

বান্দরবানের সীমান্তবর্তী নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে সম্প্রীতি,সামাজিক বন্ধন ও পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)।রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) সদরে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে মোট ১ লাখ ১৯ হাজার ৫০০ টাকার অনুদান ও সহায়তা সামগ্রী বিতরণ করা হয়।সহায়তার অংশ হিসেবে সোনাইছড়ি ক্যাংপাড়া বৌদ্ধ বিহারে ১১০টি কম্বল বিতরণ,পাহাড়ি ও বাঙালি ৩৬ জন শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষাবৃত্তি,জুমখোলা বৌদ্ধ বিহারের ৫২ জন শিক্ষার্থীর জন্য খাদ্যসামগ্রী,অসহায় নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন,মেয়েদের বিবাহের জন্য ২ জনকে, ঘর নির্মাণে ১ জনকে,লেখাপড়ার খরচ চালাতে ৬ জনকে এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য ১১ জনকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস কে এম কফিল উদ্দিন কায়েস। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক মেজর আশিক ইকবাল,স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ, উপকারভোগীরা এবং বিজিবির অন্যান্য সদস্যরা।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস কে এম কফিল উদ্দিন কায়েস বলেন,“সীমান্ত রক্ষা,চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধের পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনাও বিজিবির দায়িত্বের অংশ।পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা বজায় রাখতে আমরা নিয়মিত এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছি।” তিনি আরও বলেন,“সহযোগিতা ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে সীমান্তাঞ্চলকে আরও শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল রাখা সম্ভব।স্থানীয় জনগণ শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।” বিজিবি সূত্র জানায়, জাতীয় নিরাপত্তা ও সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি ‘অপারেশন উত্তরণ’-এর আওতায় পাহাড়ি অঞ্চলে উন্নয়ন,স্থিতিশীলতা ও সামাজিক সম্প্রীতি নিশ্চিত করতে বিজিবির বিভিন্ন জনবান্ধব কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।শীতবস্ত্র বিতরণ,শিক্ষা সহায়তা ও আর্থিক অনুদান কর্মসূচি তারই ধারাবাহিক অংশ।







