আজকে ২৬ এপ্রিল, ২০১৯ | | সময়ঃ-০২:২৪ অপরাহ্ন    

Home » শিল্প ও সংস্কৃতি

শিল্প ও সংস্কৃতি

‘জীবনযাত্রা’ ম্যাগাজিন-এর মোড়ক উম্মোচন

সেলিম উদ্দিন,বিশেষ প্রতিনিধিঃ- চট্রগ্রাম থেকে পরিপূর্ণ আকারে প্রকাশিত ‘জীবনযাত্রা’ ম্যাগাজিন -এর প্রথম সংখ্যার মোড়ক উম্মোচন করা হয়েছে। শুক্রবার ৮ জুন স্থানীয় একটি কমিউনিটি সেন্টারে চকরিয়া সমিতি- চট্টগ্রাম আয়োজিত ইফতার মাহফিল শেষে মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। মোড়ক উম্মোচন করেন কক্সবাজার জেলা পরিষদ সদস্য ও চকরিয়া সমিতি-চট্টগ্রাম এর সভাপতি আলহাজ্ব লায়ন কমরুদ্দীন আহমদ, চকরিয়া ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ গিয়াস উদ্দীন, জেল সুপার রফিকুল ইসলাম খোকন,এডভোকেট মো: নাছির উদ্দীন,সাবেক ছাত্রনেতা আবদুল হান্নান চৌধুরী, জীবনযাত্রা ম্যাগাজিনের সহ-সম্পাদক এবং এশিয়ান আবাসিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের উপাধাক্ষ্য ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এইচ.এম.ওসমান সরওয়ার।এই সময় অতিথিরা জীবনযাত্রা ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদ ও সামগ্রিক বিষয়ের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং জীবনযাত্রা ম্যাগাজিনের সাথে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।উল্লেখ্য,জীবনযাত্রা ম্যাগাজিনের সম্পাদনা পরিষদে আছেন,সম্পাদক- এস.ডি.জীবন,ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-প্রিয়া সেন (প্রিয়াসী),সহ-সম্পাদক-এইচ.এম.ওসমান সরওয়ার ‍ও আদনান এলাহী তুহিন।ম্যাগাজিনটি চট্টগ্রামের প্রায় পেপার স্টলে পাওয়া যাচ্ছে। আগ্রহীরা জীবনযাত্রা ম্যাগাজিন এর ফেইসবুক পেইজের ইনবক্সে যোগাযোগ করেও সংগ্রহ করতে পারবেন।

বিশ্বব্যাপী নজরুল চর্চা

সিএইচটি নিউজ ডেস্কঃ- কবি কাজী নজরুল ইসলাম। বিশ্ব সাহিত্য এবং সংগীতের এক বিস্ময়কর প্রতিভা। কখনো তিনি প্রেমিক, কখনো বিদ্রোহী আবার কখনো বাউণ্ডুলে। সাহিত্য ও সংগীতে এমনই তাঁর প্রকাশভঙ্গী।

নজরুল সাধারণ মানুষের কাছে চিরকালের প্রাণের স্পন্দন। তাঁর সৃষ্টিকর্ম নিয়ে যুগযুগ ধরে গবেষণা চলছে। দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও পৌঁছে গেছে নজরুলের গল্প, কবিতা, গান। যেমনটি নজরুল বলেছিলেন, ‘আমি এই দেশে, এই সমাজে জন্মেছি বলে, শুধু এই দেশেরই, এই সমাজেরই নই; আমি সকল দেশের, সকল মানুষের’

ব্রিটিশ তাত্ত্বিক উইলিয়াম ল্যাংলি বলেছিলেন, ‘কবি নজরুল ইসলাম বিগত শতকের সর্বশ্রেষ্ঠ দার্শনিক।’

সম্প্রতি তুরস্কের ফাতিহ বিশ্ববিদ্যালয়ে নজরুল গবেষণাগার খোলা হয়েছে। এমনকি সেখানকার শিক্ষার্থীরাও ব্যাপকভাবে নজরুলের বিভিন্ন সৃষ্টিকর্ম নিয়ে চর্চা করছে। এছাড়া ভারত, চীন, ইউরোপ, আফ্রিকাসহ বিশ্বের বহু দেশে নজরুলের সৃষ্টিকর্ম নিয়ে চর্চা হচ্ছে। কিন্তু নজরুলের নিজ ভূমি বাংলাদেশে তাঁকে নিয়ে কতটা চর্চা হচ্ছে?

দেশের অনেক নজরুল গবেষকদের মতে, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ব্যাপক হারে নজরুল চর্চা বাড়ছে। নজরুলের গান, গল্প, কবিতা, উপন্যাস নিয়ে তরুণ প্রজন্মের বিস্তর আগ্রহ রয়েছে।

অবশ্য নজরুল চর্চা অনেকটা শহর কেন্দ্রিক হয়ে গেছে বলে মনে করেন অনেক নজরুল গবেষকরা। বিশেষ করে শহরের বাইরে নজরুল সংগীত চর্চা হয় না বললেই চলে। তাছাড়া অনেক ক্ষেত্রে আয়োজনগুলো নজরুলের জন্মবার্ষিকী কিংবা মৃত্যুবার্ষিকীকে কেন্দ্র করেই হচ্ছে।

এক সাক্ষাৎকারে নজরুল সঙ্গীতশিল্পী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুজিত মোস্তফা বলেন, ‘ঢাকার বাইরে বেশি বেশি নজরুল সংগীতের অনুষ্ঠান আয়োজনের মধ্য দিয়ে নজরুল চর্চা বাড়ানো সম্ভব। স্থানীয় ধনী ও সংস্কৃতিমনা ব্যক্তিরা এগিয়ে আসলে মফস্বলে নজরুল চর্চা আরও বাড়বে।’

নজরুল সংগীতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সংগীতের প্রভাব রয়েছে। বিশেষ করে আরবি, ফার্সি এবং উর্দু ভাষার সংগীতের। তাই তাঁর গানের বাণী ও সুর ঠিক রেখে যে কোনোভাবে গাওয়া যেতে পারে। এমনটিই মনে করেন নজরুল ইসলামের নাতনি খিলখিল কাজী। তাঁর কথায়, ‘দাদু নিজেও যন্ত্রসংগীত বেশ পছন্দ করতেন। নজরুলের গানের বানী ও সুর ঠিক রেখে যদি পাশ্চাত্য যন্ত্রানুসঙ্গের মিশেলে পরিবেশন করা হয় তাহলে নতুন প্রজন্ম অবশ্যই নজরুলের গান শুনবে এবং চর্চা করবে’

নজরুলের সৃষ্টি সবসময়ের এবং সর্বকালের জন্য প্রযোজ্য – এ আবেদন ফুরিয়ে যাবার নয়। সে আবেদনকে সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে ছড়িয়ে দিতে হবে বলে মনে করেন নজরুল গবেষকেরা।

সাংগ্রাই উপলক্ষ্যে বান্দরবানে ৪ দিনের ব্যাপক কর্মসূচি

বান্দরবান অফিসঃ-কারও জন্য সাংগ্রাই কিংবা কারও জন্য বিযু অথবা কারও জন্য পানি উৎসব,এককথায় পুরনো বাংলা বছর কে বিদায় জানিয়ে নতুন বছর কে বরণ করে নেয়া যা বর্ষবরণ হিসেবেই পরিচিত।আর এই বর্ষবরণের ক্ষেত্রে বান্দরবান পার্বত্য জেলা সারাদেশের তুলনায় অনন্য।উৎসাহ উদ্দীপনা একটু বেশী পরিলক্ষিত হয়।হাজার হাজার পর্যটকদের ভীড়ে বান্দরবানের বর্ষবরণ হয়ে উঠে অনবদ্য এবং বর্ণিল।আর এই বর্ষবরণ উৎসব অর্থাৎ সাংগ্রাই উপলক্ষ্যে বান্দরবান পার্বত্য জেলায় হাতে নেয়া হয়েছে ৪ দিনের ব্যাপক কর্মসূচি।প্রতিবছরের ন্যায় এবারও বর্ষবরণে মুখিয়ে আছে বান্দরবানের ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর জনসাধারণ।বান্দরবান পার্বত্য জেলায় বর্ষবরণ উৎসব সাংগ্রাই উদযাপনে হাতে নেয়া বিভিন্ন কর্মসূচি গুলোর মধ্যে রয়েছে ১৩ এপ্রিল সকাল ৮.৩০টায় সাংগ্রাই মঙ্গল শোভাযাত্রা, সকাল ১০.০০টায় বয়োজ্যেষ্ঠ পূজা।১৪ এপ্রিল বিকেল ৩ টায় বুদ্ধমুর্তি স্নান।১৫ এপ্রিল বিকেল ৩টা মৈত্রী পানি বর্ষন।১৬ এপ্রিল বিকেল ৩টা মৈত্রী পানি বর্ষন,৩.১৫ টায় ঐতিহ্যবাহী খেলাধূলা আয়োজন, ৩.৩০টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মতো বর্নাঢ্য আয়োজন।অনুষ্ঠান গুলো সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ টি স্পট।বান্দরবানের ঐতিহ্যবাহী রাজার মাঠে অনুষ্ঠিত হবে সাংগ্রাই এর এই বর্ণাঢ্য র‌্যালী,পানি বর্ষণ,ক্রীড়া প্রতিযোগীতা, সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা।অন্য দিকে বুদ্ধমূর্তি স্লান ও পুজা অনুষ্ঠিত হবে উজানীপাড়ার সাঙ্গু নদীর তীরবর্তী বালুচরে।এছাড়াও জেলা শহরের অত্যন্ত পরিচিত এবং বেশিরভাগ উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত মধ্যম পাড়া,উজানীপাড়ার মতো ছোটবড় বিভিন্ন পাড়ায় চলবে দিনরাত পিঠাপুলি বানানোর উৎসব।বর্ষবরণ অর্থাৎ মাহা সাংগ্রাই এর মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে বর্ণাঢ্য এক র‌্যালীর মাদ্ধমে।আর এই র‌্যালীতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে র‌্যালীর নেতৃত্ব দিবেন বলে জানা যায়।র‌্যালীতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা,জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেন,জেলা পুলিশ সুপার মোঃজাকির হোসেন মজুমদার সহ স্থানীয় প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

 

ব্যক্তিগত রেষারেষি থেকে ভিডিওটি ছড়ানো হয়েছে

বান্দরবান অফিসঃ-বেসরকারি টেলিভিশন আরটিভিতে সম্প্রতি প্রচারিত ‘এবং পূর্ণিমা’ অনুষ্ঠানের একটি পর্বে অতিথি হয়ে আসেন খলনায়ক মিশা সওদাগর।এই পর্বে চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা চলচ্চিত্র বিষয়ে অনেক কথার পাশাপাশি ‘পর্দায় ধর্ষণ সিন’ নিয়ে কথা বলেন তার অতিথির সঙ্গে।এ নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।গত ২৪ মার্চ প্রচারিত এই অনুষ্ঠানের সঞ্চালক পূর্ণিমা তার অতিথি মিশা সওদাগরের কাছে জানতে চান, ‘আপনি সিনেমাতে কতবার ধর্ষণ করেছেন? কার সঙ্গে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন ধর্ষণের সিন করতে?’ মূলত পূর্ণিমার এমন প্রশ্ন নিয়েই তৈরি হয়েছে বিতর্ক।অথচ গেল দু’দিন এ বিষয়ে তার কোনও মন্তব্য,আত্মপক্ষ সমর্থন কিংবা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যাচ্ছিলো না।অবশেষে আজ,রবিবার (১ এপ্রিল) বাংলা ট্রিবিউন-এর সাথে পুরো বিষয়টি নিয়ে পূর্ণিমা কথা বললেন বিস্তারিত।প্রথমেই তিনি দুঃখ প্রকাশ করে নেন অনুষ্ঠানটি দেখে যারা তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছেন কিংবা কষ্ট পেয়েছেন তাদের প্রতি।তিনি বললেন, ‘সাধারণ মানুষ হয়তো এতকিছু বুঝতে চাইবেন না।তাদের ভাববারও সময় নেই। সত্যি কথাটা হলো আমরা আসলে অনেক কিছুই সহজভাবে নিতে পারি না।একটু শুনেই ঝাঁপিয়ে পড়ি।বোঝার চেষ্টা করি না,এটা একটা ফান শো বা চলচ্চিত্রের দুজন মানুষের আড্ডা।ফলে এই অনুষ্ঠান দেখে আমার কথায় যদি কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন, সেটার জন্য সত্যি সত্যি আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। কারণ, আপনাদের দুঃখ দেওয়ার জন্য এত কষ্ট করে এই অনুষ্ঠানগুলো বা সিনেমা আমরা করি না।আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য আপনাদের আনন্দ দেওয়া।তাই আমার অনুষ্ঠান দেখে কেউ কষ্ট পেলে আমি সত্যিই দুঃখিত।’ কিন্তু পূর্ণিমার এই দুঃখ প্রকাশের মধ্যেও একটা ক্ষোভ অনুভব করা যাচ্ছে।তবে কি এই ঘটনার পেছনে অন্য কোনও ঘটনা রয়েছে? এমন প্রশ্নের জবাবে পূর্ণিমা বললেন, ‘দেখুন, এই বিষয়টা নিয়ে যা যা ঘটছে, সেগুলোর পেছনে অন্য একটা কারণ রয়েছে। ব্যক্তিগত রেষারেষি থেকে পুরো অনুষ্ঠানের ওই অংশটি কেটে ভিডিওটা ছড়ানো হয়েছে। কেন করেছে, কারা করেছে—সেই প্রশ্নটা দয়া করে আমাকে করবেন না।সময় হলে নাম-পরিচয়,কারণ—সব বলে দেবো।অনেকের নাক কাটা যাবে তখন। কিন্তু আমি এখনই তাদের নাক কাটতে চাই না। এখনও আমি প্রত্যাশা করি,তারা ভালো থাকুক, ভালো হয়ে উঠুক।’ ঠিক এরা কারা,সেই প্রশ্ন করতে মানা।কিন্তু পূর্ণিমাকে এই প্রশ্ন তো করাই যায়—টিভি অনুষ্ঠানে এমন প্রশ্ন করাটা কি খুব প্রাসঙ্গিক ছিল? জবাবে এবার একটু বিস্তারিত বললেন এই চিত্রনায়িকা,যিনি সাম্প্রতিক সময়ে মঞ্চে ও টিভি পর্দায় অসম্ভব জনপ্রিয়তা পেয়েছেন তার সাবলীল উপস্থাপনা দিয়ে।পূর্ণিমা বললেন, ‘দেখুন টানা ২০ বছরের পরিচয়-সম্পর্ক আমার আর মিশা ভাইয়ের।আমার প্রথম ছবির প্রথম দৃশ্যের সহশিল্পী ছিলেন তিনি এবং সেটি ছিল ধর্ষণের দৃশ্য। মিশা ভাই তার পুরো ক্যারিয়ারে ন্যূনতম হাজারটা এমন সিন করেছেন।আমি কমপক্ষে ৫০টি ছবিতে এই সিন করেছি।এসব তো চিত্রনাট্যের দাবিতে একটি দৃশ্য মাত্র।সিনেমায় তো খুনোখুনিও হয়, ভালোবাসাও।আমরা তো সেই সিনেমারই মানুষ।অথচ মজার ছলে এই বিষয়ে কথা বলতে গেলে সেটা অপরাধ!এটা তো আমি ভাবতেই পারিনি।’ তিনি আরও বলেন, ‘সেই অনুষ্ঠানে আমাদের অনেক বিষয় নিয়ে আলাপ হয়েছে।কথা প্রসঙ্গে ধর্ষণ সিন বিষয়টাও এসেছে। কারণ,এটি যেকোনও শিল্পীর জন্য একটু কঠিন বিষয়।যেমন মিশা ভাই এই অনুষ্ঠানেই বলেছেন, মৌসুমী আপুর সঙ্গে তার যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সেটার কারণে তার সঙ্গে এই ধরনের বিশেষ সিন করতে তিনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।কারণ,সহশিল্পীর সাপোর্ট ছাড়া আপনি কোনও দিনই ভালো অভিনয় করতে পারবেন না। অথচ এই জানতে চাওয়াটাই এখন জীবনের বড় ভুল হয়ে ধরা দিলো।মিশা ভাই তো আমার সামনে বসে আমার কথাও বললেন।কারণ, আমরা বিষয়টাকে একটি দৃশ্য হিসেবেই ট্রিট করেছি।আমাদের মনে কোনও কালি ছিল না।অথচ সেটা নিয়ে এত বড় নোংরা রাজনীতি হয়ে গেল।পূর্ণিমার মনে,এটা নিছকই একটা দৃশ্য নিয়ে কথা বলা,যেগুলো তারা চিত্রনাট্যের দাবিতে নিয়মিত করে আসছেন।তার প্রশ্ন—সিনেমার ধর্ষণ দৃশ্য নিয়ে টিভিতে কথা বলা যদি অপরাধ হয় তাহলে তাকে কেন ৫০টি সিনেমায় এই সিন করতে হয়েছে? তখন কেন এসব সিন নিয়ে কেউ প্রতিবাদ করেনি? তার আরও প্রশ্ন, ‘আমরা ফিল্মে এসব সিন করি বলেই কি বাংলাদেশে ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে? তা তো নয়। সিনেমায় তো রেপ সিন করার পর সেটার বিচার হয়, ভিলেন মার খায়, শাস্তি হয়।সিনেমার রেপ সিন তো মানুষকে কখনও প্রভাবিত করেনি।আরও সচেতন করে। আর সেটা নিয়ে একটি ফিল্মের টকশোতে কথা বলতে গেলে অপরাধ!’ তবে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ধর্ষণের ঘটনা টেনে এনে পূর্ণিমা এটাও বললেন, ‘এটা ঠিক, গেল এক সপ্তাহে দেশে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। কাছাকাছি সময়ে এই অনুষ্ঠানটা অনএয়ার যাওয়ার পর স্বাভাবিক বিষয়টাকে অস্বাভাবিক খাতে প্রবাহিত করা হয়েছে।ভিডিও ক্লিপ বানিয়ে ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করেছে কয়েকটি মানুষ।এটাই শুধু আফসোস।জানতে মানা,তবুও প্রশ্ন—তারা আসলে কারা? মিডিয়ায় আপনার শত্রু আছে,সেটা তো সচরাচর শোনা যায় না।বরং প্রেমিকদের গুঞ্জনটাই বেশি।এবার পূর্ণিমার মেঘমুখে এক চিলতে হাসি।হাসি গিলে আবারও কড়া কণ্ঠে বললেন, ‘নামগুলো অব দ্য রেকর্ড পরে বলছি।তবে যারা জেনে-বুঝে এই ছোট্ট বিষয়টাকে উসকে দিলো তাদের উদ্দেশ্যে বলি—যত মন চায় লিখুন,আমার ভিডিও ভাইরাল করুন।কারণ,যাকে নিয়ে আলোচনা হবে তাকে নিয়েই সমালোচনা হবে।যে ওপরে উঠবে তাকেই তো নিচে নামানোর চেষ্টা হবে।এটাই নিয়ম।’ প্রসঙ্গত, সৈয়দ আশিক রহমানের মূল ভাবনায় আরটিভিতে প্রচারিত সেলিব্রেটি টক-শো ‘এবং পূর্ণিমা’ অনুষ্ঠানটি প্রযোজনা করছেন সোহেল রানা বিদ্যুৎ এবং গ্রন্থনা করছেন অনিন্দ্য মামুন।উৎসঃ-(বাংলা ট্রিবিউন,ছবিগুলো পূর্নিমার ভ্যারিফায়েড় ফেসবুক ফ্যান পেজ থেকে নেয়া)

পরিচয়ের বহুত্ব অবজ্ঞেয় নয়

সিএইচটি টাইমস নিউজ ডেস্কঃ-আত্ম পরিচয়ের বহুত্ব উত্তেজনা বা সংকটের কারণ হতে পারে, যদি আমরা একটিমাত্র পরিচয় সম্বল করতে চাই।অথবা পরিচয়বর্গকে গুলিয়ে ফেলি।উনিশ শতকে বাংলার মুসলমান তেমনি সংকটে পড়েছিল তার বাঙালি ও মুসলমান সত্ত্বা নিয়ে।যদিও তার কোনো কারণ ছিল না।
গতকাল রোববার (২৯ অক্টোবর) জাতীয় জাদুঘরে অনুষ্ঠিত এক আয়োজনে এমনটাই বলছিলেন ইমেরিটাস অধ্যাপক ড.আনিসুজ্জামান।এদিন বিকেলে জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে ছিল ‘বাংলার মুসলমানের পরিচয়-বৈচিত্র্য;অষ্টাদশ শতাব্দী অবধি’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান।এর আয়োজন করে জ্ঞানতাপস আব্দুর রাজ্জাক ফাউন্ডেশন।গুণীজন বক্তৃতায় বরেণ্য এ শিক্ষাবিদ বলেন, মনে রাখতে হবে বাসস্থান ও বৈবাহিক মর্যাদার মতো ধর্মীয় পরিচয় পরিবর্তনশীল।তবে উদ্ভব ও ভাষাগত পরিচয় অপরিবর্তনীয়।আমরা সে পরিচয় কীভাবে ব্যবহার করি সে নিয়ে অনেক কথা হতে পারে।তবে এটুকু বলা দরকার,পরিচয়ের বহুত্ব কিছুতেই অবজ্ঞেয় নয়।বাঙালি মুসলমানের ঐতিহাসিক বিবর্তন বিশ্লেষণ করে তিনি বলেন,প্রত্যেক মানুষেরই একাধিক পরিচয় থাকে।প্রসঙ্গক্রমে সে কোনো একটা পরিচয় তুলে ধরে বা গুরুত্ব দেয়। কিন্তু সেটিই তার একমাত্র পরিচয় নয়,আবার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিচয় নাও হতে পারে।অনেক সময় একধিক বর্গের পরিচয়কে একসঙ্গে যুক্ত করা যায়,কিন্তু এক বর্গের সঙ্গে অন্য বর্গ পরিবর্তনযোগ্য হয় না।‘বাংলায় মুসলমান আগমনের সময় থেকে অষ্টাদশ শতাব্দী পর্যন্ত ধর্মীয় পরিচয় বেশ গুরুত্ব লাভ করেছে।আর সেটা দিয়েই সম্প্রদায়গত ভেদ চিহ্নিত।কিন্তু হিন্দু বললেই যেমন সে পরিচয় পরিপূর্ণতা লাভ করতো না,তার বর্ণ,অঞ্চল, পেশা না বললে পরিচয় সম্পূর্ণ হতো না;তেমনি বাংলার মুসলমান সমাজেও নানারকম ভাগ ছিল।’ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক শাসসুজ্জামান খান।স্বাগত বক্তব্য রাখেন জ্ঞানতাপস আব্দুর রাজ্জাক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ড.আহরার আহমদ।অনুষ্ঠানের শুরুতে অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের জীবনকীর্তির মূল্যায়ন করে সংক্ষিপ্ত প্রবন্ধ পাঠ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড.মোহাম্মদ আজম।

খুলনায় তিন দিনব্যাপী লোকজ নৃত্য ও বাদ্য উৎসব শুরু

সংস্কৃতি নিউজ ডেস্কঃ-‘বাংলাদেশের শেকড়ের সংস্কৃতির সন্ধানে’ স্লোগানকে সামনে রেখে খুলনায় তিন দিনব্যাপী লোকজ নৃত্য ও বাদ্য উৎসব শুরু হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টায় শহীদ হাদিস পার্কে এ উৎসবের উদ্বোধন ঘোষণা করেন খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান মিজান।উদ্বোধনের আগে বিকেলে উৎসব উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও ছোটদের নৃত্যানৃষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থার কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মিনু হক।খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি,বাংলাদেশ নৃত্য শিল্পী সংস্থা ও নাট্যদলের সহযোগিতায় উৎসবের আয়োজন করছে খুলনার আব্বাস উদ্দিন একাডেমির নৃত্যবিভাগ ‘নৃত্যবিহার’।উৎসবের মিডিয়া পার্টনার হিসেবে রয়েছে দেশের শীর্ষ অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোর.কম।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট কত্থক নৃত্যগুরু সাজু আহমেদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন আব্বাস উদ্দিন একাডেমির সাধারণ সম্পাদক নৃত্যবিহারের প্রধান নির্বাহী এনামুল হক বাচ্চু।খুলনায় লোকজ নৃত্য উৎসব-ছবি-বাংলানিউজশুভেচ্ছা বক্তব্য দেন জেলা কালচারাল অফিসার সুজিত কুমার সাহা।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উৎসব উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক চৌধুরী মিনহাজ উজ্জামান সজল।নৃত্যানুষ্ঠানে ভারত,ঢাকা ও খুলনার স্থানীয় শিল্পীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত শিল্পীরা নৃত্য পরিবেশন করেন।আয়োজক সূত্রে জানা গেছে,অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিন বিকাল ৫টায় ছোটদের নৃত্যানৃষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।সন্ধ্যায় আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন খুলনা জেলা প্রশাসক আমিন উল আহসান।এতে সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশন এবং বিভাগীয় প্রধান (সংগীত) কামরুল ইসলাম বাবলু।নৃত্যানুষ্ঠানে ভারত,ঢাকা ও খুলনার স্থানীয় শিল্পীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত শিল্পীরা নৃত্য পরিবেশন করবেন।উৎসবের শেষ দিন বিকেল ৫টায় থাকবে ছোটদের নৃত্যানৃষ্ঠান।সন্ধ্যায় আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন খুলনা সিটি মেয়র মনিরুজ্জামান মনি।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থার সভাপতি মোস্তাক সেলিম পপলু। নৃত্যানুষ্ঠানে ভারত,ঢাকা ও খুলনার স্থানীয় শিল্পীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত শিল্পীরা নৃত্য পরিবেশন করবেন।

এক নজরে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৫

সিএইচটি টাইমস নিউজ ডেস্কঃ-আজীবন সম্মাননা:-অভিনেত্রী শাবানা,সংগীতশিল্পী ফেরদৌসী রহমান।
শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র:-যুগ্মভাবে ‘একাত্তরের গণহত্যা’ ও ‘বধ্যভূমি’
শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক:-যুগ্মভাবে মোরশেদুল ইসলাম (অনিল বাগচীর একদিন) ও মো. রিয়াজুল মওলা রিজু (বাপজানের বায়োস্কোপ)
শ্রেষ্ঠ অভিনেতা:-যুগ্মভাবে মাহফুজ আহমেদ (জিরো ডিগ্রী) ও শাকিব খান (আরো ভালোবাসবো তোমায়)
শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী:-জয়া আহসান (জিরো ডিগ্রী)
শ্রেষ্ঠ অভিনেতা (পার্শ্ব চরিত্র):-গাজী রাকায়েত (অনিল বাগচীর একদিন)
শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী (পার্শ্ব চরিত্র):-তমা মির্জা (নদীজন)
শ্রেষ্ঠ অভিনেতা (খল চরিত্র):-ইরেশ যাকের (ছুঁয়ে দিল মন)
শ্রেষ্ঠ শিশু শিল্পী:-যারা যারিব (প্রার্থনা)।
একই শাখায় একই ছবির জন্য বিশেষ পুরস্কার পান: প্রমিয়া রহমান।
শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক:-সানী জুবায়ের (অনিল বাগচীর একদিন)
শ্রেষ্ঠ গায়ক:-যুগ্মভাবে সুবীর নন্দী (তোমারে ছাড়িতে বন্ধু,চলচ্চিত্র-মহুয়া সুন্দরী) ও এস আই টুটুল (উথাল পাথাল জোয়ার,চলচ্চিত্র-বাপজানের বায়োস্কোপ)
শ্রেষ্ঠ গায়িকা:-প্রিয়াংকা গোপ (আমার সুখ সে তো, চলচ্চিত্র-অনিল বাগচীর একদিন)
শ্রেষ্ঠ গীতিকার:-আমিরুল ইসলাম (উথাল পাথাল জোয়ার,চলচ্চিত্র-বাপজানের বায়োস্কোপ)
শ্রেষ্ঠ সুরকার:-এস আই টুটুল (উথাল পাথাল জোয়ার, চলচ্চিত্র-বাপজানের বায়োস্কোপ)
শ্রেষ্ঠ কাহিনিকার:-মাসুম রেজা (বাপজানের বায়োস্কোপ)
শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার:-যুগ্মভাবে মাসুম রেজা (বাপজানের বায়োস্কোপ) ও মো.রিয়াজুল মওলা রিজু (বাপজানের বায়োস্কোপ)
শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা:-হুমায়ূন আহমেদ (অনিল বাগচীর একদিন)
শ্রেষ্ঠ সম্পাদক:-মেহেদী রনি (বাপজানের বায়োস্কোপ)
শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক:-সামুরাই মারুফ (জিরো ডিগ্রী)
শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক:-মাহফুজুর রহমান খান (পদ্ম পাতার জল)
শ্রেষ্ঠ শব্দগ্রাহক:-রতন কুমার পাল (জিরো ডিগ্রী)
শ্রেষ্ঠ পোশাক ও সাজসজ্জা:-মুসকান সুমাইকা (পদ্ম পাতার জল)
শ্রেষ্ঠ মেকআপম্যান:-শফিক (জালালের গল্প)

প্রতিভাবান সংস্কৃতি কর্মী রাকেশ এর জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসুন

সিএইচটি টাইমস নিউজ ডেস্কঃ-বান্দরবানের প্রতিভাবান সংস্কৃতি কর্মী,বান্দরবান সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের ২০০০-২০০১ ব্যাচ এর কৃতি শিক্ষার্থী রাকেশ দাশ এর জীবন বাঁচাতে মাঠে নেমেছেন বান্দরবান এর সংস্কৃতি অঙ্গনের বিভিন্ন পর্যায়ের শিল্পী কলাকুশলী বৃন্দ।এবিষয়ে জানা যায় তরুণ উদীয়মান সঙ্গীত তারকা রাকেশ ২০১৫ সালে বান্দরবান জেলা শহরের সার্কিট হাউস রোড়ে একটি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়েছিলেন।সড়ক দুর্ঘটনার মাত্রা এতোটাই তীব্র ছিলো যে একজন মোটরসাইকেল আরোহী চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করে।মূুমর্ষ অবস্থাতে মাথায় প্রচন্ড আঘাত পাওয়া রাকেশ কে হাসাপাতাল নেয়া হয়।হাসপাতালে দীর্ঘদিন চিকিৎসা নেয়ার পরিপ্রেক্ষিতে সুস্থতাবোধ করলে তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র প্রদান করা হয়।হাসপাতাল থেকে বাসায় ফেরার ঠিক কিছুদিন পরই রাকেশ পুনরায় অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং মাথায় প্রচন্ড ব্যাথা অনুভব করে।পরে ডাক্তারের শরনাপন্ন হলে ডাক্তার রাকেশ এর শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ শেষে ব্রেন ডেমেজ হওয়ার আশংকা জানিয়ে একমাসের জন্য কিছু ঔষুধ দেন।এর মধ্যেই রাকেশ এর আচার ব্যাবহারে ভারসাম্যহীনতা লক্ষ্য করা যায়।পরে দায়িত্বশীল চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসা সেবা নেয়ার পরামর্শ প্রদান করেন।রাকেশ পরিবারে উপার্জনক্ষম মানুষ বলতে একজনই ছিলেন তাঁর মা।যিনি বান্দরবানের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত।তাঁর বাবাও দীর্ঘদিন যাবৎ পঙ্গুত্ব বরণ করে অস্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন এবং উপার্জন করার ক্ষমতা হারিয়েছেন।এদিকে দিনকে দিন রাকেশ এর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে।অন্যদিকে তাঁর এই ব্যায়বহুল চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার মতো আর্থিক পরিস্থিতি তাঁর পরিবারের একেবারে নেই চললেই বলে।এরইমধ্যে বান্দরবান জেলা শহরে বসবাসরত বিভিন্ন শ্রেনী পেশার একদল উদ্যোমী তরুণ তরুণী ও সংস্কৃতি অঙ্গনের শিল্পী ও কলাকুশলী বৃন্দ রাকেশ এর উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে অর্থ সাহায্য সংগ্রহ করার উদ্যোগ গ্রহণ করে।গতকাল মঙ্গলবার (১১ জুলাই) বান্দরবান জেলার বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক ও সাবেক ছাত্রনেতা রাজেশ দাশ ও জেলা শহরের সিনিয়র সংস্কৃতি কর্মী ও বান্দরবান বেতারের সংবাদ পাঠিকা শিরিন খানমের নেতৃত্বে অর্থ সাহায্য সংগ্রহ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামে বিভিন্ন বয়সের ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণী পেশার একদল উদীয়মান তরুণ তরুণী।প্রথমদিনই এই অর্থ সাহায্য সংগ্রহ করার উদ্যোগ জেলা শহরজুড়ে ব্যাপক সাড়া ফেলে দেয়।উদ্যোক্তাদের অন্যতম নীতিনির্ধারকদের একজন সংস্কৃতি কর্মী ও বান্দরবান বেতারের সংবাদ পাঠিকা সিএইচটি টাইমস ডটকম কে জানান,অর্থ সংগ্রহের প্রথমদিনই ৪২ হাজার টাকা সংগ্রহ করা গেছে।বান্দরবান জেলা প্রশাসনের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এন.ডি.সি) হোসাইন মোহাম্মদ আল মুজাহিদ চিকিৎসার জন্য অর্থ সাহায্য নেয়ার বাক্সগুলো সকল অর্থ সংগ্রাহকদের সামনে উন্মুক্ত করেন এবং উক্ত টাকা সিনিয়রদের হাতে হস্তান্তর করেন।অর্থ সংগ্রহের প্রথম দিন মূলত বান্দরবান জেলা প্রশাসন কার্যালয় ও বাজার এলাকা ঘিরে পরিচালিত হয়।রাকেশ এর উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বান্দরবানের জেলা প্রশাসক দীলিপ কুমার বণিক নগদ ১০ হাজার টাকা আয়োজকদের হাতে তুলে দেন।এবিষয়ে উদ্যোক্তাদের অন্যতম রাজেস দাশ বলেন,রাকেশ এর উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতের একটি হাসপাতালের একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এর পরামর্শ নেয়া হয়েছে।ইতিমধ্যে তাঁর চিকিৎসা নিতে ভারতে যাওয়ার ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।ডাক্তার জানিয়েছেন রাকেশ এর চিকিৎসা কার্যক্রম সম্পন্ন করতে কমপক্ষে পাঁচ লক্ষ টাকার প্রয়োজন।প্রাথমিকভাবে আমরা আড়াই লক্ষ টাকা সংগ্রহ করার চেষ্টা করছি।যখন যেখানেই যাচ্ছি আশানুরূপ সহায়তা পাচ্ছি।অনেকে প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন।গতকাল প্রথম জেলা প্রশাসন কার্যালয় ও কার্যালয় সংলগ্ন এলাকা শেষ করেছি।আজকে (বুধবার) বান্দরবান পৌরসভা ও বান্দরবান সদর উপজেলা পরিষদ কার্যালয় ও কার্যালয় সংলগ্ন এলাকায় অর্থ সাহায্য সংগ্রহ করার ইচ্ছা রয়েছে।আমরা সমাজের প্রতিটি বিত্তবান মানুষের কাছে রাকেশ কে বাঁচাতে অর্থ সাহায্য চাইতে যাবো এবং সকলকে অনুরোধ করবো তাঁর সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতে।অর্থ সাহায্য সংগ্রহকালে এসময় উপস্থিত ছিলেন বান্দরবানের সংস্কৃতি অঙ্গনের পরিচিত মুখ হিল্লোল দত্ত,গায়ক শহীদ,ছাত্রনেতা রেজাউল করীম,শিল্পী পঙ্কজ,বান্দরবান পৌর মেয়রের একান্ত সচিব আশুতোষ কুমার দে আশু,শিল্পী নাছির,সংবাদ কর্মী সাইফুল বাবলু,তরুণ ফুটবলার মনির,তরুণ ব্যাবসায়ী রিপন দাশ,বিশ্বজিৎ বাপ্পা প্রমুখ।রাকেশ এর চিকিৎসা তহবিল সংগ্রহের জন্য সোনালী ব্যাংকে একটি সঞ্জয়ী হিসাব নাম্বার খুলা হয়েছে।সাংস্কৃতিক কর্মীদের চিকিৎসা তহবিল সঞ্চয়ী হিসাব নং-১১০২৩০১০১৪৭৩০ সোনালী ব্যাংক,বান্দবান শাখা।এছাড়াও দুটি পারসোনাল বিকাশ নাম্বারে সার্বক্ষণিক টাকা পাঠানো যাবে।আপনারা চাইলে সেসব বিকাশ নাম্বারে সামর্থ্য অনুযায়ী টাকা পাঠাতে পারেন।বিকাশ নাম্বারগুলো হলো যথাক্রমেঃ-শিরিন খানম 01715271875 ও রাজেস দাশ 01923214774।