আজকে ২৬ এপ্রিল, ২০১৯ | | সময়ঃ-০২:৩৩ অপরাহ্ন    

Home » রাঙামাটি জেলা প্রশাসন

রাঙামাটি জেলা প্রশাসন

পাহাড়ে সন্ত্রাসীদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে

রাঙামাটিঃ-  মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের উদ্বোধনী বক্তব্যের প্রারম্ভে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশীদ বলেছেন, পার্বত্য শান্তি চুক্তির পরও পাহাড়ে অনেক মানুষকে সন্ত্রাসীদের হাতে প্রাণ দিতে হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে সরকারের বহু উন্নয়ন কার্যক্রম সন্ত্রাসীরা বাঁধা গ্রস্থ করছে। তার পরও সরকারের উন্নয়ন কাজ বন্ধ রাখতে পারেনি সন্ত্রাসীরা। সন্ত্রাসীরা মাত্র কয়েকশ জন আর জনগণ হলো কয়েক লক্ষ। এই কয়েক লক্ষ জনগণের কাছে সন্ত্রাসীরা কিছুই না।মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন অনুষ্ঠানে আমি স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই যেখানে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড হবে সেখানে কঠোর হস্তে দমন করা হবে। সন্ত্রাসীদের আর ছাড় দেওয়া হবে না।

তিনি আরো বলেন,এখানে পাহাড়ি বাঙালি সকল সম্প্রদায় মিলে মিশে বসবাস করছে। গুটি কয়েকটি মহল অশান্তি চালাচ্ছে,এই সম্প্রীতির বন্ধন বার বার ভেঙ্গে দিতে চাচ্ছে।এখানে পাহাড়ি বাঙালিসহ সকল সম্প্রদায়ের মানুষ একত্রি হয়ে সরকারের উন্নয়ন কাজে সহায়তা করছে।বর্তমান সরকার রাঙামাটিতে প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ স্থাপন করেছেন। এসব কি উন্নয়ন নয়? পাহাড়ে আগামীতে আরো উন্নয়ন হবে। সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামে আরো উন্নয়ন কর্মকান্ড হাতে নিয়েছে। দেশ দিন দিন উন্নয়নের দিকে যাচ্ছে। পাহাড়ের মানুষ উন্নয়ন চায়। তারা সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চায় না।

পরে জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশীদ ও পুলিশ সুপার আলমগীর কবির আনুষ্ঠানিক ভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ,শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের অংশ গ্রহনে সমাবেশ ও ক্রীড়া অনুষ্ঠান পরিদর্শন করেন।

তিন পার্বত্য জেলায় প্রত্যেক কেন্দ্রে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে: নুরুল হুদা

রাঙামাটিঃ- আসন্ন আগামী ৩০ ডিসেম্বর সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে পার্বত্য তিনটি আসনের প্রতিটি কেন্দ্রে সেনা মোতায়েন করা হবে। ভোট যাহাতে কারচুপি না হয় সেজন্য প্রশাসন তৎপর রয়েছে’ বলেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদা।গতকাল মঙ্গলবার (১৮ ডিসেম্বর) রাঙামাটিতে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে তিন পার্বত্য জেলার আইন-শৃঙ্খলাবিষয়ক মতবিনিময়ে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।মঙ্গলবার সকাল ১১টায় রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত মতবিনিময়ে নির্বাচন কমিশনার অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহাদাত হোসেন চৌধুরী,নির্বাচন কমিশনের সচিব হেলালুদ্দিন আহমদ,চট্টগ্রামের ডিআইজি গোলাম ফারুক,তিন পার্বত্য জেলার সেনাবাহিনীর ব্রিগেড কমান্ডারগণ,রাঙামাটি জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ,খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো.শহীদুল ইসলাম,বান্দরবান জেলা প্রশাসক দাউদুল ইসলাম,বিজিবি সেক্টর কমান্ডার,পুলিশ সুপার,থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ নির্বাচনী, প্রশাসনিক ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সামরিক বেসামরিক কর্মকর্তরাসহ রাঙামাটির প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিকস মিডিয়ার সংবাদকর্মী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন,চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার আবদুল মান্নান।নির্বাচনীর লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেছেন, ‘নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই’ নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারের বক্তব্য অসত্য। নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আছে।নির্বাচনে ছোটখাটো কিছু সংঘাত হয়ে থাকে।সেটা তেমন বড় কিছু নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)।তিনি আরো বলেন,৩০ ডিসেম্বরের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু,অবাধ,নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানে প্রস্তুত নির্বাচন কমিশন (ইসি)। যে কোনো মূল্যে সুষ্ঠু, সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও সবার গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে চাই আমরা।এ লক্ষ্যে নির্বাচনী ও আইন-শৃঙ্খলা কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি প্রার্থী,রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ সর্বমহলের সহায়তা চেয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদা।তিনি কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তির অন্যায় প্রভাবে প্রভাবিত না হওয়ার জন্য নির্বাচনী কর্মকর্তাদের প্রতি নির্দেশনা দেন।প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরো বলেন, রাঙামাটির গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হবে।নির্বাচন নিরাপদের জন্য নির্বাচনী প্রতিটি কেন্দ্রে সেনাবাহিনী মোতায়ন করা হবে।এখানে কোন প্রকার ঝুঁকি নেই।গ্রামে গ্রামে গিয়ে মানুষকে বোঝানো হচ্ছে নির্বাচনের স্বাভাবিক পরিস্থিতি ভাল আছে, সুন্দর আছে।এবারের নির্বাচনী এলাকায় যে নির্বাচন হবে সেগুলোতে সুষ্ঠভাবে নির্বাচন সম্ভব হবে এবং মানুষ নিরাপদে ভোট দিতে যাবে।প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন,মোট ২৬ উপজেলা নিয়ে পৃথক তিনটি পার্বত্য সংসদীয় আসন ২৯৮-খাগড়াছড়ি,২৯৯-রাঙামাটি ও ৩০০- বান্দরবান। আয়তনের দিক দিয়ে এ তিনটি আসন প্রতিটি বৃহত্তর এলাকা।প্রত্যেক আসনে দুর্গম এলাকায় রয়েছে ভোটকেন্দ্র।এসব কেন্দ্রকে দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছি আমরা।তিনটি আসনে ভোটারের সংখ্যা ১১ লাখের অধিক।তারা যাতে নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে অবাধে ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারে,সেজন্য নির্বাচনের দিন পর্যন্ত প্রতিটি এলাকায় প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর সার্বক্ষণিক উপস্থিতি নিশ্চিত থাকবে।তিনটি পার্বত্য আসনের প্রত্যেক কেন্দ্রে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে।ভোটারদের নিরাপত্তাসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নির্বাচনের দিন প্রত্যেক কেন্দ্রে সেনাবািহনীর পর্যাপ্ত সদস্যের উপস্থিতি থাকবে।পাশাপাশি প্রশাসনিক ও নির্বাচনী কর্মকর্তাসহ পুলিশ,বিজিবি,আনসারবাহিনীর পর্যাপ্ত সদস্য মোতায়েন করা হবে।এ ছাড়া জনবল ও নির্বাচনী মালামাল আনা-নেয়ার কাজে দুর্গম কেন্দ্রগুলোতে হেলিকপ্টার ব্যবহারে সেনাাহিনীর সহায়তা চাওয়া হয়েছে।সেনাবাহিনীর সহায়তা ছাড়া ওইসব দুর্গম কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ সম্ভব হবে না।কয়েক মাস আগে অনুষ্ঠিত জেলার নানিয়ারচর উপজেলা নির্বাচন সুষ্ঠু,অবাধ,নিরপেক্ষ, সুন্দর ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে বলে উল্লেখ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন,স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর নিরলস প্রচেষ্টায় তা সম্ভব হয়েছে। ৩০ ডিসেম্বর তিনটি পার্বত্য সংসদীয় আসনেও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার চাই।সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেন,পাহাড়ে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে।এবার ঝুঁকিপূর্ণ কোনো কেন্দ্রে কেউ ভোট ডাকাতির সুযোগ পাবে না।নির্বাচনের দিন মোবাইল নেটওয়ার্ক চালু থাকবে।স্বাগত বক্তব্যে চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার আবদুল মান্নান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত পার্বত্য শান্তিচুক্তির ফলে পাহাড়ে অনেক অভাব, অভিযোগ, অনুযোগ, সমস্যা দূর হয়েছে।পার্বত্য শান্তিচুক্তির ৭২ ধারার মধ্যে ৪৮টি বাস্তবায়িত হয়েছে।বর্তমানে পাহাড়ের পরিস্থিতি ভালো।পরিস্থিতি স্বাভাবিক,নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে সেনাবাহিনী।চট্টগ্রাম বিভাগে ৩০ ডিসেম্বর সুষ্ঠু,অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুন্দর নির্বাচন উপহার দিতে প্রস্তুত আমরা।

পাহাড়ে জুমল্যান্ড প্রতিষ্ঠা করার সুযোগ নেইঃ-(ব্রিঃ জেনারেল গোলাম ফারুক)

সিএইচটি নিউজ ডেস্কঃ- রাঙামাটি ৩০৫ পদাতিক বিগ্রেডের রিজিয়ন কমান্ডার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল গোলাম ফারুক বলেছেন,পার্বত্য শান্তি চুক্তির পরে সাধারণ মানুষের সুফল পাওয়ার কথা কিন্তু সেই সুফল তারা পাননি।আপনারা শান্তি চুক্তি করলেন, তাহলে আপনারা কিভাবে অবৈধ অস্ত্র রাখেন।এখন যদি রাষ্ট্র বলে আপনারা অবৈধ অস্ত্র ধারণ করে রেখেছেন তাই আর শান্তি চুক্তি আর বাস্তবায়ন হবে না।তাহলে কি সরকার কি অন্যায় করবে? পার্বত্য অঞ্চলে অস্ত্রধারীরা এখনো বিরাজমান।যেখানে সেখানে তারা অস্ত্র হাতে মানুষকে অত্যাচার করছে, চাঁদাবাজি করছে।

শান্তি চুক্তির আগে পাহাড়ীদের তারা বুঝিয়েছে যে, তারা জুম্ম ল্যান্ড করবে।কিন্তু জুম্ম ল্যান্ডতো করতে পারেনি।তা কখনো করাও সম্ভব নয়।আপনারা সাধারণ মানুষদের রাজনৈতিকভাবে সচেতন হতে হবে।পার্বত্য অঞ্চলের আশে-পাশে যেসব ভারতের অঙ্গ রাজ্যগুলো রয়েছে,তাদের ওখানেও একই সমস্যা।তাই বলে কি ভারত সেইসব রাজ্যগুলো ছেড়ে দিবে।ভারতের মত শক্তিশালী একটি দেশ কি মিজোরামকে কি অন্য একটা রাষ্ট্র গঠন করতে দিবে।কখনো না,প্রশ্নই উঠে না।একইভাবে বাংলাদেশেও সম্ভব নয়।

রাঙামাটি জেলা প্রশাসন আয়োজিত হেডম্যান কার্বারীদের সাথে মতবিনিময়কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।রিজিয়ন কমান্ডার আরো বলেন,গত ৪-৩ মে নানিয়ারচর হত্যাকান্ডে ঘটনায় মামলা হয়েছে। সকলকে বলতে চাই,যারা সাধারণ মানুষ,তারা কখনো আইন শৃঙ্খলা বাহিনী দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হবেন না।আপনারা নিরাপদ ও নিশ্চিন্তে চলাফেরা করুন, স^াভাবিকভাবে জীবনযাপন করেন।পালিয়ে বেড়ানোর কোন প্রয়োজন নেই।যারা পালানোর তারা পালাবেই।কারণ তারা জানে,তারা কি করছে। সন্ত্রাসীদের কোন ছাড় নেই।

তিনি আরো বলেন,পার্বত্য অঞ্চল থেকে সরকারের কোন রাজনৈতিকভাবে চাওয়া পাওয়া নেই,এমনকি তারা আসন নিয়ে চিন্তা ভাবনা করেন না কিন্তু এলাকার উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী আন্তরিক,তাই আমরা উন্নয়নের স্বার্থে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সবার সহযোগিতা কামনা করছি।পার্বত্য অঞ্চল নিয়ে সরকারের একটাই চিন্তা,পাহাড়ের মানুষগুলো যেন ভালো থাকে,শান্তিতে থাকে।

সকাল ১১টায় রাঙামাটির ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনীর রাঙামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল গোলাম ফারুক।এ সময় পুলিশ সুপার মো.আলমগীর কবির,রাঙামাটি জেলা হেডম্যান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি চিংকিউ রোয়াজা ও জেলা পরিষদ সদস্য অংসুই প্রু চৌধুরী বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন।সভায় জেলার ১০ উপজেলার মৌজাপ্রধান হেডম্যান ও গ্রামপ্রধান কারবারি প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন।

তিনি আরো বলেন,পার্বত্য অঞ্চল আজকে যদি মিল কারখানা হতো,আজকে পার্বত্য অঞ্চলে যদি পর্যটন বিকাশে কাজ করতে দেওয়া হতো।তাহলে আয় রোজগারের ব্যবস্থা হতো,পাহাড়ের আজকে প্রতিটি পরিবার সুখে শান্তি বসবাস করতে পারতো।জঙ্গলের ভিতর কষ্ট করতে হতো না।কিন্তু পর্যটন বিকশিত করার কাজে বাধাগ্রস্থ করা হচ্ছে। উন্নয়নের সকল কার্যক্রমে বাধাগ্রস্থ করা হচ্ছে। উদ্দেশ্যে একটাই তারা বাধা দিচ্ছে তাদের জন্যই। তাদের অস্ত্রবাজি,চাঁদাবাজি,নিয়ন্ত্রণ যেন টিকে রাখা যায়।সেইজন্যে বিভেদ সবসময় রাখতে চাই তারা।

কেউ কেউ বলে যারা এইসব করে তারা,কোন না কোন রাজনৈতিক দলের অংশ।আমরা বলবো না, তারা রাজনৈতিক দলের অংশ না,তারা সুবিধাবাদী চক্র।তারা নিজেদের আখের গোছানোর জন্য এগুলো করে।তারা নিজেদের প্রাধান্য বিস্তার করে, নিজেদের টাকা উপার্জন করার জন্য তারা এইসব করে।কিন্তু তারপরের তারা কোন না কোন দলে রাজনৈতিকভাবে আশ্রয় নেয়।বাঁচার জন্য।সাধারণ মানুষকে বোকা বানিয়ে বোঝানোর জন্য।

পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষ এলাকার উন্নয়নের লক্ষ্যে মুক্ত চিন্তা,মুক্ত গণতন্ত্রের আলোকে নিজেরা রাজনীতি করবে কোন সন্দেহ নাই।কিন্তু তার সাথে সাথে সকলকে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সামাজিক ভাবে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

মতবিনিময় সভায় পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় সন্ত্রাসীদের সমূলে উৎখাত করতে হবে।চিরতরে ধ্বংস করতে হবে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড।পাহাড়ে সন্ত্রাস দমনে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে।এ জন্য সরকারের পাশাপাশি জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে। সামাজিকভাবে সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।তাই পাহাড়ে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানে সর্বস্তরের জনগণকে সহায়তার আহবান জানানো হয়।