আজকে ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯ | | সময়ঃ-১২:০৯ অপরাহ্ন    

Home » লামা

লামা

লামার কিংবদন্তী নেতা আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল আর নেই

নিউজ ডেস্কঃ- লামা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও বিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল আর নেই (ইন্নানিল্লাহি …. রাজিউন)। শুক্রবার (১৫ ফেব্রুয়ারী) রাত সাড়ে ৮টায় লামা বাজারস্থ জেলা পরিষদ গেস্ট হাউজের ২য় তলায় আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে প্রস্তুতিমূলক মিটিংয়ে তিনি স্ট্রোক করেন। এসময় দ্রুত তাকে লামা হাসপাতালে জরুরী বিভাগে ভর্তি করা হয়। অবস্থার আরো অবনতি হলে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম নেয়ার পথে কক্সবাজারের চকরিয়ায় জমমজম হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

এদিকে আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল এর মৃত্যু খবর ছড়িয়ে পড়লে বান্দরবান, কক্সবাজার জেলা সহ সমগ্র এলাকায় শোকে ছায়া নেমে আসে। সকল শ্রেণীর মানুষ প্রিয় নেতার শেষ মুখখানি একবার দেখতে তার লামা বাজারের নয়াপাড়াস্থ তার বাড়িতে ভিড় জমায়। লামা উপজেলার অন্যতম অভিভাবক এর মৃত্যুতে দলীয় নেতাকর্মীরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।

বান্দরবান আওয়ামীলীগ পরিবারের অন্যতম সংগঠক আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল এর মৃত্যুর সংবাদ শুনে পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি ও বান্দরবান জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা শোক প্রকাশ করেছেন। শনিবার (১৬ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে পারিবারিক করবস্থানে মরহুমের জানাযা নামাজ সম্পন্ন হওয়া কথা রয়েছে। জানাযা নামাজে পার্বত্য মন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন বলে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বাথোয়াইচিং মার্মা নিশ্চিত করেছেন।

আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল ১৯৯২ সালে প্রথমবারের মত লামা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তারপর ২০০২ সালে লামা পৌরসভার ১ম পরিষদের প্রথম মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি ২০০৮ সালে ৩য় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে লামা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এছাড়া লামা উপজেলায় অসংখ্য স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ, মন্দির, ক্যাং, গির্জা ও প্রতিষ্ঠান তিনি নির্মাণ করেন। সমগ্র লামা উপজেলায় তার উন্নয়নের চিহ্ন রয়েছে। সর্বজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল কে লামাবাসি একজন অভিভাবক হারিয়েছে।

লামায় সেনা অভিযানে ৩টি পাথর বোঝাই ট্রাক আটক

নিউজ ডেস্কঃ- বান্দরবানের লামা উপজেলায় রাতের আধাঁরে অবৈধভাবে পাচারকালে ৩টি পাথর বোঝাই ট্রাক আটক করেছে সেনাবাহিনী। লামা-আলীকদম সেনা জোনের জোন কমান্ডার লেঃ কর্ণেল সাইফ শামীম পিএসসি এর নির্দেশে ইয়াংছা আর্মি ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার সিঃ ওয়ারেন্ট অফিসার নুরুল ইসলাম সঙ্গীয় সেনা সদস্য নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন। বুধবার (১৩ ফেব্রুয়ারী) রাত ১টায় উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের সাপেরঘারা বাজার হতে এই পাথর ভর্তি ট্রাক সমূহ আটক করা হয়। ট্রাক গুলো বর্তমানে ইয়াংছা আর্মি ক্যাম্পে রাখা হয়েছে।

সূত্র জানায়, পাথর পাচার হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার গভীর রাতে অভিযানে নামে ইয়াংছা আর্মি ক্যাম্পের একটি চৌকস সেনা টিম। দীর্ঘক্ষণ অভিযান চালিয়ে রাত ১টায় সাপেরঘারা বাজার এলাকা হতে ট্রাক ৩টি আটক করা হয়। সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে ট্রাকের ড্রাইভার ও পাথরের মালিকরা গাড়ি রাস্তায় পেলে পালিয়ে যায়। পরে সেনাবাহিনী অন্য গাড়ির ড্রাইভার দিয়ে বুধবার ভোরে অনেক কষ্টে পাথরের ট্রাকগুলো ইয়াংছা ক্যাম্পের নিয়ে আসে।

স্থানীয় ইউপি মেম্বার নাছির উদ্দিন বলেন, প্রতি রাতে ৭০ থেকে ১শত গাড়ি অবৈধ পাথর সাপেরঘারা-হারগাজা-ডুলহাজারা সড়ক দিয়ে পাচার হয়। পাথর তুলতে গিয়ে ব্যবসায়ীরা সমস্ত এলাকা পাহাড় কেটে ও গর্ত করে বিরান ভূমি করে ফেলেছে। পাথরের গাড়ি চলাচল করতে গিয়ে সদ্য করা রাস্তাঘাট ও কালভার্ট গুলো ভেঙ্গে নষ্ট করে ফেলেছে। গতরাতে সেনাবাহিনী অভিযান পরিচালনা করার সময় আরো কয়েকটি ট্রাক অন্য রাস্তা দিয়ে পালিয়ে যায়।

ফাঁসিয়াখালী ইউপি চেয়ারম্যান জাকের হোসেন মজুমদার জানান, কোন ঝিরি ছড়াতে ভাসমান পাথর নেই। প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গত ৭/৮ বছর ধরে মাটি খুঁড়ে ও পাহাড় কেটে পাথর উত্তোলন করছে। আমাদের বাধা প্রশাসন ব্যবসায়ী কেউ পাত্তা দিচ্ছেনা।

৩ ট্রাক পাথর আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে লামা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ অপ্পেলা রাজু নাহা বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ অফিসার পাঠানো হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।

অবৈধ পাথর উত্তোলনকারীদের কোন প্রকার ছাড় দেয়া হবেনা বলে জানান, লামা-আলীকদম সেনা জোনের জোন কমান্ডার লেঃ কর্ণেল সাইফ শামীম পিএসসি।

লামায় আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্থদের সুখ-দুঃখের কথা শুনলেন পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর

নিউজ ডেস্কঃ- পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি বান্দরবানের লামার রুপসীপাড়া বাজারে আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করেছেন। বুধবার (৬ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে রুপসীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে এ ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গত মঙ্গলবার মধ্যরাত ৩টা ৪০মিনিটে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে লাগা আগুনে রুপসীপাড়া বাজারে ৩১টি দোকান ও বসতবাড়ি ভস্মীভূত হয়।

আগুনে পুড়ে নিঃস্ব হওয়া ব্যবসায়ী ও বাড়ি মালিকদের সহায়তা এবং তাদের সুখ-দুঃখের কথা শুনতে ছুঁটে আসেন পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর। তিনি ৩১টি দোকানের ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী ও দোকান মালিকদের পার্বত্য মন্ত্রণালয়, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ, বান্দরবান জেলা প্রশাসন ও রুপসীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে জনপ্রতি ৩০ কেজি করে চাল, নগদ ২০ হাজার টাকা ও ২ বান ঢেউটিন প্রদান করেন। এছাড়া বান্দরবান জেলা ও লামা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ আরো সহায়তার প্রদানের আশ্বাস দেন।

বিতরণ অনুষ্ঠানে পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর সবাইকে আগুনের ব্যাপারে সতর্ক হতে পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, আসন্ন শুষ্ক মৌসুমে আগুনের বিষয়ে আমরা সতর্ক না হলে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বাড়তে পারে। এসময় তিনি রুপসীপাড়া বাজারের পুকুরটি সংস্কার ও খনন, ব্যবসায়ীদের জন্য একটি ডিপ টিউবয়েল, বাজারের সড়ক গুলো পাঁকা করা ও বাজারের জন্য ৭টি স্ট্রিট সোলার লাইট দেয়ার কথা বলেন। উন্নয়নের বিষয়ে জনপ্রতিনিধিদের ভোটের চিন্তা ও পক্ষপাতমূলক আচরণ না করতে বলেন।

রুপসীপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান ছাচিংপ্রু মার্মার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, বান্দরবান জেলা প্রশাসক মো. দাউদুল ইসলাম, লামা-আলীকদমের জোন কমান্ডার লে. কর্ণেল সাইফ শামীম পিএসসি, বান্দরবানে সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার আলী হোসেন, লামা সার্কেলের সহাকারী পুলিশ সুপার আবু সালাম চৌধুরী, আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কাজল বরণ দাশ, লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ জান্নাত রুমি, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল, জেলা পরিষদ সদস্য লক্ষীপদ দাশ, মোস্তফা জামাল, ফাতেমা পারুল, অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অপ্পেলা রাজু নাহা, ইউপি চেয়ারম্যান বাথোয়াইচিং মার্মা, মিন্টু কুমার সেন সহ প্রমূখ। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন রুপসীপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. বাসিদ হোসেন।

অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়িদের পাশে দাঁড়াতে কাল লামা যাচ্ছেন পার্বত্য মন্ত্রী

লামা,বান্দরবানঃ- বান্দরবানের লামা উপজেলায় গত মঙ্গলবার ভোর রাতে রুপসীপাড়া ইউনিয়ন সদর বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনায় আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে ব্যবসায়িদের ৩১টি দোকান। আর এ সংবাদ শুনে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়িদের পাশে দাঁড়াতে লামা ছুটে যাচ্ছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর।
পার্বত্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, কাল বুধবার সকাল ১০টায় লামার রুপসীপাড়া ইউনিয়ন সদর বাজার পরিদর্শন করে মন্ত্রী বীর বাহাদুর ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়িদের মাঝে ত্রান বিতরণ করবেন। এসময় জেলা প্রশাসক ছাড়াও লামা উপজেলার স্থানীয় নেতারা উপস্থিত থাকবেন।
সূত্র জানায়, উপজেলা সদর থেকে ৯ কিলোমিটার দূর রুপসীপাড়া ইউনিয়ন সদর বাজারের ব্যবসায়ী আবেদ আলীর ইলেকট্রিক দোকান থেকে মঙ্গলবার ভোর ৩টার দিকে হঠাৎ আগুন জ্বলে ওঠে। মুহুর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে, এতে ২ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন, সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদস্যরা এক ঘন্টা আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

লামায় রুপসীপাড়া বাজারে ৩১টি দোকান ভস্মীভূত,ক্ষতি কোটি টাকার অধিক

বান্দরবান অফিসঃ-বান্দরবানের লামার রুপসীপাড়া বাজারে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে লাগা আগুনে ৩১টি দোকান ভস্মীভূত হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ ফেব্রুয়ারী) মধ্যরাত ৩টা ৪০মিনিটে আগুনের সূত্রপাত হয়। সংবাদ পাওয়ামাত্র স্থানীয় জনতা ও রুপসীপাড়া ক্যাম্পের সেনাবাহিনী টিম আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। পরে লামা ও আলীকদম ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট দুই ঘণ্টা চেষ্টার চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কোটি টাকার অধিক বলে জানিয়েছেন, ইউপি চেয়ারম্যান ছাচিং প্রু মার্মা।

লামা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার নয়ন জীব চাকমা জানান, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। রাত ৩টা ৫০মিনিটে ফোন পেয়ে আমরা সাড়ে ৪টায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। দোকান গুলো টিন ও কাঠের হওয়ায় মুহুর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ৩১টি দোকান পুড়ে গেছে।

ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা হলেন, মো. মিলন (মুদি দোকান), রিপন (চা দোকান), মো. জাফর (মুদি দোকান), আবেদ আলী (হার্ডওয়ার, ইলেকট্রনিক্স-২টি, ওয়ার্কশপ), তোয়াজ মিয়া (বসতবাড়ি), মো. কামাল (চা দোকান), নাছির (মুদি দোকান), সুলতান কারবারী (চা দোকান), আকাশ (হারবাল ঔষধ), নূর আলম (মুদি দোকান), আবু বক্কর ছিদ্দিক (মুদি দোকান), মমতাজ (সারের ডিলার), আব্দুস সাত্তার গাজী (ফার্মেসি), মতিউর রহমান (মুদি), মো. শহীদ (মুদি), নজির মিয়া (৪টি মুদির দোকান ও গুদাম), রানা (মুদি), ইউছুপ (কম্পিউটার দোকান), এমাদুল (মুদি-আংশিক ক্ষতি), ছলিম উল্লাহ (হোমিও দোকান), রফিক (কম্পিউটার), আনিচ (মুদি), আবজাল (মুদি), আব্দুল লতিফ (কাঁচামাল) ও মংচিংথুই মার্মা (কম্পিউটার)।

ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী মতিউর রহমান, আবেদ আলী সহ অনেকে কান্না করে বলেন, আমরা সর্বশান্ত হয়ে গেছি। কোন মালামাল বের করতে পারিনি। ব্যাংক ও এনজিও ঋণ নিয়ে ব্যবসা করি। কিভাবে নিজের পরিবার চালাব ও ঋণের টাকা শোধ করব জানিনা।

রুপসীপাড়া বাজার কমিটির সভাপতি আব্দুস সাত্তার গাজী বলেন, আমার ফার্মেসি সহ মোট ৩১টি দোকান আগুনে পুড়ে গেছে। গভীর রাতে আগুন লাগার কারণে কোন মালামাল বের করা সম্ভব হয়নি। ব্যবসায়ীরা সর্বশান্ত হয়ে গেছে। আমরা সরকার ও পার্বত্য মন্ত্রীর কাছে সহায়তা চাই।

স্থানীয় ইউপি মেম্বার শাহ আলম বলেন, ফায়ার সার্ভিস আসতে কিছুটা বিলম্ব করায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেড়েছে। তাদের দায়িত্বের প্রতি আরো সচেতন হওয়া দরকার। সেনাবাহিনী মুহুর্তে ছুঁটে না এলে ক্ষতির পরিমাণ আরো বাড়ত।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে লামা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ অপ্পেলা রাজু নাহা বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ প্রেরণ করা হয়েছে। মধ্যরাতে আগুন লাগার কারণে ক্ষতির পরিমাণ বেশী হয়েছে।

রুপসীপাড়া বাজারে আগুনের ঘটনার কথা জানতে পেরে দুঃখ প্রকাশ করেছেন পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি। তিনি সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। এদিকে ব্যবসায়ীদের পাশে থাকার কথা জানিয়েছেন, লামা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল।

‘পুলিশ সেবা সপ্তাহ’ উপলক্ষে লামায় আলোচনা সভা

সিএইচটি টাইমস নিউজঃ-‘পুলিশ সেবা সপ্তাহ’ উদযাপন উপলক্ষে বান্দরবানের লামা থানা পুলিশের উদ্যোগে কমিউনিটি পুলিশিং সভা ও ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত হয়েছে। পুলিশের বিভিন্ন সেবা সম্পর্কিত প্রচারণার অংশ হিসেবে বুধবার (৩০ জানুয়ারী) বিকেলে লামা চত্বরে এই আয়োজন করা হয়। লামা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ অপ্পেলা রাজু নাহা’র স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সভা শুরু হয়।

কমিউনিটি পুলিশ লামা উপজেলা শাখার সভাপতি শেখ মাহাবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল। পৌর কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ কান্তি দাশ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন, লামা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আবু সালাম চৌধুরী, লামা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ অপ্পেলা রাজু নাহা, লামা সার্কেলের পুলিশ পরিদর্শক কাজী রকিব উদ্দিন, গজালিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বিল্লাল হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান মিন্টু কুমার সেন, ছাচিং প্রু মার্মা, উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিজয় কান্তি আইচ, পৌর কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সভাপতি মো. রফিক। এছাড়া কমিউনিটি পুলিশের নেতৃবৃন্দ, সুধীজন, সাংবাদিক, বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

লামা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আবু সালাম চৌধুরী বলেন, পুলিশ সেবা পাওয়া সহজ করার লক্ষ্যে সারা দেশে শুরু হয়েছে ‘পুলিশ সেবা সপ্তাহ’। আগামী ২ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত এ সেবা সপ্তাহ চলবে। পুলিশ সেবা সপ্তাহের উল্লেখযোগ্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে প্রতিটি পুলিশ ইউনিটে শোভাযাত্রা, পুলিশের বিভিন্ন সেবা সম্পর্কিত প্রচারণা, পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন, লিফলেট বিতরণ, পুলিশের বিগত বছরগুলোতে অর্জিত সাফল্য ও পুলিশি সেবা কার্যক্রম প্রদর্শন। পাশাপাশি বিডি পুলিশ হেল্প লাইন, জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে সেবাপ্রাপ্তি, আইজিপি কমপ্লেইন সেল, নারী ও শিশুবান্ধব পুলিশিং, কমিউনিটি পুলিশিং ইত্যাদি সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করাও সেবা সপ্তাহের লক্ষ্য।

প্রধান অতিথি আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল বলেন, সমাজ থেকে মাদক, জঙ্গীবাদ, নারী নির্যাতন বন্ধ করা গেলে সুন্দর একটি দেশ গড়া সম্ভব। তিনি সবাইকে আইন মেনে চলতে এবং তথ্য দিয়ে আইনকে সহায়তা করতে অনুরোধ করেন।

উল্লেখ্য যে, ২৭ জানুয়ারি ২০১৯ হতে শুরু হওয়া ‘পুলিশ সেবা সপ্তাহ’ আগামী ২ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত চলবে ।

লামায় আন্তঃপ্রাথমিক বিদ্যালয় ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নিউজ ডেস্কঃ-লামা উপজেলায় আন্তঃপ্রাথমিক বিদ্যালয় ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা-২০১৯ বুধবার (২৩ জানুয়ারী) দিনব্যাপী মধুঝিরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার ৮৫টি সরকারি প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।

১ম ও ২য় শ্রেণী ‘ক’ গ্রুপ এবং ৩য় থেকে ৫ম শ্রেণী ‘খ’ গ্রুপে উপজেলার ৮৫টি বিদ্যালয়ের সেরা শিক্ষার্থীরা ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ‘ক’ গ্রুপের মধ্যে রয়েছে, ৫০ মিটার দৌড়, ২৫ মিটার চকলেট দৌড়, দীর্ঘ লাফ, ক্রিকেট বল নিক্ষেপ, গ্রপ্তধন উদ্ধার, যেমন খুশি তেমন সাজ, ‘খ’ গ্রুপে রয়েছে, ১০০ মিটার দৌড়, দীর্ঘলাফ, উচ্চ লাফ, ভারসাম্য দৌড়, মোরগ লড়াই, ক্রিকেট বল নিক্ষেপ, অংক দৌড়। সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় মধ্যে ‘ক’ গ্রপে রয়েছে, ছড়া আবৃত্তি, চিত্রাংকন, নৃত্য, সুন্দর হাতের লেখা (বাংলা) এবং ‘খ’ গ্রপে রয়েছে, কবিতা আবৃত্তি, চিত্রাংকন, নৃত্য, পল্লীগীতি/লোকগীতি, দেশাত্ববোধক গান, একক অভিনয়, উপস্থিত বক্তৃতা, শ্রেষ্ট কাব শিশু।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ জান্নাত রুমি। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আশীষ কুমার মহাজন, মাতামুহুরী সরকারি কলেজের আইটি শিক্ষক মো. ফরিদ উদ্দিন, লামা প্রেস ক্লাবের সভাপতি প্রিয়দর্শী বড়–য়া, রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, নুনারবিল সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহেদ সারোয়ার, মধুঝিরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হাবিবুর রহমান, প্রধান শিক্ষক নাজিম উদ্দিন, নুরুল আবছার সহ আরো অন্যান্য বিদ্যালয়ের প্রধান ও সরকারি শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবক বৃন্দ।

পরে অনুষ্ঠানে উপজেলা পর্যায়ে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা। উল্লেখ্য, উপজেলা পর্যায়ে প্রথম স্থান অধিকার করা শিক্ষার্থীরা জেলা পর্যায়ে অংশগ্রহণ করবে।

লামায় টেকনিক্যাল স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হবে

নিউজ ডেস্কঃ-বান্দরবান জেলা প্রশাসক মো. দাউদুল ইসলাম বৃহস্পতিবার (১৭ জানুয়ারী) দুপুরে লামা উপজেলা পরিষদ হলরুমে সরকারি-বেসরকারি ও বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষ ব্যক্তিদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। মতবিনিময় সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ জান্নাত রুমি সভাপতিত্ব করেন।

সভায় লামা পৌরসভার মেয়র মো. জহিরুল ইসলাম, জেলা পরিষদ সদস্য মোস্তফা জামাল, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শরাবান তহুরা, অফিসার ইনচার্জ অপ্পেলা রাজু নাহা, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শেখ মাহবুবুর রহমান বিশেষ অতিথি ছিলেন। এছাড়া জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষ ব্যক্তিরা উপজেলার বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয়ে আলোকপাত করেন। ইউপি চেয়ারম্যানরা ইউনিয়ন পরিষদ সমুহের নিজস্ব আয়ের সম্ভাব্য দিকগুলো তুলে ধরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে রাজস্ব আয় বৃদ্ধিতে বাধা দূরীকরণ, আশ্রয়ন প্রকল্প সমুহের সংস্কার ও ভূমি জটিলতা নিরসন পূর্বক আশ্রিত মানুষের সেবা প্রদানের কথা জানান। বক্তারা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মিরিঞ্জা পর্যটনকে ঢেলে সাজানো সহ লামার পর্যটন শিল্পের বিকাশের আহবান করেন।

লামা পৌর শহরসহ আশপাশের গ্রামগুলোকে বন্যার কবল থেকে রক্ষায় নদীর গতি পরিবর্তনের বিষয়টি তুলে ধরেন, লামা পৌর মেয়র মো. জহিরুল ইসলাম। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সংকট নিরসনে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার দাবী জানান বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণ।

জেলা প্রশাসক মো. দাউদুল ইসলাম বলেন, দক্ষ জনশক্তি বৃদ্ধিতে লামা উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল প্রতিষ্ঠিত করা হবে। তিনি আরো বলেন, শিক্ষা ছাড়া কোন জাতির উন্নতি হতে পারে না। তাই সব শিশুকে সুশিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে। উপজেলার সকল বিদ্যালয় গুলোতে বিদ্যমান শিক্ষক সংকট নিরসন সহ অন্যান্য সমস্যা দ্রুত নিরসনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শেষে তিনি একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন ইউনিয়নের উপকারভোগীদের মাঝে ঋণ বিতরণ করেন।

লামায় ২৫০ পিস ইয়াবা সহ আটক ১

নিউজ ডেস্কঃ-বান্দরবানের লামায় মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে ২৫০ পিস ইয়াবা মো. আকরাম (৩০) নামে একজনকে আটক করেছে লামা থানা পুলিশ। সোমবার (১৪ জানুয়ারী) বিকেলে লামা পৌরসভার কলিঙ্গাবিল মার্মা হতে ইয়াবা সহ তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়। সে লামা বাজার পাড়ার মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে।

লামা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আবু সালাম চৌধুরী ও লামা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ অপ্পেলা রাজু নাহার নির্দেশে অভিযান পরিচালনা করে এসআই জয়নাল আবেদীন ও এএসআই রাম প্রসাদ দাশ।

এসআই জয়নাল আবেদীন জানান, নিয়মিত মাদক বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে মাঠে নামে পুলিশ। ইয়াবা কেনাবেচা হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কলিঙ্গাবিল মার্মা পাড়ার মংচানু মার্মার বাড়িতে অভিযান চালায় তারা। এসময় হাতেনাতে ২৫০ পিস ইয়াবা সহ মো. আকরামকে আটক করে এবং আরো একজন পালিয়ে যায়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে লামা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ অপ্পেলা রাজু নাহা বলেন, ইয়াবা সহ আটক আকরামের নামে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে। তার নামে আগেও কয়েকটি মামলা রয়েছে।

 

লামা মডার্ণ হাইস্কুল উদ্বোধন করলেন বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ

নিউজ ডেস্কঃ- আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষার অঙ্গিকার নিয়ে বান্দরবানের লামায় যাত্রা শুরু করল “লামা মডার্ণ হাইস্কুল”।লামা পৌরসভার প্রাণকেন্দ্র নুনারবিল এলাকায় শনিবার (১২ জানুয়ারী) দুপুরে বিদ্যালয়টির শুভ উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ।সকাল হতে শুরু হওয়া দুই পর্বের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা। কেক কেটে ও বেলুন উড়িয়ে স্কুলের শুভ উদ্বোধন করা হয়।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতি জ উ প্রু এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ জান্নাত রুমি, লামা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আনিছুর রহমান, লামা সার্কেলের এএসপি আবু সালাম চৌধুরী, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য মোস্তফা জামাল, ফাতেমা পারুল, লামা পৌরসভার মেয়র জহিরুল ইসলাম, লামা থানা অফিসার ইনচার্জ অপ্পেলা রাজু নাহা, ইউপি চেয়ারম্যান বাথোয়াইচিং মার্মা, মিন্টু কুমার সেন, ছাচিংপ্রু মার্মা সহ প্রমূখ। এসময় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি, সাংবাদিক, স্থানীয় জনসাধারণ, বিদ্যালয়ের অভিভাবক ও কোমলমতি শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ বলেন, সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিয়েছে লামা মডার্ণ হাইস্কুলের পরিচালনা কমিটি। এখন সব অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের ভাল স্কুলে লেখাপড়া করাতে চায়। তবে ভাল স্কুলে না পড়লে ভাল মানুষ হওয়া যাবেনা এমন ধারনা ভুল। অনেকে গ্রামের পশ্চাৎপদ স্কুলে পড়েও এখন সমাজে অনেকে প্রতিষ্ঠিত। আমি তার উদাহরণ। ইচ্ছা থাকলে সফলতা সম্ভব। বর্তমান সরকার শিক্ষাবান্ধব। লামাবাসিকে আমি ভালবাসি বলে বারবার এখানে ছুঁটে আসি। আমার বিশ্বাস বান্দরবান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও স্থানীয় সকল প্রশাসন এই বিদ্যালয়টিকে সর্বোচ্চ সহায়তা দিবে। আমার সমর্থের মধ্য সবচেয়ে ভালটা এই স্কুলের জন্য আমি করব। ১ম পর্ব আলোচনা সভা শেষে ২য় পর্বের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। স্থানীয় ও অতিথি শিল্পীরা সেখানে নৃত্য ও গান পরিবেশন করেন।