

ভালোবাসার দিনে নয়,কোনো রকম ঘোষণা ছাড়াই অজ্ঞাত ব্যক্তি হঠাৎ করে উপস্থাপিকা ও ব্যবসায়ী ইসরাত পায়েলের বাসায় ১ হাজার লাল গোলাপ পাঠিয়ে তাকে বিস্মিত করেছে! এই ঘটনায় পায়েল নিজেও হতবাক! তিনি বুঝে উঠতে পারছেন না কে তাকে এতো ভালোবাসা দিল! একসময়ে টিভি-কর্পোরেট শো-এর মঞ্চে দাপিয়ে উপস্থাপনা করলেও এখন ব্যবসায় মনোযোগ দিয়েছেন পায়েল।সেই কাজে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরেই এই অপ্রত্যাশিত উপহার পেয়ে মুহূর্তেই কৌতূহলী হয়ে ওঠেন ইসরাত পায়েল নিজেও।বিভিন্ন গণমাধ্যম কে পায়েল জানান,কোনোভাবেই তিনি বুঝে উঠতে পারছেন কোন ব্যক্তি তাকে হাজারো গোলাপের ডালি দিয়েছে! এ কারণে নিজেই সোমবার রাতে ফেসবুকে ফুলগুলোর সঙ্গে ছবি তুলে লিখেছেন, “আমার বাসায় কে এই ফুল পাঠিয়েছে,আমি জানি না! কিন্তু যেই পাঠাক,আমি তাকে বিয়ে করবো।যে ১০০০ গোলাপ উপহার দিতে পারে,তার কলিজা আর চিন্তা দুটোই বিশাল।সে সাধারণ কেউ না,মনে হয় রাজা-বাদশাই হবে!” পায়েলের এই ছবি ও পোস্টটি লাইক,শেয়ার,কমেন্টসে রাতারাতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে! অনেকে ভেবেছেন আলোচনা তৈরির জন্য পায়েল বিষয়টি প্রকাশ্যে এনেছেন।এ বিষয়ে তিনি বলেন, “সত্যি সত্যি এমনটাই ঘটেছে।রবিবার রাতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাসায় এসে দেখি এই অবস্থা।গুনে দেখেছি ১ হাজার গোলাপ।কে পাঠিয়েছে নাম, ঠিকানা,ফোন নাম্বার লেখা নেই।শুধু ফুল আছে।” পায়েল বলেন,রাগ অভিমানও কারো উপর তেমন নেই।আমি সিঙ্গেল।আসলে আমি ব্যবসায়িক কাজে এতো ব্যস্ত থাকি এসবের সময় পাই না।এত ফুল একসঙ্গে কখনও কেউ আমাকে উপহার দেয়নি।যেই পাঠাক সে নিশ্চয়ই ভালোবেসে দিয়েছে।তাকে খুঁজে পেলে সত্যিই বিয়ে করবো।ইসরাত পায়েল বলেন, সবগুলো ফুল তাজা এবং ইমপোর্টেড।চার ফুট আয়তন হবে এবং ওজন প্রায় ১৫ কেজি।আমি অবাক হয়েছি এই কারণে যে,এই খরার সময়ে আমাকে এতো ভালোবাসা কে দেখালো? সত্যিই এটা অপ্রত্যাশিত,আমি চূড়ান্ত লেভেলে সারপ্রাইজড হয়েছি।ফুলগুলো পেয়ে পায়েল বুঝতে পেরেছেন,এগুলো স্পেশালভাবে অর্ডার করা।তিনি বলেন,ইমপোর্টেড ফুলের অনেক দাম।এগুলো সাধারণত দোকানে পাওয়া যায় না।প্রতি গোলাপ এভারেজ ৮০ টাকা হলে ১ হাজার গোলাপের দাম প্রায় ৮০ হাজার টাকা!যে পাঠিয়েছে সে কেন এতো আমাকে খুশির চেষ্টা করলো? আমার বাসা ঠিকানা পেল কই? আসলে যেই পাঠাক আমি তাকে দেখতে চাই,জানতে চাই কেন আমাকে সারপ্রাইজ করলো?







