আজকে ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯ | | সময়ঃ-১২:০১ অপরাহ্ন    

Home » শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষাঙ্গন

এসএসসি পরীক্ষায় নকল সরবরাহের অভিযোগে এবার শিক্ষকসহ আটক ৯

নিউজ ডেস্কঃ-  মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান দাখিল পরীক্ষায় নকল সরবরাহের দায়ে নাটোরের গুরুদাসপুরে শিক্ষকসহ ৯ জনকে আটক করে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার (১১ ফেব্রুয়ারি) গুরুদাসপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনির হোসেন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মোট ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।

র‌্যাবের তথ্য মতে, চলমান দাখিল পরীক্ষায় মাদ্রাসা বোর্ডের ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর গুরুদাসপুর উপজেলার মশিন্দা শিকারপাড়া ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রের বাইরে থেকে নকল সরবরাহ করছিল শিক্ষকসহ বেশ কয়েকজন ছাত্র। পরে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

পরবর্তীতে গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনির হোসেন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মোট ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন। দণ্ডিত ব্যক্তিরা হলেন, শাকিম হোসেন (৩৪), শওকত আলী (৪০), আলমগীর হোসেন (৩০), আমজাদ মিয়া (৪৮), আয়নাল হক (৫০), তরিকুল ইসলাম (২০), ফরহাদ আলী (২০), হারেজ আলী (২০) এবং আরিফ হোসেন (২০)।

উল্লেখ্য, চলমান এসএসসি ও সমমান পরীক্ষাকে প্রশ্নপত্র ফাঁস ও নকল মুক্ত রাখতে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে সরকার। প্রশ্নপত্র ফাঁস ও নকল রোধে এখন পর্যন্ত সারা দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের দেড় শতাধিক সদস্যকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। সরকারের বিশেষ নজরদারির কারণে এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় কোথাও প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটেনি।

বান্দরবান সরকারি কলেজে ঋতুরাজ বসন্তকে বরণ

নিউজ ডেস্কঃ- বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় ঋতুরাজ বসন্তকে বরণ করে নিয়েছেন বান্দরবান সরকারি কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এ উপলক্ষে দিনব্যাপী ছিলো সংগীত, নৃত্য ও কবিতা আবৃত্তির আয়োজন। সকালে কলেজের উন্মুক্ত মঞ্চে ঐতিহ্যবাহী শাড়ি-পাঞ্জাবি পরে বসন্তবরণ উৎসবে যোগ দেন সবাই।উৎসবের উদ্বোধন করেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ মকছুদুল আমিন। উদ্বোধনী বক্তৃতায় তিনি বলেন, শহুরে জীবনে বাংলার বারো মাস ও ছয় ঋতুর স্বাদ, গন্ধ ও বৈচিত্র্য অনুভব করা প্রায় অসম্ভব। বিশ্বায়নের এই যুগে ঋতুবৈচিত্র্যের রুপ হারিয়ে যাচ্ছে। তাই বাঙালির ঐতিহ্য এবং ইতিহাস ধরে রাখতে ঋতুভিত্তিক উৎসবের গুরুত্ব অপরিসীম। এ সময় তিনি কলেজের নবগঠিত সঙ্গীত ক্লাবেরও উদ্বোধন ঘোষণা করেন।এর পর কলেজের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান শারমীন এবং ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী মাহামুদুল হাসান সোহানের সঞ্চালনায় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে কলেজের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকরা আবৃত্তি, সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করেন।

প্রশ্নফাঁস নিয়ে এখনও সোচ্চার কুচক্রী মহল,বসে নেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

নিউজ ডেস্কঃ-  চলমান রয়েছে ২০১৯ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা। নতুন বছরের শুরুতে অনুষ্ঠিত পরীক্ষাকে সফল করতে বিগত সময়ের তুলনায় আরও বেশি সচেতনতা অবলম্বন করছে শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা। এর ফলে চলমান পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। এমনকি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারিতে প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে যারা গুঞ্জন ছড়াচ্ছে তাদেরকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেফতার করেছে।

দেশে বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার সময় হলেই নড়েচড়ে বসে বেশ কিছু কুচক্রী মহল। যাদের টার্গেট থাকে ভুয়া প্রশ্নফাঁসের মাধ্যমে প্রশ্নসহ পুরো পরীক্ষাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে দেশের মেধা ধ্বংস করা এবং সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলা। অল্প কিছু অর্থের বিনিময়ে তারা আকৃষ্ট করে আসছে পরীক্ষার্থীদেরকে। আর এতে পরীক্ষার্থীরা আকৃষ্ট হয়ে পরীক্ষার আগেই প্রশ্ন পেয়ে দেশকে মেধাশূন্য করে পিছিয়ে দিচ্ছে শত শত বছর।

তবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে প্রশ্ন ফাঁসকারীদের কঠোরভাবে দমনের উদ্দেশ্য নিয়ে মাঠে নেমেছে। ২রা ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার আগেই দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শুরু করেছে তাদের অভিযান। এদিকে পরীক্ষা শুরুর আট দিনের মাথায় দেশের কোথাও এখনো শোনা যায়নি প্রশ্নফাঁসের কথা। ভুয়া প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রায় ১৫০ জনকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি পরীক্ষার শেষ দিন পর্যন্ত চলবে প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে অভিযান।

এসএসসি পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগে থেকেই পরীক্ষায় যাতে কোনোভাবেই প্রশ্নফাঁস কিংবা ভুয়া প্রশ্ন ছড়াতে না পারে সেজন্য সাইবার দুনিয়ায় নজরদারি শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এই অপতৎপরতা বন্ধে আন্ডারকাভার অপারেশন শুরু করেছে তারা। প্রশ্নফাঁস রোধে গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সেই সাথে চলছে সাইবার পেট্রোলিং। এদিকে শত প্রলোভনের মধ্যেও অভিভাবক, ছাত্র ও শিক্ষকদের সযত্নে এ ধরণের অপকর্ম থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে।

বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

নিউজ ডেস্কঃ- শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নকে প্রধান্য দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত এলাকায় নতুন আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার কাজ শুরু করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর।বৃহস্পতিবার সকালে বান্দরবানে নতুন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় উদ্বোধনের সময় তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পাহাড়ে উচ্চ শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং দেশের অন্যতম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে এ বিশ্ববিদ্যালয়টি।মন্ত্রী আরো বলেন, পাহাড়ের যে সব এলাকায় স্কুল নেই যেসব এলাকাকে অগ্রাধিকার দিয়ে সেখানে নতুন নতুন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে। গরিব অসহায়রা যাতে শিক্ষার সুযোগ পায় সেদিকে সরকার দৃষ্টি রাখছে। গ্রামকে শহরে রুপান্তরের কাজ সরকার শুরু করেছে।ফলক উন্মোচন করে শহরের গোরস্থান মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাস আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মন্ত্রী।এ সময় তার সাথে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. প্রদানেন্দু চাকমা, বান্দরবান জেলা প্রশাসক দাউদুল ইসলাম, বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএইচএম জেহাদুল করিম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. নুসুরুল্লা, জেলা পরিষদের চেয়াম্যান ক্য শৈ হ্লা, সেনা রিজিয়নে কর্মকর্তা মেজর ইফতেখার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান প্রমুখ।এর আগে উদ্ধোধন উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। পরে হিল ভিউ সেন্টারে শিক্ষাবিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ১শ শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা শুরু হলো বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের। গত বছর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়টির অনুমোদন দেয়।এতে উন্নয়ন অধ্যয়ন, ইংরেজি, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও বিবিএসহ ৫টি বিভাগ রয়েছে বলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়। জেলার সুয়ালক ইউনিযনের হলুদিয়া এলাকায় প্রায় ১০ একর এলাকা জুড়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির মূল ক্যাম্পাস তৈরি করা হচ্ছে।

বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্বোধন ৭ ফেব্রুয়ারি

নিউজ ডেস্কঃ-বান্দরবানবাসীর স্বপ্নের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের শুভ উদ্ভোধন হতে যাচ্ছে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি। আর এ উপলক্ষ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শুভ উদ্বোধন করবেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং।মন্ত্রণালয় ও ইউজিসি সূত্র জানায়, এ বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোক্তা হিসেবে রয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং। তবে তার সঙ্গে স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী রয়েছেন বলে জানা গেছে।
মন্ত্রণালয় সূত্র আরও জানায়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১০ এর ৩৬ ধারা অনুযায়ী শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার প্রতিশ্রুতিতে একই আইনের ৭ এর ১ ও ২ ধারা অনুযায়ী ২৩টি শর্তে সাময়িকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় দুটির অনুমোদন দেয়া হয়। এর মধ্যে আছে, প্রস্তাবিত বিশ্ব বিদ্যালয়ের কমপক্ষে ২৫ হাজার বর্গফুট আয়তনের নিজস্ব বা ভাড়া করা ভবন, কমপক্ষে তিনটি অনুষদ ও ছয়টি বিভাগ,পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ, লাইব্রেরি, ল্যাবরেটরি, শিক্ষার্থীদের জন্য কমন রুম, সেমিনার কক্ষসহ পর্যাপ্ত অবকাঠামো থাকতে হবে। পূর্বানুমোদন ছাড়া বিভাগ খোলা যাবে না। বিভাগে শর্ত অনুযায়ী নির্দিষ্টসংখ্যক পূর্ণকালীন শিক্ষক থাকতে হবে। আচার্যের (রাষ্ট্রপতি) পূর্ব অনুমোদন ছাড়া বিদেশ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য তহবিল সংগ্রহ করা যাবে না। আরোপিত শর্তগুলোর ওপর ৩০০ টাকার ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর কর্যালয় থেকে গত বছরের ২৯ মার্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে চিঠি পাঠানো হয়। এর প্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছে।সুত্রঃ-(পাহাড় বার্তা)

সুয়ালক উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা

বান্দরবান অফিসঃ-বান্দরবান সদর উপজেলার স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সুয়ালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০১৯ শিক্ষাবর্ষ এর এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।আজ বুধবার (৩০ জুন) সুয়ালক উচ্চবিদ্যালয় এর একাডেমি ভবনে এই সংবর্ধনা ও নবীন শিক্ষার্থী বরণ অনুষ্ঠিত হয়।সুয়ালক উচ্চবিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক নুরুল কবীরের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয় এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বান্দরবান সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুছ।এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৪নং সুয়ালক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান উ ক্যা নু মার্মা,প্যানেল চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন,১নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য আব্দুস সবুর মেম্বার প্রমুখ।বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক এম.এ.লতিফ সিকদার এর সঞ্চালনা এসময় অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয় এর সিনিয়র শিক্ষক পাঁচকডি দাশ,সিনিয়র শিক্ষক দীপু কুমার বড়ুয়া,সিনিয়র শিক্ষক দেবমিত্র বড়ুয়া,সাবেক শিক্ষার্থী ফারুক খান তুহিন।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষিকা নারগিস আক্তার, সনৎ কুমার বড়ুয়া, শামীম আকবর, সন্তোষ কুমার দত্ত, প্রবণ কান্তি দেব, কেয়া আক্তার ও মো: ইসমাঈল।বিদায়ী শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন তাসপিয়া সিকদার তুসি এবং মানপত্র পাঠ করেন দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী তাসলিমা ইসলাম।এসময় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি আব্দুল কুদ্দুছ চেয়ারম্যান বিদায়ী শিক্ষার্থীদের পাঠে গভীর মনোযোগী হয়ে ভাল ফলাফল অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে সুখী সমৃদ্ধ দেশ গঠনে অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সার্টিফিকেট অর্জন মানে শিক্ষিত হওয়া নয়, উন্নত চরিত্রের প্রতিফলনই শিক্ষিত হওয়ার প্রমাণ। প্রতিটি শিক্ষার্থীকে চরিত্রবান হতে হবে।বক্তারা আরো বলেন, সুয়ালক উচ্চ বিদ্যালয় অতীতের ধারাবাহিকতায় এবারও ভাল ফলাফল করবে। প্রতিটি শিক্ষার্থীকে সেভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে।পরে মোনাজাতের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের জন্য দোয়া করেন মাওলানা মোসলেহ উদ্দিন। পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার উপকরণও বিতরণ করা হয়।উল্লেখ্য,এ বছর তিনটি বিভাগ থেকে ৯৫জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন।

 

প্রশ্নপত্র ফাঁস: গুজবে কান দিয়ে প্রতারিত হতে পারেন আপনিও!

নিউজ ডেস্কঃ-আগামী ২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে যাচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। আর এই পরীক্ষা শুরুর আগেই প্রশ্নপত্র ফাঁস করে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের হাতে তুলে দিতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে একাধিক প্রতারক চক্র। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম- ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপসহ বিভিন্ন মাধ্যমে গ্রুপ ও পেজ খুলে মাত্র ১০০ থেকে ৫০০ টাকার বিনিময়ে প্রশ্ন বিক্রির লোভনীয় অফার দেয়া হচ্ছে। প্রশ্নপত্র হাতে তুলে দেয়া হবে বলেও শতভাগ গ্যারান্টি দেয়া হচ্ছে। প্রতারক চক্রের গুজবে কান দিয়ে প্রতারিত হতে পারেন আপনিও! ফলে প্রতারণার শিকার হয়ে জীবনকে হুমকির মুখে তুলে না দেয়ার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে শিক্ষাসংশ্লিষ্টরা। জানা গেছে, প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত গুজবের সঙ্গে শিক্ষার্থী জড়িত থাকলে তার দায়ে সাজা হতে পারে অভিভাবকেরও!
এমন প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রতিটি শাখায় নজরদারি করছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ক্রাইম ডিভিশন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন সাইটে দেখা গেছে, ফেসবুক গ্রুপ, ফেসবুক মেসেঞ্জার গ্রুপ এবং হোয়াটস অ্যাপে ১০টির বেশি এমন গ্রুপ রয়েছে যারা একের পর এক প্রশ্নপত্র সরবরাহের বিজ্ঞাপন দিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে আছে- এসএসসি অল বোর্ড কোশ্চেন আউট ২০১৯, এসএসসি কোশ্চেন আউট-২০১৯, এসএসসি কোশ্চেন সল্যুশন, জেএসসি-এসএসসি-এইচএসসি কোশ্চেন আউট, ফেসবুক মেসেঞ্জার গ্রুপ এসএসসি ব্যাচ ২০১৯, হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপ এসএসসি ২০১৯ কিউ গ্রুপ, এসএসসি মিশন ২০১৯ সহ বেশ কয়েকটি গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে।
এসব গ্রুপে সক্রিয় কয়েকটি ফেসবুক প্রোফাইলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সক্রিয় ফয়সাল আহমেদ পাটোয়ারি। এ ছাড়া আরিয়ান খান, জাহিদুল আলম সরকার, জুয়েল আহমেদ, জীবন আহমেদ, নাহিদ আলী, এমএক্স মুহিতসহ অনেকেই। তবে এসব আইডির নামগুলো পরিবর্তন করতেও দেখা গেছে। ফেসবুকে তাদের পোস্ট করা বিজ্ঞাপনগুলো ঘেঁটে দেখা যায়, তাদের প্রলোভনগুলো প্রায়ই একই রকম। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলা হচ্ছে- ‘এসএসসি ২০১৯ এর প্রশ্ন দিবো, কোন অ্যাডভান্স লাগবে না। ১০০ ভাগ কমনের পর টাকা দিবা। প্রতি প্রশ্নের টাকা পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর দিতে হবে ৩০০ টাকা করে। তাই প্রশ্ন নিতে চাইলে জলদি ইনবক্স করো।’
এদিকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের যত প্রোলভনই আসুক এরসবই ভুয়া বলে উল্লেখ করেছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির প্রধান ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক জিয়াউল হক। তিনি বলেন, ‘প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোন সুযোগ নেই। খুবই কঠোর নিরাপত্তার মাধ্যমে প্রশ্নপত্রের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া এবার প্রশ্নফাঁস এবং নকল রোধে কঠোর নীতি অবলম্বন করা হচ্ছে। ২০১৮ সালে প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে যেসব উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল, এবার তার চেয়েও ভিন্ন কিছু কৌশল আমরা নিয়েছি। এবার প্রশ্নপত্রের সেট অনেক বেশি। তবে কত সেট হবে তা আগে থেকেই জানানো যাবে না। প্রয়োজনে ভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেয়ারও ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।’
অন্যদিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ক্রাইম ডিভিশন থেকে জানা গেছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া প্রশ্নপত্র পোস্ট ও গুজব রটনাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে সাইবার ইউনিট ও গোয়েন্দা পুলিশের সমন্বয়ে ১০টি স্পেয়ার হিট টিমও গঠন করা হয়েছে।’
এ ছাড়া ইলেকট্রনিক ডিভাইস দিয়ে নকল রোধে পরীক্ষা কেন্দ্রে বসানো হবে ম্যাগনেট, অপটিক ও ফ্রিকোয়েন্সি ডিটেক্টর। ফলে কোনভাবেই প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার সুযোগ নাই। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের যেসব গ্রুপে যারা প্রশ্ন সরবরাহ করবে বলে চটকদার বিজ্ঞাপন দিচ্ছে, সেগুলো ভুয়া।
এদিকে প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে এবার অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল পেপারের খামে প্রশ্নপত্র পাঠানো হবে বলে গত কয়েকদিন আগেই ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। তিনি বলেছেন, ‘প্রশ্নফাঁস রোধে অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল পেপারের খামে প্রশ্নপত্র পাঠানো হবে প্রতিটি কেন্দ্রে। খাম কেউ আগে খুললে ধরা পড়ে যাবে।’

কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া সাংস্কৃতিক সপ্তাহ শুরু

নিউজ ডেস্কঃ-বান্দরবান কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজে সপ্তাহ ব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। শনিবার সকালে বান্দরবান কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ও কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজে অধ্যক্ষ মো. আবু হাসান সিদ্দিক এর সভাপতিত্বে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সপ্তাহের উদ্বোধন করেন বান্দরবান পার্বত্য জেলার স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক (উপ সচিব) ড. মো. গোফরান ফারুকী। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রভাষক ম্যাসুইছেন রাখাইন, প্রভাষক জাহেদুল ইসলাম সুমন,প্রভাষক মো: শাহাদাত হোসাইন, প্রভাষক মো: আবুল হোসাইন কুতুবী, প্রভাষক সদর উদ্দিন সৌরভ, প্রভাষক মো: বেলাল উদ্দিন, প্রভাষক মো: ইফতিখার আরেফিন, প্রভাষক হেমায়েত উল্লাহ, প্রভাষক মো: রাশেদুল হাসান, প্রভাষক ফজলে এলাহী মো: জুলফিকার, প্রভাষক অঞ্জন কুমার দেব, প্রভাষক অঞ্জন কুমার দে , প্রভাষক তপন ধর , প্রভাষক উল্লাস দে, সিনিয়র শিক্ষক আব্দুর রহীম, মোহাম্মদ আব্দুল হক, সোমা তালুকদার, সহকারী শিক্ষক আব্দুল আলীম, তড়িৎ বড়–য়া, মাসউদুর রহমান, কামরুন নাহার, সুলতানা রাজিয়া চৌধুরী, নার্গিস সুলতানা, মাহাইচিং মার্মা, রোকসানা বেগম, অসীম কুমার দাশ, রুপন কান্তি নাথ, মোহাম্মদ মেজবা উদ্দিন, মোঃ সুলাইমান, শারমিন আক্তার, অংমে প্রæ মার্মা, মোঃ তৌহিদুল আলম, জসিম উদ্দিন, শিমু রায়, প্রিয়াংকা ত্রিপুরা, মো: সরোয়ার আজম, বামং সিং মার্মা, প্রীতি দাশ পিংকি, অফিস সহকারী মো: ইকবাল হোসেন, সুজন নন্দী, জয়শ্রী সেনসহ সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।উদ্বোধনীয় অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, লেখা পড়ার পাশাপাশি শারীরিক সুস্থতার জন্য ক্রীড়ার কোন বিকল্প নেই। শারীরিক প্রশান্তি ও মানসিক উন্নয়নে ক্রীড়া অগ্রনী ভুমিকা পালন করে। এছাড়াও খেলাধুলার মাধ্যমে একটি শিশুকে একজন সুশৃংঙ্খল জাতিতে পরিনত করা যায়, খেলাধুলা মানুষকে শৃংঙ্খলা ও সহানুভুতিতা শেখায়। তাই প্রতিটি মানুষের জীবন গঠনে পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলার পরির্”চা অপরিসীম।সপ্তাহ ব্যাপী এই বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় ছাত্র-ছাত্রীরা একশ মিটার দৌড়, দুইশ মিটার দৌড়, চকলেট দৌড়, ভারসাম্য দৌড়, বস্তা দৌড়, দীর্ঘ লাপ, লং ঝাপ, মোরগ লড়াই, হাড়ি ভাঙ্গা, পাখি উড়া, যেমন খুশি তেমন সাজ, মিউজিক্যাল চেয়ার, টিপ পরানো, ধীর গতির সাইকেল, বেলুন ফুটানো, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা সহ ৫৪টি ইভেন্টের খেলা অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত প্রতিযোগিতা ২৬ থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্র্র্যন্ত চলবে।

২২ জানুয়ারি থেকে সব কোচিং সেন্টার বন্ধ: শিক্ষামন্ত্রী

নিউজ ডেস্কঃ-কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার কারণে আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এসএসসি পরীক্ষার সুষ্ঠু ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা মনিটরিং সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী ২ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে যাচ্ছে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষা। এ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস ও নিরাপত্তাজনিত কারণে ২২ জানুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে।

তিনি বলেন, এবার প্রত্যেকটি কেন্দ্রে প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে প্রশ্নপত্র বক্সের অ্যালুমনিয়ামের সিলগালা করা হবে। কেউ সেটি খুলে নেই এটি নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। অন্যান্য বছরের মতো এবারও সব পদ্ধতি অবলম্বন করা হবে।

ডা. দীপু মনি বলেন, এবারও পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। যদি বিশেষ কোনো কারণে কারও দেরি হয় সেই ক্ষেত্রে দেরির কারণ ও পরীক্ষার্থীর নাম ঠিকানা লিখে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে।

এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ২১ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬০জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে। সারাদেশে মোট ৩৪৯২টি কেন্দ্রে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা আয়োজন করা হবে।জে/

আসন্ন এসএসসি পরীক্ষায় ভূয়া প্রশ্নপত্র থেকে সাবধান!

নিউজ ডেস্কঃ- ২ ফেব্রুয়ারি থেকে সারাদেশে একযোগে শুরু হবে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা-২০১৯। বিগত সময়ের ন্যায় এবারও পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অন্তত ডজনখানেক নতুন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। তবে এসব উদ্যোগে ভূয়া প্রশ্নফাঁস ঠেকানোর পাশাপাশি পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত প্রশ্নটি যে সুরক্ষিত থাকবে মোটামুটি সেই গ্যারান্টি দেয়া যায় বলে জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ।

প্রশ্নফাঁস রোধের স্বার্থে কোন পদ্ধতিতে প্রশ্নপত্র সরবরাহ করা হবে সে বিষয়েও কোন পূর্ব ধারণা দিতে চাননি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। এমনকি উক্ত কাজে কাদের সংশ্লিষ্ট করা হচ্ছে সে বিষয়েও পরিষ্কার ধারণা দিতে পারেনি কেউ। তবে অনুসন্ধানে জানা যায়, ডিজিটাল ও আংশিক এনালগ পদ্ধতির সংমিশ্রণে এবারের পরীক্ষা নেয়া হবে যা আগামী ২ ফেব্রুয়ারি শুরু হবার কথা রয়েছে।

সূত্র মতে, একাধিক প্রশ্নপত্র ডিজিটাল সিস্টেমে দেয়া থাকবে যা নির্দিষ্ট সময়েই পরীক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে যাবে। এমনকি পরীক্ষার জন্য যে প্রশ্নটি দেয়া হবে তা কোন মানুষ দ্বারা নির্ধারিত হবে না। প্রশ্নপত্রের সকল সেট পরীক্ষাকেন্দ্রে যথাসময়ে সরবরাহ করা হবে এবং একাধিক সেটই পরীক্ষার্থীরা দেখতে পাবে তবে নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষার ঘণ্টা বাজার পরেই পরীক্ষাকেন্দ্রে স্থাপিত ডিজিটাল ডিভাইস বা সিস্টেমের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীরা কোন সেটে পরীক্ষা দেবে তা জানতে পারবে। আর এটি লটারি পদ্ধতিতে কেন্দ্রীয়ভাবে স্থাপিত ডিজিটাল সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যেকোন সেট নির্ধারণ করবে যথাসময়ে। ফলে প্রশ্নপত্রের সকল সেট সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা কয়েক মিনিট আগে দেখতে পারলেও প্রশ্নপত্র নির্ধারণটা একদম পরীক্ষার সময় শুরু হলে জানা যাবে বলে তা আর এক মিনিট আগেও ফাঁস হবার সুযোগ থাকছে না।

আর একারণেই পরীক্ষার্থীরা সোশ্যাল মিডিয়া বা কোন মাধ্যমে প্রশ্নপত্র পেলেও তা হবে সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিমূলক ও প্রতারণার শিকার, যা অতীতেও হয়েছে। কেননা, প্রশ্নপত্র ফাঁসের সাথে জড়িত গ্রেফতারকৃত বেশ কয়েকজনের কাছ থেকে জানা গেছে, ফেসবুকে সঠিক প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি একেবারেই ভুল। ফেসবুকে প্রশ্নপত্র ফাঁস বিষয়ে যারা অপপ্রচার চালাচ্ছে তারা দেশের ভালো ভালো শিক্ষকদের অনেকগুলো সাজেশন এক করে, তারপর এটাকে পরীক্ষার প্রশ্ন বলে সামাজিক মাধ্যমগুলোতে ছড়িয়ে দিচ্ছে। এভাবে পরীক্ষার্থীরা বারবার প্রতারিত হয়েছে।

তাই এবার আসন্ন এসএসসি পরীক্ষায় এমন ধরনের বিভ্রান্তিমূলক প্রশ্নপত্র থেকে সাবধান থেকে প্রতারিত না হবার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। কারণ, পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবার এক মিনিট আগেও কারো পক্ষেই সঠিক প্রশ্নপত্রটি জানার সুযোগ আর থাকছে না।