শিরোনাম: থানচিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহারের ঘর পেলো ১০৫ পরিবার বান্দরবানে সামাজিক ও সেবামূলক সংগঠন হিসেবে যাত্রা শুরু করলো স্বপ্নবিলাস গোপালগঞ্জের সাভানা ইকো রিসোর্ট অ্যান্ড ন্যাচারাল পার্কে রিসিভার নিয়োগ করলো জেলা প্রশাসন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরন অনুষ্ঠিত ভূমিসেবা সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত যথাযোগ্য মর্যাদায় বান্দরবানে পালিত হলো বিশ্ব পরিবেশ দিবস সাতাঁর প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরন অনুষ্ঠিত বিএনপি পার্বত্য অঞ্চলকে অন্ধকারে নিমজ্জ্বিত একটি জনপদে পরিনত করেছিলোঃ বীর বাহাদুর

খালেদা জেলে থাকায় খুশি বিএনপির হাইকমান্ড!


প্রকাশের সময় :১৪ মার্চ, ২০১৯ ১:১৩ : অপরাহ্ণ 576 Views

জিয়া অরফানেজ ট্রাষ্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার কারাবরণের পর বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রথম প্রথম আবেগী বক্তব্য প্রদান করছিলেন। এছাড়া বেশ কয়েকজন বিএনপি নেতা দেশ অচল করে দেয়ার হুমকিও দিয়েছিলেন। কিন্তু কিছুটা সময় অতিবাহিত হওয়ার পর সেই নেতাদের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে দলটির ভেতর। গুঞ্জন চাউর হয়েছে, দলীয় হাইকমান্ডের অবহেলা এবং স্ট্যান্টবাজির কারণে কারাবরণ দীর্ঘায়িত হচ্ছে বেগম জিয়ার।

দলটির একাধিক বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, বেগম জিয়ার মুক্তি নিয়ে দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দের দেশ অচল করে দেয়ার মতো ঘোষণাগুলো ছিলো লোক দেখানো। খালেদা জিয়ার জেলে থাকাটা দলের জন্য অনেক বেশী লাভজনক বলে মনে করছে বিএনপি হাইকমান্ড। পুরো বিএনপির অপরাধের বোঝা ঘাড়ে নিয়ে বেগম জিয়া জেল খাটায় শঙ্কামুক্ত রাজনীতি করে সুবিধা আদায় করতে পারছেন দলটির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ।

এ প্রসঙ্গে একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, খালেদা জিয়া জেলে যাবার পর নতুন নেতা হিসেবে মির্জা ফখরুলকে চিনেছে বিএনপি। মির্জা ফখরুলের আবির্ভাব কখনোই হতো না যদি না খালেদা জিয়া কারাগারে না যেতেন। বেগম জিয়ার কারাবরণের ফলে বিএনপির পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতির অবসান হলো। মির্জা ফখরুল ছাড়া খালেদা জিয়া জেলে যাবার পর কপাল খুলেছে মওদুদ আহমেদ ও মঈন খানের। বর্তমানে তারাই বিএনপির হর্তাকর্তা। অতএব খালেদা জিয়া কারাভোগের পর থেকে এই তিন নেতা সব চেয়ে বেশি লাভবান হয়েছেন। যার প্রমাণ পাওয়া যায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও। যে নির্বাচনে মির্জা ফখরুলই ছিলেন সর্বেসর্বা।

তিনি আরো বলেন, খালেদা জিয়া কারাগারে যাবার পর কপাল পুড়েছে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর। খালেদা জিয়া কারাগারের বাইরে থাকার আগে এই নেতার যে ফর্ম ছিলো, তা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যায়। তিনি এখন নয়াপল্টন কার্যালয়ের বাইরে বের হতে পারেন না। কথায় কথায় কান্নাকাটি করেন। বড়ই দুর্বিষহ অবস্থায় রয়েছেন রিজভী আহমেদ।

কিছুটা সময় নিয়ে ওই বিশ্লেষক বলেন, খালেদা জিয়ার কারাবরণ নিয়ে কোনো আন্দোলনই করতে পারেনি বিএনপি। যার মাধ্যমে প্রমাণিত হয় তারা সাংগঠনিকভাবে কতোটা দুর্বল। বিএনপির এতো দুর্বলতার প্রধান কারণ হচ্ছে তাদের সমন্বয়হীনতা। বিএনপির প্রতিটি নেতা সব সময় চায়, অন্যকে টপকিয়ে নিজে বড় হতে। খালেদা জিয়ার কারাবরণ আর মির্জা ফখরুলের আবির্ভাব এমনটাই প্রমাণ করে। এমন চলতে থাকলে আর কয়েক বছর পর বিএনপি কোমায় চলে যেতে পারে। আর এ কোমা থেকে ফিরে আসাটা সহজ হবে না।

 

ট্যাগ :

আরো সংবাদ

ফেইসবুকে আমরা



আর্কাইভ
June 2024
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
আলোচিত খবর

error: কি ব্যাপার মামা !!