আজকে ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯ | | সময়ঃ-১২:০৮ অপরাহ্ন    

Home » আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক

ঢাকায় আসছেন অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি

নিউজ ডেস্কঃ- হলিউড অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দেখতে বাংলাদেশে আসছেন। সোমবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) তিনি ঢাকায় পৌঁছাবেন। অ্যাঞ্জেলিনা জোলি জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) বিশেষ দূত।
কূটনৈতিক সূত্র জানায়, অ্যাঞ্জেলিনা জোলি চারদিনের সফরে সোমবার ঢাকায় আসার পরেই কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যাবেন। তিনি সেখানে রোহিঙ্গা পরিস্থিতি দেখার পর মঙ্গলবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সংবাদ সম্মেলন করবেন।

উল্লেখ্য, হলিউড অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি ২০১২ সালে থেকে ইউএনএইচসিআর-এর বিশেষ দূত হিসেবে কাজ করছেন। এর আগে রোহিঙ্গা শিশুদের দেখতে এসেছিলেন জাতিসংঘের শুভেচ্ছা দূত প্রিয়াঙ্কা চোপড়া।

রোহিঙ্গাদের জন্য “সেফ জোন ইনসাইড রাখাইন” করতে চায় বাংলাদেশ

নিউজ ডেস্কঃ- মিয়ানমারের নাগরিক রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে সে দেশের সরকার বারবার কথা দিয়েও কথা না রাখায় বাংলাদেশ সরকার নতুন কৌশলে এগোনোর পরিকল্পনা করেছে। রোহিঙ্গাদের জন্য ‘‘সেফ জোন ইনসাইড রাখাইন” করতে মিয়ানমারের বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর সহায়তা নিশ্চিতে তাদের রাজি করানোর চেষ্টা করা হবে বলে সূত্রে জানা গেছে।
২০১৭ সালের মাঝামাঝিতে মিয়ানমারের সেনাদের অতর্কিত হামলায় রাখাইন রাজ্যের হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে। ধর্ষিত হয়েছে কয়েক হাজার নারী থেকে কিশোরী। বর্মি সেনাদের হত্যাযজ্ঞ থেকে রক্ষা পায়নি অবুঝ শিশুরাও। সেসময় জীবন বাঁচানোর তাগিদে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে প্রায় এগারো লাখের মতো রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আসে। প্রথম দিকে মিয়ানমারের বন্ধু রাষ্ট্রগুলো বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের আশ্রয়ের বিরোধীতা করলেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ কূটনৈতিক কৌশলের কাছে নিজেদের কটু বক্তব্যগুলো বলা থেকে বিরত হয়। মানবাধিকারের নীতিতে রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমারের নির্যাতনের পরিমান এতোটাই ভয়াবহ ছিল যে, এই হামলাকে সমর্থন দেয়ায় মিয়ানমারের রাজনীতিতে অন্যতম নাম আং সান সুচির ‘শান্তিতে নোবেল’ পুরষ্কার কেড়ে নিতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।
মিয়ানমারকে রোহিঙ্গাদের জন্য “সেফ জোন ইনসাইড রাখাইন” করার জন্য শুরু থেকেই প্রধানমন্ত্রী সচেষ্ট রয়েছেন। এরপর মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিবে জানালেও প্রায় বছর খানেক হতে চললো তারা তাদের দেয়া কথা রাখছে না।
এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন জানান, ‘আমরা বিশ্বাস করেছিলাম যে তারা অ্যারেঞ্জমেন্ট অনুযায়ী রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেবে। তবে সে ব্যাপারে তারা খুব অগ্রসর হচ্ছে না৷ এই পরিস্থিতিতে আমরা চিন্তা করছি কীভাবে এর সমাধান করা যায়।’
বিষয়টি সমাধানের একাধিক পরিকল্পনা সরকারে আছে জানিয়ে নতুন এই মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী চান একটি ‘‘সেফ জোন ইনসাইড রাখাইন” করতে৷ মিয়ানমারের বন্ধু রাষ্ট্রগুলোই ওখানে তদারকি করবে৷ এটাতে আমার ধারণা হয়তো মিয়ানমার রাজি হবে৷’
আরও একটি সমাধানের কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এই সময়ে রোহিঙ্গাদের আমরা বিভিন্ন দেশে পাঠাতে পারি। তাদের বিভিন্ন কাজে নিয়োগের দেওয়ারও চিন্তা রয়েছে আমাদের৷ এরকম একাধিক পরিকল্পনা আছে আমাদের৷ তবে সবগুলোই নির্ভর করছে মিয়ানমারের অবস্থার ওপর৷ তারা কতটুকু সহনশীল হয়, তারা পৃথিবীর আইনগুলো কতটুকু মানে, তার ওপর৷’
রোহিঙ্গা সংকটে ভারত ও চীনের ভূমিকা নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে ভারত ও চীনের বিশেষ ভূমিকা রাখা উচিত৷ কারণ, মিয়ানমার চীনের কথা শোনে৷ আর এখানে কোনো অশান্তি বা অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হলে ভারতসহ সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে৷ এই অঞ্চলে আমরা উন্নয়নের মহাসড়কে যাত্রা শুরু করেছি৷ আগামীতে এশিয়া হবে এই পৃথিবীর আকর্ষণ। ভারত, চীন, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড সবাইকে নিয়ে সমস্যার সমাধান করতে হবে৷ তাদের বিশেষ ভূমিকা প্রয়োজন৷ বিশেষ করে ভারত ও চীনের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।’

ভারতের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ‘ভারতরত্ন’ পাচ্ছেন প্রণব মুখোপাধ্যায়

নিউজ ডেস্কঃ-  দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ‘ভারতরত্ন’ পাচ্ছেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়৷ প্রজাতন্ত্র দিবসের আগের দিন রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে এ কথা ঘোষণা করা হল৷

এই ঘোষণা হতেই প্রাক্তন রাষ্ট্রপতিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ তিনি জানান, দশকের পর দশক ধরে দেশের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে গিয়েছেন প্রণববাবু৷ তাঁর জ্ঞান, দূরদর্শিতা দেশের উন্নয়নে সর্বাত্মকভাবে সাহায্য করেছে।

প্রয়াত সমাজসেবী নানাজি দেশমুখের উদ্দেশ্যে মোদি লেখেন, গ্রামোন্নয়নের ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য৷ নিম্নবর্গের মানুষদের জন্য তাঁর কাজ সকলের মনে থাকবে৷ টুইটে সঙ্গীতশিল্পী ভূপেন হাজারিকাকে ‘কালজয়ী’ বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী৷ জানান, প্রজন্মের পর প্রজন্ম তাঁর সঙ্গীতে বুঁদ হয়ে রয়েছে

জাতিসংঘ প্রস্তুত দেশের নতুন সরকারের সাথে কাজ করতে

নিউজ ডেস্কঃ- জাতিসংঘ পুরো বিশ্বের জাতি সমূহের একটি সংগঠন। এই সংগঠনটির লক্ষ্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আইন, নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক অগ্রগতি এবং মানবাধিকার বিষয়ে পারষ্পরিক সহযোগিতার পরিবেশ সৃষ্টি করা। পৃথিবীর স্বাধীন রাষ্ট্র গুলোকে নিয়ে এই সংগঠনটি গঠিত। ২০১৬ সালের তথ্য অনুযায়ী জাতিসংঘের সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি দেশ। এর ভিতর বাংলাদেশও এই সংগঠনটির সদস্য। স্বাধীনতা লাভের পর ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য পদ লাভ করেন। আন্তর্জাতিক এই সংগঠনটিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান সর্বপ্রথম অধিবেশনে অংশগ্রহণ করে বাংলায় বক্তৃতা দেন। সদস্য পদ লাভের পর থেকেই দেশের সুসময়, দুঃসময়ে পাশে থেকেছে জাতিসংঘ।

বাংলাদেশের সঙ্গে জাতিসংঘের সম্পর্কের সূচনা হয় ১৯৭১ সালে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুধু একটি মুক্তিআন্দোলন নয়, এটি একটি মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের আন্দোলন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে জাতিসংঘ মূলত যুক্ত হয়েছিল মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ এবং শরণার্থীদের সহায়তা দানের মাধ্যমে।

আন্তর্জাতিক এই সংগঠনটি বাংলাদেশের পুনঃনির্বাচিত আওয়ামী লীগ সরকারের সাথে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন, সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা এবং সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির প্রশ্নে বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত জাতিসংঘ। জাতিসংঘের বাংলাদেশ অফিসের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেয়া এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয় যে জাতিসংঘ শুধু সরকারের সাথেই নয় জাতীয় অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত তারা। সর্বজনীন মানবাধিকার চুক্তি বাস্তবায়নে বাংলাদেশ তার প্রতিশ্রুতি রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করছে বৈশ্বিক এ সংস্থাটি। জাতিসংঘের ২০৩০ সালের বৈশ্বিক উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার অংশ হিসেবে এসডিজির ১৬ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একটি শান্তিপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ, সুশাসন ও আইনের শাসন বাস্তবায়ন প্রচেষ্টার জন্য বাংলাদেশের নতুন নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কাজ করবে জাতিসংঘ।

আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশ একটি অন্যতম উদীয়মান রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। রূপকল্প- ২১ ও রূপকল্প- ৪১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশকে করেছে উন্নত, কাজ করছে আধুনিকায়নে। অবদান রেখেছে দেশের নারী শিক্ষার প্রসারে। দেশের সার্বিক উন্নতির জন্য বাংলাদেশ আজ দিকে দিকে প্রশংসিত। এজন্যই জাতিসংঘ দেশের নতুন সরকার তথা টানা তৃতীয়বার জয়ী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সাথে কাজ করতে প্রস্তুত হচ্ছে।

প্রবাসীদের ভোটাধিকার সুবিধা দিচ্ছে বাংলাদেশ

নিউজ ডেস্কঃ-প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটার করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন। আগামী এপ্রিলে পরীক্ষামূলকভাবে (পাইলটিং) সিঙ্গাপুরে যেসব বাংলাদেশি থাকেন তাদেরকে ভোটার করা হবে। এ লক্ষ্যে মধ্য ফেব্রুয়ারিতে উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দলকে পাঠানো হচ্ছে সেখানে। সিঙ্গাপুরের কয়েকটি স্থানে ভোটার নিবন্ধন ক্যাম্প স্থাপন করে ইসির বিশেষজ্ঞরা প্রবাসীদের ভোটার করার কার্যক্রম শুরু করবেন। সেখানে সফলতা পাওয়া গেলে পরবর্তীতে অন্যান্য দেশে গিয়ে বাংলাদেশিদের ভোটার করা হবে।

নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ জানান, প্রবাসীদের ভোটার করার পাইলটিং হবে সিঙ্গাপুরে। এরপর দুবাইতে প্রবাসীদের ভোটার করার কার্যক্রম শুরু হবে। প্রথমে একটি ৫৭ সদস্যের দল সিঙ্গাপুর যাবে। অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময়ের ভিত্তিতে পরে কারিগরি দল পাঠানো হবে। নির্বাচন কমিশন জানান, ভোটাধিকার প্রয়োগ করা নয়, প্রবাসীদের হাতে এনআইডি কার্ড তুলে দেওয়া তাদের প্রধান লক্ষ্য। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে সিঙ্গাপুরে অবস্থানরত বাংলাদেশিরাই প্রথম ভোটাধিকার সুযোগ পাবেন।

এক দশক আগে ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও জাতীয় পরিচপত্র দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হলে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটার করার দাবিও আলোচনায় আসে। কে এম নূরুল হুদা নেতৃত্বাধীন বর্তমান নির্বাচন কমিশন গতবছর এপ্রিলে ‘প্রবাসী বাংলাদেশিদের জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান ও ভোটাধিকার প্রয়োগ’ শীর্ষক একটি আলোচনা সভার আয়োজন করে। সেখানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা সে সময়ে না করা গেলেও তাদের হাতে জাতীয় পরিচয়পত্র তুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

ইসির জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম বলেন, যেসব দেশে পাসপোর্ট, ভিসা বা অন্যান্য বিষয় নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঝামেলা কম, সেখানে পরীক্ষামূলকভাবে এনআইডি সেবা চালুর পরিকল্পনা সাজিয়েছেন তারা। তিনি আরো বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে সিঙ্গাপুরেই পাইলট প্রকল্পের প্ল্যান করেছি। ছোট দেশ, সেখানে বাংলাদেশিদের এনআইডি সেবা দিতে পারলে পরে অন্য দেশেও কাজ করতে পারব।`

পরিকল্পনা অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে একটি প্রতিনিধি দল সিঙ্গাপুরে যাবে, তারা সেখানে গভার্নমেন্ট টু গভার্নমেন্ট আলোচনা করবে। সংশ্লিষ্ট দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, দূতাবাস ও সবার সঙ্গে কথা বলে তারা প্রতিবেদন দেবে এবং তার ভিত্তিতেই কাজ করবে নির্বাচন কমিশন।

স্মার্ট কার্ড প্রকল্পের পরিচালক সাইদুল ইসলাম বলেন; ইসির অনুমোদন পেলে মধ্য ফেব্রুয়ারিতেই প্রতিনিধি দলটি সিঙ্গাপুরে যাবে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের রেজিস্ট্রেশন কীভাবে করা যায়, কোথায় নিবন্ধন সেন্টার হবে, লোকবল কেমন লাগবে, পদ্ধতিগত কী কী জটিলতা থাকতে পারে – সব কিছু বিবেচনায় নিয়ে তারা প্রতিবেদন দেবে।
১৬ কোটি জনসংখ্যার বাংলাদেশে বর্তমানে ১০ কোটি ৪২ লাখের বেশি নাগরিক ভোটার তালিকাভুক্ত। আর ২০১৭ সালের মাঝামাঝি সময়ের হিসাব পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত বাংলাদেশির সংখ্যা ছিল ৭৫ লাখের মত। দেশে না ফিরে জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ার কোনো ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিনিয়তই প্রবাসী বাংলাদেশিদের নানা সমস্যা ও হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বর্তমান নির্বাচন কমিশন প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটার করার নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য সহযোগিতা জোরদারের আগ্রহ যুক্তরাজ্যের

নিউজ ডেস্কঃ-বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্য।যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র ও কমনওয়েলথ দপ্তরের এশিয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মার্ক ফিল্ড গতকাল বৃহস্পতিবার বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশকে গুরুত্ব দেই এবং আগামি দিনগুলোতে দক্ষিণ এশীয় এই দেশটির সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাণিজ্য, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারের উপর গুরুত্বারোপ করা হবে।’
যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের নব-নিযুক্ত হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম লন্ডনে মার্ক ফিল্ড-এর কার্যালয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।গতকাল শুক্রবার ঢাকায় প্রাপ্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানা গেছে।পূর্বের বাংলাদেশ সফরের কথা স্মরণ করে, বিশেষত বাংলাদেশ ও ব্রিটিশ- বাংলাদেশি সম্পর্কিত যুক্তরাজ্যের সর্বদলীয় পার্লামেন্টারি গ্রুপের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতার কারণে, মার্ক ফিল্ড ঢাকা ও লন্ডনের মধ্যকার সম্পর্ক দৃঢ় করার ব্যাপারে তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।৩০ ডিসেম্বরের সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর মন্ত্রিসভায় নবীন ও তরুণ রাজনীতিকদের অন্তর্ভুক্ত করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা করেন। আগামি দিন গুলোতে বাংলাদেশ আরও প্রবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধি অর্জন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।বৈঠককালে, হাইকমিশনার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের নতুন মেয়াদে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে কৌশলগত ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব নতুন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে সরকারের প্রতিশ্রুতির কথা পুনরায় উল্লেখ করেন।তিনি বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য সম্পর্কে পরস্পরিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট নতুন ক্ষেত্রগুলোতে সহযোগিতার ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করেন।তাসনিম মন্ত্রীকে আরো ব্রিফ করেন যে, যুক্তরাজ্যে দায়িত্বের মেয়াদে তার প্রধান কাজ হবে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার ও বহুমুখীকরণ, বাংলাদেশের মেগা অবকাঠামো প্রকল্প জ্বালানি, আইটি ও সেবা খাতে আরো ব্রিটিশ বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক সংযোগসহ কৌশলগত স্তরে সহযোগিতা বাড়ানো।হাইকমিশনার দুই কমনওয়েলথ রাষ্ট্রের মধ্যে জোরালো ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ে বেশ কিছু প্রস্তাব উত্থাপন করেন।মিনিস্টার ফিল্ড শিক্ষা ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ব্রিটিশ বাংলাদেশীদের অনন্য সাফল্যের প্রশংসা করেন।প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে আশ্রয় দেয়ার মানবিক পদক্ষেপের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্রিটিশ সরকারের গভীর প্রশংসার কথা পুনর্ব্যক্ত করে ব্রিটিশ মন্ত্রী জাতিসংঘ সংস্থাগুলোকে সম্পৃক্ত করে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে স্বেচ্ছা, মর্যাদাপূর্ণ, স্থায়ীভাবে প্রত্যাবাসনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন।তাসনিম আশ্বস্ত করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার নতুন মেয়াদেও রোহিঙ্গাদের প্রতি তার মানবিক অবস্থান সমুন্নত রাখবেন।ব্রিটিশ মন্ত্রী মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার লঙ্খন ও ‘গণহত্যা’ রোধে ব্রিটিশ সরকার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে এবং বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয়ভাবে তার অগ্রণী ভূমিকা পালন অব্যাহত রাখবে।ব্রিটিশ মন্ত্রী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনীতে নেতৃত্বের ভূমিকা এবং বিশ্ব শান্তির জন্য বাংলাদেশ শান্তিরক্ষীদের আত্মত্যাগের প্রশংসা করেন।
হাইকমিশনার ব্রিটিশ মন্ত্রীর সঙ্গে ২০২১ সালে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপনের একটি প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা করেন।লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের ডিফেন্স অ্যাটাশে, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম আমিনুল হক, কমার্শিয়াল কাউন্সেলর এস এম জাকারিয়া হক ও ফার্স্ট সেক্রেটারী মো. শফিউল আলম বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন

প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন সৌদি বাদশাহ ও যুবরাজ

নিউজ ডেস্কঃ-একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ। সৌদি গেজেট জানায়, সোমবার এক বার্তায় তিনি অভিনন্দন জানান।
অভিনন্দন বার্তায় সৌদি বাদশাহ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সফলতা এবং উন্নয়ন ও অগ্রগতি ধরে রাখতে শুভকামনা জানান। দেশটির উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে একই বার্তা পাঠিয়েছেন।

এছাড়া বিজয় লাভে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা ও প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহ। মঙ্গলবার দুপুরে শেখ হাসিনাকে টেলিফোনে অভিনন্দন জানান তারা। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াং এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ বিশ্বনেতারা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন।
এর আগে শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানানো অন্যান্য বিশ্ব নেতৃবৃন্দ হলেন- ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নাগমায়েল ওয়াংচুক, ফিলিস্তিনির প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস, নেপালের প্রধানমন্ত্রী খড়গপ্রসাদ শর্মা ওলি ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং। এছাড়া পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী এবং ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফোন করে অভিনন্দন জানান।

বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি কানাডার প্রধানমন্ত্রীর

নিউজ ডেস্কঃ- বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি ক্রমেই পৌঁছে যাচ্ছে বিশ্ব দরবারে। এ উন্নয়নকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন বিশ্ব নেতারা। এমন প্রেক্ষাপটে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো মহান বিজয় দিবসে বাঙালি জাতিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রশংসা করে এ অগ্রযাত্রায় তিনি বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

১৬ ডিসেম্বর (রোববার) এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, বাংলাদেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে। এ অগ্রযাত্রায় কানাডা বাংলাদেশের পাশে রয়েছে।

বাংলাদেশের অগ্রগতির প্রশংসা করে জাস্টিন ট্রুডো ওই বিবৃতিতে আরও বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এখন ভালোভাবেই অগ্রসর হচ্ছে বাংলাদেশ। বাঙালি জাতির ইতিহাসে স্মরণীয় এ দিনে দু’দেশ তাদের উন্নয়নে সহযোগিতার হাত আরও প্রশস্ত করবে।

এদিকে, বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লিতেও। রাষ্ট্রপতি রাম নাথ কবিন্দ মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মরণ করে টুইট করেন। আলাদা টুইট করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারামন দিল্লিতে শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধা জানান।

এ প্রসঙ্গে একজন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক বিভাগের অধ্যাপক বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের হাত ধরে দেশ ক্রমেই বিশ্ব দরবারে জায়গা করে নিচ্ছে। যেভাবে উন্নয়নের শৃঙ্গে পৌঁছাচ্ছে বাংলাদেশ, তা দেখে বিশ্ব মোটামুটি অবাক। একটি ভঙ্গুর অর্থনীতির দেশকে বিগত ১০ বছরে সরকার অর্থনীতির স্থিতিশীল অবস্থানে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। এই উন্নয়নে বিশ্ব নেতারাও বর্তমান নেতাকে মডেল মেনে প্রশংসা করছেন। এই অর্জন গোটা বাঙালি জাতির।

বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান

নিউজ ডেস্কঃ- বাংলাদেশের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার ভূয়সী প্রশংসা করলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী কিংবদন্তী ক্রিকেটার ইমরান খান।

পাকিস্তানি টেলিভিশন পিটিভিতে এক মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ প্রসঙ্গে ইমরান খান বলেন, যখন পূর্ব পাকিস্তান বিভক্ত হলো, তখন পশ্চিম পাকিস্তানের অনেকেই বলেছিলেন পূর্ব পাকিস্তান হচ্ছে পশ্চিম পাকিস্তানের বোঝা স্বরূপ। কিন্তু বর্তমানে ওই পূর্ব পাকিস্তানই (বাংলাদেশ) সর্ব ক্ষেত্রেই এগিয়ে গিয়েছে। কারণ বাংলাদেশ একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে যাচ্ছে।

এছাড়া এর আগে পাকিস্তানকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক মডেল অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছিলেন দেশটির সাংবাদিক জায়গাম খান। তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রধান ইমরান খানের নেতৃত্বে পাকিস্তানের নতুন সরকার ইউরোপের দেশ সুইডেনের আর্থিক মডেল অনুসরণের পরিকল্পনার খবর প্রকাশের পরই জায়গাম খান এ মন্তব্য করেছিলেন।

অপরদিকে ২০১৮ সালের ২৩ এপ্রিল দিল্লি সফররত আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র বলেছিলেন, আর্থসামাজিক উন্নয়নের প্রায় সব সূচকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ পাকিস্তানের চেয়ে অনেক অনেক এগিয়ে গেছে।

এ প্রসঙ্গে একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন না হলে আজ বাংলাদেশ একটি তালেবান রাষ্ট্রে পরিণত হতো। এক যুগ আগেও মুখ থুবড়ে পড়েছিলো বাংলাদেশ। ভাবতেই অবাক লাগে মাত্র ১০ বছরে দেশ এতোটাই উন্নত হয়েছে যে পৃথিবীর বুক বাংলাদেশ আজ একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

ভারতের চেন্নাইতে হোটেলের পথে ১১০০ কেজি কুকুরের মাংস উদ্ধার!

নিউজ ডেস্কঃ-পলিথিনের প্যাকেটে করে নেয়া হচ্ছে জবাইকৃত প্রাণী। বাইরে থেকে দেখে মনে হচ্ছে ছাগল বা ভেড়া। কিন্তু সেটি আসলে কী, তা নিয়ে সন্দেহ হয় পুলিশের।

মোটি ১১টি প্যাকেটে ছিল প্রায় ১১০০ কেজি মাংস। পুলিশ ওই মাংসের প্যাকেট খুলতে বললে এর বাহকরা দ্রুত সটকে পড়ে। পুলিশের সন্দেহ আরও বেড়ে যায়। পরে ওই মাংস পরীক্ষা করে দেখা যায় সেগুলো আসলে কুকুরের মাংস।

শনিবার ভারতের চেন্নাইয়ে এ ঘটনা ঘটেছে বলে দেশটির গণমাধ্যমে খবরটি প্রকাশ করা হয়েছে।

খবরে বলা হয়েছে, রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্সের (আরপিএফ) কর্মকর্তারা গিয়ে তাদের প্যাকেটগুলোতে তল্লাশি চালায়। আরপিএফের উপপরিদর্শক এস কৃষ্ণন এবং এ ভাস্করণ সেগুলো জব্দ করেন।

ফুড সেফটি কর্মকর্তারা পরে সেগুলো পরীক্ষা করেন। ওই কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জবাই করা কুকুরগুলো হোটেলে সরবরাহের জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এভাবে কুকুরের মাংসকে ‘রাজস্থান মিট’ বলে চালানো হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ করছে পুলিশ।