আজকে ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯ | | সময়ঃ-১২:০৯ অপরাহ্ন    

Home » রাঙামাটি

রাঙামাটি

কাপ্তাইয়ে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে দীপংকর তালুকদারের নগদ অর্থ প্রদান

রাঙামাটি সংবাদদাতাঃ- কাপ্তাইয়ের চন্দ্রঘোনাস্থ কর্ণফুলী পেপার মিলস লিঃ এর (কেপিএম) আবাসিক এলাকার বারঘোনিয়া মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ১৮জন দোকানীর মাঝে শুক্রবার সকালে নগদ অর্থ সাহায্য প্রদান করেন রাঙামাটির নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদার।

গত ৬ ডিসেম্বর রাত প্রায় ২টার সময় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে বারঘোনা কেপিএম মার্কেটের ১৮ টি মুদি, কুলিং কর্ণার, চা-দোকান, ফার্ণিচার, লন্ড্রী ও কাপড়ের দোকান সম্পূর্ণ ভষ্মিভূত হয়ে যায়। এতে প্রায় ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে দোকানীরা জানায়। বারোঘোনিয়া কেপিএম মার্কেটে অগ্নিকান্ডে পুড়ে যাওয়া দোকানগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে তিনি ক্ষতিগ্রস্থ দোকানীদের মাঝে নগদ অর্থ সাহায্য প্রদান করেন।

এসময়, ওয়াগ্গা বিজিবি অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল শহিদুল ইসলাম পিএসসি, রাঙামাটি জেলা পরিষদ সদস্য থোয়াইচিং মং মারমা, কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্রাফ আহমেদ রাসেল, কেপিএমের জিএম (উৎপাদন) মো. গোলাম সরওয়ার, রাঙামাটি জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মফিজুল হক, উপজেলা আ’লীগ সভাপতি অংসুইছাইন চৌধুরী, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত বিকাশ তনচংগ্যা, চন্দ্রঘোনা ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী বেবী, কাপ্তাই ইউপি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ, সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য রুবায়েত আক্তার আহমেদ, উপজেলা যুবলীগ সভাপতি মো. নাছির উদ্দিন, ক্ষতিগ্রস্থ দোকানী-সহ বিপুল সংখ্যক দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয় এলাকাবাসি উপস্থিত ছিলেন।

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান,পূর্ণ মন্ত্রী হলেন বীর বাহাদুর

নিউজ ডেস্কঃ- সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে পূর্ণ মন্ত্রী হলেন ৬ষ্ঠ বারের মতো নির্বাচিত সংসদ সদস্য বীর বাহাদুর উশৈসিং।তাকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী করা হয়েছে।আগামীকাল সোমবার মন্ত্রিপরিষেদে শপথ নিবেন বীর বাহাদুর। এর আগে তিনি এ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা ছিলেন এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে।দীর্ঘদিন পর পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে একজন পূর্ণ মন্ত্রী দেয়া হলো এলাকার একজনকে। ১৯৯৮ সালে মন্ত্রণালয়টি গঠনের সময়ে খাগড়াছড়ির প্রয়াত সংসদ সদস্য কল্পরঞ্জন চাকমা পূর্ণ মন্ত্রী ছিলেন।পরে রাঙ্গামাটির সংসদ সদস্য দিপংকর তালুকদার দীর্ঘ পাঁচ বছর প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।রোববার সকালে গণভবন থেকে মন্ত্রিপরিষদের শপথ নিতে বীর বাহাদুরকে ফোন করা হয়।এর পর খবরটি ছড়িয়ে পড়লে বীর বাহাদুরের নিজ এলাকা বান্দরবানে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়। সর্বত্রই এখন উৎসবের অমেজ। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী সমর্থকরা এখন আনন্দের বন্যায় ভাসছেন। মিষ্টি বিতরণ হয়েছে বিভিন্ন জায়গায়। বিশেষ করে যারা নির্বাচনে বীর বাহাদুরের জয়লাভের জন্য বেশি খেটেছেন তাদের আনন্দের সীমা নেই।খবরটি ছড়িয়ে পড়লে বান্দরবানের বিভিন্ন দুর্গম পাহাড়ি গ্রামগুলোতেও উৎসবের বন্যা বইছে। নেতা-কর্মীরা বীর বাহাদুরকে শুভেচ্ছা জানাতে দলে দলে ছুটছেন ঢাকার মন্ত্রিপাড়ায়। সেখানে জেলার আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন মন্ত্রী বীর বাহাদুরকে।এদিকে ক্ষুদ্ধ অপর পাহাড়ি জেলা রাঙ্গামাটির নেতা-কর্মীরা। তারা অনেকটা নিশ্চিত ছিলেন সমতা আনতে এবার দিপংকর তালুকদারকে মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী করা হবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটি না হওয়ায় হতাশ জেলার বাসিন্দারা।জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক লক্ষি পদ দাশ জানান,প্রধানমন্ত্রী ও দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।এটি পাহাড়ি জনপদের লোকজনদের জন্য সৌভাগ্যের।প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে সফল ছয় ছয় বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য বীর বাহাদুরকে পূর্ণ মন্ত্রী করার জন্য আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছিলাম। তৃণমূল নেতা-কর্মীদের দাবিও ছিল একটাই। অবশেষে আমাদের প্রত্যাশা সফল হয়েছে। এখন এগিয়ে যাওয়ার পালা।তিনি বলেন, মন্ত্রী বীর বাহাদুরের নেতৃত্বে পাহাড়ের আনাচে-কানাচে উন্নয়নের ধারা বয়ে যাবে বলে আশা আমাদের।১৯৯১ সালে বান্দরবান ৩০০নং আসন থেকে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এক সময়ের ফুটবল খেলোয়াড় বীর বাহাদুর উশৈসিং। পরে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। পর পর ৬ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। সর্বশেষ একাদশ সংসদ নির্বাচানে প্রতিপক্ষ বিএনপির প্রার্থী সাচিং প্রু জেরীর সঙ্গে ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন বীর বাহাদুর।তবে একইসঙ্গে রাঙ্গামাটিতে সিনিয়র নেতা দিপংকর তালুকদার ও খাগড়াছড়িতে কুজেন্দ্র লাল জয়ী হওয়ায় এবার পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব কার হাতে দেয়া হয় তা নিয়ে পাহাড়ের নেতাদের মধ্যে চলে স্নায়ুযুদ্ধ।শেষ পর্যন্ত মুকুট পরলেন বীর বাহাদুর উশৈসিং।

তিন পার্বত্য জেলায় প্রত্যেক কেন্দ্রে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে: নুরুল হুদা

রাঙামাটিঃ- আসন্ন আগামী ৩০ ডিসেম্বর সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে পার্বত্য তিনটি আসনের প্রতিটি কেন্দ্রে সেনা মোতায়েন করা হবে। ভোট যাহাতে কারচুপি না হয় সেজন্য প্রশাসন তৎপর রয়েছে’ বলেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদা।গতকাল মঙ্গলবার (১৮ ডিসেম্বর) রাঙামাটিতে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে তিন পার্বত্য জেলার আইন-শৃঙ্খলাবিষয়ক মতবিনিময়ে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।মঙ্গলবার সকাল ১১টায় রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত মতবিনিময়ে নির্বাচন কমিশনার অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহাদাত হোসেন চৌধুরী,নির্বাচন কমিশনের সচিব হেলালুদ্দিন আহমদ,চট্টগ্রামের ডিআইজি গোলাম ফারুক,তিন পার্বত্য জেলার সেনাবাহিনীর ব্রিগেড কমান্ডারগণ,রাঙামাটি জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ,খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো.শহীদুল ইসলাম,বান্দরবান জেলা প্রশাসক দাউদুল ইসলাম,বিজিবি সেক্টর কমান্ডার,পুলিশ সুপার,থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ নির্বাচনী, প্রশাসনিক ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সামরিক বেসামরিক কর্মকর্তরাসহ রাঙামাটির প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিকস মিডিয়ার সংবাদকর্মী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন,চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার আবদুল মান্নান।নির্বাচনীর লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেছেন, ‘নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই’ নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারের বক্তব্য অসত্য। নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আছে।নির্বাচনে ছোটখাটো কিছু সংঘাত হয়ে থাকে।সেটা তেমন বড় কিছু নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)।তিনি আরো বলেন,৩০ ডিসেম্বরের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু,অবাধ,নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানে প্রস্তুত নির্বাচন কমিশন (ইসি)। যে কোনো মূল্যে সুষ্ঠু, সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও সবার গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে চাই আমরা।এ লক্ষ্যে নির্বাচনী ও আইন-শৃঙ্খলা কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি প্রার্থী,রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ সর্বমহলের সহায়তা চেয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদা।তিনি কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তির অন্যায় প্রভাবে প্রভাবিত না হওয়ার জন্য নির্বাচনী কর্মকর্তাদের প্রতি নির্দেশনা দেন।প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরো বলেন, রাঙামাটির গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হবে।নির্বাচন নিরাপদের জন্য নির্বাচনী প্রতিটি কেন্দ্রে সেনাবাহিনী মোতায়ন করা হবে।এখানে কোন প্রকার ঝুঁকি নেই।গ্রামে গ্রামে গিয়ে মানুষকে বোঝানো হচ্ছে নির্বাচনের স্বাভাবিক পরিস্থিতি ভাল আছে, সুন্দর আছে।এবারের নির্বাচনী এলাকায় যে নির্বাচন হবে সেগুলোতে সুষ্ঠভাবে নির্বাচন সম্ভব হবে এবং মানুষ নিরাপদে ভোট দিতে যাবে।প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন,মোট ২৬ উপজেলা নিয়ে পৃথক তিনটি পার্বত্য সংসদীয় আসন ২৯৮-খাগড়াছড়ি,২৯৯-রাঙামাটি ও ৩০০- বান্দরবান। আয়তনের দিক দিয়ে এ তিনটি আসন প্রতিটি বৃহত্তর এলাকা।প্রত্যেক আসনে দুর্গম এলাকায় রয়েছে ভোটকেন্দ্র।এসব কেন্দ্রকে দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছি আমরা।তিনটি আসনে ভোটারের সংখ্যা ১১ লাখের অধিক।তারা যাতে নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে অবাধে ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারে,সেজন্য নির্বাচনের দিন পর্যন্ত প্রতিটি এলাকায় প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর সার্বক্ষণিক উপস্থিতি নিশ্চিত থাকবে।তিনটি পার্বত্য আসনের প্রত্যেক কেন্দ্রে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে।ভোটারদের নিরাপত্তাসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নির্বাচনের দিন প্রত্যেক কেন্দ্রে সেনাবািহনীর পর্যাপ্ত সদস্যের উপস্থিতি থাকবে।পাশাপাশি প্রশাসনিক ও নির্বাচনী কর্মকর্তাসহ পুলিশ,বিজিবি,আনসারবাহিনীর পর্যাপ্ত সদস্য মোতায়েন করা হবে।এ ছাড়া জনবল ও নির্বাচনী মালামাল আনা-নেয়ার কাজে দুর্গম কেন্দ্রগুলোতে হেলিকপ্টার ব্যবহারে সেনাাহিনীর সহায়তা চাওয়া হয়েছে।সেনাবাহিনীর সহায়তা ছাড়া ওইসব দুর্গম কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ সম্ভব হবে না।কয়েক মাস আগে অনুষ্ঠিত জেলার নানিয়ারচর উপজেলা নির্বাচন সুষ্ঠু,অবাধ,নিরপেক্ষ, সুন্দর ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে বলে উল্লেখ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন,স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর নিরলস প্রচেষ্টায় তা সম্ভব হয়েছে। ৩০ ডিসেম্বর তিনটি পার্বত্য সংসদীয় আসনেও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার চাই।সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেন,পাহাড়ে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে।এবার ঝুঁকিপূর্ণ কোনো কেন্দ্রে কেউ ভোট ডাকাতির সুযোগ পাবে না।নির্বাচনের দিন মোবাইল নেটওয়ার্ক চালু থাকবে।স্বাগত বক্তব্যে চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার আবদুল মান্নান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত পার্বত্য শান্তিচুক্তির ফলে পাহাড়ে অনেক অভাব, অভিযোগ, অনুযোগ, সমস্যা দূর হয়েছে।পার্বত্য শান্তিচুক্তির ৭২ ধারার মধ্যে ৪৮টি বাস্তবায়িত হয়েছে।বর্তমানে পাহাড়ের পরিস্থিতি ভালো।পরিস্থিতি স্বাভাবিক,নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে সেনাবাহিনী।চট্টগ্রাম বিভাগে ৩০ ডিসেম্বর সুষ্ঠু,অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুন্দর নির্বাচন উপহার দিতে প্রস্তুত আমরা।

তিন পার্বত্য জেলায় ভারতীয় অনুদানে স্কুল ভবন

নিউজ ডেস্কঃ-দেশের তিন পার্বত্য জেলার প্রান্তিক এলাকায় উচ্চ ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জন্য ভবন তৈরি করে দেবে ভারত। পাঁচ কোটি ৮৫ লাখ ব্যয়ে রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়িতে এ ভবনগুলো তৈরি করা হবে।ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, রাঙামাটির জেলার ঠেগা খুব্বাং উচ্চ বিদ্যালয় (এটি হবে এই এলাকায় প্রথম চার তলাবিশিষ্ট একাডেমিক ভবন), বান্দরবানের মাতামুহুরি নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং খাগড়াছড়ির গাছবান নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে একাডেমিক ভবন নির্মাণের জন্য সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।রাজধানীর বারিধারায় ভারতীয় হাইকমিশনে অনুষ্ঠিত সমঝোতা স্মারক সই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা, ঠেগা খুব্বাং উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জিতেন্দ্র চাকমা, মাতামুহুরি নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি উ উই চারা ভিক্ষু, গাছবান নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ভূপতি চাকমা।

শান্তি চুক্তির পর তিন পার্বত্যাঞ্চলে শান্তি ফিরেছে এটাই বাস্তবতাঃ-(বীর বাহাদুর উশৈসিং)

বান্দরবান অফিসঃ-শান্তিচুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে পরস্পরকে দোষারোপের খেলা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং বলেছেন, এমন স্পর্শকাতর ও মানবিক বিষয় নিয়ে খেলার দরকার নেই। চুক্তির পর তিন পার্বত্যাঞ্চলে শান্তি ফিরেছে- এটাই বাস্তবতা। এখন মান অভিমান করার সময় না। সমস্যা ছিল, রয়েছে। তবে সমস্যাসমূহ চিহিৃত করে সমাধানের উপায় বের করাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২১ বছর পূর্তি উপলক্ষে গতকাল রবিবার (২ ডিসেম্বর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।প্রতিমন্ত্রী বলেন, পাহাড়ী এলাকার সমস্যা সমাধানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব সময় দুয়ার খোলা রেখেছেন।রাস্তাঘাট ও অলিগলিতে সমালোচনা না করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে গেলেই সমস্যাসমূহের সমাধান হবে।শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নের খ-চিত্র তুলে ধরে বীর বাহাদুর উশৈসিং বলেন, শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে সরকার। শান্তিচুক্তির অধিকাংশ ধারাই ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। সরকারী উদ্যোগগুলোর মধ্যে পৃথক মন্ত্রণালয়, বিভিন্ন কমিটি, কমিশন ও টাস্কফোর্স গঠন, আইন প্রণয়ন, কিছুসংখ্যক সেনাক্যাম্প প্রত্যাহার, ভারত প্রত্যাগত পরিবার এবং শান্তিবাহিনীর সদস্যদের পুনর্বাসন এবং চলমান আলোচনা উল্লেখযোগ্য। চুক্তির বাকি ধারা বাস্তবায়ন করতে সরকার পদক্ষেপ নিয়েছে। চুক্তি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি কমিশন গঠন করা হয়েছে। পার্বত্যাঞ্চলের লোক সরকারী চাকরি পেতে পারে, এ ক্ষেত্রে তাদের জন্য বিভিন্ন নীতি ও আইন শিথিল করা হয়েছে।ইউএনডিপি, ইউনিসেফ, এডিবি, ড্যানিডা, ইইউ, সিডা ও অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগীর সহায়তায় পার্বত্যাঞ্চলের জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ইতোমধ্যে বিভিন্ন মেয়াদী উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমান সরকারের সময় পার্বত্যাঞ্চলে সড়ক, সেতু ও কালভার্ট নির্মাণের মধ্য দিয়ে ব্যাপক অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। শান্তি ও উন্নয়নের পথ কখনই মসৃণ নয়। সব প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করে উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে।পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২১ বছর পূর্তি উপলক্ষে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত আলোচনা সভায় মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ নূরুল আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পাবর্ত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং, এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব কাজী গোলাম রহমান, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান (রাঙ্গামাটি) নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা প্রমুখ।

 

 

কল্পরঞ্জন চাকমার উন্নত চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি

সিএইচটি টাইমস নিউজ ডেস্কঃ-পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী কল্পরঞ্জন চাকমার উন্নত চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন বর্তমান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এম.পি।

বীর বাহাদুরের এমন মহানুভবতায় তাঁকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন কল্পরঞ্জনের পরিবার। তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ ও প্রতিমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগে গতকাল (সোমবার) সন্ধ্যায় অসুস্থ সাবেক মন্ত্রীর উন্নত চিকিৎসা সহায়তায় ১০ লাখ টাকা তার পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দেন বীর বাহাদুর উশৈসিং এম.পি। এসময় তাঁর সাথে পার্বত্য চট্টগ্রাম শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্সের চেয়ারম্যান কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এম.পি উপস্থিত ছিলেন।

সাবেক মন্ত্রী কল্পরঞ্জন চাকমা শায়ে এবং কোমডে আঘাত পেয়ে গত ২৯জুন মগবাজারস্থ ঢাকা কমিউনিটি হসপিটালে ভর্তি হন। তাঁর উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হলেও আর্থিক কারণে পরিবার উন্নত চিকিৎসার উদ্যোগ নিতে না পারার বিষয়টি ব্যথিত করে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুরকে।

তিনি গত ২০ জুলাই ঢাকা কমিউনিটি হসপিটালে সাবেক মন্ত্রীকে দেখতে যান। এরপর পার্বত্য তিন জেলা পরিষদের সংশ্লিষ্টদের বিষয়টি অবহিত করলে তাৎক্ষণিকভাবে তার উন্নত চিকিৎসার প্রাথমিক পদক্ষেপে সাডা দেন তাঁরা।

গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর আবার ২য় দফায় সাবেক মন্ত্রীর চিকিৎসা ও শারিরীক অবস্থার খোঁজ নিতে হসপিটালে যান এবং পরিবারের সদস্যদের হাতে ১০ লাখ টাকা তুলে দিয়ে উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিৎ করতে প্রয়োজনীয় সার্বিক সহযোগীতার আশ্বাস দেন।

রাঙামাটি নানিয়াচরে পাহাড় ধস,নিহত ১১

রাঙামাটি সংবাদদাতাঃ-টানা বর্ষণে পাহাড় ধসে রাঙামাটির নানিয়ারচরে ১১ জন নিহত হয়েছেন।

সোমবার দিবাগত রাত ও মঙ্গলবার সকালে নানিয়ারচর উপজেলার সাবেক্ষং ইউনিয়নের বড়পুলপাড়ায় চারজন, ঘিলাছড়ি ইউনিয়নের হাতিমারায় তিনজন ও শিয়াইল্লাপাড়া গ্রাম থেকে চারজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।এ ঘটনায় এখনো আরও কয়েকজন মাটিচাপা পড়ে থাকতে পারেন। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন। এতে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে।

নিহতদের মধ্যে নয়জনের পরিচয় পাওয়া গেছে, তারা হলেন- নানিয়ারচরে বড়পুলপাড়ার একই পরিবারের তিনজন সুরেন্দ্র লাল চাকমা (৪৮), তার স্ত্রী রাজ্য দেবী চাকমা ও মেয়ে সোনালী চাকমা (০৯)। হাতিমারা গ্রামের রুমেল চাকমা (১২), রিতান চাকমা (২৫) ও রীতা চাকমা (১৭)। শিয়াইল্লাপাড়া গ্রামের ফুলদেবী চাকমা (৩২), ইতি চাকমা (২৪) ও শিশু অজ্ঞাত (২ মাস)।

নানিয়ারচর থানার ওসি আবদুল লতিফ বলেন, নানিয়ারচরের তিন গ্রাম থেকে ১১ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এটা একটা ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়।

পাহাড় ধসের পর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন। এতে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে।

এদিকে, এ ঘটনার পর থেকে উপজেলায় অধিকাংশ এলাকাই বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে।

রাঙামাটি জেলা ছাত্রদলের নতুন কান্ডারী সাব্বির ও সুমন

সিএইচটি টাইমস নিউজ ডেস্কঃ-নয় বছর পর গঠন করা হয়েছে রাঙামাটি জেলা ছাত্র দলের নতুন কমিটি। আজ কেন্দ্র থেকে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাঙামাটি জেলা শাখার কমিটির নাম ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। কমিটিতে ফারুক আহম্মেদ সাব্বিরকে সভাপতি ও আলি আকবর সুমনকে সাধারণ সম্পাদক এবং বেলাল হোসেন সাক্কুকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে তেত্রিশ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (৫ মে) জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুনুর রশিদ মামুন ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আকরামুল হাসান এ কমিটির অনুমোদন দেন।

রাঙামাটি জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আবু সাদাৎ মোহাম্মদ সায়েম কমিটি গঠনের বিষয়টি সিএইচটি টুডে ডট কমকে নিশ্চিত করে বলেছেন, আমরা যেভাবে চেয়েছি সেভাবে কমিটি গঠন হয়েছে। যারা ত্যাগী এবং রাজপথে আন্দোলন করেছে তারাই কমিটিতে স্থান পেয়েছে। আমি তাদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটিতে যারা স্থান পেয়েছে তারা হলেন : সহ সভাপতি পদে মোঃ হেলাল উদ্দীন, মোর্শেদ আলম, খোরশেদ আলম রাজু, মানিক আহম্মেদ, সাইদুর রহমান রতন, নাজমুল হুদা, খোরশেদ আলম, আব্দুল মজিদ নান্টু, ইসমাইল করিম, ইমরান চৌধুরী সুজন, আবু সফিয়ান রেজা, শাহ ইমরান, মোঃ সেলিম (সুমন), কামাল হোসেন, তারেক আহম্মেদ।যুগ্ন সম্পাদক পদে-হুমায়ন কবীর, মোঃ রাসেল, রাশেদুল ইসলাম রনি, কামাল উদ্দীন, ফজলুল ইসলাম,হযরত আলী সুমন,অলি আহাদ,খাইরুল ইসলাম রানা,মাসুদ পারভেজ,সেকেন্দার আলি রাসেল, আবুল কালাম ছগীর,মোঃসাজ্জাদ।তিন সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন আরজ হোসেন সুমন, বেনচন চাকমা ও ডালিম শারিয়ার।পুর্নাঙ্গ কমিটি কিছুদিনের মধ্যে করা হবে বলে জানিয়েছেন নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দ।

ঢাকার আশুলিয়া থেকে শক্তিমান চাকমা হত্যার ঘটনায় জড়িত ২ জন গ্রেফতার

সিএইচটি টাইমস নিউজ ডেস্কঃ-ঢাকার আশুলিয়া থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্যতম আঞ্চলিক দল ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) দুই সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার বিকেলে বুড়িরবাজার এলাকা থেকে তাঁদের আটক করা হয়। তাঁরা দুজনই রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলা চেয়ারম্যান শক্তিমান চাকমা হত্যার ঘটনায় জড়িত বলে পুলিশ জানিয়েছে।

আটক ব্যক্তিরা হলেন কান্তময় চাকমা (৩০) ও রিপন ত্রিপুরা (৩১)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ‘বন্দুকযুদ্ধের নামে হত্যা’, ‘সেনা রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ’সহ বিভিন্ন লিফলেট উদ্ধার করেছে আশুলিয়া থানা পুলিশ।

পুলিশের একটি সূত্র জানায়, নানিয়ারচর থানার মাধ্যমে খবর পেয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে কল্পনা চাকমা অপহরণের ২২ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে চিহ্নিত অপহরণকারী লে. ফেরদৌসসহ অন্যান্যের বিচারের দাবি, পাহাড় সমতলে নারীর সম্ভ্রম, জীবনের নিরাপত্তা, বন্দুকযুদ্ধের নামে হত্যা, সেনা রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের লিফলেট উদ্ধার করা হয়েছে। ওই সব লিফলেটে পাহাড়-সমতলে নারীর সম্ভ্রম, জীবনের নিরাপত্তা, বন্দুকযুদ্ধের নামে হত্যা এবং রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়। লিফলেট বিতরণের সময় আশুলিয়ায় বসবাসরত পার্বত্য অঞ্চলের নাগরিকেরা তাঁদের আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।

আশুলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) জাবেদ মাসুদ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন , বিকালে কান্তময় ওরফে রিপন চাকমা ও সুনিল ওরফে রিপন ত্রিপুরা নামের দুই ব্যক্তি হিল উইমেন্স ফেডারশনের ও চট্রগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ(পিসিপি) কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে উৎস্কানিমূলক লিফলেট বিতরণ করছিল আশুলিয়ায় বসবাসরত পার্বত্যাঞ্চলের নাগরিকদের মধ্যে। এসময় তাদের আটক করা হয় এবং রাঙ্গামাটিতে নানিয়ারচর এলাকার নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা ওই দুই জনের নাম জানার পর জানান তারা দুজনই শক্তিমান চাকমা হত্যা মামলার আসামি। পরে আশুলিয়া থানা পুলিশকে খবর দিয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাদের আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

যোগাযোগ করা হলে রাঙামাটির পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, রিপন ত্রিপুরা নানিয়ারচর উপজেলা চেয়ারম্যান শক্তিমান চাকমা হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। আর কান্তময় চাকমা সন্দেহভাজন আসামি।

তিনি আরও বলেন, এ দুজনকে আইনিপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাঙামাটি আনা হবে। এরপর তাঁদের ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে।

রাঙামাটিতে বন্দুকযুদ্ধে ইউপিডিএফ’র ৩ জন নিহত

সিএইচটি নিউজ ডেস্কঃ-রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ির সাজেকের করল্যাছড়ি এলাকায় ইউপিডিএফ দুই পক্ষের বন্দুক যুদ্ধের ঘটনায় ইউনাইটেড পিপলস্ ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট ইউপিডিএফ এর ৩ জন নিহত এবং একজন আহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন সুশীল চাকমা, স্মৃতি চাকমা, অটল চাকমা। আহত ব্যক্তির নাম কানন চাকমা।

পুলিশ জানায়, আজ ভোর রাত ৪ টার দিকে উভয় পক্ষের মাঝে গোলাগুলি শুরু হয়। প্রায় ঘন্টা ব্যাপী বন্ধু যুদ্ধে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

.

সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরুল আনোয়ার জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মুল ইউপিডিএফ এবং গণতান্ত্রিক ইউপিডিএফ দীর্ঘ দিন ধরে এলাকায় অবস্থান করছিলো।

আজ ভোর রাত ৪ টার দিকে উভয়পক্ষের মাঝে গোলাগুলি শুরু হয়। গোলাগুলির ঘটনায় মুল ইউপিডিএফ এর ৩ কর্মী নিহত হয় এবং কানন চাকমা গুরুতর আহত হন। ঘটনার খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলের দিকে রওনা হয়েছে বলে তিনি জানান।