আজকে ২৬ এপ্রিল, ২০১৯ | | সময়ঃ-০২:৩১ অপরাহ্ন    

Home » বান্দরবান উন্নয়ন বোর্ড

বান্দরবান উন্নয়ন বোর্ড

উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে বান্দরবানের শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা বৃত্তি প্রদান

নিউজ ডেস্কঃ-  পার্বত্য তিন জেলার ২ হাজার ২ শ ২২জন জন গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীকে ১ কোটি ৯৩ লক্ষ ৩৪ হাজার টাকার শিক্ষা বৃত্তি দিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড। এর মধ্যে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে বান্দরবানে ৭৩২, রাঙামাটি ৭৫০ ও খাগড়ছড়ি জেলার ৭৪০ জন শিক্ষার্থীকে এই শিক্ষা বৃত্তি দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার সকালে বান্দরবানে অরুন সারকী টাউন হলে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড এ শিক্ষা বৃত্তির অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এসময় অনুষ্ঠানে কলেজ পর্যায়ে ৭ হাজার টাকা, মেডিকেল ও বিশ^বিদ্যালয়ের পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের দশ হাজার করে শিক্ষা বৃত্তি দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান মো:শাহিনুল ইসলাম,পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সদস্য (পরিকল্পনা) ড.প্রকাশ কান্তি চৌধুরী, প্রকল্প পরিচালক মো:আব্দুল আজিজ, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকির হোসেন মজুমদার,বান্দরবান মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রদীপ বড়–য়া,পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবান ইউনিটের নির্বাহী প্রকৌশলী মো:ইয়াছির আরাফাতসহ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি বলেন, বর্তমান সরকারের আন্তরিকতায় পাহাড়ের শিক্ষা ব্যবস্থার আমুল পরিবর্তন হচ্ছে, শিক্ষার উন্নয়নের স্বার্থে ভবিষ্যতে শিক্ষা বৃত্তি পরিমান আরও বাড়ানো হবে এবং সকলকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশের উন্নয়নে কাজ করে যেতে হবে।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় হাসপাতাল ও স্কুলের চারটি উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন

নিউজ ডেস্কঃ- বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় হাসপাতাল ও স্কুলের চারটি উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করেছেন পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি।আজ বুধবার (২৪ এপ্রিল) জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সদর ইউনিয়নে ২টি ও দোছড়ি ইউনিয়নে ২টি প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। এছাড়াও মন্ত্রী সৌর বিদ্যুৎ, ভিজিডি চাল বিতরণ ও এডিপি ভুক্ত প্রকল্পের উদ্বোধন করেন।পৃথক অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১০টি ব্যান্ডিং এর মধ্যে একটি হচ্ছে চিকিৎসা ব্যবস্থা। বর্তমান সরকার আমলে এই চিকিৎসা ব্যাবস্থার ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো আধুনিকায়ন হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার হাতেই বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে উন্নীত হচ্ছে। ভাল মানুষ হতে হলে সুশিক্ষার কোন বিকল্প নেই। এক সময় হাতে গোনা কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের থাকলেও আজ পার্বত্যাঞ্চলে গড়ে তোলা হয়েছে প্রায় পাচঁ শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অবহেলিত দরিদ্র মানুষের জন্য ভিজিডি, ভিজিএফসহ বিভিন্ন সেবা বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাহাড়ে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের ব্যাপক উন্নয়নে একমাত্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই অংশীদার। এর আগে পাহাড়ে ব্যপক উন্নয়ন হয়নি।এর আগে বুধবার (২৪ এপ্রিল) সকালে মন্ত্রী নাইক্ষ্যংছড়ি পৌছলে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে মন্ত্রীকে ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করা হয়। পরে তিনি উপজেলার দোছড়ি ইউনিয়নে পার্বত্য উন্নয়ন বোর্ডের তত্বাবধানে নির্মিত দৌছড়ি হাই স্কুলের ভবন উদ্বোধন, ৪১ লাখ টাকা ব্যয়ে পিআইও রাস্তা উদ্বোধন ও স্কুল মাঠে ২শ’ জনের মাঝে সৌর বিদুৎ প্যানেল বিতরণ করেন।এরপর দুপুরে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের উদ্যোগে অসহায় মহিলাদেরকে ভিজিডি চাল বিতরণ ও এডিপি ভূক্ত প্রকল্পের উদ্বোধন এবং বিকালে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের তত্বাবধানে চার কোটি টাকা বরাদ্দে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট নাইক্ষ্যংছড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও শিক্ষা অধিদফতরের ৯৭ লাখ টাকা বরাদ্দে বালিকা বিদ্যালয়ের ভবন উদ্বোধন করেন মন্ত্রী।এসময় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন র্পাবত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডেরে যুগ্ম সচিব (সোলার প্রকল্পের পরিচালক) আশীষ কুমার বড়ুয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোবাশ্বের হোসেন, আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য কাজল কান্তি দাশ, জেলা সিভিল সার্জন অংশপ্র চৌধুরী, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের প্রকল্প পরিচালক আবদুল আজিজ, নির্বাহী প্রকৌশলী ইয়াছির আরাফাত, জেলা পরিষদ সদস্য লক্ষী পদ দাশ, উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. শফিউল্লাহ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাদিয়া আফরিন কচি, জেলা পরিষদ সদস্য ক্যানেওয়ান চাক, নাইক্ষ্যংছড়ি থানা অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন, নাইক্ষংছড়ি সদর ইউপি চেয়ারম্যান তসলিম ইকবাল চৌধুরী, দোছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুহাম্মদ হাবিব উল্লাহ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইমরান মেম্বার প্রমুখ।

বান্দরবান ক্যান্ট:পাবলিক স্কুল ও কলেজের ছাত্রাবাসের উদ্বোধন

বান্দরবান অফিসঃ- বান্দরবান ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের আবাসিক ছাত্রদের ছাত্রাবাসের উদ্বোধন করা হয়েছে।গতকাল শনিবার বিকালে বান্দরবান ৬৯ পদতিক ব্রিগেড অফিসের সামনে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বাস্তবায়নে ৩ কোটি টাকা ব্যায়ে এ ছাত্রাবাসের উদ্বোধন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আলী হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ আবু হাসান সিদ্দিক, ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ লে: কর্নেল মোঃ রেজাউল ইসলাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের প্রকল্প পরিচালক মোঃ আবদুল আজিজ, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবান ইউনিটের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বিন মোহাম্মদ ইয়াছির আরাফাত, পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য লক্ষীপদ দাশ, সদস্য মোজাম্মেল হক বাহাদুর, প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাচ্চু, মাসিক নীলাচল পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক আলহাজ¦ মোহাম্মদ ইসলাম কোম্পানী সহ শিক্ষক শিক্ষিকা ও ছাত্র ছাত্রীরা।

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান,পূর্ণ মন্ত্রী হলেন বীর বাহাদুর

নিউজ ডেস্কঃ-সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে পূর্ণ মন্ত্রী হলেন ৬ষ্ঠ বারের মতো নির্বাচিত সংসদ সদস্য বীর বাহাদুর উশৈসিং।তাকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী করা হয়েছে।আগামীকাল সোমবার মন্ত্রিপরিষেদে শপথ নিবেন বীর বাহাদুর। এর আগে তিনি এ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা ছিলেন এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে।দীর্ঘদিন পর পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে একজন পূর্ণ মন্ত্রী দেয়া হলো এলাকার একজনকে। ১৯৯৮ সালে মন্ত্রণালয়টি গঠনের সময়ে খাগড়াছড়ির প্রয়াত সংসদ সদস্য কল্পরঞ্জন চাকমা পূর্ণ মন্ত্রী ছিলেন।পরে রাঙ্গামাটির সংসদ সদস্য দিপংকর তালুকদার দীর্ঘ পাঁচ বছর প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।রোববার সকালে গণভবন থেকে মন্ত্রিপরিষদের শপথ নিতে বীর বাহাদুরকে ফোন করা হয়।এর পর খবরটি ছড়িয়ে পড়লে বীর বাহাদুরের নিজ এলাকা বান্দরবানে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়। সর্বত্রই এখন উৎসবের অমেজ। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী সমর্থকরা এখন আনন্দের বন্যায় ভাসছেন। মিষ্টি বিতরণ হয়েছে বিভিন্ন জায়গায়। বিশেষ করে যারা নির্বাচনে বীর বাহাদুরের জয়লাভের জন্য বেশি খেটেছেন তাদের আনন্দের সীমা নেই।খবরটি ছড়িয়ে পড়লে বান্দরবানের বিভিন্ন দুর্গম পাহাড়ি গ্রামগুলোতেও উৎসবের বন্যা বইছে। নেতা-কর্মীরা বীর বাহাদুরকে শুভেচ্ছা জানাতে দলে দলে ছুটছেন ঢাকার মন্ত্রিপাড়ায়। সেখানে জেলার আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন মন্ত্রী বীর বাহাদুরকে।এদিকে ক্ষুদ্ধ অপর পাহাড়ি জেলা রাঙ্গামাটির নেতা-কর্মীরা। তারা অনেকটা নিশ্চিত ছিলেন সমতা আনতে এবার দিপংকর তালুকদারকে মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী করা হবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটি না হওয়ায় হতাশ জেলার বাসিন্দারা।জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক লক্ষি পদ দাশ জানান,প্রধানমন্ত্রী ও দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।এটি পাহাড়ি জনপদের লোকজনদের জন্য সৌভাগ্যের।প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে সফল ছয় ছয় বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য বীর বাহাদুরকে পূর্ণ মন্ত্রী করার জন্য আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছিলাম। তৃণমূল নেতা-কর্মীদের দাবিও ছিল একটাই। অবশেষে আমাদের প্রত্যাশা সফল হয়েছে। এখন এগিয়ে যাওয়ার পালা।তিনি বলেন, মন্ত্রী বীর বাহাদুরের নেতৃত্বে পাহাড়ের আনাচে-কানাচে উন্নয়নের ধারা বয়ে যাবে বলে আশা আমাদের।১৯৯১ সালে বান্দরবান ৩০০নং আসন থেকে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এক সময়ের ফুটবল খেলোয়াড় বীর বাহাদুর উশৈসিং। পরে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। পর পর ৬ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। সর্বশেষ একাদশ সংসদ নির্বাচানে প্রতিপক্ষ বিএনপির প্রার্থী সাচিং প্রু জেরীর সঙ্গে ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন বীর বাহাদুর।তবে একইসঙ্গে রাঙ্গামাটিতে সিনিয়র নেতা দিপংকর তালুকদার ও খাগড়াছড়িতে কুজেন্দ্র লাল জয়ী হওয়ায় এবার পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব কার হাতে দেয়া হয় তা নিয়ে পাহাড়ের নেতাদের মধ্যে চলে স্নায়ুযুদ্ধ।শেষ পর্যন্ত মুকুট পরলেন বীর বাহাদুর উশৈসিং।

শান্তি চুক্তির সুফল পাচ্ছে পার্বত্যবাসীঃ-(বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি)

নিউজ ডেস্কঃ-বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারের কারণে পার্বত্য এলাকার নানাবিধ উন্নয়ন সাধিত হচ্ছে,আগামীতে নানা কর্মপরিকল্পনা গ্রহন করে পার্বত্য এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করা হবে এমটাই মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্রগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশেসিং এমপি। আজ শনিবার বিকালে পার্বত্য চট্রগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বরাদ্ধকৃত অর্থায়নে বান্দরবানের সুয়ালক তুলাতলী বাজার জামে মসজিদ ও আবাসিক উচ্চ বিদ্যালয়ের শ্রেণী কক্ষ উদ্বোধন এবং সুলতানপুর জামে মসজিদ নিমার্ণ কাজের ভিত্তিপ্রস্থর অনুষ্টানে এসব কথা বলেন পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশেসিং এমপি।উন্নয়ন কাজ গুলোর ব্যায় ধরা হয়েছে ১কোটি ৪৮ লক্ষ নব্বই হাজার টাকা।এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বান্দরবানের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃশফিউল আলম,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃকামরুজ্জামান,পার্বত্য চট্রগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগ এর সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃশফিকুর রহমান, বান্দরবান সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুছ,জেলা আওয়ামীলীগ এর সহ-সভাপতি এ.কে.এম জাহাঙ্গীর,বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মোজাম্মেল হক বাহাদুর, পার্বত্য চট্রগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবান ইউনিটের প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এম.আব্দুল আজিজ, পার্বত্য চট্রগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবান ইউনিটের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ইয়াছির আরাফাত,সুয়ালক ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান উক্যনু মার্মা,বান্দরবান জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি মোঃ মুছা কোম্পানী,সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক মোঃইয়াকুব আলী চৌধুরী,সুলতানপুর জামে মসজিদের জন্য জায়গা দাতা মাওলানা মোঃইউসুফ হেলালী,সুলতানপুর জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ও সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আব্দুল করিম, সুলতানপুর জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির যুগ্ন-আহ্বায়ক মুহিব উল্লাহ ভূইয়া,সুয়ালক ইউনিয়ন পরিষদের ১নং প্যানেল চেয়ারম্যান ও কাইচতলী ২নং ওয়ার্ড সদস্য মোঃ জসিম উদ্দীন,তুলাতলী বাজার জামে মসজিদ পরিচালন কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আমিনুল হক, তুলাতলী বাজার জামে মসজিদ পরিচালন কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও খতিব মাওলানা হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ আজিজুর রহমান,উত্তর সুলতানপুর দারুল কোরআন নুরানী মাদ্রাসা ও এতিম খানার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ আবু বক্কর,জেলা যুবলীগের অন্যতম সদস্য মোঃ ইদ্রিছ, সুয়ালক ১নং ওয়ার্ড সদস্য আব্দুস ছবুর মেম্বার,মহিলা কাউন্সিলর রিনা বেগম সহ বান্দরবানে কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দগণ উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী ও ভিত্তিপ্রস্থর অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন,শান্তি চুক্তির সুফল পাচ্ছে পার্বত্যবাসী।পাহাড়ের আনাচে কানাচে সর্বত্র মসজিদ- মন্দির-বিহার- গির্জা সহ নানা উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ণ করা হচ্ছে। আগামাীতে পার্বত্য এলাকায় আরো নতুন নতুন উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকার যতেষ্ট আন্তিরক। পার্বত্য এলাকার উন্নয়নে সকলের সহযোগিতায় ও আন্তরিকতা প্রয়োজন,আপনারা আগামীতে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে নৌকা র্মাকায় ভোট দিয়ে আওয়মীলীগ সরকারকে আপনাদের সেবা করার সুযোগ প্রদান করার আহ্বান জানাই।

বান্দরবানের রাজবিলায় বিভিন্ন উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

নিউজ ডেস্কঃ- বান্দরবানে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বাস্তবায়নে বিভিন্ন উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে বান্দরবান সদরের রাজবিলা ইউনিয়নের উদালবনিয়ায় ৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৬ উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি।

এসময় পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডে বাস্তবায়নে ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে উদালবনিয়া হতে থংজমা পাড়া যাওয়ার রাস্তা ও ব্রীজ নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন, ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে রাজবিলা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন, ১৫ লাখ টাকা ব্যয়ে উদালবনিয়া চাকরীজীবী কল্যাণ সমবায় সমিতি পাকা ভবন নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন, ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে রাজবিলায় জাদি নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন, ২৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে রাজবিলা বৌদ্ধ বিহারের সীমা ঘর নির্মাণ, ৫০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে উদালবনিয়া বৌদ্ধ বিহার নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবুল কালাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বিন মোহাম্মদ ইয়াছির আরাফাত, পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ক্যসাপ্রু, সদস্য ¤্রাসা খেয়াং, সদস্য তিংতিং ম্যা, সিভিল সার্জন ডাঃ অংসুই প্রু, ৩১৯নং রাজবিলা মৌজার হেডম্যান রুই প্রু অং চৌধুরী, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি পাইহ্লা অং মারমা, রাজবিলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য অং প্রু মারমা, কুহালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সানু প্রু মারমা সহ স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।

স্থানীয়দের আশাবাদ উন্নয়ন প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হলে রাজবিলা ইউনিয়নের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটবে।

লামায় উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শনে উন্নয়ন বোর্ড চেয়ারম্যান নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা

সিএইচটি টাইমস নিউজ ডেস্কঃ-পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড চেয়ারম্যান নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা (এনডিসি) লামা উপজেলায় উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন। বুধবার (১৮ জুলাই) বিকেলে তিনি মাতামুহুরী ব্রিজের উপরে ১৪০ মিটার গার্ডার ব্রিজ ও লামা পৌর বাস স্ট্যান্ডের নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন।
এসময় চেয়ারম্যানের সাথে ছিলেন, উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান তরুণ কান্তি ঘোষ, লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ জান্নাত রুমি, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল, প্রকল্প পরিচালক আব্দুল আজিজ, লামা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আবু সালাম চৌধুরী, লামা পৌরসভার মেয়র মো. জহিরুল ইসলাম, উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবান ইউনিটের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বিন ইয়াছিন আরাফাত, সহকারী প্রকৌশলী তুষিত কান্তি চাকমা, অফিসার ইনচার্জ লামা থানা অপ্পেলা রাজু নাহা, লামা সার্কেলের পুলিশ পরিদর্শক কাজী রাকিব উদ্দিন, লামা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিন্টু কুমার সেন সহ প্রমূখ।
উন্নয়ন বোর্ড চেয়ারম্যান বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। ২০২১ সালের মধ্যেই বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে রুপান্তরিত হবে। যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো খাতে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড তিন পার্বত্য জেলায় ব্যাপক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। এছাড়া তিনি সকালে আলীকদম উপজেলার বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শন করেন।

 

বান্দরবানে উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে ভুট্টা মাড়াই মেশিন বিতরণ

সিএইচটি নিউজ ডেস্কঃ-বান্দরবানে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে কৃষকদের মাঝে ভুট্টা মাড়াই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার সকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপির বান্দরবানস্থ বাসভবনে এই ভুট্টা মাড়াই মেশিন বিতরণ করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি।

ভুট্টা মাড়াই মেশিন বিতরণ অনুষ্টানে প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি বলেন, বর্তমান সরকার কৃষকদের সার্বিক উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে, বর্তমান সরকার কৃষি বান্ধব সরকার, আর এই সরকারের আমলে কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়নে প্রতিটি এলাকায় ভুট্টা মাড়াই মেশিন, পাওয়ার টিলার, সার ,বীজসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হচ্ছে। তাছাড়াও যে সব জায়গায় ধানী জমির চাষ হবে না সেসব জায়গায় বিনামুল্যে কৃষকদের মিশ্র ফলের বাগান করে দেয়া হচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে।এসময় প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি আরো বলেন,বর্তমান সরকারের আমলেই কৃষকদের ভাগ্যের অনেক উন্নয়ন হয়েছে এবং আগামীতে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের মধ্য দিয়ে কৃষকদের সর্বোচ্চ সুযোগ সুবিধা প্রদানের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এসময় বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ক্য সা প্রু, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের প্রকল্প পরিচালক (পিডি) মোঃআবদুল আজিজ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ আলতাফ হোসেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবান ইউনিটের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বিন মোহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত, সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ওমর ফারুকসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি ও কৃষক সমিতির নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্টানে বান্দরবান সদর, আলীকদম, রুমা, রোয়াংছড়ি, থানচি, লামা ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষি সমিতি ও ব্যক্তি পর্যায়ে মোট ৩০টি ভুট্টা মাড়াই মেশিন বিতরণ করা হয় ।আয়োজকেরা জানান,আগামীতে এই ধরণের কার্যত্রম অব্যাহত থাকবে।

লাল মোহন বাগান যুব সমবায় সমিতি লিঃ এর অফিস ঘর উদ্বোধন

সিএইচটি নিউজ ডেস্কঃ-বান্দরবানে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বাস্তবায়নে দশ লক্ষ টাকা ব্যয়ে সদর উপজেলার লাল মোহন বাগান যুব সমবায় সমিতির অফিস ঘর এর উদ্বোধন করা হয়েছে।গতকাল শনিবার সকালে লাল মোহন বাগান যুব সমবায় সমিতির অফিস ঘরের উদ্বোধন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি। লাল মোহন বাগান যুব সমবায় সমিতির উপদেষ্ঠা ও বান্দরবান সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুছ এর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবানের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ ইয়াছিন আরাফাত।এসময় পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবান ইউনিটের প্রকল্প পরিচালক মো:আব্দুল আজিজ,বান্দরবান জেলা আওয়ামীলীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ও লাল মোহন বাগান যুব সমবায় সমিতির জায়গা প্রদানকারী আলহাজ্ব মোহাম্মদ নূর আলী,বান্দরবান পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি অমল কান্তি দাশ, লাল মোহন বাগান যুব সমবায় সমিতি লিঃ এর উপদেষ্টা ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সুনিল কান্তি দাশসহ এলাকার জনসাধারণ ও ক্লাবের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন ।

যুব সমবায় সমিতির অফিস ঘর উদ্বোধন শেষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় । অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন লাল মোহন বাগান যুব সমবায় সমিতি লিঃ এর সভাপতি সন্তোষ দাশ। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য প্রদান করেন বান্দরবান পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ আবুল কালাম,লাল মোহন বাগান যুব সমবায় সমিতি লিঃ এর প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক জহির উদ্দন বাবর,অজিত তংচঙ্গ্যা, লাল মোহন বাগান যুব সমবায় সমিতি লিঃ এর যুগ্ন সম্পাদক খোকন তংচঙ্গ্যা, লাল মোহন বাগান যুব সমবায় সমিতি লিঃ এর কোষাধ্যক্ষ বাবুল তংচঙ্গ্যা।

অনুষ্টানে প্রধান অতিথি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি বলেন,বর্তমান সরকার গ্রামীণ এলাকার রাস্তাঘাটসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসমূহের উন্নয়ন করে আসছে। তারই অংশ হিসেবে বান্দরবান,রাঙ্গামটি ও খাগড়াছড়ি প্রতিটি জেলার গ্রামে গ্রামে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান,কমিউনিটি সেন্টার গুলোর নির্মাণ ও নতুন রাস্তা তৈরী,পুরনো রাস্তাঘাট সংস্কার ও মেরামতের কাজে বিপুল অর্থ ব্যয় করছে সরকার । তিন পাবর্ত্য জেলাগুলোর উন্নয়নে নিয়োজিত রয়েছে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো। প্রতিমন্ত্রী এসময় আরো বলেন,বর্তমান সরকার শিক্ষা,স্বাস্থ্য এবং যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে,এই উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে পুনরাই নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আওয়ামীলীগ সরকারকে নির্বাচিত করার কোন বিকল্প নেই।

 

উন্নয়ন বোর্ডের বাস্তবায়নে বিভিন্ন উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন

সিএইচটি নিউজ ডেস্কঃ-বান্দরবানে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বাস্তবায়নে বিভিন্ন উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে।গতকাল শুক্রবার সকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ২৫কোটি ব্যয়ে বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলার তারাছা মৌজার ফাক্ষ্যং পাড়া বৌদ্ধ বিহারের শুভ উদ্বোধন করেন।পরে রোয়াংছড়ি উপজেলার তারাছা মৌজার তেতুলিয়া পাড়ায় ২৮লক্ষ টাকা ব্যয়ে নব নির্মিত বৌদ্ধ বিহারের উদ্বোধন করা হয়।এসময় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি, রোয়াংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো:দিদারুল আলম,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: ইয়াছির আরাফাত,পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য তিংতিংম্যা,পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বান্দরবান ইউনিটের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মো: আব্দুল আজিজ,রোয়াংছড়ি উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাউসাং মার্মা,রোয়াংছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি চহ্লামং মার্মা, সাধারণ সম্পাদক আনন্দ সেন তংচঙ্গ্যাসহ বিভিন্ন বৌদ্ধ মন্দিরের অধ্যক্ষ ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানান,বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলার তারাছা মৌজার ফাক্ষ্যং পাড়া ও তেতুলিয়া পাড়ায় মোট ৫৩লক্ষ টাকা ব্যয়ে এই দুইটি বৌদ্ধ বিহার নির্মাণের ফলে এলাকার আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন হবে এবং বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের ধর্ম প্রচার ও প্রসারে আরো এক ধাপ এগিয়ে যাবে।