এই মাত্র পাওয়া :

প্রতিমাসে ১ কোটি ডোজের বেশি টিকা পাওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী


অনলাইন ডেস্ক প্রকাশের সময় :৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ২:৩৮ : অপরাহ্ণ

প্রতিমাসে এক কোটি ডোজের বেশি টিকা পাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে আজ বুধবার জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য শহীদুজ্জামান সরকারের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিকেলে শুরু হওয়া একাদশ জাতীয় সংসদের ১৪তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীসহ অন্যান্য মন্ত্রীদের প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

শহীদুজ্জামান সরকারের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ পর্যন্ত (৩০ আগস্ট) ১ কোটি ৮২ লাখ ৮৯ হাজার ১৮ জনকে প্রথম ডোজ এবং ৭৮ লাখ ৪০ হাজার ১৬৯ জনকে দ্বিতীয় ডোজসহ ২ কোটি ৬১ লাখ ২৯ হাজার ১৮৭ ডোজ টিকা দেওয়া সম্পন্ন হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, মজুদ রয়েছে টিকার ১ কোটি ১৮ লাখ ৯৬ হাজার ৩৪৩ ডোজ।

টিকা সংগ্রহ এবং বিনামূল্যে প্রদান কাজ চলমান রয়েছে বলেও সংসদকে অবহিত করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, প্রতিমাসে যাতে ১ কোটি ডোজের বেশি টিকা পাওয়া যায় তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, সিনোফার্ম থেকে পাওয়া শিডিউল অনুযায়ী অক্টোবর মাস থেকে প্রতিমা সে দুই কোটি হিসেবে ডিসেম্বরের মধ্যে ৬ কোটি টিকা পাওয়া যাবে।

করোনার টিকা সংগ্রহে সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, করোনার টিকা সংগ্রহে আমরা বিশ্বের সব উৎপাদনকারী সংস্থার সঙ্গেই যোগাযোগ স্থাপন করেছি। এর মধ্যে কেবল ভারতের সিরাম ইনিস্টিটিটিউ থেকে সাড়া পাই এবং অগ্রিম টাকা দিয়ে ৩ কোটি ডোজ টিকা সংগ্রহের চুক্তি করি।

প্রধানমন্ত্রী জানান, অন্যান্য উৎপাদনকারী সংস্থা থেকে টিকা পাওয়ার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে কেবল চীনের সিনোফার্ম ও রাশিয়ার স্পুটনিক-ভি থেকে সাড়া পাওয়ার সাথে সাথে উদ্যোগ গ্রহণ করি। তারমধ্যে সিনোফার্মার সাথে চুক্তি হয়েছে এবং স্থানীয়ভাবে উৎপাদনের জন্য সমাঝোতা চুক্তিও হয়েছে।

জাতীয় পার্টির শামীম হায়দার পাটোয়ারীর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতি বছর ভাঙনে যদি তীরবর্তী প্রায় ৬,০০০ হেক্টর জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে প্রায় ৫০,০০০ মানুষ গৃহহীন হয়ে পরে।

শেখ হাসিনা বলেন, সরকার নদী ভাঙনের স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছে। বন্যা থেকে রক্ষা, নদী ভাঙন নিয়ন্ত্রণ, নদী শাসন, নাব্যতা রক্ষাসহ সামগ্রিক নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বন্যা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ গ্রহণ করা হয়েছে। এতে সারা দেশকে ৭টি নদী বেসিনে বিভক্ত করে সমীক্ষা সম্পাদন হচ্ছে।

সংসদ সদস্য মাহফুজুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে গত ৪ বছর ধরে দেশীয় গবাদিপশু দিয়েই কোরবানির চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হয়েছে। গত ঈদুল আযহার সময় কোরবানিযোগ্য গবাদিপশুর সংখ্যা ছিল প্রায় ১ কোটি ১৯ লাখ ১৬ হাজার ৭০০টি। আর কোরবানিকৃত পশু ছিল ৯০ লাখ ৯৩ হাজার ২৪২টি। অর্থ্যাৎ কোরবানিযোগ্য প্রায় ২৮ লাখ পশু উদ্বৃত্ত ছিল। গত ১২ বছরে দেশে দুগ্ধ উৎপাদন ৫ গুণ ও ডিমের উৎপাদন ৪ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রী জানান।

ট্যাগ :

আরো সংবাদ



আর্কাইভ
September 2021
M T W T F S S
« Aug    
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  

error: কি ব্যাপার মামা !!