্যে সরকারের বেশ কয়েকটি মন্ত্রণালয় এ স্যাটেলাইট থেকে সংযোগ নিতে আগ্রহ দেখিয়েছে। তাছাড়া কোম্পানির পক্ষ থেকে সেবা নিতে ৪৫ মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে চিঠি দেয়া হয়েছে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটে ৪০টি ট্রান্সপন্ডার থাকবে। এর ২০টি বাংলাদেশে ব্যবহারের জন্য এবং বাকিগুলো ভাড়া দেয়া হবে।

ফেসবুকে ভিডিও পোস্ট দিয়ে তোপের মুখে রবি

বান্দরবান অফিসঃ-রেসরকারি মোবাইল ফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান রবি তাদের নিজস্ব ফেসবুক পেজে আবারো গ্রাহকদের তোপের মুখে পড়েছে। রবি সিমে কল ড্রপ ও ইন্টারনেটে ভিডিও দেখার সময় বাফারিং হয় না, এমন সুবিধা রবিতে এখন পাওয়া যাচ্ছে এধরণের একটি ভিডিও রবি ফেসবুকে দেয়ার পর গ্রাহকরা ক্ষুব্ধ হয়ে গালিগালাজ শুরু করে এবং তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা জানাতে থাকে। তবে প্রতিবারের মত রবি গ্রাহকদের এসব কথা শুনে ‘দুঃখিত, শীঘ্রই সমাধান করা হবে’ এ ধরণের মন্তব্য করে দায় সারে।
রবি আজিয়াটা লিমিটেড নামের রবির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজটিতে তিন সপ্তাহ আগে গত ২২ অক্টোবর ভিডিও বাফারিং নিয়ে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়। জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী ও অভিনেত্রী তিশা ভিডিওটিতে অভিনয় করেন। মূলত রবির ইন্টারনেটের গতি অনেক ভালো এবং ভিডিও দেখার সময় কোন বাফারিং হয় না রবি ইন্টারনেটে এ বিষয়টিই বোঝানো হয়েছে ভিডিওটিতে। কিন্তু ভিডিওটি পোস্ট করার পরেই গ্রাহকদের তির্যক মন্তব্য শুরু হয়। অনেকে গালাগালিও করেন রবির সেবা নিয়ে। মঙ্গলবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা পর্যন্ত পোস্টটিতে ১ হাজার ৮০০ কমেন্টস, ৩৩ হাজার লাইক ও ২৬৮ বার শেয়ার করা হয়েছে।
রুবেল বিপ্লব নামে একজন লিখেছেন, 4g phon 4g sim তারপর ও ঘরের ভিতর ২জি এর কম স্পিড কেনো স্প্রিডে কি স্প্রিড ব্রেকার দিছেন?
এ কমেন্টের জবাবে রবি থেকে বলা হয়, সাময়িক অসুবিধার জন্য আন্তরিক ভাবে দুঃখিত।
পাল্টা কমেন্টেসে ফেইথ ফারুক নামের এক গ্রাহক লিখেন, জীবন ভইরা সাময়িক অসুবিধা এক গীত গাইয়াই গেলি।
হাফিজুর রহমান নামের একজন লিখেন, atto add na diye network age thik koro #miya.2g chole na 4g lagay.
অজিত রায় নামের একজন লিখেন, হাতের নাগালে নাই তো রবি সেবা..
অনেক দূরে।
মো. গোলাম মির্জা নামে একজন লিখেছেন. পাইবো ক্যামনে ফোন ৪জি আর সিম ৪.৫জি।
ইমরান মানিক নামে একজন লিখেছে, Ami already robi te tarporo network coverage problem।
সাইফুল সাইফ লিখেছেন, ভাই রবিতে নেটওয়ার্ক সমস্যার জন্য করণীয় কি….
সিম ভেঙ্গে ফেললেই ভালো হবে।
এ ধরণের অংসখ্য মন্তব্যে ভরে যায় রবির পোস্টটি। তবে রবি’র পক্ষ থেকে প্রতিবারের মতই দুঃখিত, খুব শীঘ্রই সব সমস্যার সমাধান করা হবে এমন সব কমেন্টস দিয়েই দায় সেরেছে।
তবে কয়েকজন গ্রাহক আবার রবির নেটওয়ার্কের প্রশংসাও করেছেন। তারা আগের চেয়ে উন্নত সেবা পাচ্ছেন বলে জানান।

ডিজিটালাইজেশনের ছোঁয়া আসছে ‘ভূমি ব্যবস্থাপনায়’

সিএইচটি টাইমস নিউজ ডেস্কঃ-মাটির সাথে মানুষের সম্পর্ক অনেক পুরানো।ভূমিকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয় একটি দেশের অর্থ সামাজিক কাঠামো।ভূমি ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক, সময়পোযোগী এবং গতিশীল করতে বর্তমান সরকারের উদ্যোগে গৃহীত হয়েছে ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম।আনুমানিক প্রায় ২৮০ কোটি টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্প একদিকে যেমন কমাবে মানুষের ভোগান্তি তেমনি রেকর্ড জালিয়াতিসহ নানা অসঙ্গতি নেমে আসবে শূন্যের কোটায়।‘ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভূমি জরিপ ও রেকর্ড প্রণয়ন এবং সংরক্ষণ’ এই প্রকল্পের আওতায় দেশের ৫৫টি জেলার সাড়ে ৪ কোটি ভূমির খতিয়ান তৈরি করার কাজ চলছে দ্রুত গতিতে।খতিয়ানের ডাটা এন্ট্রি থেকে শুরু করে সংরক্ষণ সবই করা হচ্ছে ডিজিটাল পদ্ধতিতে।ইতোমধ্যে তিনটি প্রকল্পের মাধ্যমে এ পর্যন্ত মোট ১ কোটি ৩৫ লাখ ২২ হাজার ৫১৮টি খতিয়ানের ডাটা এন্ট্রি হয়েছে এবং ৬৫ লাখ খতিয়ান স্কান সম্পন্ন হয়েছে।কোপেনহেগেন কনসেনসাস সেন্টার সম্পাদিত একটি গবেষণাপত্র মতে বাংলাদেশের ভূমি ব্যবস্থাপনা ডিজিটালাইজেশন হলে একটি সাধারণ জমির রেকর্ড-সম্পর্কিত লেনদেনে খরচ ১,০৪৫ টাকা থেকে কমে দাঁড়াবে মাত্র ৮০ টাকায়। আর এর জন্য গ্রাহককে গুনতে হবে মাত্র ১৫ দিন সময় ।আইনি ও বেআইনি লেনদেন কমে যাওয়ার কারণে বার্ষিক প্রত্যক্ষ সুফলের পরিমাণ দাঁড়াবে ৪৮ দশমিক ২ কোটি টাকা।একটি দেশের অর্থনীতির অন্তর্নিহিত শক্তি লুকিয়ে আছে ভূমিতে। আর এই ভূমি ব্যবস্থাপনায় ডিজিটালাইজেশনের ছোঁয়া ভূমির সুষম বন্টন নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি সেবাগ্রহীতাদের জন্য নিয়ে আসবে স্বস্তি এমনটিই মনে করে দেশের জনগণ।

অন্ধদের সাহায্য করবে গুগলের এ.আই

সিএইচটি নিউজ ডেস্কঃ-গুগল তাদের বিদ্যমান অ্যান্ড্রয়েড ফোনকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় অন্ধদের সহায়ক হিসেবে গড়ে তুলতে যাচ্ছে। এ কারণে তারা ‘লুকআউট’ নামে এমন একটি অ্যাপ নির্মাণ করতে যাচ্ছে যা কিনা ইমেজ শনাক্তকরণ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-এই দুটি প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে ফোনের ক্যামেরার মাধ্যমে যেকোনও দৃশ্য বর্ণনা করতে পারবে।

গুগল বর্তমানে অ্যাপটি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছে। গুগল আশা করছে, এই বছরের শেষের দিকে তারা এই অ্যাপটি মুক্তি দিতে পারবে এবং পিক্সেল ডিভাইস থেকেই এর ব্যবহার শুরু হবে।
তবে এই অ্যাপ শুধু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আইটেমগুলো বর্ণনা করবে। যদি কোনও ব্যক্তি এই বর্ণনা করার অপশনটি বন্ধ করতে চান, তবে ক্যামেরার ওপর হাত রাখলেই হবে বা অ্যাপটির পজ বাটনটি চাপলেই হবে।

এই অ্যাপটিতি ভিজ্যুয়াল সার্চ টুল গুগল লেন্সের প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে গুগল। কোম্পানিটির ভাষ্যমতে, লুকআউট অ্যাপটি মেশিন লার্নিং, ইমেজ শনাক্তকরণ এবং বিভিন্ন মেশিন লার্নিং মডেলগুলোর একটি সমন্বিত রূপ।
তবে অন্ধদের সাহায্য করার জন্য এ ধরনের অ্যাপ এটাই প্রথম নয়। এর আগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং স্মার্টফোন ব্যবহার করে মাইক্রোসফটও তাদের আইওএস ব্যবহারকারীদের জন্য প্রায় একইরকম একটি অ্যাপ তৈরি করেছিল।

ওই অ্যাপ প্রিন্ট বা হস্তাক্ষরে লেখা পড়তে পারে, রং বর্ণনা করতে পারে এবং মুদ্রার মূল্যায়ন করতে পারে। তাতে চেহারা শনাক্তকরণের উপাদানও রয়েছে। গুগল বলছে, ভবিষ্যতে তারাও লুকআউটে চেহারা শনাক্তকরণের ফিচারটি যোগ করবে।
সূত্র: সিএনএন মানি।