শিরোনাম: পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত: ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়ার আহ্বান ৫০ চক্ষু রোগীকে বিনামূল্যে অস্ত্রোপচার ও দেড় শতাধিক চশমা বিতরন এনসিপি কতৃক অনিয়ম দেখলেই ফোন করার আহবান জানালেন জেলা আহবায়ক মংসা প্রু দেশে ফিরেই এভার কেয়ার হাসপাতালে ছুটে গেলেন ডা.জোবাইদা রহমান অবৈধ ইটভাটায় লামা উপজেলা প্রশাসনের অভিযান পূজা উদযাপন ফ্রন্টের উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়া’র রোগমুক্তি কামনায় প্রার্থনা সভা জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস উপলক্ষ্যে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মাঝে হুইল চেয়ার ও শীতবস্ত্র বিতরন বান্দরবানে নানা আয়োজনে পার্বত্য শান্তি চুক্তি’র ২৮তম বর্ষপূর্তি উদযাপিত

৭ই নভেম্বরঃ মুক্তিযোদ্ধা হত্যার এক করুণ ইতিহাস


সিএইচটি টাইমস অনলাইন প্রকাশের সময় :৮ নভেম্বর, ২০১৯ ৯:১৫ : অপরাহ্ণ 822 Views

মুক্তিযোদ্ধা হত্যা উৎসব,সিপাহি হত্যা উৎসব,নাকি সিপাহি-জনতা বিপ্লব? আসলে কোনটা ছিলো ১৯৭৫ সালের এই ঘটনা? ১৯৭৫ সাল,বাঙালি জাতির ইতিহাসে রক্তের সাগরে ভাসা চরম শোকগাঁথা একটা বছর।যেসময়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ব্যাপক পরিবর্তন আসে সমুদ্রের অথই স্রোতের মতো।পাল্টে যায় দেশের রাজনৈতিক-সামজিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট।
৭ নভেম্বর, ১৯৭৫।সেদিন থেকেই বাঙালি জাতির গৌরবময় ইতিহাস প্রবেশ করতে থাকে ঘন কুয়াশাচ্ছন্ন এবং ঘোলাটে অধ্যায়ের সুড়ঙ্গে।

সেই সময়কালের ইতিহাসকে রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে মূল্যায়ন করা হয়েছে সবসময়;বিকৃত করা হয়েছে নির্দ্বিধায়।আসল সত্যিটা মানুষের কাছ থেকে আড়াল করার প্রয়াস হয়েছে।অনেকে অনেকভাবে এই দিনটিকে ব্যাখ্যা করেন।

বিএনপি এটাকে বলে ‘জাতীয় বিপ্লব এবং সংহতি দিবস’, প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ের জাসদের মূল অংশ এটাকে বলে “সিপাহী জনতার অভ্যূত্থান”, আওয়ামী লীগ মনে করে “বিদ্রোহের নামে মুক্তিযোদ্ধা হত্যা দিবস’, আবার অনেকেই এটাকে ব্যাখ্যা করেন “ভয়াবহ কলঙ্কিত অধ্যায়’ হিসেবে।৭ নভেম্বরকে ‘বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ বলাটা কতটা যুক্তিসংযত?
ক্ষমতা দখলের জন্যে তৎকালীন সেনাবাহিনীর উচ্চাভিলাষী,বিপথগামী কিছু অফিসারদের পারস্পরিক হানাহানি এবং নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ডকে ‘বিপ্লব’ বলা চরম মূর্খতা ছাড়া আর কিছু নয়।

৭ নভেম্বরের ঘটনা ‘বিদ্রোহ’ ছিল, কোনোমতেই ‘বিপ্লব’ নয়।সেনাবাহিনীর মধ্যে এই বিপ্লব সৃষ্টি করে মূলত জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানীদের সরিয়ে দিয়ে চেয়েছিলেন নিজের ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করতে।সিপাহী বিপ্লবের নামে এদিন থেকে শুরু হয় মুক্তিযোদ্ধা সেনা সদস্যদের হত্যা প্রক্রিয়া।১৯৭৫ সালের এদিনে সিপাহী বিপ্লবের নামে প্রথমে হত্যা করা হয় তিন খ্যাতনামা মুক্তিযোদ্ধাকে। এরা হলেন, খালেদ মোশাররফ বীর উত্তম,কে এন হুদা বীর উত্তম এবং এটি এম হায়দার বীর বিক্রম।

দশম বেঙ্গল রেজিমেন্টের সদর দপ্তরে অবস্থানকালে সকালে তাদের একেবারে কাছ থেকে গুলি করে হত্যা করে কোম্পানি কমান্ডার আসাদ এবং জলিল।ক্ষমতার লড়াইয়ে বিএনপি এটিকে দলীয় বিল্পব ভাবে।এই ন্যাক্কারজনক ঘটনাকে সিপাহী-জনতা-অভ্যুত্থান বলে এটিকে “বিপ্লব ও সংহতি দিবস” হিসেবে প্রচার করে থাকে।ক্ষমতায় থাকাকালীন এই ঘৃণিত দিনকে উদযাপন করেছে বিএনপি-স্বাধীন দেশে দেশমাতৃকার বীর সন্তানদের হত্যার উদযাপন,এর থেকে লজ্জার ঘটনা আর কি হতে পারে!

ট্যাগ :

আরো সংবাদ

ফেইসবুকে আমরা



আর্কাইভ
December 2025
MTWTFSS
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30 
আলোচিত খবর