আজকে ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯ | | সময়ঃ-১১:৫৯ পূর্বাহ্ন    

Home » বান্দরবান

বান্দরবান

বান্দরবান সরকারি কলেজে ঋতুরাজ বসন্তকে বরণ

নিউজ ডেস্কঃ- বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় ঋতুরাজ বসন্তকে বরণ করে নিয়েছেন বান্দরবান সরকারি কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এ উপলক্ষে দিনব্যাপী ছিলো সংগীত, নৃত্য ও কবিতা আবৃত্তির আয়োজন। সকালে কলেজের উন্মুক্ত মঞ্চে ঐতিহ্যবাহী শাড়ি-পাঞ্জাবি পরে বসন্তবরণ উৎসবে যোগ দেন সবাই।উৎসবের উদ্বোধন করেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ মকছুদুল আমিন। উদ্বোধনী বক্তৃতায় তিনি বলেন, শহুরে জীবনে বাংলার বারো মাস ও ছয় ঋতুর স্বাদ, গন্ধ ও বৈচিত্র্য অনুভব করা প্রায় অসম্ভব। বিশ্বায়নের এই যুগে ঋতুবৈচিত্র্যের রুপ হারিয়ে যাচ্ছে। তাই বাঙালির ঐতিহ্য এবং ইতিহাস ধরে রাখতে ঋতুভিত্তিক উৎসবের গুরুত্ব অপরিসীম। এ সময় তিনি কলেজের নবগঠিত সঙ্গীত ক্লাবেরও উদ্বোধন ঘোষণা করেন।এর পর কলেজের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান শারমীন এবং ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী মাহামুদুল হাসান সোহানের সঞ্চালনায় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে কলেজের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকরা আবৃত্তি, সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করেন।

পার্বত্য এলাকার শান্তি শৃংঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসনকে আরো জোরালো ভূমিকা রাখতে হবে : পার্বত্যমন্ত্রী

নিউজ ডেস্কঃ-  পার্বত্য এলাকায় কোন শরনার্থী অবস্থান করতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি। তিনি আরো বলেন,পার্বত্য এলাকায় কোন শরনার্থী থাকবে না,ভিনদেশী রোহিঙ্গাদের পার্বত্য এলাকা বাদ দিয়ে ভিন্ন জায়গায় অবস্থানের কথা প্রশাসনের ভাবতে হবে।

রোববার বান্দরবান জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা আইন শৃংঙ্খলা ও মাসিক উন্নয়ন সমন্বয় সভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। এসময় মন্ত্রী আরো বলেন, আমাদের দেশের নাগরিক নয় এমন কোন ব্যক্তিকে কেউ আশ্রয় প্রশ্রয় দিবেন না। কেউ শরনার্থীদের আশ্রয় দিয়ে বিপদে জড়াবেন না।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দাউদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, বিজিবির ৩৮ ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক লে:কর্ণেল মো:সানবীর হাসান, বান্দরবান সেনা রিজিয়নের স্টাফ অফিসার (জি টু) মেজর ইফতেখার হোসেন পিএসসি,পৌর মেয়র মোহাম্মদ ইসলাম বেবী,আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কাজল কান্তি দাশ,পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মোজাম্মেল হক বাহাদুর,ফাতেমা পারুলসহ পুলিশ,আনছার,বিজিবি ও সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা।

সভায় বিজিবির ৩৮ ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক লে:কর্ণেল মো:সানবীর হাসান বলেন, বান্দরবানের রুমা সীমান্তের ৭২ নং পিলারের কাছে বেশ কয়েকজন শরনার্থী অবস্থান করছে এবং শীঘ্রই তাদের ফিরে যেতে প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে।

সভায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে রুমা সীমান্তের ৭২নং পিলারের কাছে বেশ কিছু মিয়ানমারের নাগরিক অবস্থান করছে তবে তারা মিয়ানমার সীমান্তে রয়েছে এবং তাদের দায়ভার সম্পুর্ণ মিয়ানমার সরকারের। এসময় জেলা প্রশাসক আরো বলেন, আমাদের দেশের অভ্যন্তরে আমার জেলা ও উপজেলার কোন নাগরিক যদি শীতে কষ্ট পায় অথবা অনাহারে দিন কাটায় তবে আমি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেব।

সভায় বর্তমান সময়ের সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে বেশ জোরালো আলাপ আলোচনা হয় এবং জেলার সার্বিক আইন শৃংঙ্খলা উন্নয়নে প্রশাসনকে আরো বেশি সর্তক থাকার আহবান জানান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি।

জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সর্বোচ্চ সেবা দিচ্ছে সরকার: বীর বাহাদুর

বান্দরবান অফিসঃ- পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং বলেছেন, ‘জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সর্বোচ্চ সেবা দিচ্ছে সরকার। বর্তমান সরকার জনসাধারণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নানা উন্নয়ন প্রকল্পও বাস্তবায়ন করছে।’

শনিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে বান্দরবান সদরের রেইচা এলাকায় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

বীর বাহাদুর উশৈসিং বলেন, ‘বিভিন্ন বয়সী শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোসহ বিনামূল্যে টিকা দেওয়া হচ্ছে।’

অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আবুল কালাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান, সিভিল সার্জন ডা. অংসুই প্রু মারমা, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক ডা. অংচালু মারমা, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. তাহমিনা শবনম সোবহান, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা সাসুইচিং মারমা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, এবার বান্দরবানে ৬২ হাজার ৫শ’ ৮১ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

নিউজ ডেস্কঃ- শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নকে প্রধান্য দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত এলাকায় নতুন আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার কাজ শুরু করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর।বৃহস্পতিবার সকালে বান্দরবানে নতুন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় উদ্বোধনের সময় তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পাহাড়ে উচ্চ শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং দেশের অন্যতম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে এ বিশ্ববিদ্যালয়টি।মন্ত্রী আরো বলেন, পাহাড়ের যে সব এলাকায় স্কুল নেই যেসব এলাকাকে অগ্রাধিকার দিয়ে সেখানে নতুন নতুন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে। গরিব অসহায়রা যাতে শিক্ষার সুযোগ পায় সেদিকে সরকার দৃষ্টি রাখছে। গ্রামকে শহরে রুপান্তরের কাজ সরকার শুরু করেছে।ফলক উন্মোচন করে শহরের গোরস্থান মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাস আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মন্ত্রী।এ সময় তার সাথে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. প্রদানেন্দু চাকমা, বান্দরবান জেলা প্রশাসক দাউদুল ইসলাম, বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএইচএম জেহাদুল করিম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. নুসুরুল্লা, জেলা পরিষদের চেয়াম্যান ক্য শৈ হ্লা, সেনা রিজিয়নে কর্মকর্তা মেজর ইফতেখার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান প্রমুখ।এর আগে উদ্ধোধন উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। পরে হিল ভিউ সেন্টারে শিক্ষাবিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ১শ শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা শুরু হলো বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের। গত বছর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়টির অনুমোদন দেয়।এতে উন্নয়ন অধ্যয়ন, ইংরেজি, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও বিবিএসহ ৫টি বিভাগ রয়েছে বলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়। জেলার সুয়ালক ইউনিযনের হলুদিয়া এলাকায় প্রায় ১০ একর এলাকা জুড়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির মূল ক্যাম্পাস তৈরি করা হচ্ছে।

লামায় আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্থদের সুখ-দুঃখের কথা শুনলেন পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর

নিউজ ডেস্কঃ-পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি বান্দরবানের লামার রুপসীপাড়া বাজারে আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করেছেন। বুধবার (৬ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে রুপসীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে এ ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গত মঙ্গলবার মধ্যরাত ৩টা ৪০মিনিটে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে লাগা আগুনে রুপসীপাড়া বাজারে ৩১টি দোকান ও বসতবাড়ি ভস্মীভূত হয়।

আগুনে পুড়ে নিঃস্ব হওয়া ব্যবসায়ী ও বাড়ি মালিকদের সহায়তা এবং তাদের সুখ-দুঃখের কথা শুনতে ছুঁটে আসেন পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর। তিনি ৩১টি দোকানের ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী ও দোকান মালিকদের পার্বত্য মন্ত্রণালয়, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ, বান্দরবান জেলা প্রশাসন ও রুপসীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে জনপ্রতি ৩০ কেজি করে চাল, নগদ ২০ হাজার টাকা ও ২ বান ঢেউটিন প্রদান করেন। এছাড়া বান্দরবান জেলা ও লামা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ আরো সহায়তার প্রদানের আশ্বাস দেন।

বিতরণ অনুষ্ঠানে পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর সবাইকে আগুনের ব্যাপারে সতর্ক হতে পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, আসন্ন শুষ্ক মৌসুমে আগুনের বিষয়ে আমরা সতর্ক না হলে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বাড়তে পারে। এসময় তিনি রুপসীপাড়া বাজারের পুকুরটি সংস্কার ও খনন, ব্যবসায়ীদের জন্য একটি ডিপ টিউবয়েল, বাজারের সড়ক গুলো পাঁকা করা ও বাজারের জন্য ৭টি স্ট্রিট সোলার লাইট দেয়ার কথা বলেন। উন্নয়নের বিষয়ে জনপ্রতিনিধিদের ভোটের চিন্তা ও পক্ষপাতমূলক আচরণ না করতে বলেন।

রুপসীপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান ছাচিংপ্রু মার্মার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, বান্দরবান জেলা প্রশাসক মো. দাউদুল ইসলাম, লামা-আলীকদমের জোন কমান্ডার লে. কর্ণেল সাইফ শামীম পিএসসি, বান্দরবানে সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার আলী হোসেন, লামা সার্কেলের সহাকারী পুলিশ সুপার আবু সালাম চৌধুরী, আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কাজল বরণ দাশ, লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ জান্নাত রুমি, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল, জেলা পরিষদ সদস্য লক্ষীপদ দাশ, মোস্তফা জামাল, ফাতেমা পারুল, অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অপ্পেলা রাজু নাহা, ইউপি চেয়ারম্যান বাথোয়াইচিং মার্মা, মিন্টু কুমার সেন সহ প্রমূখ। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন রুপসীপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. বাসিদ হোসেন।

বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্বোধন ৭ ফেব্রুয়ারি

নিউজ ডেস্কঃ-বান্দরবানবাসীর স্বপ্নের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের শুভ উদ্ভোধন হতে যাচ্ছে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি। আর এ উপলক্ষ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শুভ উদ্বোধন করবেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং।মন্ত্রণালয় ও ইউজিসি সূত্র জানায়, এ বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোক্তা হিসেবে রয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং। তবে তার সঙ্গে স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী রয়েছেন বলে জানা গেছে।
মন্ত্রণালয় সূত্র আরও জানায়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১০ এর ৩৬ ধারা অনুযায়ী শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার প্রতিশ্রুতিতে একই আইনের ৭ এর ১ ও ২ ধারা অনুযায়ী ২৩টি শর্তে সাময়িকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় দুটির অনুমোদন দেয়া হয়। এর মধ্যে আছে, প্রস্তাবিত বিশ্ব বিদ্যালয়ের কমপক্ষে ২৫ হাজার বর্গফুট আয়তনের নিজস্ব বা ভাড়া করা ভবন, কমপক্ষে তিনটি অনুষদ ও ছয়টি বিভাগ,পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ, লাইব্রেরি, ল্যাবরেটরি, শিক্ষার্থীদের জন্য কমন রুম, সেমিনার কক্ষসহ পর্যাপ্ত অবকাঠামো থাকতে হবে। পূর্বানুমোদন ছাড়া বিভাগ খোলা যাবে না। বিভাগে শর্ত অনুযায়ী নির্দিষ্টসংখ্যক পূর্ণকালীন শিক্ষক থাকতে হবে। আচার্যের (রাষ্ট্রপতি) পূর্ব অনুমোদন ছাড়া বিদেশ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য তহবিল সংগ্রহ করা যাবে না। আরোপিত শর্তগুলোর ওপর ৩০০ টাকার ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর কর্যালয় থেকে গত বছরের ২৯ মার্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে চিঠি পাঠানো হয়। এর প্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছে।সুত্রঃ-(পাহাড় বার্তা)

শারীরিক সুস্থতায় ক্রীড়ার কোন বিকল্প নেই: মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং

বান্দরবান অফিসঃ-পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি শারীরিক সুস্থতার জন্য ক্রীড়ার কোন বিকল্প নেই। শারীরিক প্রশান্তি ও মানসিক উন্নয়নে ক্রীড়া অগ্রনী ভুমিকা পালন করে। এছাড়াও খেলাধুলার মাধ্যমে একটি শিশুকে একজন সুশৃংঙ্খল জাতিতে পরিনত করা যায়, খেলাধুলা মানুষকে শৃংঙ্খলা ও সহানুভুতিতা শেখায়। তাই প্রতিটি মানুষের জীবন গঠনে পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলার পরির্”চা অপরিসীম।এসময় পার্বত্য মন্ত্রী আরো বলেন, লেখা পড়ার পাশাপাশি শারীরিক সুস্থতার জন্য ক্রীড়ার কোন বিকল্প নেই। শারীরিক প্রশান্তি ও মানসিক উন্নয়নে ক্রীড়া অগ্রনী ভুমিকা পালন করে। নৈসর্গিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি বান্দরবানের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বান্দরবান ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০১৯ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী গতকাল শনিবার বিকালে কলেজ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।শান্তির প্রতীক শ্বেত কপোত এবং বেলুন উড্ডয়নের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। বিএনসিসির চৌকস ক্যাডেট, গার্ল গাইডস সমূহ, ফুল দৌড়, দৃষ্টিনন্দন রিলে সহ কয়েকটি ইভেন্টের প্রতিযোগিতা, ভিভিআইডি অতিথিদের অংশগ্রহণে গলফ খেলা অনুষ্ঠিত হয়।প্রতিষ্ঠানের তায়কোয়ান্দো দলের চমকপ্রদ শারীরিক কসরত এবং ডিসপ্লে দলের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনায় দর্শক মন্ত্রমুগ্ধ হয়। ডিসপ্লেতে নজরুল হাউজ আবহমান বাংলার সংস্কৃতি, শহীদুল্লাহ হাউজ মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ এবং বরকত হাউজ ক্ষুদ্র-নৃ-গোষ্ঠির সংস্কৃতিক সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলে।এসময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠান পরিচালনা পর্ষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি লেঃ কর্ণেল এস এম আব্দুল্লাহ আল-আমিন, পিএসসি।স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ লে: কর্ণেল মো: রেজাউল ইসলাম পিএসসি, পিএইচডি, এইসি।এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আলী হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ আবু হাসান সিদ্দিক, বান্দরবান সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুছ, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য লক্ষীপদ দাশ, সদস্য মো: মোজাম্মেল হক বাহাদুর, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবান ইউনিটের প্রকল্প পরিচালক এম আব্দুল আজিজ, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবান ইউনিটের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বিন মোহাম্মদ ইয়াছির আরাফাত, প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাচ্চু, মাসিক নীলাচল পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক আলহাজ¦ মোহাম্মদ ইসলাম কোম্পানী সহ পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি বিজয়ী হাউস ও বিভিন্ন ইভেন্টের খেলা প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

শিশুদের মানবিক গুণে সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলতে হবে:-মো.জাকির হোসেন

নিউজ ডেস্কঃ- শিশুদের মানবিক গুণে সমৃদ্ধ করে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহা পরিচালক মোহাম্মদ জাকির হোসেন।

আজ শনিবার (২ফেব্রুয়ারি) বান্দরবান পার্বত্য জেলার দূর্গম রুমা উপজেলায় বান্দরবান জেলা তথ্য অফিস ও গণযোগাযোগ অধিদপ্তর (তথ্য মন্ত্রণালয়) এর আয়োজনে দূর্গম রুমা উপজেলার ২নং রুমা ইউনিয়ান পরিষদের মাঠ প্রাঙ্গনেদুই দিন ব্যাপী শিশু মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরো বলেন,শিশুদের সার্বিক বিকাশ ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সাংস্কৃতিক চর্চার ভূমিকা অপরিসীম।
সাংস্কৃতিক চর্চার মধ্য দিয়ে শিশুদের সুকুমার বৃত্তি ও মানবিক গুণাবলীর বিকাশ ঘটে। তাই আগামী দিনের সুনাগরিক হিসেবে শিশুদের গড়ে তুলতে তাদেরকে সাংস্কৃতিক চর্চার আরো বেশি সুযোগ করে দিতে হবে। বর্তমান সরকার শিশুদের সার্বিক কল্যাণে কাজ করে চলেছে। শিশুদের পুষ্টি, স্বাস্থ্য, শিক্ষাসহ সব ক্ষেত্রে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। দেশাত্ববোধ ও সুষ্ঠু জাতি গঠনের মানসিকতা নিয়ে যেন শিশুরা বেড়ে উঠতে পারে সেজন্য অভিভাবক ও শিক্ষকদের যথাযথ দায়িত্ব পালনের উপর গুরুত্ব প্রদান করুন। এছাড়া তিনি পড়ালেখার পাশাপাশি শিশুদের প্রতিভা বিকাশে সহশিক্ষা কার্যক্রমের উপরও গুরুত্ব দেন।

“শিশুদের জন্য হ্যাঁ বলুন,শিশু অধিকার নিশ্চিত করুন” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বান্দরবান জেলা তথ্য অফিস ও গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের আয়োজনে দূর্গম রুমা উপজেলার ২নং রুমা ইউনিয়ান পরিষদের মাঠ প্রাঙ্গনে শুরু হয়েছে ২দিন ব্যাপী শিশু মেলা।

শনিবার সকালে ২নং রুমা ইউনিয়ান পরিষদ প্রাঙ্গন থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়ে রুমা উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মেলা প্রঙ্গনে এসে শেষ হয়।
র‌্যালী শেষে ফিতা কেটে ২ দিন ব্যাপী শিশু মেলার উদ্বোধন করেন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহা পরিচালক মো. জাকির হোসেন। এসময় তিনি মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।

পরে রুমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামসুল আলম এর সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন বান্দরবানের জেলা তথ্য কর্মকর্তা কে এম খালিদ বিন জামান,রুমা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অং থোয়াই চিং,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জিং এংময় বম,২নং রুমা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শৈমং র্মামা, বান্দরবান জেলা তথ্য অফিসের সাইন অপারেটর মো. হাবিবুর রহমান, এপিএআই অপারেটর মো. শফিকুল ইসলাম, অফিস সহায়ক অরুণ প্রীতি তঞ্চঙ্গ্যাসহ রুমা উপজেলার বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিশু শিক্ষার্থীরা।

আলোচনা সভায় বান্দরবানের জেলা তথ্য অফিসার কেএম খালেদ বিন জামান বলেন,আজকের শিশু আগামীদিনের ভবিষ্যৎ,তাই শিশুদের সার্বিক উন্নয়নের কথা চিন্তা করেশিশুদের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টিতে আমাদের সকলকে এগিয়ে হবে। এর পাশাপাশি তিনি বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক তথ্য অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন।

এসময় শিশু মেলার অংশ নেয়া বিভিন্ন স্টলের মাঝে ক্রেস্ট প্রদান করেন উপস্থিত অতিথিরা। আলোচনা সভা শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

এবারে শিশু মেলায় প্রায় ১৫ টি স্টল অংশনেন। এই মেলা রবিবার সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরষ্কার বিতরণীর মাধ্যমে সমাপ্ত হবে।

রুমা-রোয়াংছড়ি সংযোগ সড়ক নির্মাণ কাজের উদ্বোধন

নিউজ ডেস্কঃ-পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং বলেছেন, পাহাড়ের অনেক গ্রাম আছে যেখানে উৎপাদন ভালো হয়, কিন্তু যোগযোগের অভাবের কারণে কৃষকরা তাদের সেই উৎপাদিত পণ্য ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করতে পারে না। এই সড়কগুলো হয়ে গেলে যারা ব্যবসা বাণিজ্য করেন তারা আমাদের উৎপাদিত পণ্য নিয়ে যেতে পারবেন এবং কৃষকরাও ন্যায্য মূল্য পাবেন।

শুক্রবার সকালে বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলা সদর থেকে রুমা উপজেলা সদর পর্যন্ত ৪৮ কোটি টাকা ব্যয়ে পল্লী সড়ক নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে প্রায় ২১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের ওই সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে ।

বীর বাহাদুর উশৈসিং আরও বলেন, এক উপজেলার সঙ্গে আরেক উপজেলার সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। আর সড়ক পথের যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে রাস্তার দুই পাশে আনাবাদী জমিগুলো আবাদযোগ্য হবে। আর রাস্তার দুই পাশ ঘিরে পাড়া, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে। এই সড়কের ফলে বান্দরবান-রুমা-রোয়াংছড়ি যোগাযোগ আরও বেশি উন্নত হবে এবং মানুষের কষ্ট লাঘব হবে ।

অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আবুল কালাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো কামরুজ্জামান,বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য কাঞ্চন জয় তঞ্চঙ্গ্যা, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকোৗশলী ইয়াসির আরাফাত, প্রকল্প পরিচালক আব্দুল আজিজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বান্দরবানে পুলিশ সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে ওপেন হাউজ ডে

সিএইচটি টাইমস ডটকম, বান্দরবানঃ-“পুলিশকে সহায়তা করুণ,পুলিশের সেবা গ্রহণ করুণ ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পুলিশ সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে বান্দরবানে ওপেন হাউজ ডেঅনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার সকালে বান্দরবান সদর থানার আয়োজনে সদর থানার প্রাঙ্গনে এই ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো:শহীদুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(প্রশাসন) মো:কামরুজ্জামান। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো:ইয়াছির আরাফাত,সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো:জামাল উদ্দিন চৌধুরী,পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি অমল কান্তি দাশ,জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভানেত্রী জোহরা চৌধুরী,৩নং ওয়ার্ডপৌর কাউন্সিলর অজিত কান্তি দাশ,সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কমকর্তা(ওসি তদন্ত ) মো:এনামুল হকসহ বান্দরবান পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের পৌর কাউন্সিলর ,পুলিশের বিভিন্ন পদ মর্যাদার কর্মকর্তা ও প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা।
সভায় বক্তারা,পুলিশের বিভিন্ন সেবার পাশাপাশি জনগণের দু:খ লাঘবের জন্য পুলিশের বিভিন্ন সেবাগুলোকে আরো সহজতর করার আহবান জানান এবং দ্রুততম সময়ে মামলা নিস্পক্তি করার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো:কামরুজ্জামান বলেন,বর্তমান সময়ে পুলিশ প্রশাসন আগের চেয়ে অনেকটাই উন্নত সেবা প্রদান করছে ,আর বর্তমান সরকারের গৃহীত বিভিন্ন সেবা পাচ্ছে প্রান্তিক জনগণ।জনগণের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য কাজ করছে পুলিশের অসংখ্য সদস্য।
এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো:কামরুজ্জামান আরো বলেন,যুব সমাজকে মাদক থেকে দুরে রাখতে আমাদের সকলের সচেতন হতে হবে।

পরিবারের প্রতিটি সদস্যর প্রতি লক্ষ্য রাখা পরিবার প্রধানের কাজ। নিজ সন্তান কি করছে ,কোথায় যাচ্ছে,কি খাচ্ছে এইসব তদারকি করা আর সু শিক্ষায় শিক্ষিত করার জন্য প্রতিটি পরিবার প্রধানকে আরো দায়িত্বশীল হতে হবে।