

নতুন নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।এতে বলা হয়েছে ভেনেজুয়েলার তেল বিক্রি করে ডলার শুধু মাত্র আমেরিকার ব্যাংকে জমা রাখা হবে।এই ডলার আমেরিকা দাবি করতে পারবে না।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন একটি এক্সিকিউটিভ অর্ডার স্বাক্ষর করেছেন,যার উদ্দেশ্য হলো ভেনেজুয়েলার তেল বিক্রয় থেকে অর্জিত অর্থকে আদালত বা আইনগত দাবি থেকে রক্ষা করা। এই সিদ্ধান্তটি শনিবার ঘোষণা করা হয়েছে, যেখানে সুতির অর্থগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের তহবিলে নিরাপদে রাখা হবে এবং স্বার্থপর দাবি থেকে মুক্ত রাখা হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।শ্বেতগৃহের তথ্য অনুযায়ী, এই অর্ডারটিতে ঘোষণা করা হয়েছে যে ভেনেজুয়েলার তেলের আয়ের ওপর কোনো আদালতের আরোপ,মর্যাদা,লিঙ্ক,দাবি বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার চেষ্টা অবৈধ হবে এবং সেই অর্থ আইনগত কার্যক্রমের বাইরে রাখা হবে।ট্রাম্প প্রশাসন বলছে,এমন কোনো লিগ্যাল উপস্থিতি যদি হয়,তা যুক্তরাষ্ট্রের ভেনেজুয়েলার স্থিতিশীলতা এবং নিরাপত্তা নীতির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।এই পদক্ষেপটি আসে এমন এক সময়ে যখন মার্কিন প্রশাসন ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে স্থিতিশীল ও পুনর্গঠনের দিকে চালিত করতে চাইছে,বিশেষ করে দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা ও সরকারের শৃঙ্খলা ভঙ্গের পর।শ্বেতগৃহের বক্তব্যে বলা হয়েছে,এই তেল আয় ভেনেজুয়েলার সার্বভৌম সম্পদ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের তহবিলে রাখা হচ্ছে যাতে তা ভবিষ্যতে দেশটিকে সাহায্য করতে পারে।একই সময়, ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রের বড় বড় তেল কোম্পানিগুলিকে ভেনেজুয়েলার তেল খাতে বিনিয়োগ করতে উৎসাহ দিচ্ছে,যেখানে Chevron, ExxonMobil,ConocoPhillips সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বলেছেন তারা ব্যাপক বিনিয়োগ এবং পুনর্নির্মাণে আগ্রহী,যদিও কিছু পরিচালনা প্রতিষ্ঠান এখনো ঝুঁকি সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেছে।বিশ্লেষকরা বলছেন,ভেনেজুয়েলা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেলভিত্তিক অর্থনীতি এবং এই তেলের সঙ্গে যুক্ত অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত বর্তমান আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা নীতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে উঠছে।এখন দেখার বিষয়,এই এক্সিকিউটিভ অর্ডারটি ভবিষ্যতে আইনগত, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিণতিতে কি পরিবর্তন আনবে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে এর প্রভাব কতটা গভীর হবে।







