আজকে ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯ | | সময়ঃ-১২:১০ অপরাহ্ন    

Home » পার্বত্য রাজনীতি

পার্বত্য রাজনীতি

লামার কিংবদন্তী নেতা আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল আর নেই

নিউজ ডেস্কঃ- লামা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও বিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল আর নেই (ইন্নানিল্লাহি …. রাজিউন)। শুক্রবার (১৫ ফেব্রুয়ারী) রাত সাড়ে ৮টায় লামা বাজারস্থ জেলা পরিষদ গেস্ট হাউজের ২য় তলায় আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে প্রস্তুতিমূলক মিটিংয়ে তিনি স্ট্রোক করেন। এসময় দ্রুত তাকে লামা হাসপাতালে জরুরী বিভাগে ভর্তি করা হয়। অবস্থার আরো অবনতি হলে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম নেয়ার পথে কক্সবাজারের চকরিয়ায় জমমজম হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

এদিকে আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল এর মৃত্যু খবর ছড়িয়ে পড়লে বান্দরবান, কক্সবাজার জেলা সহ সমগ্র এলাকায় শোকে ছায়া নেমে আসে। সকল শ্রেণীর মানুষ প্রিয় নেতার শেষ মুখখানি একবার দেখতে তার লামা বাজারের নয়াপাড়াস্থ তার বাড়িতে ভিড় জমায়। লামা উপজেলার অন্যতম অভিভাবক এর মৃত্যুতে দলীয় নেতাকর্মীরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।

বান্দরবান আওয়ামীলীগ পরিবারের অন্যতম সংগঠক আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল এর মৃত্যুর সংবাদ শুনে পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি ও বান্দরবান জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা শোক প্রকাশ করেছেন। শনিবার (১৬ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে পারিবারিক করবস্থানে মরহুমের জানাযা নামাজ সম্পন্ন হওয়া কথা রয়েছে। জানাযা নামাজে পার্বত্য মন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন বলে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বাথোয়াইচিং মার্মা নিশ্চিত করেছেন।

আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল ১৯৯২ সালে প্রথমবারের মত লামা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তারপর ২০০২ সালে লামা পৌরসভার ১ম পরিষদের প্রথম মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি ২০০৮ সালে ৩য় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে লামা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এছাড়া লামা উপজেলায় অসংখ্য স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ, মন্দির, ক্যাং, গির্জা ও প্রতিষ্ঠান তিনি নির্মাণ করেন। সমগ্র লামা উপজেলায় তার উন্নয়নের চিহ্ন রয়েছে। সর্বজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল কে লামাবাসি একজন অভিভাবক হারিয়েছে।

উপজেলা নির্বাচনে দলের মনোনীত প্রার্থীর বিজয় সুনিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে- ক্য শৈ হ্লা

নিউজ ডেস্কঃ- বান্দরবান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ক্য শৈ হ্লা বলেছেন ,আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে দলের মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারা দেশে আওয়ামী লীগের বিজয় যেমন হয়েছে সে ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে দলের সিন্ধান্তের প্রতি মেনে নিয়ে এক যোগে কাজ করুন ।

১১ ফেব্রুয়ারী সোমবার থানছি উপজেলা সফরকালে স্থানীয় আওয়ামী লীগের আয়োজিত মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তথা বর্তমান সরকারের প্রতিশ্রুতি, প্রতি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, গ্রামকে শহর ও প্রতি ঘর থেকে একজন করে চাকুরীর ব্যবস্থা করতে কাজ করছে সরকার। সরকারের হাতকে শক্তিশালী করতে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মংথোয়াইম্যা রনি মারমার সভাপতিত্বে আয়োজিত মত বিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সদস্য থোয়াইহ্লামং মারমা, রেমাক্রী চেয়ারম্যান মুইশৈথুই মারমা, তিন্দু চেয়ারম্যান মংপ্রুঅং মারমা, থানছি প্রেসক্লাবের সভাপতি ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল আলোকিত পর্বত এর সম্পাদক অনুপম মারমা, সিনিয়র সভাপতি স্বপন কুমার বিশ^াস, সহ-সভাপতি উবামং মারমা, জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য অংপ্রু ¤্রাে, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা ভাইসচেয়ারম্যান অলসেন ত্রিপুরা, মোহাম্মদ মোহসিন মিঞা, সাবেক রেমাক্রী চেয়ারম্যান মালিরাং ত্রিপুরা, কৃষক লীগের সবাপতি শৈসাচিং মারমা, যুব লীগের সভাপতি সচিন ত্রিপুরা, মহিলা আঃ লীগের সভানেত্রী ডলিচিং মারমা প্রমূখ ।

এর আগে সকাল ১০টায় থানছি কলেজের একাডেমি ভবন নির্মাণে কলেজ পরিচালণা পর্ষদের সাথে ভূমি মালিকের মধ্যে চলা দীর্ঘদিনের বিরোধ নিষ্পতি করে দেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা।

খালেদা জিয়াকে নি:শর্ত মুক্তির দাবী জানিয়ে বান্দরবানে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

নিউজ ডেস্কঃ- বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে নি:শর্ত মুক্তির দাবী জানিয়ে বান্দরবানে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বিএনপি।

শনিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সাবেক সাংসদ রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরীর নির্দেশে এই বিক্ষোভ করে বিএনপি নেতৃবৃন্দ।

জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি অধ্যাপক মো. ওসমান গণির নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে চৌধুরী মার্কেটস্থ দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে প্রতিবাদ সভায় মিলিত হয়।

বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি নেতা নাছির চৌধুরী, সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য লুসাই মং, জেলা যুবদল সাধারণ সম্পাদক শিমুল দাশ, যুবদল নেতা আবু বক্তর, ছাত্রদল নেতা আলাউদ্দিন আলো প্রমুখ।

সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পেলেন বাসন্তী চাকমা

বান্দরবান অফিসঃ-  একাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার (৮ ফেব্রুয়ারি) গণভবনে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে দলের সংসদীয় বোর্ড ও স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের যৌথ সভা শেষে নাম ঘোষণা করা হয়।

রাত সাড়ে ১০টার দিকে গণভবন থেকে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যের জন্য একযোগে ৪১ জনের নাম ঘোষণা করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রাপ্ত আসন ৪৩টি। সেই হিসাবে এখনও দুটি আসনের মনোনয়ন বাকি রয়েছে।

শুক্রবার রাতে মনোনয়নপ্রাপ্ত যাদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে তারা হলেন— কুমিল্লার আঞ্জুম সুলতানা, সুলতানা নাদিরা-বরগুনা, হোসনে আরা-জামালপুর, রুমানা আলী-গাজীপুর, উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম-ব্রাহ্মণবাড়িয়া, হাবিবা রহমান খান (শেফালি)-নেত্রকোনা, শেখ এ্যানি রহমান-পিরোজপুর, অপরাজিতা হক-টাঙ্গাইল, শামীমা আক্তার খানম-সুনামগঞ্জ, শামসুন্নাহার ভূঁইয়া-গাজীপুর, ফজিলাতুন নেসা-মুন্সীগঞ্জ, রাবেয়া আলীম-নীলফামারী, তামান্না নুসরাত বুবলী-নরসিংদী, নার্গিস রহমান-গোপালগঞ্জ, মনিরা সুলতানা-ময়মনসিংহ, নাহিদ ইজহার খান-ঢাকা, মোসাম্মৎ খালেদা খানম-ঝিনাইদহ, সৈয়দা রুবিনা মিরা-বরিশাল, ওয়াসিকা আয়েশা খান-চট্টগ্রাম, কাজী কানিজ সুলতানা-পটুয়াখালী, অ্যাডভোকেট গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার-খুলনা, সুবর্ণা মুস্তাফা-ঢাকা, জাকিয়া তাবাসসুম-দিনাজপুর, ফরিদা খানম (সাকী) নোয়াখালী, বাসন্তী চাকমা-খাগড়াছড়ি, কানিজ ফাতেমা আহমেদ- কক্সবাজার, রুশেমা বেগম-ফরিদপুর, সৈয়দা রাশিদা বেগম-কুষ্টিয়া, সৈয়দা জোহরা আলাউদ্দিন-মৌলভীবাজার, আদিবা আনজুম মিতা-রাজশাহী, আরমা দত্ত-কুমিল্লা, শিরিনা নাহার-খুলনা, ফেরদৌসী ইসলাম জেসী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পারভীন হক সিকদার-শরীয়তপুর, খাদেজা নুসরাত-রাজবাড়ী, শবনম জাহান শিলা-ঢাকা, খাদিজাতুল আনোয়ার-চট্টগ্রাম, জাকিয়া পারভীন খানম-নেত্রকোনা, তাহমিনা বেগম-মাদারীপুর, শিরীন আহমেদ-ঢাকা এবং জিন্নাতুল বাকিয়া-ঢাকা।
এর আগে ২০১৪ সনে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেয়েছিলেন রাঙামাটির ফিরোজা বেগম চিনু। এবার পেলেন খাগড়াছড়ি বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট-এর ট্রাস্টি ও মহিলা আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য বাসন্তি চাকমা। ১৯৯১ সনের পর এবার প্রথমবারের মত সংরক্ষিত নারী আসনে খাগড়াছড়িবাসী এমপি পেতে যাচ্ছেন।

বান্দরবান সদর উপজেলা নির্বাচনে ফারুক আহমেদ ফাহিম কে ভাইস-চেয়ারম্যান মনোনয়নে জোর দাবি

মোহাম্মদ আলী,বান্দরবানঃ- আসন্ন উপজেলা নির্বাচণ উপলক্ষে বান্দরবান জেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময় সভায় সাবেক বিপ্লবী ছাত্র নেতা ও বর্তমানে পৌর সেচ্ছাসেবক লীগের সংগ্রামী সাধারণসম্পাদ এবং পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুরের আস্থাভাজন ¯েœময় তরুণ স্বচ্ছ রাজনীতিবিদ ফারুক আহামেদ ফাহিম কে সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মনোনয়নের জোর দাবি জানানো হয়। উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা।এতে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মোহাম্মদ ইসলাম বেবী। এছাড়াও আওয়ামী লীগের অংগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।সভায় চেয়ারম্যান পদে তিন জনের নাম আলোচনায় আসে উনারা হলেন-যথাক্রমে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি একে.এম জাহাঙ্গীর,সাংগঠনিক সম্পাদক অজিৎ কান্তি দাশ ও বর্তমান সদও উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান মোঃ জামাল উদ্দীন চৌধুরী।ভাইস চেয়ারম্যান পদেও যাদেও নাম প্রস্তাব করা হয় উনারা হলেন পৌর সেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহামেদ ফাহিম,জেলা কৃষক লীগের সভাপতি প্রজ্ঞাসর বড়–য়া পাপন,যুবলীগ নেতা আজম খান। মতবিনিময় সভা শেষে এক কর্মী প্রতিবেদককে জানান, তরুন ছাত্র নেতা যার নেতৃত্বে হাজার হাজার ছাত্রলীগ,যুবলীগ,সেচ্ছাসেবকলীগ আজ ঐক্যবদ্ধ তিনি হলেন তারুণ্যেও অহংকার ফারুক আহমেদ ফাহিম।ফারুক আহমেদ ফাহিম একান্ত সাক্ষাৎকারে প্রতিবেদক কে জানান-আসন্ন সদর উপজেলা নির্বাচনে আমি ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী,আমি নির্বাচনে বিজয়ী হলে বান্দরবান সদর উপজেলার বসবাসরত ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে ও কল্যাণে কাজ করে যাবো। আমি বিজয়ী হয়ে আধুনিক বান্দরবানের রূপকার পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি’র মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে ও ভিশন-২০৪১ সাল বাস্তবায়নে অগ্রিনী ভূমিকা রাখবো ইনশাআল্লাহ। আমি সকলের দোয়া ও আর্শিবাদ প্রার্থী।

বান্দরবান উপজেলা নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী ‘জামাল উদ্দিন চৌধুরী’

নিউজ ডেস্কঃ- বান্দরবান উপজেলা নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী বর্তমান উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন চৌধুরী।সূত্রে জানা যায়, এবারে নির্বাচন হবে দলীয় প্রতীকে। ইতিমধ্যে মনোনয়ন প্রত্যাশী নেতারা লবিং শুরু করেছেন।বর্তমান সদর উপজেলার ভাইস-চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন চৌধুরী, গত উপজেলা নির্বাচনে দলিয় মনোনয়নে বান্দরবান জেলার সাত উপজেলার মধ্যে বিপুল ভোটে নির্বাচিত একমাত্র উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান।এবারও জামাল উদ্দিন চৌধুরী নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।তিনি গত উপজেলা নির্বাচনে,ভাইস-চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে বান্দরবান সদর উপজেলার ৫ টি ইউনিয়ন ও ১ টি পৌরসভায় সরকার এর প্রদত্ত ব্যাপক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেন।তিনি বান্দরবান পৌর যুবলীগ সভাপতি এবং বান্দরবান জেলা যুবলীগ-সাধারণ সম্পাদক হিসাবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। সুখ-দুঃখে জনগণের পাশে থাকায় উপজেলায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, উন্নয়নের জন্য উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানকেও বেছে নিতে চাই। সেদিক থেকে জামাল উদ্দিন চৌধুরী কথা উল্লেখ করেন ওই নেতাকর্মীরা।সাধারণ জনগণ জানান, বর্তমান উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন চৌধুরী জনগণের সুখ-দুঃখে সবসময় পাশে আছেন। তিনি উপজেলা পরিষদে আওয়ামীলীগ দলীয় প্রতীক নৌকা নিয়ে নির্বাচন করলে জনগণ তাকে ভোট দিবে ।উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ করছি, এলাকাবাসী ব্যাপক সাড়া দিচ্ছে। দলের নীতিনির্ধারকরা যদি আমাকে দলীয় মনোনয়ন দেন তাহলে বিপুল ভোটে আমি জয়লাভ করবো।

বান্দরবানে জেলা ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল

বান্দরবান অফিসঃ-বান্দরবান থেকে ৬ষ্ট বারের মতো নির্বাচিত সাংসদ বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ কে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল করেছে বান্দরবান জেলা ছাত্রলীগ।আজ সোমবার (৭ জানুয়ারী) বিকেল ৪ টায় এই আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।বান্দরবান জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি কাওসার সোহাগ,জেলা ছাত্রলীগ সহসভাপতি আশিষ বড়ুয়া,নাজমুল হোসেন বাবলু এবং বান্দরবান জেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক জনি সুশীল এর নেতৃত্বে বান্দরবান জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয় থেকে স্বাগত মিছিলটি শুরু হয়ে বান্দরবান জেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।মিছিলে বান্দরবান জেলা ছাত্রলীগ,বান্দরবান সরকারি কলেজ ছাত্রলীগ,পৌর ছাত্রলীগ,সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ ও সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করে।স্বাগত মিছিলে অংশ নিয়ে বান্দরবান জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি কাওসার সোহাগ তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় জানান,একটি উন্নত ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়তে,আগামী প্রজন্মকে পাহাড়ের জনপদে নিরাপদ রাখতে জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নবান্ধব সরকারের যে প্রয়াস তাঁরই অংশ হিসেবে পার্বত্য অঞ্চলের শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি কে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রী করা হয়েছে।প্রিয় নেতাকে পূর্ণ মন্ত্রী করায় পার্বত্য চট্টগ্রামবাসী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞ।পার্বত্য চট্টগ্রামে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে জননেত্রী শেখ হাসিনার যে উদ্যোগ দৃশ্যমান রয়েছে তারই অংশ হিসেবেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাদের নেতা বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি কে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করেছেন।অভিজ্ঞ এবং মেধাবী এই নেতা তার উদ্ভাবনী মেধা ও মননের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রাম কে উন্নয়ন এবং সমৃদ্ধির আলোয় আলোকিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন বলে বান্দরবান জেলা ছাত্রলীগ গভীরভাবে বিশ্বাস করে।এদিকে মিছিল শেষে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা মিষ্টিমুখ করে তাদের প্রিয় নেতা বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপিকে পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করায় শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানান।

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান,পূর্ণ মন্ত্রী হলেন বীর বাহাদুর

নিউজ ডেস্কঃ-সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে পূর্ণ মন্ত্রী হলেন ৬ষ্ঠ বারের মতো নির্বাচিত সংসদ সদস্য বীর বাহাদুর উশৈসিং।তাকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী করা হয়েছে।আগামীকাল সোমবার মন্ত্রিপরিষেদে শপথ নিবেন বীর বাহাদুর। এর আগে তিনি এ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা ছিলেন এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে।দীর্ঘদিন পর পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে একজন পূর্ণ মন্ত্রী দেয়া হলো এলাকার একজনকে। ১৯৯৮ সালে মন্ত্রণালয়টি গঠনের সময়ে খাগড়াছড়ির প্রয়াত সংসদ সদস্য কল্পরঞ্জন চাকমা পূর্ণ মন্ত্রী ছিলেন।পরে রাঙ্গামাটির সংসদ সদস্য দিপংকর তালুকদার দীর্ঘ পাঁচ বছর প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।রোববার সকালে গণভবন থেকে মন্ত্রিপরিষদের শপথ নিতে বীর বাহাদুরকে ফোন করা হয়।এর পর খবরটি ছড়িয়ে পড়লে বীর বাহাদুরের নিজ এলাকা বান্দরবানে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়। সর্বত্রই এখন উৎসবের অমেজ। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী সমর্থকরা এখন আনন্দের বন্যায় ভাসছেন। মিষ্টি বিতরণ হয়েছে বিভিন্ন জায়গায়। বিশেষ করে যারা নির্বাচনে বীর বাহাদুরের জয়লাভের জন্য বেশি খেটেছেন তাদের আনন্দের সীমা নেই।খবরটি ছড়িয়ে পড়লে বান্দরবানের বিভিন্ন দুর্গম পাহাড়ি গ্রামগুলোতেও উৎসবের বন্যা বইছে। নেতা-কর্মীরা বীর বাহাদুরকে শুভেচ্ছা জানাতে দলে দলে ছুটছেন ঢাকার মন্ত্রিপাড়ায়। সেখানে জেলার আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন মন্ত্রী বীর বাহাদুরকে।এদিকে ক্ষুদ্ধ অপর পাহাড়ি জেলা রাঙ্গামাটির নেতা-কর্মীরা। তারা অনেকটা নিশ্চিত ছিলেন সমতা আনতে এবার দিপংকর তালুকদারকে মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী করা হবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটি না হওয়ায় হতাশ জেলার বাসিন্দারা।জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক লক্ষি পদ দাশ জানান,প্রধানমন্ত্রী ও দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।এটি পাহাড়ি জনপদের লোকজনদের জন্য সৌভাগ্যের।প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে সফল ছয় ছয় বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য বীর বাহাদুরকে পূর্ণ মন্ত্রী করার জন্য আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছিলাম। তৃণমূল নেতা-কর্মীদের দাবিও ছিল একটাই। অবশেষে আমাদের প্রত্যাশা সফল হয়েছে। এখন এগিয়ে যাওয়ার পালা।তিনি বলেন, মন্ত্রী বীর বাহাদুরের নেতৃত্বে পাহাড়ের আনাচে-কানাচে উন্নয়নের ধারা বয়ে যাবে বলে আশা আমাদের।১৯৯১ সালে বান্দরবান ৩০০নং আসন থেকে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এক সময়ের ফুটবল খেলোয়াড় বীর বাহাদুর উশৈসিং। পরে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। পর পর ৬ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। সর্বশেষ একাদশ সংসদ নির্বাচানে প্রতিপক্ষ বিএনপির প্রার্থী সাচিং প্রু জেরীর সঙ্গে ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন বীর বাহাদুর।তবে একইসঙ্গে রাঙ্গামাটিতে সিনিয়র নেতা দিপংকর তালুকদার ও খাগড়াছড়িতে কুজেন্দ্র লাল জয়ী হওয়ায় এবার পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব কার হাতে দেয়া হয় তা নিয়ে পাহাড়ের নেতাদের মধ্যে চলে স্নায়ুযুদ্ধ।শেষ পর্যন্ত মুকুট পরলেন বীর বাহাদুর উশৈসিং।

বান্দরবানে পৌর ছাত্রলীগের উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত

নিউজ ডেস্কঃ-ছাত্রলীগের ৭১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি ৬ষ্ঠ বারের মত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় বান্দরবান পৌর ছাত্রলীগের উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শুক্রবার বাদে জুমার পরে বান্দরবানের বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পাঠাগারের মিলনায়তনে এই দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।পৌর ছাত্রলীগের আহবায়ক মোঃ ইসমাইল এর সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন পৌর আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি ও ৮নং ওয়ার্ডের পৌর কাউন্সিলর মোঃ হাবিবুর রহমান খোকন, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য খলিলুর রহমান সোহাগ, জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সেলিম রেজা, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ কাউছার সোহাগ, সহ সভাপতি আশীষ বড়ুয়া, সহ সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক তামিম হাসান, পৌর কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জসিম উদ্দিন, পৌর ছাত্রলীগের সদস্য সচিব কাজী আশরাফ হোসেন আশু, সহ পৌর ও জেলা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।এসময় দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের মোনাজাত পরিচালনা করেন আর্মীপাড়া হাফেজিয়া মাদ্রাসার হাফেজ মাওলানা মোবারকুল ইসলাম, মাওলানা সামশুল আলম, কোর্ট মসজিদের ইমাম হাফেজ জহির আহামেদ সহ প্রমূখ। পরিশেষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাসহ বঙ্গবন্ধু পরিবার বর্গের জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

বীর বাহাদুর উশৈসিং এর ডাবল হ্যাট্রিক

সিএইচটি নিউজ ডেস্কঃ-একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বান্দরবানে ৩০০ নং আসন থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে ৮৪ হাজার ১৯৬ ভোট বেশি পেয়ে জয়লাভ করেছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী বীর বাহাদুর উশৈসিং।রোববার রাতে পাওয়া বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী বীর বাহাদুর উশৈসিং পেয়েছেন ১ লাখ ৪২ হাজার ২২৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপির প্রার্থী সাচিং প্রু জেরী ধানের শীষ মার্কায় পেয়েছেন ৫৮ হাজার ০৪৭ ভোট।এর আগে সকাল আটটা থেকে এই আসনের ভোট কেন্দ্রগুলোতে ভোটগ্রহণ করা হয়। চলে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ শেষে গণণা কার্যক্রম শুরু করে নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা।জেলায় নির্বাচনী নিরাপত্তায় ৩৫টি পুলিশের মোবাইল টিম, ৩৪ প্লাটুন বিজিবি, ২১১২ জন আনসার ১০০ র‌্যাব ও ২৫০০ সেনাবাহিনীর সদস্য নিরাপত্তায় নিয়োজিত ছিল। এছাড়া দুর্গম পাহাড়ি ভোট কেন্দ্রগুলোতে মোতায়েন করা হয়েছিল যৌথ বাহিনীর সদস্য, স্ট্রাইকিং ফোর্স আর নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট।জেলার দুর্গম অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ তেরটি ভোট কেন্দ্রে নির্বাচন সরঞ্জাম সরবরাহ, নির্বাচন কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বহনের জন্য বিমান বাহিনীর দশটি হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হয়েছে।বান্দরবানে এবার আওয়ামী লীগ থেকে বীর বাহাদুর উশৈসিং, বিএনপির সাচিং প্রু জেরী, ইসলামী আন্দোলনের শওকতুল ইসলাম ও ইসলামী ঐক্যজোটের প্রার্থী মোঃ বাবুল হোসেন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তবে ইসলামী ঐক্যজোটের প্রার্থী বাবুল হোসেন শনিবার রাতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী বীর বাহাদুরকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।