আজকে ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯ | | সময়ঃ-১২:০৭ অপরাহ্ন    

Home » বান্দরবান জেলা পরিষদ

বান্দরবান জেলা পরিষদ

উপজেলা নির্বাচনে দলের মনোনীত প্রার্থীর বিজয় সুনিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে- ক্য শৈ হ্লা

নিউজ ডেস্কঃ- বান্দরবান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ক্য শৈ হ্লা বলেছেন ,আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে দলের মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারা দেশে আওয়ামী লীগের বিজয় যেমন হয়েছে সে ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে দলের সিন্ধান্তের প্রতি মেনে নিয়ে এক যোগে কাজ করুন ।

১১ ফেব্রুয়ারী সোমবার থানছি উপজেলা সফরকালে স্থানীয় আওয়ামী লীগের আয়োজিত মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তথা বর্তমান সরকারের প্রতিশ্রুতি, প্রতি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, গ্রামকে শহর ও প্রতি ঘর থেকে একজন করে চাকুরীর ব্যবস্থা করতে কাজ করছে সরকার। সরকারের হাতকে শক্তিশালী করতে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মংথোয়াইম্যা রনি মারমার সভাপতিত্বে আয়োজিত মত বিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সদস্য থোয়াইহ্লামং মারমা, রেমাক্রী চেয়ারম্যান মুইশৈথুই মারমা, তিন্দু চেয়ারম্যান মংপ্রুঅং মারমা, থানছি প্রেসক্লাবের সভাপতি ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল আলোকিত পর্বত এর সম্পাদক অনুপম মারমা, সিনিয়র সভাপতি স্বপন কুমার বিশ^াস, সহ-সভাপতি উবামং মারমা, জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য অংপ্রু ¤্রাে, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা ভাইসচেয়ারম্যান অলসেন ত্রিপুরা, মোহাম্মদ মোহসিন মিঞা, সাবেক রেমাক্রী চেয়ারম্যান মালিরাং ত্রিপুরা, কৃষক লীগের সবাপতি শৈসাচিং মারমা, যুব লীগের সভাপতি সচিন ত্রিপুরা, মহিলা আঃ লীগের সভানেত্রী ডলিচিং মারমা প্রমূখ ।

এর আগে সকাল ১০টায় থানছি কলেজের একাডেমি ভবন নির্মাণে কলেজ পরিচালণা পর্ষদের সাথে ভূমি মালিকের মধ্যে চলা দীর্ঘদিনের বিরোধ নিষ্পতি করে দেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা।

বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

নিউজ ডেস্কঃ- শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নকে প্রধান্য দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত এলাকায় নতুন আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার কাজ শুরু করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর।বৃহস্পতিবার সকালে বান্দরবানে নতুন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় উদ্বোধনের সময় তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পাহাড়ে উচ্চ শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং দেশের অন্যতম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে এ বিশ্ববিদ্যালয়টি।মন্ত্রী আরো বলেন, পাহাড়ের যে সব এলাকায় স্কুল নেই যেসব এলাকাকে অগ্রাধিকার দিয়ে সেখানে নতুন নতুন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে। গরিব অসহায়রা যাতে শিক্ষার সুযোগ পায় সেদিকে সরকার দৃষ্টি রাখছে। গ্রামকে শহরে রুপান্তরের কাজ সরকার শুরু করেছে।ফলক উন্মোচন করে শহরের গোরস্থান মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাস আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মন্ত্রী।এ সময় তার সাথে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. প্রদানেন্দু চাকমা, বান্দরবান জেলা প্রশাসক দাউদুল ইসলাম, বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএইচএম জেহাদুল করিম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. নুসুরুল্লা, জেলা পরিষদের চেয়াম্যান ক্য শৈ হ্লা, সেনা রিজিয়নে কর্মকর্তা মেজর ইফতেখার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান প্রমুখ।এর আগে উদ্ধোধন উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। পরে হিল ভিউ সেন্টারে শিক্ষাবিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ১শ শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা শুরু হলো বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের। গত বছর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়টির অনুমোদন দেয়।এতে উন্নয়ন অধ্যয়ন, ইংরেজি, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও বিবিএসহ ৫টি বিভাগ রয়েছে বলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়। জেলার সুয়ালক ইউনিযনের হলুদিয়া এলাকায় প্রায় ১০ একর এলাকা জুড়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির মূল ক্যাম্পাস তৈরি করা হচ্ছে।

রোয়াংছড়ি মডেল স:প্রা:বি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণী

বান্দরবান অফিসঃ-বান্দরবানে রোয়াংছড়ি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কতৃক উদ্যোগে বার্ষিক ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণী অনুুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।আজ রবিবার ৩রা ফেব্রুয়ারি সকাল ১০ টায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে অত্র বিদ্যালয়ে এসএমসি সভাপতি অংশৈচিং মারমা সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা মারমা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রোয়াংছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যবামং মারমা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শফিকুর রিদোয়ান আরমান শাকিল, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য কাঞ্চনজয় তঞ্চঙ্গ্যা প্রমুখ।আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ আবু ছালেহ সরকার, স্কুলে প্রধান শিক্ষক উচহ্লা মারমা, সিনিয়র শিক্ষক(অবঃপ্রাপ্ত) মংপু মারমা সহ সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষকমণ্ডলী, শিক্ষার্থীবৃন্দ ও অভিভাবকগণ।অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে উপজেলা চেয়ারম্যান ক্যবামং মারমা বলেন, আমাদেরকে শিক্ষার প্রতি আরো সচেতন হতে হবে। সন্তানরা ঠিকমত লেখাপড়া করেছে কিনা সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা মারমা বলেন, যে শিক্ষক নিয়মিত স্কুলে যাবেনা, ঠিকমত ক্লাস করবেনা তাদেরকে বরখাস্ত করা হবে। দরকারে নতুন শিক্ষক নিয়োগ নেয়া হবে। ক্লাস ফাকি দেয়া যাবে।

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন মুফিদুল আলম

নিউজ ডেস্কঃ-সরকারের উপসচিব মুফিদুল আলম বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসাবে নিয়োগ পেয়েছেন।গত ২৬ ডিসেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের প্রেষন -১ অধিশাখার ৮৮৮ নং স্মারকে উপসচিব মোঃ মুহাম্মদ আবদুল লতিফের স্বাক্ষরে জারীকৃত এক প্রজ্ঞাপন মূলে মুফিদুল আলমকে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পদে নিয়োগ প্রদান করা হয়। এজন্য মুফিদুল আলমের চাকরী একই আদেশে জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয় থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।
বর্তমানে মুফিদুল আলম জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের গত ২৩ ডিসেম্বরের এক আদেশে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামে জুজিশিয়াল দায়িত্ব পালনরত থাকায় নির্বাচন শেষে তাঁকে বদলীকৃত কর্মস্থলে যোগদান করতে বলা হয়েছে। মুফিদুল আলম বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (উপ সচিব) হিসাবে কর্মরত আছেন। তাঁর আগে মুফিদুল আলম চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম নাসির উদ্দীনের একান্ত সচিব (পিএস)হিসাবে কর্মরত ছিলেন। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম নাসির উদ্দিন একজন সৎ, দক্ষ ও মেধাবী কর্মকর্তা হিসাবে তৎকালীন জনপ্রশাসন সচিবকে অভিপ্রায় পত্র দিয়ে মুফিদুল আলমকে একান্ত সচিব হিসাবে নিয়োগ নিয়েছিলেন।২৪ তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের কর্মকর্তা মুফিদুল আলম কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের চেইন্দা গ্রামের মরহুম রশিদ আহমদ ও লুলু মরজানের জ্যেষ্ঠ পুত্র। তিনি কক্সবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় হতে কৃতিত্বের সাথে এসএসসি এবং চট্টগ্রাম সরকারি কমার্স কলেজ হতে মেধা তালিকায় ৪র্থ স্থান অধিকার করে বাণিজ্য বিভাগে এইচএসসি পাশ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিসাব বিজ্ঞান বিষয়ে এম.বি.এ ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে ২৪তম বিসিএস পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়ে সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারে যোগ দেন। চাকুরী জীবনে মুফিদুল আলম কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সহকারী কমিশনার, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ভূমি হুকুম দখল কর্মকর্তা, নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) হিসাবে সন্দীপ, চন্দনাইশ, আনোয়ারা, পানছড়ি ও বাঘাইছড়ি উপজেলায় এবং বান্দরবান জেলার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট(এডিএম) হিসাবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।মুফিদুল আলম প্রশাসন ক্যাডারে চাকুরীরত অবস্থায় যুক্তরাজ্যের বিখ্যাত বেডফোর্ড শায়ার ইউনিভার্সিটি থেকে ২০১২ সালে ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রিসোর্স বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন। কক্সবাজারবাসীর গৌরব মুফিদুল আলম এর ৪ ভাই ১ বোনের মধ্যে ২য় ভাই খোরশেদ আলম একটি প্রাইভেট ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ৩য় ভাই একটি বেসরকারি কলেজের প্রভাষক ও কনিষ্ঠ ভাই সোহরাব হোসেন (বাপ্পী) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনের রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত। মেধাবী ও চৌকস কর্মকর্তা মুফিদুল আলম ২০০৫ সালে কক্সবাজার পৌরসভার উত্তর তারাবনিয়ার ছরার ঐতিহ্যবাহী মিয়াজি পরিবারের সাবেক উপজেলা প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার আলহাজ্ব মোহাম্মদ আমিন উল্লাহ ও হাসিনা মমতাজ জোস্না’র জ্যেষ্ঠ কন্যা সাদিয়া আমিন রিপা’র সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। কক্সবাজারের কৃতি সন্তান মুফিদুল আলমের মেঝ ভায়রা ভাই কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও এপিপি এডভোকেট জিয়া উদ্দিন আহমদ ও কনিষ্ঠ ভায়রা ভাই মোঃ হেলাল উদ্দিন চট্টগ্রাম জেলা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে চাকুরীরত। ব্যক্তিগত জীবনে মুফিদুল আলম সামিন, সাদিক নামক ২ পুত্র ও সাবিহা নামক ১ কন্যা সন্তানের গর্বিত জনক।

লামা মডার্ণ হাইস্কুল উদ্বোধন করলেন বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ

নিউজ ডেস্কঃ- আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষার অঙ্গিকার নিয়ে বান্দরবানের লামায় যাত্রা শুরু করল “লামা মডার্ণ হাইস্কুল”।লামা পৌরসভার প্রাণকেন্দ্র নুনারবিল এলাকায় শনিবার (১২ জানুয়ারী) দুপুরে বিদ্যালয়টির শুভ উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ।সকাল হতে শুরু হওয়া দুই পর্বের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা। কেক কেটে ও বেলুন উড়িয়ে স্কুলের শুভ উদ্বোধন করা হয়।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতি জ উ প্রু এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ জান্নাত রুমি, লামা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আনিছুর রহমান, লামা সার্কেলের এএসপি আবু সালাম চৌধুরী, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য মোস্তফা জামাল, ফাতেমা পারুল, লামা পৌরসভার মেয়র জহিরুল ইসলাম, লামা থানা অফিসার ইনচার্জ অপ্পেলা রাজু নাহা, ইউপি চেয়ারম্যান বাথোয়াইচিং মার্মা, মিন্টু কুমার সেন, ছাচিংপ্রু মার্মা সহ প্রমূখ। এসময় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি, সাংবাদিক, স্থানীয় জনসাধারণ, বিদ্যালয়ের অভিভাবক ও কোমলমতি শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ বলেন, সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিয়েছে লামা মডার্ণ হাইস্কুলের পরিচালনা কমিটি। এখন সব অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের ভাল স্কুলে লেখাপড়া করাতে চায়। তবে ভাল স্কুলে না পড়লে ভাল মানুষ হওয়া যাবেনা এমন ধারনা ভুল। অনেকে গ্রামের পশ্চাৎপদ স্কুলে পড়েও এখন সমাজে অনেকে প্রতিষ্ঠিত। আমি তার উদাহরণ। ইচ্ছা থাকলে সফলতা সম্ভব। বর্তমান সরকার শিক্ষাবান্ধব। লামাবাসিকে আমি ভালবাসি বলে বারবার এখানে ছুঁটে আসি। আমার বিশ্বাস বান্দরবান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও স্থানীয় সকল প্রশাসন এই বিদ্যালয়টিকে সর্বোচ্চ সহায়তা দিবে। আমার সমর্থের মধ্য সবচেয়ে ভালটা এই স্কুলের জন্য আমি করব। ১ম পর্ব আলোচনা সভা শেষে ২য় পর্বের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। স্থানীয় ও অতিথি শিল্পীরা সেখানে নৃত্য ও গান পরিবেশন করেন।

বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি পূর্ণ মন্ত্রী হওয়ায় ফুলেল শুভেচ্ছা জানালো বান্দরবান জেলা পরিষদ

নিউজ ডেস্কঃ-একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদীয় ৩০০নং বান্দরবান আসনে আওয়ামী লীগ থেকে ৬ষ্ঠ বারের মতো নির্বাচিত বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপিকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী থেকে পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ায় ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ।আজ মঙ্গলবার (৮ জানুয়ারী) সকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সরকারি কার্যালয়ে পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি কে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা এর নেতৃত্বে বান্দরবান জেলা পরিষদ সদস্যরা এই ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।এসময় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা পরিষদের প্রভাবশালী সদস্য লক্ষীপদ দাশ,মোজাম্মেল হক বাহাদুর,মোস্তফা কামাল প্রমুখ।প্রসঙ্গত, তিন পার্বত্য জেলা (বান্দরবান,রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি)’র মধ্যে ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি অনুযায়ী ১৯৯৮ সালে গঠিত পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে খাগড়াছড়ির সাংসদ কল্পরঞ্জন চাকমাকে মন্ত্রী করা হয়েছিল।এরপর থেকে পার্বত্য জেলার সবাই ছিলেন উপমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে।দীর্ঘ ১৮ বছর পর গত ৭ জানুয়ারি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসাবে বীর বাহাদুর উশৈসিংকে এমপিকে পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব প্রদান করেছেন রেকর্ড চতুর্থবারের প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা।

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান,পূর্ণ মন্ত্রী হলেন বীর বাহাদুর

নিউজ ডেস্কঃ-সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে পূর্ণ মন্ত্রী হলেন ৬ষ্ঠ বারের মতো নির্বাচিত সংসদ সদস্য বীর বাহাদুর উশৈসিং।তাকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী করা হয়েছে।আগামীকাল সোমবার মন্ত্রিপরিষেদে শপথ নিবেন বীর বাহাদুর। এর আগে তিনি এ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা ছিলেন এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে।দীর্ঘদিন পর পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে একজন পূর্ণ মন্ত্রী দেয়া হলো এলাকার একজনকে। ১৯৯৮ সালে মন্ত্রণালয়টি গঠনের সময়ে খাগড়াছড়ির প্রয়াত সংসদ সদস্য কল্পরঞ্জন চাকমা পূর্ণ মন্ত্রী ছিলেন।পরে রাঙ্গামাটির সংসদ সদস্য দিপংকর তালুকদার দীর্ঘ পাঁচ বছর প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।রোববার সকালে গণভবন থেকে মন্ত্রিপরিষদের শপথ নিতে বীর বাহাদুরকে ফোন করা হয়।এর পর খবরটি ছড়িয়ে পড়লে বীর বাহাদুরের নিজ এলাকা বান্দরবানে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়। সর্বত্রই এখন উৎসবের অমেজ। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী সমর্থকরা এখন আনন্দের বন্যায় ভাসছেন। মিষ্টি বিতরণ হয়েছে বিভিন্ন জায়গায়। বিশেষ করে যারা নির্বাচনে বীর বাহাদুরের জয়লাভের জন্য বেশি খেটেছেন তাদের আনন্দের সীমা নেই।খবরটি ছড়িয়ে পড়লে বান্দরবানের বিভিন্ন দুর্গম পাহাড়ি গ্রামগুলোতেও উৎসবের বন্যা বইছে। নেতা-কর্মীরা বীর বাহাদুরকে শুভেচ্ছা জানাতে দলে দলে ছুটছেন ঢাকার মন্ত্রিপাড়ায়। সেখানে জেলার আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন মন্ত্রী বীর বাহাদুরকে।এদিকে ক্ষুদ্ধ অপর পাহাড়ি জেলা রাঙ্গামাটির নেতা-কর্মীরা। তারা অনেকটা নিশ্চিত ছিলেন সমতা আনতে এবার দিপংকর তালুকদারকে মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী করা হবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটি না হওয়ায় হতাশ জেলার বাসিন্দারা।জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক লক্ষি পদ দাশ জানান,প্রধানমন্ত্রী ও দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।এটি পাহাড়ি জনপদের লোকজনদের জন্য সৌভাগ্যের।প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে সফল ছয় ছয় বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য বীর বাহাদুরকে পূর্ণ মন্ত্রী করার জন্য আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছিলাম। তৃণমূল নেতা-কর্মীদের দাবিও ছিল একটাই। অবশেষে আমাদের প্রত্যাশা সফল হয়েছে। এখন এগিয়ে যাওয়ার পালা।তিনি বলেন, মন্ত্রী বীর বাহাদুরের নেতৃত্বে পাহাড়ের আনাচে-কানাচে উন্নয়নের ধারা বয়ে যাবে বলে আশা আমাদের।১৯৯১ সালে বান্দরবান ৩০০নং আসন থেকে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এক সময়ের ফুটবল খেলোয়াড় বীর বাহাদুর উশৈসিং। পরে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। পর পর ৬ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। সর্বশেষ একাদশ সংসদ নির্বাচানে প্রতিপক্ষ বিএনপির প্রার্থী সাচিং প্রু জেরীর সঙ্গে ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন বীর বাহাদুর।তবে একইসঙ্গে রাঙ্গামাটিতে সিনিয়র নেতা দিপংকর তালুকদার ও খাগড়াছড়িতে কুজেন্দ্র লাল জয়ী হওয়ায় এবার পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব কার হাতে দেয়া হয় তা নিয়ে পাহাড়ের নেতাদের মধ্যে চলে স্নায়ুযুদ্ধ।শেষ পর্যন্ত মুকুট পরলেন বীর বাহাদুর উশৈসিং।

বান্দরবানে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরন

নিউজ ডেস্কঃ-বান্দরবানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরন করা হয়েছে রাজার মাঠে। অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশেসিং এমপি উপস্থিত থেকে শিশুদের মাঝে বই বিতরন উদ্ধোধন করেন। ছাত্র-ছাত্রীরা নতুন বছরে নতুন পাঠ্যপুস্তক হাতে পেয়ে উৎসব মুখরিত পরিবেশ মাঠ জুরে।আজ ১ জানুযারী মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় স্থানীয় রাজার মাঠে জেলা প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগ বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের আয়োজনে এই পাঠ্যপুস্তক বিতরন করা হয় । পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা সভাপতিত্বে পাঠ্যপুস্তক বিতরন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, পুলিশ সুপার জাকির হোসেন মজুমদার,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আবু হাসান সিদ্দিক,জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো:শহীদুল ইসলাম,জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সোমা বড়–য়া,জেলা পরিষদের মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুরুল আফসার সহ আরো অনেকে।এই বছর বান্দরবান জেলায় প্রাথমিক বিভাগের ৩,৩৩,৬০৭ জন ছ্এা-ছাত্রীর মাঝে ৩,৩৪,৫২৮ বই ও মাধ্যমিক বিভাগের ৫১, ৮৮৯ জন ছাএ-ছাত্রির মাঝে ৬,৯০,৫৭৫ বই বিনা মূল্যে বিতরন করা হয়।প্রধান অতিথি,শুরুতেই সবাইকে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।স্কুল,কলেজ,মাদ্রাসা,নার্সিং, ভোকেশোনাল,কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং বিশ^বিদ্যালয় করা হয়েছে।সামনে একটি মেডিক্যাল কলেজ করার বাকি টুকু করে যাওয়ার আশাব্যক্ত করেন।চাকুরি ক্ষেত্রে মেধা তালিকার স্থান দেয়া হবে।তিনি আরো বলেন, বান্দরবানে দেখি শিক্ষক সমিতি দুইটি গ্রুপ এটি খুবই খারাপ।শিক্ষকের আবার কিসের গ্রুপিং এই গ্রুপিং যেন ভবিষ্যতে না দেখি হুশিয়ার করেন।

বান্দরবানে শান্তিচুক্তির ২১ বছর পূর্তি পালন

বান্দরবান অফিসঃ-নানা আয়োজনে পার্বত্য জেলা বান্দরবানে শান্তি চুক্তির ২১ বছর পূর্তি পালিত হচ্ছে।আজ রোববার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হতে একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়। এটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে।এদিকে শহরের রাজার মাঠে জেলা পরিষদ,জেলা প্রশাসন ও বান্দরবান সেনা রিজিয়নের উদ্যোগে দুস্থদের বিনামূল্যে চিকিৎসা ও শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এতে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজিবির সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোঃ জহিরুল হক, সেনাবাহিনীর সদর জোনের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ নুরুল আমিন, পুলিশ সুপার জাকির হোসেন মজুমদার, সিভিল সার্জন ডা: অংশৈ প্রু পৌর মেয়র ইসলাম বেবী, আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কাজল কান্দি দাশ প্রমুখ।সেনা রিজিয়নের উদ্যোগে বান্দরবানের গরীব মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ, বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান ও শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

বান্দরবানে বিশ্ব এইডস দিবস পালন

বান্দরবান অফিসঃ-বান্দরবানে বিশ্ব এইডস দিবস পালিত হয়েছে। আজ ১ লা ডিসেম্বর শনিবার সকালে দিবসটি উপলক্ষে বান্দরবান স্বাস্থ্য বিভাগের আয়োজনে জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে সিভিল সার্জন কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে সিভিল জেলা কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয় ।

সিভিল সার্জন ডা: অং শৈ প্রæ মারমা সভাপতিত্বে বিশ্ব এইডস দিবসে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্ল । এই সময় আরো অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মোহাম্মদ আবুল কালাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরুজ্জামান, সিনিয়র সাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা সাসুই চিং মারমা সহ আরো অনেকে ।

অতিথিরা বলেন, নিজের মধ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে আগে, কারন প্রত্যেক কাজে তখনই সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পায় যখন কোন ব্যাক্তি নিজে সচেতন হয় । আমরা নিজেরা এই এইডস সর্ম্পকে সচেতন হলে অন্যকে এই বিষয়ে সচেতন করা যাবে । সামন্য একটা ভুলের জন্য ধ্বংস হয় একটি পরিবার নেমে আসে অন্ধকারের কালো ছায়া । অবৈধ যৌন মিলনের কারনে সৃষ্টি হচ্ছে মরন ব্যাধি এইডস , প্রতি বছরই যার কারনে মারা যাচ্ছে অনেক মানুষ । তাই সকলের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করে বাংলাদেশকে এইডস মুক্ত করার আহব্বান জানানো হয় ।

জেলা পরিষদে চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা বলেন, বিশ্ব এইডস দিবসের তাৎপর্যগুলো তুলে ধরেন এবং সকলকে মরন ব্যাধি এইডস থেকে দুরে থাকার জন্য সচেতন মূলক নানা পরার্মশ প্রদান করেন । বান্দরবান পর্যটন নগরি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। তাই প্রতি বছর লাখো দেশি বিদেশি পর্যটক বান্দরবানে সমাগম হওয়ার ফলে এইচআইভি এইডস হওয়ার ঝুকি অত্যন্ত বেশি । নিজে সচেতন হোন অন্যকে সচেতন হওয়ার পরার্মশ প্রদান করেন, তার সাথে বান্দরবানে সাস্থ্য বিভাগকে প্রয়োজনীয় এইডস বিষয়ে পরামর্শ এবং সহযোগীতার ব্যবস্থা নেয়ার তাগিদ দেন।