আজকে ২৪ এপ্রিল, ২০১৯ | | সময়ঃ-০৬:৩৮ অপরাহ্ন    

Home » পার্বত্য রাজনীতি

পার্বত্য রাজনীতি

বান্দরবানে আওয়ামীলীগকে সমর্থন করায় সাবেক জেএসএস নেতাকে গুলি করেছে জেএসএস!

নিউজ ডেস্কঃ-  বান্দরবান সদর উপজেলার রাজবিলা ইউনিয়নে জেএসএস সন্তু গ্রুপের সন্ত্রাসীরা সাবেক নেতা অংক্য চিং মারমা (৫০) কে মাথায় গুলি করেছে।গত রবিবার ১৪ এপ্রিল রাত ১১ টার দিকে রাজবিলা এলাকায় তার নিজ বাসায় এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয়রা জানান,গুলিবিদ্ধ অংক্য চিং মারমা রাজবিলা ইউনিয়নে জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) এর সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।তিনি আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল জনসংহতি সমিতি (জেএসএস-মুল) এর রাজনীতি থেকে বের হয়ে আওয়ামীলীগকে সমর্থন করায় জেএসএস মূলত তার উপর গুলিবর্ষণ করেছে।ঘটনার পর থেকে এলাকায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।গুলিবিদ্ধ নেতার ছেলে বাবুল মারমা বলেন, কে বা কারা আমার বাবাকে বাসায় এসে গুলি করেছে তা বলতে পারি না। আমার বাবার মাথায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার কারণে প্রচুর রক্ত গেছে,বর্তমানে সংকটময় অবস্থায় মেডিকেলে আছেন।
বান্দরবানের পুলিশ সুপার জাকির হোসেন মজুমদার বলেন, রাতে কে বা কারা অংক্যচিং মারমাকে তার ঘরে গুলি করে। ঘটনার পর সেখানে রাজবিলা ক্যাম্প থেকে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। কি কারণে এ ঘটনা ঘটলো তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এদিকে উক্ত ঘটনায় জেএসএস কে দায়ী করায় বিবৃতি দিয়েছে জেএসএস এর বান্দরবান জেলা সাধারণ সম্পাদক ক্য বা মং মার্মা।বিবৃতি তে তিনি এমন অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবী করেছেন।

 

বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ছাত্র-যুব ফ্রন্টের বান্দরবান জেলার আংশিক কমিটি ঘোষণা

বান্দরবান অফিসঃ- বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ছাত্র-যুব ফ্রন্ট এর বান্দরবান জেলার আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।গতকাল শুক্রবার (৫ এপ্রিল) ফ্রন্ট এর কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি জয়দেব করায় জয় ও সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ ভদ্র সাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানা যায়।আংশিক কমিটিতে বান্দরবান জেলার সভাপতি করা হয়েছে পৌর ছাত্রদলের সভাপতি উমংচিং মার্মা কে এবং জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিঠুন দাশ কে আংশিক এই জেলা ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা হয়।এছাড়াও আংশিক কমিটি তে রুবেল মহাজনকে সিনিয়র সহসভাপতি,রেংচং ম্রো যুগ্ম সম্পাদক,সুমন ত্রিপুরা সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।এবিষয়ে সদ্য সাধারণ সম্পাদক এর দায়িত্ব পাওয়া মিঠুন কান্তি দাশ বলেন,বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ ক্রিস্টান ছাত্র-যুব ফ্রন্টকে বান্দরবান জেলায় অধিকতর গতিশীল ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে সদ্য ঘোষিত কমিটি তে থাকা আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করবো।

অশান্ত হয়ে উঠছে পার্বত্যাঞ্চল,খুনোখুনিতে ব্যবহার হচ্ছে অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র

বান্দরবান অফিসঃ-পার্বত্যাঞ্চলে খুনোখুনিতে ব্যবহৃত হচ্ছে অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র। এসএমজি, একে-৪৭ রাইফেল, এম-১৬ ও এম-৪ এর মতো অস্ত্র ব্যবহার করছে পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা। স্থানীয় সূত্র ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলেছে, বিবদমান প্রতিটি সশস্ত্র গ্রুপের কাছেই রয়েছে ভারী আগ্নেয়াস্ত্র। গত ১৮ মার্চ রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে নির্বাচনী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর যে আক্রমণ হয়েছে, সেখানেও ভারী অস্ত্র ব্যবহার হয়েছে।ফলে অশান্ত হয়ে উঠছে পার্বত্যাঞ্চল।একটি সূত্র বলেছে,১৮ মার্চের আক্রমণস্থল থেকে এসএমজি ও একে-৪৭ রাইফেলের গুলির খোসা উদ্ধার হয়েছে।সেখান থেকে বিপুল ব্যবহৃত গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়। সন্ত্রাসীরা ওই অস্ত্র ব্যবহার করেছে সেখানে।১৮ মার্চ সন্ধ্যায় ভোট গণনা শেষে বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক বাঘাইহাট থেকে দীঘিনালা ফেরার পথে ৯ কিলোমিটার এলাকায় ব্রাশফায়ারে নিহত হন একজন প্রিজাইডিং অফিসারসহ মোট সাতজন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরো একজন মারা যান।ঘটনায় আরো ১৬ জন গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আছেন।স্থানীয় সূত্র জানায়,বাঘাইছড়ি সাজেকের কংলাক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে ভোট গননা শেষে ওই কেন্দ্রে দায়িত্বরতরা ভোট বাক্স নিয়ে উপজেলা পরিষদে ফিরছিলেন।এ সময় নির্বাচনী কাজে দায়িত্বরতদের বহনকারী চারটি গাড়ি ছিল।প্রথম গাড়িতে বিজিবি সদস্যরা ছিলেন ওই গাড়িগুলোকে নিরাপদে নেয়ার জন্য।দুর্বৃত্তরা পেছনের গাড়িটিতে হামলা চালায়।এতে হতাহতের ঘটনা ঘটে।তদন্ত কমিটির এক সদস্য বলেছেন,এই ঘটনায় ভারী অস্ত্র ব্যবহৃত হয়েছে।তদন্ত কমিটির প্রধান দীপক চক্রবর্তী গতকাল সাংবাদিকদের বলেছেন,ঘটনাটি ছিল একেবারেই পরিকল্পিত।যতদূর ধারণা,আগে থেকেই ভারী অস্ত্র নিয়ে ওঁৎ পেতে প্রস্তুত ছিল হামলাকারীরা।একটি সূত্র বলেছে,ঘটনাস্থল থেকে এসএমজি ও একে-৪৭ রাইফেলের গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।তবে রাঙ্গামাটির এসপি নয়া দিগন্তকে বলেন,ব্যালাস্টিক পরীক্ষা ছাড়া বলা যাবে না ওগুলো কোন আগ্নেয়াস্ত্রের গুলি।তিনি বলেন,তিনি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন।আলামত উদ্ধারের সময় তিনিও ছিলেন।তবে পরীক্ষা ছাড়া বলা ঠিক হবে না ওগুলো কিসের গুলি।তিনি বলেন,পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসছে।গত বছর পাহাড়ি অঞ্চলে সশস্ত্র গ্রুপগুলোর মধ্যে হানাহানিতে অন্তত অর্ধশত নিহত হয়েছে।এর মধ্যে বেশকিছু চাঞ্চল্যকর খুনের ঘটনা ঘটেছে।গত বছরের ১৯ আগস্ট খাগড়াছড়ি জেলা সদরের স্বনির্ভর বাজার এলাকায় ইউপিডিএফ সমর্থিত পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ পিসিপির সভাপতিসহ নিহত হয় সাতজন।নিহতরা হলেনÑ পিসিপির জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তপন চাকমা,সহসাধারণ সম্পাদক এলটন চাকমা, পলাশ চাকমা,রূপক চাকমা,বরুণ চাকমা,জীতায়ন চাকমা। এর আগে ১৩ জুলাই খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা চেয়ারম্যান চঞ্চুমনি চাকমা দুর্বৃত্তদের হামলায় গুরুতর আহত হন।একই দিনে খাগড়াছড়ির আলুটিলায় প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহত ইউপিডিএফ কর্মী জ্ঞানেন্দু চাকমা লাশ নিতে এসে তারই ছোট ভাই কালায়ন চাকমাকে (২২) অপহরণ করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।আগের দিন জ্ঞানেন্দু চাকমা নিহত হন। এই ঘটনায় জেএসএস সংস্কারকে দায়ী করে ইউপিডিএফ।গত ৩ মে রাঙ্গামাটির নানিয়ারচর উপজেলা চেয়ারম্যান শক্তি চাকমাকে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।ওই ঘটনার পর অনেকেই আশঙ্কা করেছিলেন বড় ধরনের সহিংস ঘটনার।অ্যাডভোকেট শক্তিমান চাকমা ২০১০ সালে সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি থেকে বেরিয়ে গিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (এম এন লারমা) নামে গঠিত নতুন দলে যোগ দেন।সংস্কারপন্থী এই নেতা ছিলেন ওই সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি।ওই আশঙ্কা ঠিকই এক দিন পর প্রমাণিত হয়।পরদিন ৪ মে শক্তিমান চাকমার দাহক্রিয়ায় অংশ নিতে গিয়ে পথে সশস্ত্র হামলায় নিহত হন ইউপিডিএফের (গণতান্ত্রিক) প্রধান তপন জ্যোতি চাকমা বর্মা,একই দলের নেতা সুজন চাকমা,সেতুলাল চাকমা ও টনক চাকমা। তাদের বাঙালি গাড়িচালক সজীবও নিহত হন।ওই ঘটনার মাস তিনেক আগে নিহত হয়েছে ইউপিডিএফের ছাত্র সংগঠন পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সাবেক সভাপতি মিঠুন চাকমা। মিঠুন হত্যার কয়েকদিন আগে ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক নামে দলটির আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল।মিঠুন ওই দলে যোগ দিয়েছিলেন।গত ৩ জানুয়ারি কোর্টে হাজিরা শেষে বাড়িতে গেলে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়,এর প্রতিটি ঘটনায়ই ভারী অস্ত্র ব্যবহৃত হয়েছে।গোপনে এই আগ্নেয়াস্ত্র সংগ্রহ করছে পাহাড়ি সন্ত্রাসী গ্রুপগুলো।নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর হামলার ঘটনায় প্রাথমিকভাবে জেএসএস সন্তু গ্রুপকে সন্দেহ করা হয়েছে।তাদেরকে সহায়তার অভিযোগ উঠেছে ইউপিডিএফ প্রসীত গ্রুপের বিরুদ্ধে।সরাসরি দায়ী করা হচ্ছে বাঘাইছড়ি উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান জেএসএস সন্তু গ্রুপের নেতা বড় ঋষি চাকমাকে।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়,পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের কাছে এসএমজি,একে-৪৭ রাইফেল,এম-১৬ এবং এম-৪ এর মতো আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে।প্রতি বছর যৌথ বাহিনী এসব সন্ত্রাসী ও তাদের আস্তানা থেকে বিপুল অস্ত্র উদ্ধার করলেও তাদের অস্ত্র ভাণ্ডার কমছে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্র জানায়,২০১৭ সালে পাহাড়ি সশস্ত্র গ্রুপগুলোর কাছ থেকে ১২০ টি, ২০১৮ সালে ১৩০টি এবং চলতি বছরের প্রথম দু’মাসে ২০টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।এক দিকে অস্ত্র উদ্ধার হচ্ছে অপর দিকে অস্ত্রের মজুদ গড়ে তুলছে পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা।

তথ্য সুত্রঃ-আবু সালেহ আকন,দৈনিক নয়াদিগন্ত।

রাঙামাটিতে হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে বান্দরবান আওয়ামীলীগের বিক্ষোভ সমাবেশ

নিউজ ডেস্কঃ- পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে ৭ জন নিহত ও বিলাইছড়ি উপজেলা আওয়াামী লীগের সভাপতি সুরেশ কুমার তংচঙ্গ্যার হত্যাকান্ডের প্রতিবাদ এবং হত্যাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বান্দরবানে প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে ।

বুধবার বিকালে বান্দরবান জেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে এই প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয। বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বঙ্গবন্ধু মুক্তমঞ্চে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে আওয়ামীলীগ নেতাকর্মী ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত হয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ করেন।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা রাঙামাটিতে হত্যাকান্ডের ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তার সাথে সাথে অবিলম্বে এ ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় এনে কঠোর সাজা প্রদানের জোর দাবি জানান।

লামার কিংবদন্তী নেতা আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল আর নেই

নিউজ ডেস্কঃ- লামা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও বিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল আর নেই (ইন্নানিল্লাহি …. রাজিউন)। শুক্রবার (১৫ ফেব্রুয়ারী) রাত সাড়ে ৮টায় লামা বাজারস্থ জেলা পরিষদ গেস্ট হাউজের ২য় তলায় আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে প্রস্তুতিমূলক মিটিংয়ে তিনি স্ট্রোক করেন। এসময় দ্রুত তাকে লামা হাসপাতালে জরুরী বিভাগে ভর্তি করা হয়। অবস্থার আরো অবনতি হলে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম নেয়ার পথে কক্সবাজারের চকরিয়ায় জমমজম হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

এদিকে আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল এর মৃত্যু খবর ছড়িয়ে পড়লে বান্দরবান, কক্সবাজার জেলা সহ সমগ্র এলাকায় শোকে ছায়া নেমে আসে। সকল শ্রেণীর মানুষ প্রিয় নেতার শেষ মুখখানি একবার দেখতে তার লামা বাজারের নয়াপাড়াস্থ তার বাড়িতে ভিড় জমায়। লামা উপজেলার অন্যতম অভিভাবক এর মৃত্যুতে দলীয় নেতাকর্মীরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।

বান্দরবান আওয়ামীলীগ পরিবারের অন্যতম সংগঠক আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল এর মৃত্যুর সংবাদ শুনে পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি ও বান্দরবান জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা শোক প্রকাশ করেছেন। শনিবার (১৬ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে পারিবারিক করবস্থানে মরহুমের জানাযা নামাজ সম্পন্ন হওয়া কথা রয়েছে। জানাযা নামাজে পার্বত্য মন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন বলে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বাথোয়াইচিং মার্মা নিশ্চিত করেছেন।

আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল ১৯৯২ সালে প্রথমবারের মত লামা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তারপর ২০০২ সালে লামা পৌরসভার ১ম পরিষদের প্রথম মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি ২০০৮ সালে ৩য় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে লামা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এছাড়া লামা উপজেলায় অসংখ্য স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ, মন্দির, ক্যাং, গির্জা ও প্রতিষ্ঠান তিনি নির্মাণ করেন। সমগ্র লামা উপজেলায় তার উন্নয়নের চিহ্ন রয়েছে। সর্বজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল কে লামাবাসি একজন অভিভাবক হারিয়েছে।

উপজেলা নির্বাচনে দলের মনোনীত প্রার্থীর বিজয় সুনিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে- ক্য শৈ হ্লা

নিউজ ডেস্কঃ-বান্দরবান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ক্য শৈ হ্লা বলেছেন ,আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে দলের মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারা দেশে আওয়ামী লীগের বিজয় যেমন হয়েছে সে ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে দলের সিন্ধান্তের প্রতি মেনে নিয়ে এক যোগে কাজ করুন ।

১১ ফেব্রুয়ারী সোমবার থানছি উপজেলা সফরকালে স্থানীয় আওয়ামী লীগের আয়োজিত মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তথা বর্তমান সরকারের প্রতিশ্রুতি, প্রতি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, গ্রামকে শহর ও প্রতি ঘর থেকে একজন করে চাকুরীর ব্যবস্থা করতে কাজ করছে সরকার। সরকারের হাতকে শক্তিশালী করতে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মংথোয়াইম্যা রনি মারমার সভাপতিত্বে আয়োজিত মত বিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সদস্য থোয়াইহ্লামং মারমা, রেমাক্রী চেয়ারম্যান মুইশৈথুই মারমা, তিন্দু চেয়ারম্যান মংপ্রুঅং মারমা, থানছি প্রেসক্লাবের সভাপতি ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল আলোকিত পর্বত এর সম্পাদক অনুপম মারমা, সিনিয়র সভাপতি স্বপন কুমার বিশ^াস, সহ-সভাপতি উবামং মারমা, জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য অংপ্রু ¤্রাে, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা ভাইসচেয়ারম্যান অলসেন ত্রিপুরা, মোহাম্মদ মোহসিন মিঞা, সাবেক রেমাক্রী চেয়ারম্যান মালিরাং ত্রিপুরা, কৃষক লীগের সবাপতি শৈসাচিং মারমা, যুব লীগের সভাপতি সচিন ত্রিপুরা, মহিলা আঃ লীগের সভানেত্রী ডলিচিং মারমা প্রমূখ ।

এর আগে সকাল ১০টায় থানছি কলেজের একাডেমি ভবন নির্মাণে কলেজ পরিচালণা পর্ষদের সাথে ভূমি মালিকের মধ্যে চলা দীর্ঘদিনের বিরোধ নিষ্পতি করে দেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা।

খালেদা জিয়াকে নি:শর্ত মুক্তির দাবী জানিয়ে বান্দরবানে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

নিউজ ডেস্কঃ-বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে নি:শর্ত মুক্তির দাবী জানিয়ে বান্দরবানে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বিএনপি।

শনিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সাবেক সাংসদ রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরীর নির্দেশে এই বিক্ষোভ করে বিএনপি নেতৃবৃন্দ।

জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি অধ্যাপক মো. ওসমান গণির নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে চৌধুরী মার্কেটস্থ দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে প্রতিবাদ সভায় মিলিত হয়।

বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি নেতা নাছির চৌধুরী, সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য লুসাই মং, জেলা যুবদল সাধারণ সম্পাদক শিমুল দাশ, যুবদল নেতা আবু বক্তর, ছাত্রদল নেতা আলাউদ্দিন আলো প্রমুখ।

সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পেলেন বাসন্তী চাকমা

বান্দরবান অফিসঃ- একাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার (৮ ফেব্রুয়ারি) গণভবনে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে দলের সংসদীয় বোর্ড ও স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের যৌথ সভা শেষে নাম ঘোষণা করা হয়।

রাত সাড়ে ১০টার দিকে গণভবন থেকে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যের জন্য একযোগে ৪১ জনের নাম ঘোষণা করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রাপ্ত আসন ৪৩টি। সেই হিসাবে এখনও দুটি আসনের মনোনয়ন বাকি রয়েছে।

শুক্রবার রাতে মনোনয়নপ্রাপ্ত যাদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে তারা হলেন— কুমিল্লার আঞ্জুম সুলতানা, সুলতানা নাদিরা-বরগুনা, হোসনে আরা-জামালপুর, রুমানা আলী-গাজীপুর, উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম-ব্রাহ্মণবাড়িয়া, হাবিবা রহমান খান (শেফালি)-নেত্রকোনা, শেখ এ্যানি রহমান-পিরোজপুর, অপরাজিতা হক-টাঙ্গাইল, শামীমা আক্তার খানম-সুনামগঞ্জ, শামসুন্নাহার ভূঁইয়া-গাজীপুর, ফজিলাতুন নেসা-মুন্সীগঞ্জ, রাবেয়া আলীম-নীলফামারী, তামান্না নুসরাত বুবলী-নরসিংদী, নার্গিস রহমান-গোপালগঞ্জ, মনিরা সুলতানা-ময়মনসিংহ, নাহিদ ইজহার খান-ঢাকা, মোসাম্মৎ খালেদা খানম-ঝিনাইদহ, সৈয়দা রুবিনা মিরা-বরিশাল, ওয়াসিকা আয়েশা খান-চট্টগ্রাম, কাজী কানিজ সুলতানা-পটুয়াখালী, অ্যাডভোকেট গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার-খুলনা, সুবর্ণা মুস্তাফা-ঢাকা, জাকিয়া তাবাসসুম-দিনাজপুর, ফরিদা খানম (সাকী) নোয়াখালী, বাসন্তী চাকমা-খাগড়াছড়ি, কানিজ ফাতেমা আহমেদ- কক্সবাজার, রুশেমা বেগম-ফরিদপুর, সৈয়দা রাশিদা বেগম-কুষ্টিয়া, সৈয়দা জোহরা আলাউদ্দিন-মৌলভীবাজার, আদিবা আনজুম মিতা-রাজশাহী, আরমা দত্ত-কুমিল্লা, শিরিনা নাহার-খুলনা, ফেরদৌসী ইসলাম জেসী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পারভীন হক সিকদার-শরীয়তপুর, খাদেজা নুসরাত-রাজবাড়ী, শবনম জাহান শিলা-ঢাকা, খাদিজাতুল আনোয়ার-চট্টগ্রাম, জাকিয়া পারভীন খানম-নেত্রকোনা, তাহমিনা বেগম-মাদারীপুর, শিরীন আহমেদ-ঢাকা এবং জিন্নাতুল বাকিয়া-ঢাকা।
এর আগে ২০১৪ সনে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেয়েছিলেন রাঙামাটির ফিরোজা বেগম চিনু। এবার পেলেন খাগড়াছড়ি বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট-এর ট্রাস্টি ও মহিলা আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য বাসন্তি চাকমা। ১৯৯১ সনের পর এবার প্রথমবারের মত সংরক্ষিত নারী আসনে খাগড়াছড়িবাসী এমপি পেতে যাচ্ছেন।

বান্দরবান সদর উপজেলা নির্বাচনে ফারুক আহমেদ ফাহিম কে ভাইস-চেয়ারম্যান মনোনয়নে জোর দাবি

মোহাম্মদ আলী,বান্দরবানঃ-আসন্ন উপজেলা নির্বাচণ উপলক্ষে বান্দরবান জেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময় সভায় সাবেক বিপ্লবী ছাত্র নেতা ও বর্তমানে পৌর সেচ্ছাসেবক লীগের সংগ্রামী সাধারণসম্পাদ এবং পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুরের আস্থাভাজন ¯েœময় তরুণ স্বচ্ছ রাজনীতিবিদ ফারুক আহামেদ ফাহিম কে সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মনোনয়নের জোর দাবি জানানো হয়। উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা।এতে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মোহাম্মদ ইসলাম বেবী। এছাড়াও আওয়ামী লীগের অংগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।সভায় চেয়ারম্যান পদে তিন জনের নাম আলোচনায় আসে উনারা হলেন-যথাক্রমে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি একে.এম জাহাঙ্গীর,সাংগঠনিক সম্পাদক অজিৎ কান্তি দাশ ও বর্তমান সদও উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান মোঃ জামাল উদ্দীন চৌধুরী।ভাইস চেয়ারম্যান পদেও যাদেও নাম প্রস্তাব করা হয় উনারা হলেন পৌর সেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহামেদ ফাহিম,জেলা কৃষক লীগের সভাপতি প্রজ্ঞাসর বড়–য়া পাপন,যুবলীগ নেতা আজম খান। মতবিনিময় সভা শেষে এক কর্মী প্রতিবেদককে জানান, তরুন ছাত্র নেতা যার নেতৃত্বে হাজার হাজার ছাত্রলীগ,যুবলীগ,সেচ্ছাসেবকলীগ আজ ঐক্যবদ্ধ তিনি হলেন তারুণ্যেও অহংকার ফারুক আহমেদ ফাহিম।ফারুক আহমেদ ফাহিম একান্ত সাক্ষাৎকারে প্রতিবেদক কে জানান-আসন্ন সদর উপজেলা নির্বাচনে আমি ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী,আমি নির্বাচনে বিজয়ী হলে বান্দরবান সদর উপজেলার বসবাসরত ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে ও কল্যাণে কাজ করে যাবো। আমি বিজয়ী হয়ে আধুনিক বান্দরবানের রূপকার পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি’র মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে ও ভিশন-২০৪১ সাল বাস্তবায়নে অগ্রিনী ভূমিকা রাখবো ইনশাআল্লাহ। আমি সকলের দোয়া ও আর্শিবাদ প্রার্থী।

বান্দরবান উপজেলা নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী ‘জামাল উদ্দিন চৌধুরী’

নিউজ ডেস্কঃ- বান্দরবান উপজেলা নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী বর্তমান উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন চৌধুরী।সূত্রে জানা যায়, এবারে নির্বাচন হবে দলীয় প্রতীকে। ইতিমধ্যে মনোনয়ন প্রত্যাশী নেতারা লবিং শুরু করেছেন।বর্তমান সদর উপজেলার ভাইস-চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন চৌধুরী, গত উপজেলা নির্বাচনে দলিয় মনোনয়নে বান্দরবান জেলার সাত উপজেলার মধ্যে বিপুল ভোটে নির্বাচিত একমাত্র উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান।এবারও জামাল উদ্দিন চৌধুরী নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।তিনি গত উপজেলা নির্বাচনে,ভাইস-চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে বান্দরবান সদর উপজেলার ৫ টি ইউনিয়ন ও ১ টি পৌরসভায় সরকার এর প্রদত্ত ব্যাপক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেন।তিনি বান্দরবান পৌর যুবলীগ সভাপতি এবং বান্দরবান জেলা যুবলীগ-সাধারণ সম্পাদক হিসাবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। সুখ-দুঃখে জনগণের পাশে থাকায় উপজেলায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, উন্নয়নের জন্য উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানকেও বেছে নিতে চাই। সেদিক থেকে জামাল উদ্দিন চৌধুরী কথা উল্লেখ করেন ওই নেতাকর্মীরা।সাধারণ জনগণ জানান, বর্তমান উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন চৌধুরী জনগণের সুখ-দুঃখে সবসময় পাশে আছেন। তিনি উপজেলা পরিষদে আওয়ামীলীগ দলীয় প্রতীক নৌকা নিয়ে নির্বাচন করলে জনগণ তাকে ভোট দিবে ।উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ করছি, এলাকাবাসী ব্যাপক সাড়া দিচ্ছে। দলের নীতিনির্ধারকরা যদি আমাকে দলীয় মনোনয়ন দেন তাহলে বিপুল ভোটে আমি জয়লাভ করবো।