আজকে ২৬ এপ্রিল, ২০১৯ | | সময়ঃ-০২:২৮ অপরাহ্ন    

Home » বান্দরবান জেলা পরিষদ

বান্দরবান জেলা পরিষদ

ত্রিপুরা পাড়ায় বৈসু উৎসব শুরু

নিউজ ডেস্কঃ- নববর্ষ উদযাপন কমিটির সহযোগিতায় ও বান্দরবান ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের আয়োজনে জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলার নোয়াপতং ইউনিয়নের অন্তহা ত্রিপুরা পাড়ায় বৈসু উৎসব শুরু হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,আজ শুক্রবার (১২এপ্রিল) সকালে অন্তহা ত্রিপুরা পাড়ায় মাঠের অনুষ্ঠানে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ও বান্দরবান ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের আহ্বায়ক সিংঅং ম্রো এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের পরিচালক মংনুচিং মারমা,বান্দরবান জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সত্যহা পানজি,জেলা পরিষদের সদস্য ফিলিপ ত্রিপুরা,সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পাইহ্লাঅং মারমা,রোয়াংছড়ি উপজেলা পরিষদের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান চহাইমং মারমা,সদর উপজেলা পরিষদের পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান রাজুমং মারমা,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান য়ইসাপ্রু মারমা,নোয়াপতং ইউপি চেয়ারম্যান অংথোয়াইচিং মারমা। বান্দরবান সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের পরিচালক মংনুচিং মারমা প্রমুখ।এছাড়া এলাকার স্থানীয় মেম্বার,হেডম্যান,কারবারি উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করেন।

বান্দরবানে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত

ডেস্ক রিপোর্টঃ- “সমতা ও সংহতি নির্ভর সর্বজনীন প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বর্ণাঢ্য আয়োজনে নানা কর্মসুচির মধ্য দিয়ে বান্দরবানে উদযাপন করা হয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস।দিবসটি উপলক্ষে গতকাল রবিবার (৭ মার্চ) সকালে বান্দরবান স্বাস্থ্য বিভাগের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে সিভিল সার্জন কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। র‌্যালীতে ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার জনসাধারণ অংশ নেয়।পরে দিবসটি উপলক্ষে সিভিল সার্জন কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়। এসময় সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা। অনুষ্টানে আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবুল কালাম,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আলী হোসেন, সিভিল সার্জন ডাঃ অং সুই প্রু মার্মা,পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক ডা:অংচালু মার্মাসহ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মচারীরা।আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন,এই সরকারের আমলে কমিউনিটি ক্লিনিক এর মাধ্যমে বাংলাদেশের গ্রাম পর্যায়ে পর্যন্ত স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে গেছে। সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে আজ দুস্থ ও অসহায়রা বিনামুল্যে স্বাস্থ্য সেবা পাচ্ছে।

বান্দরবানে ১২তম বিশ্ব অটিজম দিবস পালন

বান্দরবানঃ-“সহায় প্রযুক্তির ব্যবহার, অটিজম বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন ব্যক্তির অধিকা” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বান্দরবানে ১২তম বিশ্ব অটিজম দিবস পালিত হয়েছে। আয়োজন করেছে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ, জেলা প্রশাসক ও সমাজসেবা অধিদফতর, বান্দরবান পার্বত্য জেলা।

গতকাল ২রা এপ্রিল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ ঘটিকার সময় বান্দরবান জেলা পরিষদের প্রাঙ্গনের একটি র‌্যালী বের হয়ে, পরিষদের সন্মেলনের কক্ষে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন, বান্দরবান জেলা প্রশাসন মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম এবং প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা। বিশেষ অতিথি ছিলেন, কাঞ্চন জয় তংচংগ্যা, জেলা পরিষদের সদস্য ও আহবায়ক সমাজ সেবা অধিদফতর বান্দরবান পার্বত্য জেলা। উপ-পরিচালক জেলা সমাজসেবা অধিদফতর,বান্দরবান পার্বত্য জেলা, সহকারী পরিচালক বিশ^ জ্যিত চাকমা, জেলা সমাজ সেবা অধিদফতর বান্দরবান। বিভিন্ন এনজিও কর্মী ও অটিজম ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, আমাদের মন মানসিকতা ও চিন্তা পরির্বতন করতে হবে। অটিজম যে কেউ হোক এরা তো আমাদের পরিবারের একজন সদস্য। এরা স্বাধীন রাষ্ট্রের একজন নাগরিক। বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং ছিলেন একজন অটিজম কিন্তু তার বুদ্ধি ছিল প্রখর । বিশ্বে অনেকেই আছেন অটিজম কিন্তু তারা মেধায় সবার চেয়ে উপরে। তাই আমরা, আপনারা অটিজম ছেলে মেয়েদেকে ভালোবাসা দিয়ে জয় করুন। তারা সমাজের বোঝা নয় সম্পদ।

সুয়ালক মাঝের পাড়ায় মডেল পাড়া কেন্দ্রের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন

নিউজ ডেস্কঃ-পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় টেকসই সামাজিক সেবা প্রদান প্রকল্পের আওতায় বান্দরবানের সুয়ালক মাঝের পাড়ায় মডেল পাড়া কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করা হয়েছে।শনিবার (২৩ মার্চ) সকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বাস্তবায়নে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইউনিসেফের অর্থায়নে ৩০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ১তলা বিশিষ্ট সুয়ালক মাঝের পাড়ায় মডেল পাড়া কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি।এসময় পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা, জেলা প্রশাসক মো: দাউদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকির হোসেন মজুমদার, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান মো: শাহীনুল ইসলাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বান্দরবান ইউনিটের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বিন মো: ইয়াছির আরাফাত, প্রকল্প পরিচালক ড. প্রকাশ কান্তি চৌধুরী, প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো: জানে আলম, প্রোগ্রাম অফিসার থুইসাচিং মারমাসহ সুয়ালক ইউনিয়নের বিভিন্ন পাড়াবাসী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্র্ড জানান, পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় টেকসই সামাজিক সেবা প্রদান প্রকল্পের আওতায় তিন পার্বত্য জেলার ২৫ টি উপজেলায় ১টি করে মোট ২৫ টি মডেল পাড়াকেন্দ্র নির্মাণ করা হবে এবং এই পাড়াকেন্দ্র নির্মাণ করা হলে পাড়ার উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষা স্বাস্থ্য ও পরিবেশের ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হবে।সুয়ালক মাঝের পাড়ায় মডেল পাড়া কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন শেষে সংক্ষিপ্ত এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।এসময় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকির হোসেন মজুমদার বলেন, কোন সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজকে পার্বত্য এলাকায় বসবাস করতে দেয়া হবে না। সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ দেশের শত্রু। এসময় তিনি আরো বলেন, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজের কারণে অনেক সময় উন্নয়ন কাজ বাধাঁগ্রস্থ হয়, তাই সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আমাদের সকলকে একসাথে অবস্থান করতে হবে। সন্ত্রাসীদের কোন তথ্য থাকলে পুলিশ বাহিনীকে সংবাদ দিয়ে এলাকায় শান্তি শৃংঙ্খলার উন্নয়নে প্রত্যেক জনসাধারণকে অগ্রনী ভুমিকা রাখতে হবে।এসময় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় টেকসই সামাজিক সেবা প্রদান প্রকল্পের আওতায় বান্দরবানের মডেল পাড়া কেন্দ্র নির্মাণ একটি ভালো উদ্যোগ, তবে এ ব্যাপারে প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইউনিসেফের আরো দায়িত্বশীল হওয়া দরকার। শুধু পাড়াকেন্দ্র করলে হবে না স্থান নির্বাচন ও পাড়াকেন্দ্র পরিচালনায় আরো বেশি দায়িত্ব নিতে হবে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা সকলকে।এসময় পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি আরো বলেন, ইতিপূর্বে অনেক পাড়াকেন্দ্র করা হয়েছে , কিন্তুু অনেক পাড়াকেন্দ্র বর্তমানে অচলাবস্থায় রয়েছে সেগুলোকে সচল করা প্রয়োজন। এসময় মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি উপস্থিত পাড়াবাসীদের মডেল পাড়া কেন্দ্রের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা গ্রহণের জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানান এবং সরকারের গৃহীত সকল উন্নয়ন কার্যক্রমে অংশ নিয়ে সোনার বাংলাদেশ গড়তে সকলকে আহবান জানান।

বান্দরবানে ৬টিতে আওয়ামীলীগ,১টি স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচিত

বান্দরবান অফিসঃ- বান্দরবানের উপজেলা পরিষদ নির্বাচেন ৬টিতে আওয়ামীলীগ, ১টি স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচিত । সদর উপজেলায় আওয়ামীলীগের প্রার্থী একেএম জাহাঙ্গীর, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় আওয়ামীলীগের প্রার্থী মো: শফিউল্লাহ , রোয়াংছড়ি, উপজেলায় আওয়ামীলীগের প্রার্থী চহাইমং মারমা,থানচি আওয়ামীলীগের প্রার্থী থোয়াই হ্লা মং, রুমা উপজেলায় আওয়ামীলীগের প্রার্থী উহ্লাচিং মারমা,আলীকদম উপজেলায় স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল কালাম ও লামা উপজেলায় আওয়ামীলীগের প্রার্থী মোস্তফা জামাল বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে।

উপজেলা নির্বাচনে দলের মনোনীত প্রার্থীর বিজয় সুনিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে- ক্য শৈ হ্লা

নিউজ ডেস্কঃ-বান্দরবান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ক্য শৈ হ্লা বলেছেন ,আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে দলের মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারা দেশে আওয়ামী লীগের বিজয় যেমন হয়েছে সে ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে দলের সিন্ধান্তের প্রতি মেনে নিয়ে এক যোগে কাজ করুন ।

১১ ফেব্রুয়ারী সোমবার থানছি উপজেলা সফরকালে স্থানীয় আওয়ামী লীগের আয়োজিত মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তথা বর্তমান সরকারের প্রতিশ্রুতি, প্রতি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, গ্রামকে শহর ও প্রতি ঘর থেকে একজন করে চাকুরীর ব্যবস্থা করতে কাজ করছে সরকার। সরকারের হাতকে শক্তিশালী করতে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মংথোয়াইম্যা রনি মারমার সভাপতিত্বে আয়োজিত মত বিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সদস্য থোয়াইহ্লামং মারমা, রেমাক্রী চেয়ারম্যান মুইশৈথুই মারমা, তিন্দু চেয়ারম্যান মংপ্রুঅং মারমা, থানছি প্রেসক্লাবের সভাপতি ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল আলোকিত পর্বত এর সম্পাদক অনুপম মারমা, সিনিয়র সভাপতি স্বপন কুমার বিশ^াস, সহ-সভাপতি উবামং মারমা, জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য অংপ্রু ¤্রাে, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা ভাইসচেয়ারম্যান অলসেন ত্রিপুরা, মোহাম্মদ মোহসিন মিঞা, সাবেক রেমাক্রী চেয়ারম্যান মালিরাং ত্রিপুরা, কৃষক লীগের সবাপতি শৈসাচিং মারমা, যুব লীগের সভাপতি সচিন ত্রিপুরা, মহিলা আঃ লীগের সভানেত্রী ডলিচিং মারমা প্রমূখ ।

এর আগে সকাল ১০টায় থানছি কলেজের একাডেমি ভবন নির্মাণে কলেজ পরিচালণা পর্ষদের সাথে ভূমি মালিকের মধ্যে চলা দীর্ঘদিনের বিরোধ নিষ্পতি করে দেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা।

বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

নিউজ ডেস্কঃ-শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নকে প্রধান্য দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত এলাকায় নতুন আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার কাজ শুরু করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর।বৃহস্পতিবার সকালে বান্দরবানে নতুন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় উদ্বোধনের সময় তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পাহাড়ে উচ্চ শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং দেশের অন্যতম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে এ বিশ্ববিদ্যালয়টি।মন্ত্রী আরো বলেন, পাহাড়ের যে সব এলাকায় স্কুল নেই যেসব এলাকাকে অগ্রাধিকার দিয়ে সেখানে নতুন নতুন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে। গরিব অসহায়রা যাতে শিক্ষার সুযোগ পায় সেদিকে সরকার দৃষ্টি রাখছে। গ্রামকে শহরে রুপান্তরের কাজ সরকার শুরু করেছে।ফলক উন্মোচন করে শহরের গোরস্থান মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাস আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মন্ত্রী।এ সময় তার সাথে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. প্রদানেন্দু চাকমা, বান্দরবান জেলা প্রশাসক দাউদুল ইসলাম, বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএইচএম জেহাদুল করিম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. নুসুরুল্লা, জেলা পরিষদের চেয়াম্যান ক্য শৈ হ্লা, সেনা রিজিয়নে কর্মকর্তা মেজর ইফতেখার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান প্রমুখ।এর আগে উদ্ধোধন উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। পরে হিল ভিউ সেন্টারে শিক্ষাবিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ১শ শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা শুরু হলো বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের। গত বছর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়টির অনুমোদন দেয়।এতে উন্নয়ন অধ্যয়ন, ইংরেজি, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও বিবিএসহ ৫টি বিভাগ রয়েছে বলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়। জেলার সুয়ালক ইউনিযনের হলুদিয়া এলাকায় প্রায় ১০ একর এলাকা জুড়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির মূল ক্যাম্পাস তৈরি করা হচ্ছে।

রোয়াংছড়ি মডেল স:প্রা:বি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণী

বান্দরবান অফিসঃ-বান্দরবানে রোয়াংছড়ি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কতৃক উদ্যোগে বার্ষিক ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণী অনুুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।আজ রবিবার ৩রা ফেব্রুয়ারি সকাল ১০ টায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে অত্র বিদ্যালয়ে এসএমসি সভাপতি অংশৈচিং মারমা সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা মারমা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রোয়াংছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যবামং মারমা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শফিকুর রিদোয়ান আরমান শাকিল, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য কাঞ্চনজয় তঞ্চঙ্গ্যা প্রমুখ।আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ আবু ছালেহ সরকার, স্কুলে প্রধান শিক্ষক উচহ্লা মারমা, সিনিয়র শিক্ষক(অবঃপ্রাপ্ত) মংপু মারমা সহ সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষকমণ্ডলী, শিক্ষার্থীবৃন্দ ও অভিভাবকগণ।অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে উপজেলা চেয়ারম্যান ক্যবামং মারমা বলেন, আমাদেরকে শিক্ষার প্রতি আরো সচেতন হতে হবে। সন্তানরা ঠিকমত লেখাপড়া করেছে কিনা সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা মারমা বলেন, যে শিক্ষক নিয়মিত স্কুলে যাবেনা, ঠিকমত ক্লাস করবেনা তাদেরকে বরখাস্ত করা হবে। দরকারে নতুন শিক্ষক নিয়োগ নেয়া হবে। ক্লাস ফাকি দেয়া যাবে।

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন মুফিদুল আলম

নিউজ ডেস্কঃ-সরকারের উপসচিব মুফিদুল আলম বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসাবে নিয়োগ পেয়েছেন।গত ২৬ ডিসেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের প্রেষন -১ অধিশাখার ৮৮৮ নং স্মারকে উপসচিব মোঃ মুহাম্মদ আবদুল লতিফের স্বাক্ষরে জারীকৃত এক প্রজ্ঞাপন মূলে মুফিদুল আলমকে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পদে নিয়োগ প্রদান করা হয়। এজন্য মুফিদুল আলমের চাকরী একই আদেশে জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয় থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।
বর্তমানে মুফিদুল আলম জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের গত ২৩ ডিসেম্বরের এক আদেশে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামে জুজিশিয়াল দায়িত্ব পালনরত থাকায় নির্বাচন শেষে তাঁকে বদলীকৃত কর্মস্থলে যোগদান করতে বলা হয়েছে। মুফিদুল আলম বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (উপ সচিব) হিসাবে কর্মরত আছেন। তাঁর আগে মুফিদুল আলম চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম নাসির উদ্দীনের একান্ত সচিব (পিএস)হিসাবে কর্মরত ছিলেন। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম নাসির উদ্দিন একজন সৎ, দক্ষ ও মেধাবী কর্মকর্তা হিসাবে তৎকালীন জনপ্রশাসন সচিবকে অভিপ্রায় পত্র দিয়ে মুফিদুল আলমকে একান্ত সচিব হিসাবে নিয়োগ নিয়েছিলেন।২৪ তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের কর্মকর্তা মুফিদুল আলম কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের চেইন্দা গ্রামের মরহুম রশিদ আহমদ ও লুলু মরজানের জ্যেষ্ঠ পুত্র। তিনি কক্সবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় হতে কৃতিত্বের সাথে এসএসসি এবং চট্টগ্রাম সরকারি কমার্স কলেজ হতে মেধা তালিকায় ৪র্থ স্থান অধিকার করে বাণিজ্য বিভাগে এইচএসসি পাশ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিসাব বিজ্ঞান বিষয়ে এম.বি.এ ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে ২৪তম বিসিএস পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়ে সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারে যোগ দেন। চাকুরী জীবনে মুফিদুল আলম কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সহকারী কমিশনার, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ভূমি হুকুম দখল কর্মকর্তা, নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) হিসাবে সন্দীপ, চন্দনাইশ, আনোয়ারা, পানছড়ি ও বাঘাইছড়ি উপজেলায় এবং বান্দরবান জেলার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট(এডিএম) হিসাবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।মুফিদুল আলম প্রশাসন ক্যাডারে চাকুরীরত অবস্থায় যুক্তরাজ্যের বিখ্যাত বেডফোর্ড শায়ার ইউনিভার্সিটি থেকে ২০১২ সালে ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রিসোর্স বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন। কক্সবাজারবাসীর গৌরব মুফিদুল আলম এর ৪ ভাই ১ বোনের মধ্যে ২য় ভাই খোরশেদ আলম একটি প্রাইভেট ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ৩য় ভাই একটি বেসরকারি কলেজের প্রভাষক ও কনিষ্ঠ ভাই সোহরাব হোসেন (বাপ্পী) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনের রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত। মেধাবী ও চৌকস কর্মকর্তা মুফিদুল আলম ২০০৫ সালে কক্সবাজার পৌরসভার উত্তর তারাবনিয়ার ছরার ঐতিহ্যবাহী মিয়াজি পরিবারের সাবেক উপজেলা প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার আলহাজ্ব মোহাম্মদ আমিন উল্লাহ ও হাসিনা মমতাজ জোস্না’র জ্যেষ্ঠ কন্যা সাদিয়া আমিন রিপা’র সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। কক্সবাজারের কৃতি সন্তান মুফিদুল আলমের মেঝ ভায়রা ভাই কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও এপিপি এডভোকেট জিয়া উদ্দিন আহমদ ও কনিষ্ঠ ভায়রা ভাই মোঃ হেলাল উদ্দিন চট্টগ্রাম জেলা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে চাকুরীরত। ব্যক্তিগত জীবনে মুফিদুল আলম সামিন, সাদিক নামক ২ পুত্র ও সাবিহা নামক ১ কন্যা সন্তানের গর্বিত জনক।

লামা মডার্ণ হাইস্কুল উদ্বোধন করলেন বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ

নিউজ ডেস্কঃ- আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষার অঙ্গিকার নিয়ে বান্দরবানের লামায় যাত্রা শুরু করল “লামা মডার্ণ হাইস্কুল”।লামা পৌরসভার প্রাণকেন্দ্র নুনারবিল এলাকায় শনিবার (১২ জানুয়ারী) দুপুরে বিদ্যালয়টির শুভ উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ।সকাল হতে শুরু হওয়া দুই পর্বের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা। কেক কেটে ও বেলুন উড়িয়ে স্কুলের শুভ উদ্বোধন করা হয়।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতি জ উ প্রু এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ জান্নাত রুমি, লামা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আনিছুর রহমান, লামা সার্কেলের এএসপি আবু সালাম চৌধুরী, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য মোস্তফা জামাল, ফাতেমা পারুল, লামা পৌরসভার মেয়র জহিরুল ইসলাম, লামা থানা অফিসার ইনচার্জ অপ্পেলা রাজু নাহা, ইউপি চেয়ারম্যান বাথোয়াইচিং মার্মা, মিন্টু কুমার সেন, ছাচিংপ্রু মার্মা সহ প্রমূখ। এসময় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি, সাংবাদিক, স্থানীয় জনসাধারণ, বিদ্যালয়ের অভিভাবক ও কোমলমতি শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ বলেন, সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিয়েছে লামা মডার্ণ হাইস্কুলের পরিচালনা কমিটি। এখন সব অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের ভাল স্কুলে লেখাপড়া করাতে চায়। তবে ভাল স্কুলে না পড়লে ভাল মানুষ হওয়া যাবেনা এমন ধারনা ভুল। অনেকে গ্রামের পশ্চাৎপদ স্কুলে পড়েও এখন সমাজে অনেকে প্রতিষ্ঠিত। আমি তার উদাহরণ। ইচ্ছা থাকলে সফলতা সম্ভব। বর্তমান সরকার শিক্ষাবান্ধব। লামাবাসিকে আমি ভালবাসি বলে বারবার এখানে ছুঁটে আসি। আমার বিশ্বাস বান্দরবান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও স্থানীয় সকল প্রশাসন এই বিদ্যালয়টিকে সর্বোচ্চ সহায়তা দিবে। আমার সমর্থের মধ্য সবচেয়ে ভালটা এই স্কুলের জন্য আমি করব। ১ম পর্ব আলোচনা সভা শেষে ২য় পর্বের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। স্থানীয় ও অতিথি শিল্পীরা সেখানে নৃত্য ও গান পরিবেশন করেন।