

বান্দরবানের মাইক্রোবাস,জিপ ও পিকআপ মালিক সমিতির দুই তথ্য জানতে চেয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কতৃপক্ষ (বিআরটিএ) বান্দরবান সার্কেল কে লিখিত আবেদন করা হয়েছে।রবিবার (২৫ জানুয়ারি) তথ্য অধিকার (তথ্য প্রাপ্তি সংক্রান্ত) বিধিমালা,২০০৯-এর বিধি ৩ অনুসারে বান্দরবানের স্থানীয় একজন বাসিন্দা সার্কেল কার্যালয়ে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে আবেদনপত্রটি দাখিল করেন।আবেদনকারীর পক্ষে তৌহিদুল ইসলাম জানান,মাইক্রোবাস,জিপ ও পিকআপ মালিক সমিতি সমবায় অধিদপ্তর কর্তৃক নিবন্ধিত একটি প্রতিষ্ঠান।সমিতির দায়িত্বশীলদের কাছে একাধিকবার ফোনে তথ্য জানতে চাওয়া হলেও তারা কোনো তথ্য প্রদান না করায় বিআরটিএ কে পত্র দেয়া হয়েছে।তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী দুইটি তথ্য জানতে চেয়ে এই আবেদন করা হয়।উল্লেখ্য,মাইক্রোবাস,জিপ ও পিকআপ মালিক সমিতির বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়টি সমবায় অধিদপ্তরের অতিরিক্ত নিবন্ধক (সমিতি ব্যবস্থাপনা) মিজ জেবুন নাহার এর নজরে আনা হয়।গত ১১ জানুয়ারি রবিবার মুঠোফোনে তিনি বলেন,জেলা সমবায় কার্যালয় বিষয়টি দেখবে তবে প্রতিকার পাওয়া না গেলে লিখিতভাবে অধিদপ্তর কে জানান,ব্যবস্থা নেয়া হবে।প্রসঙ্গত,দীর্ঘদিন ধরে সমিতিটি নানা অনিয়মের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছিলো।তবে এসব অনিয়মের বিষয় নিয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাননি।বান্দরবান জেলা আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মোজাম্মেল হক বাহাদুরের প্রভাব ও ক্ষমতাকে সামনে রেখে ৭ থেকে ৮ ব্যক্তির সিন্ডিকেট সমিতির সকল কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করতেন বলেও নানা মহলে অভিযোগ রয়েছে।ইতিপুর্বে ৫ আগস্ট আত্মগোপনে যাওয়া আওয়ামীলীগ নেতা মোজাম্মেল হক বাহাদুরের স্থানে নতুন করে একজন দায়িত্ব পেয়েছেন।স্থানীয়দের দাবি,কীভাবে এবং কোন প্রক্রিয়ায় এই সমিতি পরিচালনা করা হচ্ছে সে বিষয়ে বিতর্ক রয়েছে।সমিতির বেশিরভাগ দায়িত্ব স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।এদিকে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জাতীয় শোক ঘোষনার দিনই তড়িঘড়ি করে লেমুঝিড়ি এলাকায় সমিতির একটি সাধারন সভা অনুষ্ঠিত হয়।এই সভাতেও অনেক সদস্য উক্ত সমিতির নির্বাচনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আপত্তি জানান।তবে বরাবরের মতোই বিষয়গুলো এড়িয়ে গেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।সেদিন সাধারন সভার নামে ফুল বিনিময়ের ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে ছড়িয়ে পরার পর অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।







