আজকে ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯ | | সময়ঃ-১২:০৫ অপরাহ্ন    

Home » প্রতিরক্ষা

প্রতিরক্ষা

বান্দরবানে সেনাবাহিনীর ত্রাণ সহায়তা প্রদান

নিউজ ডেস্কঃ- বান্দরবান সেনা জোন এর আওতায় বান্দরবান বাজারের বোটঘাটায় অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের মধ্যে ত্রাণ সহায়তা প্রদান করলো বান্দরবান সেনা জোন।শুক্রবার (১৫ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যায় ২৬ বীর বান্দরবান সেনা জোন এর পক্ষ থেকে বান্দরবান বাজারের বোটঘাটায় অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের মধ্যে এই ত্রাণ সহায়তা প্রদান করা হয়।এসময় ২৬ বীর বান্দরবান সেনা জোন এর ওয়ারেন্ট অফিসার মো:ফজলুর হক,বান্দরবান পৌরসভার মহিলা কাউন্সিলর সালেহা বেগম,জোন এনসিও সার্জেন্ট আল-আমিন ও অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় ২৬ বীর বান্দরবান সেনা জোন এর পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোকে শীতের কম্বল ও খাবার সামগ্রী প্রদান করা হয়।প্রসঙ্গত, শুক্রবার ভোররাতে বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে আগুন লেগে বান্দরবান বাজারের বোটঘাটায় একটি বরফ কারখানা ও পাচঁটি কাচাঘর পুঁেড় ছাই হয়ে যায় এবং ঘটনার পরপরই ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে দাড়ায় সেনাবাহিনীর সদস্যরা।

শারীরিক সুস্থতায় ক্রীড়ার কোন বিকল্প নেই: মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং

বান্দরবান অফিসঃ- পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি শারীরিক সুস্থতার জন্য ক্রীড়ার কোন বিকল্প নেই। শারীরিক প্রশান্তি ও মানসিক উন্নয়নে ক্রীড়া অগ্রনী ভুমিকা পালন করে। এছাড়াও খেলাধুলার মাধ্যমে একটি শিশুকে একজন সুশৃংঙ্খল জাতিতে পরিনত করা যায়, খেলাধুলা মানুষকে শৃংঙ্খলা ও সহানুভুতিতা শেখায়। তাই প্রতিটি মানুষের জীবন গঠনে পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলার পরির্”চা অপরিসীম।এসময় পার্বত্য মন্ত্রী আরো বলেন, লেখা পড়ার পাশাপাশি শারীরিক সুস্থতার জন্য ক্রীড়ার কোন বিকল্প নেই। শারীরিক প্রশান্তি ও মানসিক উন্নয়নে ক্রীড়া অগ্রনী ভুমিকা পালন করে। নৈসর্গিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি বান্দরবানের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বান্দরবান ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০১৯ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী গতকাল শনিবার বিকালে কলেজ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।শান্তির প্রতীক শ্বেত কপোত এবং বেলুন উড্ডয়নের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। বিএনসিসির চৌকস ক্যাডেট, গার্ল গাইডস সমূহ, ফুল দৌড়, দৃষ্টিনন্দন রিলে সহ কয়েকটি ইভেন্টের প্রতিযোগিতা, ভিভিআইডি অতিথিদের অংশগ্রহণে গলফ খেলা অনুষ্ঠিত হয়।প্রতিষ্ঠানের তায়কোয়ান্দো দলের চমকপ্রদ শারীরিক কসরত এবং ডিসপ্লে দলের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনায় দর্শক মন্ত্রমুগ্ধ হয়। ডিসপ্লেতে নজরুল হাউজ আবহমান বাংলার সংস্কৃতি, শহীদুল্লাহ হাউজ মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ এবং বরকত হাউজ ক্ষুদ্র-নৃ-গোষ্ঠির সংস্কৃতিক সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলে।এসময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠান পরিচালনা পর্ষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি লেঃ কর্ণেল এস এম আব্দুল্লাহ আল-আমিন, পিএসসি।স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ লে: কর্ণেল মো: রেজাউল ইসলাম পিএসসি, পিএইচডি, এইসি।এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আলী হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ আবু হাসান সিদ্দিক, বান্দরবান সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুছ, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য লক্ষীপদ দাশ, সদস্য মো: মোজাম্মেল হক বাহাদুর, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবান ইউনিটের প্রকল্প পরিচালক এম আব্দুল আজিজ, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবান ইউনিটের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বিন মোহাম্মদ ইয়াছির আরাফাত, প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাচ্চু, মাসিক নীলাচল পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক আলহাজ¦ মোহাম্মদ ইসলাম কোম্পানী সহ পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি বিজয়ী হাউস ও বিভিন্ন ইভেন্টের খেলা প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

আলীকদম সেনা জোনের উদ্যোগে শীতবস্ত্র,ক্রীড়া সামগ্রী,ঔষধ বিতরণ ও ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প

আলীকদম,বান্দরবানঃ-আলীকদম জোনের উদ্যোগে মুরুং কমপ্লেক্স আবাসিক ছাত্রদের মাঝে শীতবস্ত্র, ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ, ফ্রি চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ প্রদান করা হয়েছে। রবিবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে বাস স্টেশন সংলগ্ন মুরুং কমপ্লেক্সে এই বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

একই দিন আলীকদম জোন সদরে লামা-আলীকদমের বিভিন্ন সামাজিক-ক্রীড়া সংগঠনের মাঝে বিনোদন সামগ্রী হিসেবে ৫টি টেলিভিশনও বিতরণ করা হয়। শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জোন কমান্ডার লে: কর্ণেল সাইফ শামীম পিএসসি ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বলেন, মেধাবীদের পাশে আলীকদম জোন সর্বদা আছে এবং থাকবে। এসময় জোন কমান্ডার মুরুং আবাসিকের ছাত্রদের নানা বিষয়ে খোঁজ খবর নেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, ভারপ্রাপ্ত জোনাল স্ট্যাফ অফিসার মেজর মোয়াজ্জম হোসেন, ডাক্তার মেজর হাবিবা, ডাক্তার ক্যাপ্টেন মো: আসিফ, জোন জেসিও ইহসান উল্লাহ, সাংবাদিক মো.কামরুজ্জামান, আবাসিক পরিচালক ইয়ংলক মুরুং, বাসস্টেশন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জিয়াবুল সহ প্রমূখ।

লে. কর্নেল হলেন চার নারী মেজর

সিএইচটি টাইমস নিউজ,বান্দরবানঃ – বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দীর্ঘমেয়াদী কোর্সের চার নারী মেজর পদোন্নতি পেয়েছেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে। এরা হলেন মেজর সানজিদা হোসেন, আর্টিলারি; মেজর সৈয়দা নাজিয়া রায়হান, আর্টিলারি; মেজর ফারহানা আফরীন, আর্টিলারি ও মেজর সারাহ্ আমির, ইঞ্জিনিয়ার্স।

বৃহস্পতিবার (২৪ জানুয়ারি) সেনাবাহিনী সদরদপ্তরে বাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ পদোন্নতিপ্রাপ্তদের র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন। এসময় উর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর নারীর ক্ষমতায়নের অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে ২০০০ সাল থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দীর্ঘমেয়াদী কোর্সে নিয়মিতভাবে নারী অফিসার নিয়োগ করা হচ্ছে। ৪৭তম দীর্ঘমেয়াদী কোর্স থেকে শুরু হওয়া এসব নারী অফিসাররা ইতোমধ্যেই নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে পেশাগত দক্ষতা প্রদর্শনে সফল হয়েছেন। তাদের এই সক্ষমতার অংশ হিসেবে চারজন নারী অফিসারকে মেজর হতে লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী নারীর ক্ষমতায়নে যে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছেন, সেনাবাহিনীতে দীর্ঘমেয়াদী কোর্সের নারী অফিসারদের লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে পদোন্নতি প্রদানের মাধ্যমে সেই পদক্ষেপে আরও এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো বলে উল্লেখ করা হয় সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষায় প্রশংসিত বাংলাদেশ-সেনাবাহিনী,অনন্য উচ্চতায় শেখ হাসিনা

নিউজ ডেস্কঃ- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অনেক আগে থেকেই প্রশংসিত বাংলাদেশ। সেই প্রশংসাকে আরও মহিমান্বিত করেছেন জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জিন পিয়ের ল্যাক্রিক্স। তিনি শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন।

নেদারল্যান্ডস ও রুয়ান্ডার যৌথ আয়োজনে হেগে দুই দিনব্যাপী ‘শান্তিরক্ষায় প্রস্তুতিমূলক সম্মেলনে’ শান্তি মিশনে বাংলাদেশের ভূমিকার এই প্রশংসা করেন বলে হেগের বাংলাদেশ দূতাবাস এ তথ্য জানিয়েছে।

সম্মেলনে রাষ্ট্রদূত বেলাল জাতিসংঘ শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বিশ্ব শান্তি ও স্থিতিশীলতা জোরদারের জন্য জাতিসংঘের আহ্বানের প্রতিক্রিয়ায় সৈন্য ও পুলিশ পাঠিয়ে অবদান রাখার বিষয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত অঙ্গীকারের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশ সফরের কথা স্মরণ করে আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল ল্যাক্রিক্স বলেন, সৈন্য ও পুলিশ পাঠিয়ে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে অবস্থিত শান্তিরক্ষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস সাপোর্ট অপারেশন ট্রেনিং (বিপসট)-এর মানসম্মত প্রশিক্ষণের প্রশংসাও করেন ল্যাক্রিক্স।

এছাড়া শান্তিরক্ষা কার্যক্রমবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল ল্যাক্রিক্স বিভিন্ন দেশের বেসামরিক জনগণের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে আরো বেশি মনোযোগ প্রদানের ইচ্ছে প্রকাশ করেন।

এর আগে ডাচ পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্টেফ ব্লক, ডাচ প্রতিরক্ষামন্ত্রী আঙ্ক বিজলিভেল্ড ও জিন পিয়ারি ক্যারাব্যারাঙ্গা, ন্যাদারল্যান্ডস ও স্মেইল চেরুগিতে নিযুক্ত রুয়ান্ডার রাষ্ট্রদূত, আফ্রিকান ইউনিয়নের শান্তি ও নিরাপত্তাবিষয়ক কমিশনার যৌথভাবে এ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন।

শান্তিরক্ষাবিষয়ক প্রস্তুতিমূলক এ সম্মেলনে বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রায় ৭০টি দেশ যোগ দেয়। আর সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলকে নেতৃত্ব দেন রাষ্ট্রদূত শেখ মোহাম্মাদ বেলাল।

বান্দরবান সেনাবাহিনী কতৃক শিক্ষার্থীদের আর্থিক অনুদান,উন্নত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসা সহায়তা ও শীতার্থদের জন্য শীতবস্ত্র বিতরণ

নিউজ ডেস্কঃ-বান্দরবান সেনা জোন এর আওতায় বান্দরবানের গরীব অসহায় শিক্ষার্থীদের আর্থিক অনুদান,নিস্ব:ব্যক্তিদের উন্নত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসা সহায়তা ও শীতার্থদের জন্য শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।সোমবার সকালে বান্দরবান সেনা জোন এর আয়োজনে জোন কমান্ডারের কার্যালয় প্রাঙ্গনে এই শিক্ষা-চিকিৎসা সহায়তা ও শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। এসময় গরীব অসহায় শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার জন্য আর্থিক অনুদান প্রদান, উন্নত চিকিৎসার জন্য আর্থিক অনুদান প্রদান ও বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকার শীতার্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।অনুষ্ঠানে বান্দরবান সেনা জোন (২৬ বীরের) জোন কমান্ডার লে:কর্ণেল এস এম আব্দুল্লাহ আল-আমিন (পিএসসি), জোন উপ-অধিনায়ক মেজর জাহিদুল ইসলাম, জোনাল স্টাফ অফিসার মেজর,মো:আল-জাবির আসিফ, এস এম মো:কামিরুল ইসলাম, সার্জেন্ট আল আমিনসহ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পদ মর্যাদার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।এসময় জোন কমান্ডার লে:কর্ণেল এস এম আব্দুল্লাহ আল-আমিন (পিএসসি) উপস্থিত গরীব ও অসহায়দের শিক্ষা-চিকিৎসা সহায়তা এবং শীতার্থদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন এবং বলেন, সেনাবাহিনী দুর্গম পাহাড়ে বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ করে যাচ্ছে এবং আগামীতে এই উন্নয়ন কর্মকান্ড চলমান থাকবে।

সেনাবাহিনীর নামে ভুয়া ওয়েবসাইট–ফেসবুক পেজ–ইউটিউব চ্যানেলের বিষয়ে সতর্কবার্তা

নিউজ ডেস্কঃ-আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও সেনাবাহিনীর বিভিন্ন সংস্থার নামে ভুয়া (Fake) ওয়েবসাইট, ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, ইউটিউব চ্যানেল ব্যবহার করে মিথ্যা তথ্য ও প্রোপাগান্ডা প্রচারের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চলছে।

আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) ওয়েবসাইটে আজ রোববার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অফিশিয়াল ওয়েবসাইটের নাম: Bangladesh Army, লিংক: https://www.army.mil.bd এবং Join Bangladesh Army লিংক: https://joinbangladesharmy.army.mil.bd। সেনাবাহিনীর ফেসবুক পেজের নাম: Bangladesh Army, লিংক: https://www.facebook.com/bdarmy.army.mil.bd ও ইউটিউব চ্যানেলের নাম: Bangladesh Army, লিংক: https://www.youtube.com/channel/UCpkg5 RjtYqjRbxwL9 Gf5 Tfw। এগুলো ব্যতীত অন্যান্য সকল ভুয়া (Fake) ওয়েবসাইট/ফেসবুক পেজ/ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য ও প্রোপাগান্ডার ব্যাপারে জনসাধারণকে সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ করা হলো।

একই সঙ্গে সর্বসাধারণকে সেনাবাহিনী সম্পর্কে ভুয়া তথ্য সংবলিত পোস্ট শেয়ার করা থেকে বিরত থাকার জন্যও অনুরোধ করা হলো।

কিছু মানুষ না জেনেই শান্তিচুক্তির বিরোধীতা করছে-লে: কর্ণেল সাইফ শামীম

নিউজ ডেস্কঃ-পাহাড়ে যত উন্নয়ন হবে তত সাম্প্রদায়িক ভেদাভেদ কমে যাবে। শান্তি চুক্তির সম্পর্কে না জেনেই কিছু মানুষ বিরোধীতা করছে। দূর ঐ পাহাড়ের জুম চাষ করা মানুষটি ২১ বছর আগেও জুম চাষ করত এখনও করে। তাদের ভাগ্য ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের কথা বলে যে সব লোক পাহাড়ে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম করে তাদের ঠিকই পরিবর্তন হয়েছে। তাই নিজের স্বার্থ চেয়েও জাতির স্বার্থকে বড় করে দেখতে হবে। এই কতিপয় লোকই পাহাড়ে মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল তৈরিতে বাধা দিয়েছিল।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় পাহাড়ের মানুষের বিপদে পাশে ছিল এবং থাকবে। ভাল কাজ করেও আমাদের গায়ে কালিমা লাগানো হয়, তখন খারাপ লাগে। যতই বাধা আসুক বিপদগ্রস্থ পাহাড়ি বাঙ্গালী মানুষের পাশে থাকব আমরা। আলীকদম জোনের অধিনে কোন প্রকার বিশৃঙ্খলা ও চাঁদাবাজি আমি সহ্য করবনা। সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। অপরাধীদের কোন ধর্ম, বর্ণ ও গোত্র নেই। তাদের পরিচয় তারা সন্ত্রাসী। তাদের জন্য আমাদের বুলেট প্রস্তুত রয়েছে। আলীকদম সেনা জোনের আয়োজনে শান্তি চুক্তির ২১তম বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় এইসব কথা বলেন, জোন কমান্ডার লেঃ কর্ণেল মো. সাইফ শামীম (পিএসসি)। ২রা ডিসেম্বর ২০১৮ইং রোববার আলীকদম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিশাল এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বর্ণাঢ্য এই আলোচনা সভায় অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন, লামা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল, আলীকদম উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আবুল কালাম, লামা উপজেলা চেয়ারম্যান থোয়াইনু অং চৌধুরী, লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর এ জান্নাত রুমি, আলীকদম উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নাজিমুল হায়দার, লামা পৌরসভার মেয়র মো. জহিরুল ইসলাম, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কামাল উদ্দিন আহম্মেদ, লামা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আবু সালাম চৌধুরী, আলীকদম থানা অফিসার ইনচার্জ রফিক উল্লাহ, লামা থানা অফিসার ইনচার্জ অপ্পেলা রাজু নাহা, আলীকদম উপজেলা জেএসএস এর সভাপতি কাইনথপ মুরুং, আলীকদম সদর ইউপি চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন। লামা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান ও আলীকদম আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পাই নু সাং মার্মা অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন। এছাড়া সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকজন ও স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেয়।
সকাল ৯টায় বিশাল আনন্দ র‌্যালীর মধ্যদিয়ে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান শুরু হয়। এছাড়া ২১ বছর পূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভা, শীতবস্ত্র বিতরণ, বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান ও ঔষধ বিতরণ, দুপুরে প্রীতিভোজ, বিকেলে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ও রাতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আলীকদম জোনের ২৩ বীর ইউনিট।
প্রসঙ্গত, ১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর তৎকালীন শান্তি বাহিনী নেতা জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা) ও সরকারের মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের দীর্ঘ দুই দশকের রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম বন্ধে একটি চুক্তি হয়। যেটি পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বা শান্তি চুক্তি নামে বেশী খ্যাতি পেয়েছে।

খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও উত্তরাধিকারীদের সেনা প্রধানের সংবর্ধনা, যেকোন পরিস্থিতি মোকাবেলার অঙ্গীকার

নিউজ ডেস্কঃ- সশস্ত্র বাহিনী দিবস- ২০১৮ উপলক্ষে খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা সেনাসদস্য এবং ২০১৭-১৮ সালে শান্তিকালীন পদকপ্রাপ্ত সেনাসদস্যগণকে স্বাধীনতাযুদ্ধে অবদানের জন্য সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে।

২২ নভেম্বর সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, বিজিবিএম, পিবিজিএম, বিজিবিএমএস, পিএসসি, জি’র পক্ষ থেকে এ সংবর্ধনা ও পদক প্রদান করা হয়।

এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর ৩ জন বীরশ্রেষ্ঠের নিকটাত্মীয়, ৩ জন বীর উত্তম, ১৪ জন বীর বিক্রম ও ২৭ জন বীরপ্রতীক সেনাসদস্যের (সর্বমোট ৪৭ জন) সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে প্রথমবারের মতো ২০১৭-২০১৮ সালে শান্তিকালীন সময়ে বিভিন্ন প্রশংসনীয় ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ৯ জন ‘অসামান্য সেবা পদক’এবং ১৯ জন ‘বিশিষ্ট সেবা পদক’(বিএসপি) প্রাপ্ত সেনাসদস্যকে সেনাবাহিনী প্রধান পদকে ভূষিত করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে খেতাবপ্রাপ্ত সেনাসদস্যদের মহান মুক্তিযুদ্ধকালীন বীরত্বগাঁথা এবং শান্তিকালীন পদক প্রাপ্তদের প্রশংসনীয় কর্মকাণ্ডের সারসংক্ষেপ তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ তার বক্তব্যে বলেন, দেশের প্রয়োজনে সেনাবাহিনী যেকোন পরিস্থিতিতে কাজ করতে প্রস্তুত। সেনাবাহিনী আজ তার নিজস্ব প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং বিভিন্ন আর্থসামাজিক ও জাতিগঠনমূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে সরকার ও প্রশাসনকে সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে। দেশের যেকোন প্রয়োজনে সাড়া দিয়ে জনগণের সঙ্গে একাত্ম হয়ে দেশের উন্নয়নে কাজ করতে সেনাবাহিনী সদাপ্রস্তুত। দেশের অখণ্ডতা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার আদর্শিক প্রেরণায় সেনাবাহিনীর সব সদস্য তাদের অর্পিত দায়িত্ব নিরলসভাবে পালন করে চলেছে।

ঢাকা সেনানিবাসস্থ ‘আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে’সংবর্ধনা ও পদক প্রদানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত ঊর্ধ্বতন সেনাকর্মকর্তারা।

সদা জাগ্রত সশস্ত্র বাহিনী

নিউজ ডেস্কঃ-একটি সার্বভৌম দেশের কাঠামোর অন্যতম অঙ্গ সেই দেশের সামরিক বাহিনী বা প্রতিরক্ষা খাত। বর্তমানে আধুনিক রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতার প্রতীক হিসেবে সামরিক বাহিনী বা প্রতিরক্ষা খাতকে বিবেচনা করা হয়। বিশ্ব মানচিত্রে অনেক দেশ আছে যারা তাদের শক্তিশালী, আধুনিক প্রতিরক্ষা বাহিনীর জন্য অনন্য ভূমিকায় পদার্পণ করেছে। অপরদিকে আরো কিছু দেশ আছে সেই দেশের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সামরিক বাহিনীর বহিঃশত্রুর আক্রমণ মোকাবিলা করতে হয়নি। এজন্য থেমে থাকেনি সেই দেশের সামরিক বাহিনীর উন্নয়ন আধুনিক যুগের সাথে তাল মিলিয়ে, অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র, যুদ্ধ জাহাজ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে সেই দেশের সামরিক খাতে।

বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীরও রয়েছে সুনাম। সেই সুনাম বিশ্বের প্রতিটি কোণে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য নেয়া হয়েছে বিভিন্ন পদক্ষেপ, সংযুক্ত করা হয়েছে সামরিক বাহিনীর ( সেনা, নৌ ও বিমান) সদস্যদের বিভিন্ন সুবিধা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের স্বপ্নের হাত ধরে এগিয়ে চলছে দেশের সামরিক খাতের উন্নয়ন। দেশের সামরিক খাত যেন আধুনিক উন্নত ভাবে সাজানো হয় এজন্য সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল দেশের সামরিক খাতে। দেশের স্থল, নৌ ও আকাশ পথ সর্বদা শত্রুমুক্ত রাখার জন্য সর্বদা সজাগ আছে দেশের সেনা, বিমান ও নৌবাহিনী।

বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার বঙ্গোপসাগর উপকূল বেষ্টিত দেশ হওয়ায় সমুদ্রপথ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারত ও মিয়ানমার থেকে সমুদ্র সীমা সঠিক ভাবে নির্ধারিত হওয়ার পর বিশাল সামুদ্রিক অঞ্চলের অধিকারী এই দেশ। সেই সাথে সমুদ্রের প্রাকৃতিক সম্পদেরও মালিকানা বাংলাদেশের। দেশের সমুদ্র সীমার ভিতর কোনো বহিঃশত্রুর অনুপ্রবেশ যাতে ঘটে এজন্য রয়েছে চৌকস নৌবাহিনী। দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ও দুঃসাহসী অবদান রেখেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।

দেশের দুঃসময়ে যোগ্য সন্তানের মতো ঝাঁপিয়ে পড়েছে সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্য। শুধু তাই নয় দেশের আধুনিক উন্নয়নেও রেখেছে তারা অবদান। দেশের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে তাদের তত্ত্বাবধানে। বিশেষ পরিস্থিতিতে দেশকে এবং দেশের মানুষকে নিরাপত্তার সাথে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার ক্ষমতা রয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর। দেশের দামাল ছেলেদের নিয়ে গড়া বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর অবদানে বাংলার আকাশও নিরাপদ।

সম্প্রতি সেনাবাহিনীতে তিনটি পদাতিক ডিভিশন, নৌবাহিনীতে দুইটি সাবমেরিন সংযোজনের মাধ্যমে সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন করা হয়েছে। বর্তমান সরকারের তত্ত্বাবধানে সশস্ত্র বাহিনীতে যুক্ত হয়েছে আধুনিক সমরাস্ত্র যা আধুনিক বাহিনী গঠনে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। জাতিসংঘ মিশন কার্যক্রমে বাংলাদেশ ট্রুপ্স কন্ট্রিবিউটিং দেশ হিসেবে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে। ২০১৫- ২০১৬ ও ২০১৬- ২০১৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন হতে যথাক্রমে ১৫০ মিলিয়ন ও ২০৫ মিলিয়ন ডলার আয় করে।

সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় ও আধুনিক সুযোগ সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে দেশে গড়ে উঠছে অত্যাধুনিক সশস্ত্র বাহিনী। এজন্য বিশ্বে আজ দেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীর নাম সমাদৃত।