

নতুন ইংরেজি বছর-২০২৬ এ নতুন রুপে দেখা মিলেছে মেঘদূত ক্যাফে এন্ড রেস্টুরেন্ট এর সার্বিক ব্যাবস্থাপনায়।নিত্য নমুনা বাহারি রকমের তরতাজা ও সুস্বাদু খাবারের জন্য স্থানীয়রা এই রেস্টুরেন্ট কে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।পছন্দের তালিকায় শীর্ষে থাকা মেঘদূতের সার্বিক ইন্টেরিয়র ডিজাইন থেকে শুরু করে সবকিছু তে আনা হয়েছে পরিবর্তন।রাতে চোখ ধাঁধানো রঙ্গিন আলোয় মেঘদূত হয়ে উঠে অপূর্ব।মাঝে কিছু সময় গ্রাহক শ্রেনীতে ভাটা থাকলেও ইদানীং নতুন কলেবরে সাজানো মেগদূতে গ্রাহক সংখ্যা বাড়ছে।এটি কেবল খাবারের জায়গা নয় বরং বন্ধু-বান্ধব বা সহকর্মীদের সাথে আড্ডা ও বিনোদনেরও কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠেছে।মুখরোচক খাবারের তালিকায় চিকেন চাপ,গ্রিল,কাবাব,গ্রিলড চিকেন, ফিশ ফ্রাইসহ আকর্ষণীয় ও লোভনীয় সব খাবার এখানে পাওয়া যাচ্ছে।ফাস্টফুড ও স্ন্যাকস হিসেবে বার্গার,নুডলস,সি-ফুড, চটপটি,ফুচকাসহ কি নেই এই মেঘদূত রেস্টোরেন্ট আঙ্গিনা জুড়ে।এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের ডেজার্ট,জুস,লাচ্ছি সবই পাওয়া যায়।হরেক রকমের ঝাল খাবারের পাশাপাশি এখন একই চত্বরে মিলছে ৮ থেকে ১০ পদের মুখরোচক মিষ্টির সমাহার।মুখরোচক,স্বাস্থ্যকর এবং বৈচিত্র্যময় খাবার হওয়ায় সবসময় ভিড় লেগেই থাকে।স্থানীয় তরুনদের মাঝে মেঘদূত রেস্টোরেন্টের প্রতি বহু বছর ধরে একটি বিশ্বস্ত ও নির্মল বিনোদনের স্থান হিসেবে জেলাজুড়ে পরিচিতি রয়েছে।সাথে পর্যটকদের বিরাট একটি অংশ এই রেস্টুরেন্টে যেতে পছন্দ করেন।প্রায়শই দেখা যায় স্কুল/কলেজ/বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনগুলোর আলোচনা ও মতবিনিময় গুলিও মেঘদূত রেস্টোরেন্টে আয়োজন করা হয়।আকর্ষণীয় ও লোভনীয় খাবার হওয়ায় সবার তালিকায় মেঘদূত রেস্টুরেন্ট পছন্দের তালিকায় বিশেষ একটি স্থান করে নিয়েছে।এদিকে ইংরেজি বছরের প্রথম দিনেই মেঘদূত রেস্টুরেন্ট কতৃপক্ষ ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ জানুয়ারি-২০২৬ পর্যন্ত সকালের নাস্তায় ৫০ শতাংশ ছাড় দেয়ার ঘোষনা দিয়েছে।







