আজকে ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯ | | সময়ঃ-১২:০৬ অপরাহ্ন    

Home » রুমা

রুমা

বান্দরবান সীমান্তে আরো ৪০ শরণার্থীর অনুপ্রবেশ

নিউজ ডেস্কঃ- বান্দরবানের রুমা উপজেলার রেমাক্রী প্রানসা সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমারের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের আরো ৪০ পরিবার অনুপ্রবেশ করেছে বাংলাদেশে। এ নিয়ে সীমান্তের চাইক্ষাং পাড়ায় এখন শরণার্থীর সংখ্যা দাড়ালো ২০৩ জনে। শরণার্থীরা সীমান্তের ওই পাড়ায় খোলা জায়গায় ত্রিপল টেনে তাবুর মতো করে বসবাস করছেন। তীব্র শীতে শরণার্থীদের শিশু ও বৃদ্ধরা দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছে। আশপাশ এলাকার পাড়াগুলো থেকে খাদ্য দিয়ে সহায়তা করছেন স্থানীয়রা।

এদিকে সীমান্তে শরণার্থীদের পরিস্থিতি পর্যক্ষেণ করতে সেখানে সেনাবাহিনী ও বিজিবির সমন্বয়ে একটি পর্যক্ষেণ টিম এলাকাটি পরিদর্শন করেছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরও সেখানে পাঠিয়েছে প্রশাসন।

এছাড়া নিরাপত্তা বাহিনীর বেশ কয়েকটি টহল দল সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে। বুধবার হেলিকপ্টারে করে সদস্যদের মিয়ানমার সীমান্ত এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

বিজিবির কক্সবাজার রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জাহেদুর রহমান পরিবর্তন ডটকমকে জানান, সীমান্ত এলাকায় শরণার্থীদের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সেখানে নিরাপত্তা বাহিনীর টিম পাঠানো হয়েছে। শরণার্থীদের মনোভাব জানার পর সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

গত শনিবার মিয়ানমারের চীন রাজ্য থেকে ১২৪ জন বৌদ্ধ শরণার্থী পার্বত্য জেলা বান্দরবানের রুমা উপজেলার রেমাক্রী প্রানসা ইউনিয়নের চাইক্ষাং সীমান্তের শূন্যরেখায় (নোম্যান্স ল্যান্ড) অবস্থান নেয়ার পর তারা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে। বুধবার আরো ৪০ পরিবার সেখানে জড় হয়। আরো বেশ কিছু শরণার্থী সীমান্ত পথে আসছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

গত ডিসেম্বর থেকে মিয়ানমারের রাখাইন ও চীন রাজ্যে সেখানকার বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আরাকান আর্মির সাথে সেনাবাহিনীর ব্যাপক সংঘর্ষের পর আতংকে খুমি, খেয়াং, বম ও রাখাইন বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোকজন সীমান্ত পথে বান্দরবান দিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে।

এ ঘটনায় বান্দরবান ও কক্সবাজার সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি।

গত ডিসেম্বর থেকে মিয়ানমারের রাখাইন ও চীন রাজ্যে শক্তিশালী বিচ্ছিন্নতাবাদী গ্রুপ আরাকান আর্মি দেশটির বিজিপি ও সেনাবাহিনীর বেশ কয়েকটি স্থাপনায় হামলা করে। এরপর থেকে সেনাবাহিনীর সাথে আরাকান আর্মির ব্যাপক সংঘর্ষ চলছে।

রাখাইনের বুথিডং রাথিডং এলাকার স্থানীয়রা নিরাপদ জায়গায় সরে যেতে পারলেও চীন রাজ্যের প্লাতোয়া জেলার লোকজন সীমান্ত কাছে হওয়ায় বাংলাদেশের বান্দরবান সীমান্তে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের আগষ্টে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিরাপত্তা বাহিনী মুসলিম রোহিঙ্গাদের নিশ্চিহ্ন করতে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালায়। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হত্যাযজ্ঞ থেকে বাচতে প্রায় ৭ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসে আশ্রয় নেয়।

 

 

 

শিশুদের মানবিক গুণে সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলতে হবে:-মো.জাকির হোসেন

নিউজ ডেস্কঃ-  শিশুদের মানবিক গুণে সমৃদ্ধ করে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহা পরিচালক মোহাম্মদ জাকির হোসেন।

আজ শনিবার (২ফেব্রুয়ারি) বান্দরবান পার্বত্য জেলার দূর্গম রুমা উপজেলায় বান্দরবান জেলা তথ্য অফিস ও গণযোগাযোগ অধিদপ্তর (তথ্য মন্ত্রণালয়) এর আয়োজনে দূর্গম রুমা উপজেলার ২নং রুমা ইউনিয়ান পরিষদের মাঠ প্রাঙ্গনেদুই দিন ব্যাপী শিশু মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরো বলেন,শিশুদের সার্বিক বিকাশ ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সাংস্কৃতিক চর্চার ভূমিকা অপরিসীম।
সাংস্কৃতিক চর্চার মধ্য দিয়ে শিশুদের সুকুমার বৃত্তি ও মানবিক গুণাবলীর বিকাশ ঘটে। তাই আগামী দিনের সুনাগরিক হিসেবে শিশুদের গড়ে তুলতে তাদেরকে সাংস্কৃতিক চর্চার আরো বেশি সুযোগ করে দিতে হবে। বর্তমান সরকার শিশুদের সার্বিক কল্যাণে কাজ করে চলেছে। শিশুদের পুষ্টি, স্বাস্থ্য, শিক্ষাসহ সব ক্ষেত্রে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। দেশাত্ববোধ ও সুষ্ঠু জাতি গঠনের মানসিকতা নিয়ে যেন শিশুরা বেড়ে উঠতে পারে সেজন্য অভিভাবক ও শিক্ষকদের যথাযথ দায়িত্ব পালনের উপর গুরুত্ব প্রদান করুন। এছাড়া তিনি পড়ালেখার পাশাপাশি শিশুদের প্রতিভা বিকাশে সহশিক্ষা কার্যক্রমের উপরও গুরুত্ব দেন।

“শিশুদের জন্য হ্যাঁ বলুন,শিশু অধিকার নিশ্চিত করুন” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বান্দরবান জেলা তথ্য অফিস ও গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের আয়োজনে দূর্গম রুমা উপজেলার ২নং রুমা ইউনিয়ান পরিষদের মাঠ প্রাঙ্গনে শুরু হয়েছে ২দিন ব্যাপী শিশু মেলা।

শনিবার সকালে ২নং রুমা ইউনিয়ান পরিষদ প্রাঙ্গন থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়ে রুমা উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মেলা প্রঙ্গনে এসে শেষ হয়।
র‌্যালী শেষে ফিতা কেটে ২ দিন ব্যাপী শিশু মেলার উদ্বোধন করেন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহা পরিচালক মো. জাকির হোসেন। এসময় তিনি মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।

পরে রুমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামসুল আলম এর সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন বান্দরবানের জেলা তথ্য কর্মকর্তা কে এম খালিদ বিন জামান,রুমা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অং থোয়াই চিং,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জিং এংময় বম,২নং রুমা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শৈমং র্মামা, বান্দরবান জেলা তথ্য অফিসের সাইন অপারেটর মো. হাবিবুর রহমান, এপিএআই অপারেটর মো. শফিকুল ইসলাম, অফিস সহায়ক অরুণ প্রীতি তঞ্চঙ্গ্যাসহ রুমা উপজেলার বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিশু শিক্ষার্থীরা।

আলোচনা সভায় বান্দরবানের জেলা তথ্য অফিসার কেএম খালেদ বিন জামান বলেন,আজকের শিশু আগামীদিনের ভবিষ্যৎ,তাই শিশুদের সার্বিক উন্নয়নের কথা চিন্তা করেশিশুদের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টিতে আমাদের সকলকে এগিয়ে হবে। এর পাশাপাশি তিনি বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক তথ্য অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন।

এসময় শিশু মেলার অংশ নেয়া বিভিন্ন স্টলের মাঝে ক্রেস্ট প্রদান করেন উপস্থিত অতিথিরা। আলোচনা সভা শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

এবারে শিশু মেলায় প্রায় ১৫ টি স্টল অংশনেন। এই মেলা রবিবার সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরষ্কার বিতরণীর মাধ্যমে সমাপ্ত হবে।

রুমা-রোয়াংছড়ি সংযোগ সড়ক নির্মাণ কাজের উদ্বোধন

নিউজ ডেস্কঃ- পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং বলেছেন, পাহাড়ের অনেক গ্রাম আছে যেখানে উৎপাদন ভালো হয়, কিন্তু যোগযোগের অভাবের কারণে কৃষকরা তাদের সেই উৎপাদিত পণ্য ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করতে পারে না। এই সড়কগুলো হয়ে গেলে যারা ব্যবসা বাণিজ্য করেন তারা আমাদের উৎপাদিত পণ্য নিয়ে যেতে পারবেন এবং কৃষকরাও ন্যায্য মূল্য পাবেন।

শুক্রবার সকালে বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলা সদর থেকে রুমা উপজেলা সদর পর্যন্ত ৪৮ কোটি টাকা ব্যয়ে পল্লী সড়ক নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে প্রায় ২১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের ওই সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে ।

বীর বাহাদুর উশৈসিং আরও বলেন, এক উপজেলার সঙ্গে আরেক উপজেলার সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। আর সড়ক পথের যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে রাস্তার দুই পাশে আনাবাদী জমিগুলো আবাদযোগ্য হবে। আর রাস্তার দুই পাশ ঘিরে পাড়া, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে। এই সড়কের ফলে বান্দরবান-রুমা-রোয়াংছড়ি যোগাযোগ আরও বেশি উন্নত হবে এবং মানুষের কষ্ট লাঘব হবে ।

অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আবুল কালাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো কামরুজ্জামান,বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য কাঞ্চন জয় তঞ্চঙ্গ্যা, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকোৗশলী ইয়াসির আরাফাত, প্রকল্প পরিচালক আব্দুল আজিজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

রুমায় এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

নিউজ ডেস্কঃ- বান্দরবানের রুমা উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়, নবীন বরণ, বদলি ও অবসরজনিত শিক্ষক সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে রুমা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মিলনায়তনে এই সবর্ধনা সভায় অনুষ্ঠিত হয়।এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়, নবীন বরণ, বদলি ও অবসরজনিত শিক্ষক সংবর্ধনা অনুষ্ঠান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রুমা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অংথোয়াইচিং মারমা।
রুমা সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন এর সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শামসুল আলমসহ প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক, অন্যত্র বদলি হওয়া প্রধান শিক্ষক সহ কর্মরত শিক্ষক মন্ডলী ও বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।পরে বিদায়ী এসএসসি পরীক্ষাদের উপহার এবং বিশেষ অবদানের জন্য অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন অতিথিবৃন্দরা।

রুমায় তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠান আজ থেকে

নিউজ ডেস্কঃ –বাংলাদেশে বসবাসকারী বম সম্প্রদায়ের খ্রিস্ট ধর্ম গ্রহণের শতবর্ষপূর্তি উপলক্ষে আজ ১৮ জানুয়ারি থেকে বান্দরবান পার্বত্য জেলার রুমা উপজেলা সদরে তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে।

শতবর্ষ উদযাপন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, এই উৎসবে দেশি-বিদেশি প্রায় পাঁচ হাজার অতিথির যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

রুমা উপজেলা সদরের সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিশাল প্যান্ডেল স্থাপন করা হয়েছে। তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার সূচনা ঘটবে আজ সন্ধ্যা ৬টায় বিসিসি হলে উৎসর্গ প্রার্থনার মধ্য দিয়ে। তবে মূল অনুষ্ঠান শুরু হবে আগামীকাল শনিবার সকাল ৯টায় স্কুল মাঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে। কাল দুপুর ১টায় পাঁচ হাজার অতিথির জন্য আয়োজন করা হয়েছে সম্মিলিত সুহূদভোজ। সন্ধ্যায় বিশেষ অতিথিদের বক্তৃতার পাশাপাশি আয়োজন থাকবে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার। ২০ জানুয়ারি অনুরূপ অনুষ্ঠান আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানমালার সমাপ্তি ঘটবে।
১৯১৮ সালের ১২ ডিসেম্বর বান্দরবান জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলার নোয়াপতং এলাকায় ছয়-সাতটি পরিবার বিশিষ্ট ভাইরেলহ গ্রামে যিশু খ্রিস্টের সুসমাচার পৌঁছে দেন রেভারেন্ড এড্উইন রোলেল্ডস। বর্তমানে ভাইরেলহ গ্রামের কোনো অস্তিত্ব না থাকলেও যিশু খ্রিস্টের এই বাণী পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে গড়ে ওঠা বম জনগোষ্ঠীর গ্রামগুলোতে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই দীর্ঘকালের প্রকৃতি পূজারি বম সম্প্রদায়ের প্রায় সবাই খ্রিস্ট ধর্মে দীক্ষিত হয়ে যায়।

খ্রিস্টের সুসমাচার প্রচারের শতবর্ষপূর্তিতে বম জনজাতি অধ্যুষিত প্রায় সব কটি গ্রামে প্রথম ধর্ম প্রচারক রেভারেন্ড এড্উইন রোলেল্ডসের ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়েছে। নির্মিত হয়েছে তোরণ ও স্মৃতিফলক।

আয়োজন কমিটির সভাপতি পেকলিয়ান বম জানান, বম জনগোষ্ঠীর বিভিন্ন কৃষ্টি ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরতেই খ্রিস্টীয় সুসমাচার প্রচারের শতবর্ষ পূর্তির এ আয়োজন। ১০০ জন শিল্পীর অংশগ্রহণে জাতীয় সংগীত, দলীয় নাচ-গান পরিবেশন ও পবিত্র বাইবেল থেকে পাঠ করা হবে। তিনি জানান, কর্মসূচি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে ১৬টি উপকমিটি গঠন করা হয়েছে।

রুমা থানার ওসি মোহাম্মদ আবুল হোসেন বলেন, উত্সব উদযাপনকালে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

দেশের উচ্চতম ট্রেইল ম্যারাথন বান্দরবানে অনুষ্ঠিত

নিউজ ডেস্কঃ-বান্দরবানের রুমা উপজেলার বগালেকে দেশের উচ্চতম ট্রেইল ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কম্পাস ৩৬০ডিগ্রি এডভেঞ্চার ক্লাব ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর রুমা ২৭বেঙ্গলের যৌথ আয়োজনে এই ট্রেইল ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হয়।

শুক্রবার সকাল ৭টায় বগালেক সেনা ক্যাম্পের সামনে থেকে এই ট্র্ইেল ম্যারাথন শুরু করে এ্যাথলেটরা পাহাড়ের বিভিন্ন দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে দুর্গম কেউক্রাডং প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ করে।

আয়োজকরা জানায়, প্রথমবারেরমত বান্দরবানের রুমা উপজেলার বগালেক থেকে কেউক্রাডং পর্যন্ত ২১কি:মি দীর্ঘ পাহাড়ী পথে এই ট্রেইল ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হয়। এ ট্রেইল ম্যারাথনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মোট ৪২জন এ্যাথলেটার অংশ নেয়। এদের মধ্যে ৯জন নারী। ট্রেইল ম্যারাথনে ২ঘন্টা ১২মিনিট সময় নিয়ে প্রথম হয় তাম্মাত বিল খয়ের। ২ঘন্টা ২১মিনিটে ২য় হয় সাজ্জাদ হোসেন ও ২ঘন্টা ৩০মিনিটে তৃতীয় হয় সজীব আহম্মদ।

এসময় ট্রেইল ম্যারাথনে উপস্থিত থেকে ছিলেন রুমা ২৭বেঙ্গলের জোন কমান্ডার লে: কর্ণেল মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ (এসইউপি, পিএসসি)। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন লে:জাহিদ হাসান, বগালেক সেনা ক্যাম্প কমান্ডার মোঃ নজরুল ইসলাম,কম্পাস ৩৬০ডিগ্রি এডভেঞ্চার ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান মোঃ ইমতিয়াজ।

বান্দরবানে পিস্তল-গুলিসহ আটক ১

নিউজ ডেস্কঃ-বান্দরবানের রুমা থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ লাল পিয়াক বম (৩৮) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে র‌্যাব। আটক লাল পিয়াক বম একজন অস্ত্র ব্যবসায়ী বলে জানিয়েছে র‌্যাব।সোমবার বিকেলে উপজেলা সদরের ব্যথেল পাড়া ঘাট থেকে তাকে আটক করা হয়। সে পাইন্দু পুর্নবাসন পাড়ার সাংত্লিক বমের ছেলে। চট্টগ্রাম র‌্যাব ৭ এর কর্মকর্তা মেজর মাসুদের নেতৃত্বে রুমায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।র‌্যাব কর্মকর্তা মেজর মাসুদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তিনি জানান, র‌্যাব গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এক অস্ত্র ব্যবসায়ীকে আটক করেছে। এসময় তার কাছ থেকে নাইন এম এম বিদেশি পিস্তল ও ৪ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।মেজর মাসুদ জানান লাল পিয়াক অস্ত্র ব্যবসায় জড়িত রয়েছে এমন তথ্য পাওয়ারপর বেশ কিছু দিন থেকে নজরদারী করারপর তাকে আটক করা হয়পরে সন্ধ্যায় আটক লাল পিয়াক বমকে রুমা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

রুমায় নতুন থানা ভবন উদ্বোধন ও মতবিনিময় সভা

বান্দরবান অফিসঃ-বান্দরবানের রুমা উপজেলায় গণপূর্ত বিভাগের ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নব নির্মিত রুমা থানা ভবনের উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ বুধবার সকালে নব নির্মিত এই থানা ভবনের উদ্বোধন করেন পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি।উদ্বোধন অনুষ্টান শেষে তিনি রুমা থানা ভবন প্রাঙ্গনে রুমা উপজেলার আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক এক আলোচনা সভায় যোগ দেন। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন রুমা জোনের জোন কমান্ডার লে: কর্ণেল মো: শাহএনওয়াজ পিএসসি, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আবু হাসান সিদ্দিক,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: কামরুজ্জামানসহ রুমা উপজেলার বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্টানের কর্মকর্তা ও স্থানীয় জন প্রতিনিধিরা।

বান্দরবানের রুমায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের উদ্বোধন

বান্দরবান অফিসঃ-বান্দরবা‌নের রুমায় পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ণ বোর্ড, জেলা প‌রিষদ ও জনস্বাস্থ্য প্র‌কৌশল বিভা‌গের ৩ কো‌টি ২১লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৮টি প্রক‌ল্পের উ‌দ্বোধন করা হ‌য়ে‌ছে।

প্রকল্পগু‌লো হ‌চ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ণ বো‌র্ডের অর্থায়‌নে রুমা উপজাতীয় আবা‌সিক উচ্চ বিদ্যাল‌য়ের ছাত্রী হো‌স্টেল নির্মাণ ৯০ লক্ষ টাকা, রুমা পাইলট‌ পাড়ায় জা‌মে মস‌জিদ নির্মাণ ৩১লক্ষ টাকা, রুমা উপ‌জেলা প‌রিষদ মস‌জিদ নির্মাণ ৪০লক্ষ টাকা, পার্বত্য জেলা প‌রিষ‌দের অর্থায়‌নে মুনলাই পাড়া ক‌মিউ‌নি‌টি সেন্টার নির্মাণ ১০লক্ষ টাকা, বম ক‌মিউ‌নি‌টি সেন্টার সংস্কার ২০লক্ষ টাকা, রুমা বাজার ঘাট সি‌ড়ি নির্মাণ ১৫লক্ষ টাকা, রুমা থানা মস‌জিদ নির্মাণ ১৫লক্ষ টাকা ও জনস্বাস্থ্য প্র‌কৌশলী বিভা‌গের ১কো‌টি টাকা ব্যা‌য়ে পা‌নি শোধনাগা‌র।

আজ শনিবার ২৫ আগস্ট সকা‌লে প্রধান অ‌তি‌থি হি‌সে‌বে উপ‌স্থিত থে‌কে এসব উন্নয়ণ কা‌জের উ‌দ্বোধন ক‌রেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণাল‌য়ের প্র‌তিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উ‌শৈ‌সিং এম‌পি। এসময় অ‌তি‌রিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃশফিউল আলম, অ‌তি‌রিক্ত পু‌লিশ সুপার মোঃ কামরুজ্জামান, ‌জেলা প‌রিষদ সদস্য লক্ষীপদ দাশ, মো‌জা‌ম্মেল হক বাহাদুর, উপ‌জেলা চেয়ারম্যান অং‌থোয়ই চিং, উন্নয়ণ বো‌র্ডের নির্বাহী প্র‌কৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) ইয়া‌ছির আরাফাত, উপ‌জেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শামসুল আলম সহকারী প্র‌কৌশলী মোঃ ম‌জিবুর রহমানসহ বি‌ভিন্ন অ‌ফি‌সের কর্মকর্তা জনপ্র‌তি‌নি‌ধিরা উপ‌স্থিত ছি‌লেন।

এসময় পাইন্দু ইউ‌নিয়‌নের বি‌ভিন্ন প্র‌তিষ্ঠানে এল‌জিএসপি ও কা‌বিটা প্রক‌ল্পের আওতায় সোলার, জেনা‌রেটর, টিন ও নগদ টাকা বিতরণ করা হয়।

প‌রে রুমা সদর ইউ‌নিয়ণ প‌রিষ‌দে জনসভায় যোগ দেন পার্বত্য‌ চট্টগ্রাম বিষয়ক প্র‌তিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উ‌শৈ‌সিং এম‌পি।

রুমায় ঠিকাদারের উদাসীনতায় প্রাণ গেলো অবুঝ শিশুর

সিএইচটি টাইমস নিউজ ডেস্কঃ-বান্দরবানের রুমায় রিং টিউবওয়েল স্থাপনের জন্য খোঁড়া গর্তে তুমপাও ম্রো নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের অবহেলার কারণে ওই শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। গতকাল শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলা সদরের আবাসিক ছাত্রাবাসের সামনেই এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয়রা জানিয়েছেন,বিকেলে আবাসিক ছাত্রাবাসের সামনেই খেলাধুলা করছিল তুমপাও।খেলার একপর্যায়ে নির্মিত রিং টিউবওয়েলের গর্তে পড়ে যায় সে।অনেক খোঁজাখুঁজির পর স্থানীয়রা তার দেহটি টিউবওয়েলের গর্তে দেখতে পায়।পরে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।তারা আরও জানান, সাব কনট্রাক্টর দ্বারা নির্মিত ওই রিং টিউবওয়েলের কাজ পুরোপুরি কাজ শেষ হয়নি। অসম্পূর্ণ রাখা রিং টিউবওয়েলের গর্তটিতে কোনো প্রকার ঢাকনির ব্যবস্থা না রেখে সাব কনট্রাক্টর চলে যায়। যার কারণে এই দুর্ঘটনা।রুমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডা. অভিজিত তংচঙ্গ্যা শিশুটির মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেন।এদিকে রুমা থানার (ওসি) শরিফুল ইসলাম বলেন,অভিভাবক যদি থানায় এসে মামলা করে,তাহলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।