এই মাত্র পাওয়া :

দোহাজারী বিদ্যুৎ সরবরাহ দপ্তরের রাজস্ব আদায় ও ইফতার মাহ্ফিল


প্রকাশের সময় :১৮ জুন, ২০১৭ ১১:৫৬ : অপরাহ্ণ 601 Views

স্টাফ রিপোর্টারঃ-দোহাজারী বিদ্যুৎ সরবরাহ (বিউবো) এর আয়োজনে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি রাজনৈতিক ব্যাক্তি,ব্যবসায়ী,সাংবাদিকসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের সাথে মতবিনিময় সভা,ইফতার ও দোয়া মাহফিল-২০১৭ অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার বিকাল সাড়ে ৫টায় জেলা দোহাজারী বিদ্যুৎ অফিস প্রাঙ্গনে এর আয়োজন করা হয়।পটিয়া বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃআবু ছাইদ এর সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দোহাজারী কালিয়াইশ ১০০ মেঃ ওঃ পিকিং বিদ্যুৎ কেন্দ্র এর ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মোঃমাজহারুল ইসলাম।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,ঢাকা অডিট উপ-পরিচালক মোহাম্মদ উল্লাহ,বান্দরবান বিদ্যূৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সিং হ্লা মং মারমা,সহকারী প্রকৌশলী মোঃ রহিম উল্লাহ।মতবিনিময় সভা,ইফতার ও দোয়া মাহফিলে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন দোহাজারী বিদ্যুৎ সরবরাহ বিভাগের আবাসিক প্রকৌশলী মঈন উদ্দীন আহম্মদ।এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিদ্যুৎ শ্রমিক লীগ পটিয়া শাখার সভাপতি,স্থানীয় নেতৃবৃন্দ,বি-বো সেন্টারের মালিক,দোহাজারী বিদ্যুৎ সরবরাহের গ্রাহক ও শ্রমিক কর্মচারীগন।ইফতার মাহফিল ও মতবিনিময় সভায় বক্তরা বলেন,জুন মাসে পবিত্র রমজানের রোজার কারনে ও প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও ঘূর্ণিঝর হওয়ার কারনে আমরা আমাদের গ্রাহকদেরকে সঠিক ভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারিনায় তার জন্য আমরা আমাদের গ্রাহকদের নিকট আন্তরিক ভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি,সরকার জনগনের কল্যানে বিদ্যুতে সবসময় ভর্তুকি দিয়ে আসছে,যেখানে সরকারের ১ ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে খরছ হয় সাড়ে ৯টাকা সেখানে সরকার জনগণ থেকে নিচ্ছে মাত্র সাড়ে ৩টাকা ৪ টাকা।তাই আমাদের গ্রাহকদের বলবো আপনারা সরকারী বিদ্যুৎ বিল বকেয়া রেখে না দিয়ে যথা সময়ে পরিশোধ করুন।তাহলে সরকার নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারবে।ইসলামী আলোচক বক্তব্যে বলেন,নামাজের মত রমজান শরীফের রোজাকে আমাদের উপর ফরজ করা হয়েছে,মহান আল্লাহ বলেন,রোজা একমাত্র আমার জন্য,যে ব্যক্তি যথাযত নিয়মে রমজান মাসের ফরজ রোজা পালন করবে,তাঁর পুরুস্কার আমি নিজ হাতে ঐ বান্দাকে দিবে,রোজা দারের মুখের গন্ধ আল্লাহর নিকট মেস্ক আম্বরের চেয়ে প্রিয়।আর যাদের উপর যাকাত ফরজ হয়েছে তারা সম্পদের সঠিক হিসাব করে তার উপর যত পরিমাণ যাকাত আসে সেই পরিমাণ যাকাত গরীব-মিসকিনদের দিয়ে দেওয়া ফরজ,কারণ যাকাতের টাকার মালিক গরীব-মিসকিনরা।নামাজ রোযার মত যাতাক ও ফরজ,অনেকে মনে করে কিছু টাকা ব্যাংক থেকে তুলে ফকিরদের দান করে দিলে হয়ে যাবে।সেটা ভূল ধারনা,কারণ যে ব্যক্তির সাড়ে সাত তুলা র্স্বণ,ও সাড়ে বায়ান্ন তুলা রৌপ্যর অর্থ এক বছর পরিমান থাকলে লোনের টাকা বাদ দিয়ে যা থাকবে তার উপর হিসাব যাকাত দিতে হবে।সভাপতি উপস্থিত সকলকে উপস্থিত হওয়ার জন্য শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।পরিশেষে দেশ-জাতি সমগ্র মানব জাতির কল্যানে বিশেষ মুনাজাত করা হয়।

ট্যাগ :

আরো সংবাদ

ফেইসবুকে আমরা



আর্কাইভ
December 2022
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
আলোচিত খবর

error: কি ব্যাপার মামা !!