আজকে ২৪ এপ্রিল, ২০১৯ | | সময়ঃ-০৬:৩৭ অপরাহ্ন    

Home » লামা

লামা

সংবাদ পরিবেশনের ১ ঘন্টার মধ্যে গাঁজা ক্ষেত ধ্বংস করল পুলিশ

নিউজ ডেস্কঃ- “বান্দরবানের লামায় হচ্ছে গাজা চাষ” বিভিন্ন পত্রিকার অনলাইনে শনিবার সকাল ১০টায় প্রকাশিত সংবাদের ১ ঘন্টার মধ্যে অভিযানে নামে বান্দরবানের লামা থানা পুলিশ। বান্দরবান জেলা পুলিশ সুপার জাকির হোসেন মজুমদার প্রকাশিত সংবাদের মাধ্যমে বিষয়টি অবগত হয়ে লামা থানাকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে বলেন।পুলিশ সুপার এর নির্দেশে লামা থানায় সদ্য যোগদানকৃত অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আমিনুল হক সঙ্গীয় ১৫/২০ জন পুলিশের অফিসার,সদস্য ও মহিলা পুলিশ নিয়ে অভিযানে নামেন।অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন, লামা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক কৃষ্ণ কুমার দাশ, আসাদুজ্জামান, আয়াত, এএসআই সুজন ভৌমিক, রাম প্রসাদ দাশ, সহ প্রমূখ।শনিবার (২০ এপ্রিল) সকাল ১১টা হতে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত লামা পৌর শহরের কাছাকাছি সদর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড রোয়াজা ঝিরি এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।২০ শতক জমিতে করা প্রায় ৮ শতাধিক পূর্ণ বয়স্ক গাঁজা গাছ ও ১ হাজারের মত গাঁজা গাছের চারা উপড়ে ফেলে হয়।এসময় গাঁজা ক্ষেতের মালিক মো.ইয়াহিয়া মিন্টুর স্ত্রী খুরশিদা বেগমকে ঘটনাস্থল থেকে হাতেনাতে আটক করা হয়।আটক খুরশিদা বেগম ও গাঁজা গাছ গুলো পুলিশ লামা থানায় নিয়ে আসে।ক্ষেতের মালিক মো. ইয়াহিয়া মিন্টু কয়েকদিন যাবৎ লামায় না থাকায় তাকে আটক করা যায়নি।লামা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আমিনুল হক বলেন,খবর শুনার সাথে আমরা অভিযান পরিচালনা করি।প্রায় ২০ শতক জমিতে চাষ করা ৮ শতাধিক পূর্ণ বয়স্ক গাঁজা গাছ ও ১ হাজারের অধিক নার্সারীর গাঁজা চারা ধ্বংস করতে সক্ষম হই।এসময় গাঁজা ক্ষেতের মালিক মো.ইয়াহিয়া মিন্টুর স্ত্রী খুরশিদা বেগমকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।প্রসঙ্গত,লামা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের রোয়াজা ঝিরি এলাকার লোকমানের বাড়ির পূর্ব পাশে পাহাড়ের কোল ঘেষে ৬০ শতক জমি বর্গা নিয়ে বিভিন্ন প্রজাতির শাক-সবজি চাষাবাদ করে মো.ইয়াহিয়া মিন্টু।তার স্ত্রী খুরশিদা বেগম (৩২) ক্ষেতের কাজে সহায়তা করে।উক্ত জমিটি লামা পৌরসভার ছাগলখাইয়া এলাকার আব্দুল মজিদের ছেলে আব্দুস ছালাম লেদুর কাছ থেকে ১ বছরের জন্য ১৫ হাজার টাকা দিয়ে বর্গা নেয় মিন্টু। সেখানে ভুট্টা, সীম, পেঁপে, বেগুন, মরিচ সহ নানা রকম সবজির চাষাবাদ করা হয়েছে।পাশের চলাচলের রাস্তা হতে ক্ষেতের দিকে তাকিয়ে দেখলে এইসব ক্ষেত দেখা যায়। এইসব ফসলের ভিতরে লুকিয়ে প্রায় ২০ শতক জমিতে নেশাদ্রব্য গাজার চাষ করছে সে।

সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতদের মাঝে নির্বাচন কমিশনের অনুদান প্রদান

বান্দরবানঃ –  বান্দরবানে ১৮ মার্চ অনুষ্ঠিত হওয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত এক আনসার সদস্য ও ১৯ জন আহত বিভিন্ন দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্যে আর্থিক সাহায্য প্রদান করা হয়েছে ।

শনিবার সকালে বান্দরবানের লামা উপজেলা প্রশাসনের হলরুমে উপজেলা প্রশাসন ও নির্বাচন অফিসের আয়োজনে এই আর্থিক সাহায্য ও অনুদানের চেক প্রদান করা হয় । এসময় অনুষ্টানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনের সচিব হেলালুদ্দীন আহম্মদ ।

অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাচনে দায়িত্বপালনের জন্য বান্দরবানের লামা থেকে ফাইতং ইউনিয়নের পোলাউ পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে নির্বাচনী দায়িত্বে যাওয়ার সময় পথিমধ্যে মারাত্মক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত আনসার ভিডিপি সদস্য হাফিজা বেগমের পরিবারকে ৫ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার চেক ও গুরুতরআহত ১২ জন ও অন্যান্য আহত ৮ জনসহ সর্বমোট ২০ জনকে ১৯লক্ষ টাকার অনুদান প্রদান করা।
এসময় নির্বাচনী দায়িত্বে কর্মরত আহত ও নিহত পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত থেকে এই অনুদান গ্রহণ করে।

অনুষ্ঠানে এসময় নির্বাচন কমিশনের সচিব হেলালুদ্দীন আহম্মদ, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম,পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকির হোসেন মজুমদার,আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো:হাসানুজ্জামান,জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাউল করিম,লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুর এ জান্নাত রুমী,উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তফা জামালসহ সরকারি বেসরকারি ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজে জিমনিসিয়াম ভবনের উদ্বোধন

নিউজ ডেস্কঃ- বান্দরবানের লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নের কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজে প্রথম নবনির্মিত জিমনিসিয়াম ভবনের উদ্বোধন করেছে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো:জাহিদ আহসান রাসেল এমপি।

রবিবার সকালে বান্দরবানের লামা উপজেলার দুর্গম সরই ইউনিয়নের কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো:জাহিদ আহসান রাসেল এমপি এই জিমনিসিয়াম ভবনের উদ্বোধন করেন। এসময় ফিতা কেটে ফলক উন্মোচনের মধ্য দিয়ে নবনির্মিত জিমনিসিয়ান ভবনের কার্যক্রম শুরু হয়।

অনুষ্ঠানে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের বিভিন্ন কোয়ান্টা শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের মনোমুগ্ধকর জিমন্যাস্টিকস শো প্রদর্শন করে।

এসময় চীন ,থাইল্যান্ড, কোরিয়া, ভারতসহ বিভিন্ন দেশে অংশগ্রহণ করে স্বর্ণ,রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ পদক বিজয়ী শিক্ষার্থীরা তাদের বিভিন্ন মনোমুগ্ধকর জিমন্যাস্টিকস শো প্রদর্শন করে।

নবনির্মিত জিমনিসিয়াম ভবনের উদ্বোধন শেষে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয় । এসময় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো:জাহিদ আহসান রাসেল এমপি, বাংলাদেশ জিমন্যাস্টিক ফেডারশনের সাধারণ সম্পাদক আহমেদুর রহমান, কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি অধ্যাপিকা আমেনা বেগম, কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ ছালেহ আহম্মদসহ বিদ্যালয়ের ২ হাজার ২শত ছাত্রী ছাত্রী উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল মাঠে শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় এক মনোমুগ্ধকর শরীরচর্চা প্রদর্শনী ও ডিসপ্লে অনুষ্ঠিত হয় । শরীর চর্চা প্রদর্শনী ও ডিসপ্লেতে উপস্থিত থেকে সালাম গ্রহন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো:জাহিদ আহসান রাসেল এমপি।

অনুষ্ঠানে অতিথিরা কোয়ান্টাম শিশুদের দেশ ও বিদেশে ক্রীড়াক্ষেত্রে বিভিন্ন অবদান রাখার জন্য শিশু শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং আগামীতে দেশের হয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলাধুলায় অংশ নিয়ে দেশের সুনাম অক্ষুণ রাখার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান।

বান্দরবানে ৬টিতে আওয়ামীলীগ,১টি স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচিত

বান্দরবান অফিসঃ-  বান্দরবানের উপজেলা পরিষদ নির্বাচেন ৬টিতে আওয়ামীলীগ, ১টি স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচিত । সদর উপজেলায় আওয়ামীলীগের প্রার্থী একেএম জাহাঙ্গীর, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় আওয়ামীলীগের প্রার্থী মো: শফিউল্লাহ , রোয়াংছড়ি, উপজেলায় আওয়ামীলীগের প্রার্থী চহাইমং মারমা,থানচি আওয়ামীলীগের প্রার্থী থোয়াই হ্লা মং, রুমা উপজেলায় আওয়ামীলীগের প্রার্থী উহ্লাচিং মারমা,আলীকদম উপজেলায় স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল কালাম ও লামা উপজেলায় আওয়ামীলীগের প্রার্থী মোস্তফা জামাল বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে।

লামার ইলিয়াছ ৩০ হাজার ইয়াবাসহ চট্টগ্রামে গ্রেফতার

বান্দরবান অফিসঃ-চট্টগ্রাম নগরের বন্দর এলাকা থেকে ৩০ হাজার পিস ইয়াবাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ০২ ফেব্রুয়ারি শনিবার বন্দর এলাকার মনছুর মার্কেটের সামনে থেকে একটি ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন-কুমিল্লার মো. খুরশীদ (৩০), বান্দরবানের লামা পৌরসভার চেয়ারম্যান পাড়া এলাকার মো. জহিরের ছেলে মো. ইলিয়াছ (২৮) ও নগরের আকবর শাহ এলাকার আবু বক্কর সোহাগ (২৫)।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পু্লিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (বন্দর জোন) আরেফিন জুয়েল বলেন, ভোরে একটি ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে ৩০ হাজার ইয়াবাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে বন্দর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

লামায় শহীদ স্মরণে বিনম্র শ্রদ্ধা

নিউজ ডেস্কঃ-লামা উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান ২১শে ফেব্রুয়ারী ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শহীদ বেদীতে পুস্পমাল্য অর্পনের মাধ্যমে বিনম্র শ্রদ্ধা জানানো হয়।

বুধবার রাত ১২টা ১মিনিটে লামা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়স্থ শহীদ মিনার বেদীতে শহীদদের স্বরণে সম্মান জানিয়ে পুস্পমাল্য অর্পনের মাধ্যমে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ জান্নাত রুমি।

এছাড়াও পুস্পমাল্য অর্পনের মাধ্যমে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন, লামা পুলিশ সার্কেল, লামা থানা, মুক্তিযাদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল লামা, লামা উপজেলা আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠন, রাজনৈতিক সংগঠন, লামা বন বিভাগ, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও এনজিও সমূহ।

প্রথমে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে পুস্পমাল্য অর্পনের মাধ্যমে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ জান্নাত রুমি। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন কলেজ, মাদ্রাসা, মাধ্যমিক ও প্রাথমিক স্কুলে ভাষা শহীদ বেদীতে পুস্পমাল্য অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের শ্রদ্ধা জানানো হয়।

লামায় আলহাজ্ব মো. ইসমাইল এর জানাজায় মানুষের ঢল

নিউজ ডেস্কঃ-শোকার্ত হাজার হাজার মানুষের অংশগ্রহণের মধ্যদিয়ে লামা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল এর নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (১৬ ফেব্রুয়ারী) বাদে জোহর ২টা ২০ মিনিটে লামা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত ১ম নামাজে জানাজায় বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলা সহ বৃহত্তর চট্টগ্রামের হাজার হাজার মানুষের ঢল নামে। বিশাল স্কুল মাঠটি জানাজায় অংশগ্রহণকৃত সাধারণ মানুষে পরিপূর্ণ হয়ে যায়। দ্বিতীয় জানাজা বিকাল ৩টায় বমুবিলছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ মাঠ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়। শেষে বমুবিলছড়ি পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল ১৯৬২ সালে ২১ শে জানুয়ারী কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার বমুবিলছড়ি ইউনিয়নের পশ্চিমপাড়া গ্রামে এর সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। মৃত্যুকালীন তার বয়স হয়েছিল ৫৭ বছর ২৪ দিন। তার বাবার নাম মৃত কবির আহাম্মদ, মাতার নাম চেমন আরা।

জানাজা শুরুর আগে লামা বাজার ও আশপাশের স্থান সমূহ সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে জনসমুদ্রে পরিণত হয়। জানাজায় ইমামতি করেন লামা কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব মাওলানা মো. ইব্রাহিম। জানাজার পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল এর ছোট ভাই মো. নাছির উদ্দিন, বান্দরবান জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ইসলাম বেবী, বান্দরবান জেলা পরিষদ সদস্য মোস্তফা জামাল, আওয়ামীলীগ নেতা মঞ্জুরুল কাদের।

ছোট ভাই নাছির উদ্দিন আগত জনতার প্রতি তার পরিবারের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানান ও বড় ভাইয়ের সকল ভুলত্রুটি ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তিনি বলেন, লামা সহ বান্দরবানের মাটি ও মানুষের নেতা আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল শুক্রবার রাতে স্ট্রোক করার পর থেকে মানুষ তার প্রতি যে অকৃত্রিম ভালবাসা দেখিয়েছে তাতে আমাদের পরিবার এলাকাবাসির কাছে কৃতজ্ঞ। জানাজায় হাজার হাজার মানুষের ভিড় প্রমাণ করে তিনি বান্দরবান ও কক্সবাজার বাসীর কত আপন ছিলেন। আমার বড় ভাই আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল এর জীবদ্দশায় যদি কোন ভুল করে থাকেন অথবা কারো মনে যদি কোন কষ্ট দিয়ে থাকেন তার জন্য বড় ভাইয়ের পক্ষ থেকে ক্ষমা চান।

নামাজে জানাজায় পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি, বান্দরবানের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলী হোসেন, সহকারী জেলা প্রশাসক, আলীকদম সেনা জোনের জোন কমান্ডার লেঃ কর্ণেল সাইফ শামীম পিএসসি সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা শরিক হন।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার (১৫ ফেব্রুয়ারী) রাত সাড়ে ৮টায় লামা বাজারস্থ জেলা পরিষদ গেস্ট হাউজের ২য় তলায় আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে প্রস্তুতিমূলক মিটিংয়ে আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল স্ট্রোক করেন। এসময় দ্রুত তাকে লামা হাসপাতালে জরুরী বিভাগে ভর্তি করা হয়। অবস্থার আরো অবনতি হলে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম নেয়ার পথে কক্সবাজারের চকরিয়ায় জমজম হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যু খবর ছড়িয়ে পড়লে বান্দরবান, কক্সবাজার জেলা সহ সমগ্র এলাকায় শোকে ছায়া নেমে আসে।

আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল ১৯৯২ সালে প্রথমবারের মত লামা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তারপর ২০০২ সালে লামা পৌরসভার ১ম পরিষদের প্রথম মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি ২০০৯ সালে ৩য় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে লামা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এছাড়া লামা উপজেলায় অসংখ্য স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ, মন্দির, ক্যাং, গির্জা ও প্রতিষ্ঠান তিনি নির্মাণ করেন। সমগ্র লামা উপজেলায় তার উন্নয়নের চিহ্ন রয়েছে। সর্বজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইলকে হারিয়ে লামাবাসি সত্যিকারের একজন অভিভাবক হারিয়েছে।

লামার কিংবদন্তী নেতা আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল আর নেই

নিউজ ডেস্কঃ- লামা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও বিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল আর নেই (ইন্নানিল্লাহি …. রাজিউন)। শুক্রবার (১৫ ফেব্রুয়ারী) রাত সাড়ে ৮টায় লামা বাজারস্থ জেলা পরিষদ গেস্ট হাউজের ২য় তলায় আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে প্রস্তুতিমূলক মিটিংয়ে তিনি স্ট্রোক করেন। এসময় দ্রুত তাকে লামা হাসপাতালে জরুরী বিভাগে ভর্তি করা হয়। অবস্থার আরো অবনতি হলে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম নেয়ার পথে কক্সবাজারের চকরিয়ায় জমমজম হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

এদিকে আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল এর মৃত্যু খবর ছড়িয়ে পড়লে বান্দরবান, কক্সবাজার জেলা সহ সমগ্র এলাকায় শোকে ছায়া নেমে আসে। সকল শ্রেণীর মানুষ প্রিয় নেতার শেষ মুখখানি একবার দেখতে তার লামা বাজারের নয়াপাড়াস্থ তার বাড়িতে ভিড় জমায়। লামা উপজেলার অন্যতম অভিভাবক এর মৃত্যুতে দলীয় নেতাকর্মীরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।

বান্দরবান আওয়ামীলীগ পরিবারের অন্যতম সংগঠক আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল এর মৃত্যুর সংবাদ শুনে পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি ও বান্দরবান জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা শোক প্রকাশ করেছেন। শনিবার (১৬ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে পারিবারিক করবস্থানে মরহুমের জানাযা নামাজ সম্পন্ন হওয়া কথা রয়েছে। জানাযা নামাজে পার্বত্য মন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন বলে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বাথোয়াইচিং মার্মা নিশ্চিত করেছেন।

আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল ১৯৯২ সালে প্রথমবারের মত লামা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তারপর ২০০২ সালে লামা পৌরসভার ১ম পরিষদের প্রথম মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি ২০০৮ সালে ৩য় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে লামা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এছাড়া লামা উপজেলায় অসংখ্য স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ, মন্দির, ক্যাং, গির্জা ও প্রতিষ্ঠান তিনি নির্মাণ করেন। সমগ্র লামা উপজেলায় তার উন্নয়নের চিহ্ন রয়েছে। সর্বজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল কে লামাবাসি একজন অভিভাবক হারিয়েছে।

লামায় সেনা অভিযানে ৩টি পাথর বোঝাই ট্রাক আটক

নিউজ ডেস্কঃ-বান্দরবানের লামা উপজেলায় রাতের আধাঁরে অবৈধভাবে পাচারকালে ৩টি পাথর বোঝাই ট্রাক আটক করেছে সেনাবাহিনী। লামা-আলীকদম সেনা জোনের জোন কমান্ডার লেঃ কর্ণেল সাইফ শামীম পিএসসি এর নির্দেশে ইয়াংছা আর্মি ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার সিঃ ওয়ারেন্ট অফিসার নুরুল ইসলাম সঙ্গীয় সেনা সদস্য নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন। বুধবার (১৩ ফেব্রুয়ারী) রাত ১টায় উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের সাপেরঘারা বাজার হতে এই পাথর ভর্তি ট্রাক সমূহ আটক করা হয়। ট্রাক গুলো বর্তমানে ইয়াংছা আর্মি ক্যাম্পে রাখা হয়েছে।

সূত্র জানায়, পাথর পাচার হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার গভীর রাতে অভিযানে নামে ইয়াংছা আর্মি ক্যাম্পের একটি চৌকস সেনা টিম। দীর্ঘক্ষণ অভিযান চালিয়ে রাত ১টায় সাপেরঘারা বাজার এলাকা হতে ট্রাক ৩টি আটক করা হয়। সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে ট্রাকের ড্রাইভার ও পাথরের মালিকরা গাড়ি রাস্তায় পেলে পালিয়ে যায়। পরে সেনাবাহিনী অন্য গাড়ির ড্রাইভার দিয়ে বুধবার ভোরে অনেক কষ্টে পাথরের ট্রাকগুলো ইয়াংছা ক্যাম্পের নিয়ে আসে।

স্থানীয় ইউপি মেম্বার নাছির উদ্দিন বলেন, প্রতি রাতে ৭০ থেকে ১শত গাড়ি অবৈধ পাথর সাপেরঘারা-হারগাজা-ডুলহাজারা সড়ক দিয়ে পাচার হয়। পাথর তুলতে গিয়ে ব্যবসায়ীরা সমস্ত এলাকা পাহাড় কেটে ও গর্ত করে বিরান ভূমি করে ফেলেছে। পাথরের গাড়ি চলাচল করতে গিয়ে সদ্য করা রাস্তাঘাট ও কালভার্ট গুলো ভেঙ্গে নষ্ট করে ফেলেছে। গতরাতে সেনাবাহিনী অভিযান পরিচালনা করার সময় আরো কয়েকটি ট্রাক অন্য রাস্তা দিয়ে পালিয়ে যায়।

ফাঁসিয়াখালী ইউপি চেয়ারম্যান জাকের হোসেন মজুমদার জানান, কোন ঝিরি ছড়াতে ভাসমান পাথর নেই। প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গত ৭/৮ বছর ধরে মাটি খুঁড়ে ও পাহাড় কেটে পাথর উত্তোলন করছে। আমাদের বাধা প্রশাসন ব্যবসায়ী কেউ পাত্তা দিচ্ছেনা।

৩ ট্রাক পাথর আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে লামা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ অপ্পেলা রাজু নাহা বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ অফিসার পাঠানো হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।

অবৈধ পাথর উত্তোলনকারীদের কোন প্রকার ছাড় দেয়া হবেনা বলে জানান, লামা-আলীকদম সেনা জোনের জোন কমান্ডার লেঃ কর্ণেল সাইফ শামীম পিএসসি।

লামায় আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্থদের সুখ-দুঃখের কথা শুনলেন পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর

নিউজ ডেস্কঃ-পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি বান্দরবানের লামার রুপসীপাড়া বাজারে আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করেছেন। বুধবার (৬ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে রুপসীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে এ ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গত মঙ্গলবার মধ্যরাত ৩টা ৪০মিনিটে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে লাগা আগুনে রুপসীপাড়া বাজারে ৩১টি দোকান ও বসতবাড়ি ভস্মীভূত হয়।

আগুনে পুড়ে নিঃস্ব হওয়া ব্যবসায়ী ও বাড়ি মালিকদের সহায়তা এবং তাদের সুখ-দুঃখের কথা শুনতে ছুঁটে আসেন পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর। তিনি ৩১টি দোকানের ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী ও দোকান মালিকদের পার্বত্য মন্ত্রণালয়, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ, বান্দরবান জেলা প্রশাসন ও রুপসীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে জনপ্রতি ৩০ কেজি করে চাল, নগদ ২০ হাজার টাকা ও ২ বান ঢেউটিন প্রদান করেন। এছাড়া বান্দরবান জেলা ও লামা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ আরো সহায়তার প্রদানের আশ্বাস দেন।

বিতরণ অনুষ্ঠানে পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর সবাইকে আগুনের ব্যাপারে সতর্ক হতে পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, আসন্ন শুষ্ক মৌসুমে আগুনের বিষয়ে আমরা সতর্ক না হলে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বাড়তে পারে। এসময় তিনি রুপসীপাড়া বাজারের পুকুরটি সংস্কার ও খনন, ব্যবসায়ীদের জন্য একটি ডিপ টিউবয়েল, বাজারের সড়ক গুলো পাঁকা করা ও বাজারের জন্য ৭টি স্ট্রিট সোলার লাইট দেয়ার কথা বলেন। উন্নয়নের বিষয়ে জনপ্রতিনিধিদের ভোটের চিন্তা ও পক্ষপাতমূলক আচরণ না করতে বলেন।

রুপসীপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান ছাচিংপ্রু মার্মার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, বান্দরবান জেলা প্রশাসক মো. দাউদুল ইসলাম, লামা-আলীকদমের জোন কমান্ডার লে. কর্ণেল সাইফ শামীম পিএসসি, বান্দরবানে সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার আলী হোসেন, লামা সার্কেলের সহাকারী পুলিশ সুপার আবু সালাম চৌধুরী, আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কাজল বরণ দাশ, লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ জান্নাত রুমি, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল, জেলা পরিষদ সদস্য লক্ষীপদ দাশ, মোস্তফা জামাল, ফাতেমা পারুল, অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অপ্পেলা রাজু নাহা, ইউপি চেয়ারম্যান বাথোয়াইচিং মার্মা, মিন্টু কুমার সেন সহ প্রমূখ। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন রুপসীপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. বাসিদ হোসেন।