

সারাদেশেই তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সরবরাহ সংকট দেখা দেওয়ায় এর প্রভাব পড়েছে জনজীবনে।পেট্রোলিয়াম গ্যাসের সরবরাহ কম থাকায় কক্সবাজার সহ রাঙ্গামাটি,খাগড়াছড়ি সহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের সিএনজি ফিলিং স্টেশন গুলোর অধিকাংশ এখন বন্ধ রয়েছে।
তথ্য নিশ্চিত করে গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বিএম অটো গ্যাস এর দক্ষিণ চট্টগ্রামের এরিয়া ম্যানেজার মো.ফরিদুল আলম জানান,আন্তর্জাতিক বাজারে গ্যাসের সংকট।এখানে কোন সিন্ডিকেটের কারসাজি নেই,দক্ষিণ চট্টগ্রামের অধিকাংশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন গুলোতে এখন গ্যাস নেই,পার্বত্য এলাকার অবস্থা বুঝে আমরা কয়েকটি গাড়ি পাঠিয়েছি।আমরা নিজেরাও বিষয়টি সমাধানে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।এদিকে এবারই প্রথম পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সংকটের চিত্র ফুটে উঠেছে বান্দরবানে।সকাল ৮ হতে জেলা সদরের লামিয়া ফিলিং স্টেশনে হাজার খানেক সিএনজি অটোরিকশার দীর্ঘ লাইন সন্ধ্যা অবদি কয়েকশত সিএনজি অটোরিকশা লাইনে দাঁড়িয়ে,সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে গাড়ির সংখ্যা বেড়েই চলেছে।এদিকে ঠিক সময়ে গাড়িতে গ্যাস ভরতে না পেরে বিপাকে পড়েছে সিএনজি চালিত অটোরিকশা সহ সিএনজি ব্যাবহৃত যানবাহনের সাথে জড়িত ব্যাবহাকারীরা।রাঙ্গামাটির বাঙ্গালহালিয়া থেকে সিএনজি ফিলিং স্টেশনে এসেছেন ড্রাইভার আব্দুল আলম,জানালেন রাঙ্গামাটির ফিলিং স্টেশন গুলোতে গ্যাস নেই এখানে এসেছি সকাল ৮ টায়,ফিলিং স্টেশন হতে ৫০০ টাকার বেশি গ্যাস দিচ্ছে না,এখন কখন ভাড়া মারবো,আর পরিবারের জন্য বাজার করে ঘরে ফিরবো।এদিকে গ্যাস সংকটের বিষয়ে লামিয়া ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো.মনিরুল ইসলাম সিকদার বলেন চট্টগ্রামে গ্যাসের সংকট,বান্দরবানে ৪ টি সিএনজি ফিলিং স্টেশনের মধ্যে ৩ টিই বন্ধ,যার কারনে আজকে সিএনজি অটোরিকশার এই দীর্ঘ লাইন, তিনি বলেন আমার ফিলিং স্টেশনে যতক্ষণ গ্যাস আছে আমি সরবরাহ করবো,উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে সিএনজি চালিত সকল যানবাহনে ৫০০ টাকার গ্যাস দিচ্ছি,যাতে অধিক সংখ্যক ব্যাবহারকারীরা উপকৃত হয়।সংশ্লিষ্টরা যেনো দ্রুত গ্যাসের সংকট নিরষনে উদ্যোগ গ্রহণ করে সেদিকে দৃষ্টি দিতে অনুরোধ জানান ভুক্তভোগী ব্যাবহাকরী ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান।







