আজকে ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯ | | সময়ঃ-১২:০৪ অপরাহ্ন    

Home » পার্বত্য চট্রগ্রাম

পার্বত্য চট্রগ্রাম

বান্দরবানে ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদের ত্রিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত

নিউজ ডেস্কঃ- বান্দরবানে ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদের ত্রিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন এডভোকেট খুশীরায় ত্রিপুরা। সাধারণ সম্পাদক সুকান্ত ত্রিপুরা এবং সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ফিলিপ বলিরাম ত্রিপুরা।

শুক্রবার সকালে বান্দরবান শহরের ডনবস্কো উচ্চ বিদ্যালয়ে এ নির্বাচনে সংগঠনটির ১ হাজার ৪২৯জন ভোটার অংশ নেন। এর মধ্যে খুশীরায় ত্রিপুরা পেয়েছেন ৯৬৯ ভোট, সুকান্ত ত্রিপুরা ৮৩৪ ভোট এবং ফিলিপ বলিরাম ত্রিপুরা ৮৩৯ ভোট। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ফিলিপ ত্রিপুরা।

বাংলাদেশে বসবাসকারী ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্বকারী এ সংগঠনটি ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর ১৯৮৯ সালে স্বীকৃতি পায় বান্দরবান আঞ্চলিক কমিটি। সেই কমিটির প্রথম সভাপতি ছিলেন অন্দুলা ত্রিপুরা। এবারের নির্বাচনটি সংগঠনের ১২তম নির্বাচন। সংগঠনের মোট ভোটার সংখ্যা ২,০২০।

পার্বত্য অঞ্চলের টেকসই উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণে আন্তঃমন্ত্রণালয় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

সিএইচটি টাইমস,বান্দরবান:- আজ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে জীব বৈচিত্র্য, বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং সভায় সভাপতিত্ব করেন।বীর বাহাদুর উশৈসিং বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানের জন্য ৫৬৫ কোটি টাকার প্রকল্প চলমান আছে। তাছাড়া ১০ হাজার ৮শ’ পরিবারকে সোলার প্রদান করা হয়েছে এবং ৩০ হাজার পরিবারকে প্রদানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। মন্ত্রী আরো বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের স্থানীয় জনগণের চাহিদা ও প্রয়োজনকে প্রাধান্য দিয়ে টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হবে। যাতে পার্বত্যবাসীর সামাজিক সেবা নিশ্চিতকরণে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সড়ক ও মহাসড়কসহ অনান্য বিষয়ে সমন্বয় সাধন করা হবে।সভায় জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিগত ১০ বছরে পার্বত্য চট্টগ্রামের ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হলেও দুর্গমতা ও পশ্চাৎপদতার কারণে এ অঞ্চলে শিক্ষা, দারিদ্র্য তথা উন্নয়নের হার কাক্সিক্ষত মাত্রায় পৌঁছায়নি। তাই পার্বত্য অঞ্চলের জীব বৈচিত্র্য, বন ও পরিবেশকে অক্ষুণœ রেখে সমন্বিত টেকসই উন্নয়ন জরুরি। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে পার্বত্য বিষয়ক উপাদানগুলো যাতে প্রাধান্য পায় সেদিকে সর্বাধিক গুরুত্বারোপ করতে হবে। এক্ষেত্রে বান্দরবান পার্বত্য জেলার থানচি উপজেলাকে একটি উন্নত সমৃদ্ধ তথা মডেল উপজেলা হিসেবে উন্নীতকরণে একটি সমন্বিত প্রকল্প গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়। পালাক্রমে সমগ্র পার্বত্য অঞ্চলের সব উপজেলায় একইভাবে উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। উন্নয়নের জন্য মিশন, ভিশন ও একশন প্লান নির্ধারণপূর্বক সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সাথে সমন¦য় করে প্রকল্প গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
মতবিনিময় সভায় খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ মোঃ এনামুর রহমান, তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মেদ পলক, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ নূরুল আমিন, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন সচিব আবদুল্লাহ আল মোহসীন চৌধুরী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব মোঃ শাহ কামাল, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যশৈ হ্লা সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।

বমদের পাড়ায় আনন্দ আজ

নিউজ ডেস্কঃ- খ্রিস্ট ধর্ম গ্রহনের আগে প্রকৃতি পূজারি ছিল পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসকারী বম সম্প্রদায়। ১৯১৮ সালে তারা খ্রিষ্ট ধর্ম গ্রহণ করে।

এ উপলক্ষে বান্দরবানের রুমা উপজেলা হাইস্কুল মাঠে খ্রিস্টের সুসমাচার প্রচারের শতবর্ষ পূর্তি পালন করছে সম্প্রদায়টি।

তিন দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য উৎসব পালন করছে তারা। নেচে-গেয়ে আনন্দ উদ্দীপনায় উৎসব চলছে রুমা উপজেলায়। এতে ভারত আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া ও কোরিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে অতিথিরা যোগ দিয়েছেন। এছাড়া পার্বত্য তিন জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে বম সম্প্রদায়ের নারী পুরুষও উৎসবে অংশ নিচ্ছেন।

শুধু বম সম্প্রদায়ই নয়, অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর লোকজনও উৎসবে যোগ দিয়েছেন।

শুক্রবার সন্ধ্যায় রুমা হাইস্কুল মাঠে ‘বম রাম গসপেল সেন্টেনারী’ শীর্ষক উৎসবের উদ্বোধন করেন বম সম্প্রদায়ের ধর্মীয় নেতা রেভারেন্ড কামখুপ বম। শনিবার সকালে জাতীয় সঙ্গীত ও সমবেত প্রার্থনার মধ্য দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। পরে বম সম্প্রদায়ের তরুণ তরুণীরা তাদের ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন।

উৎসবে বম সম্প্রদায়ের হারিয়ে যাওয়া শিং নৃত্য, বাঁশ নৃত্যসহ একশ শিল্পীর অংশগ্রহণে ঐতিহ্যবাহী নাচ ও গান পরিবেশন করা হয়। উৎসবে যোগ দেন রুমা জোনের সেনা কর্মকর্তা মেজর মাসুদ রায়হান, আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য ডেভিড বম, জুয়েল বম, ভারতের মিজোরাম রাজ্যের এলআইকেবিকে এর খ্রিস্ট ধর্মীয় নেতা রেভারেন্ড সি সাংজোয়ালা, বান্দরবানের বম সম্প্রদায়ের নেতা রেভারেন্ড লাল রুয়াল লুং, রেভারেন্ড লাল রেম সাং, রেভারেন্ড খল্লিয়ান বম, রেভারেন্ড কে রেমা, রেভারেন্ড ভান্নুয়াম বম, পাস্তুর জির কুং সাহু প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের সভাপতি রেভারেন্ড পেকলিয়ান বম পরিবর্তন ডটকমকে জানান, শতবর্ষ পূর্তি উৎসবের মাধ্যমে বম সম্প্রদায়ের ইতিহাস, ঐতিহ্য, কৃষ্টি, সংস্কৃতি বিশ্বের কাছে তুলে ধরা হচ্ছে। নতুন প্রজন্মরাও অনেক কিছু শিখছে এর মাধ্যমে।

উল্লেখ্য, বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলার ভাইরেলহ গ্রামে যিশু খ্রিস্টের সুসমাচার পৌছে দেন ধর্মীয় নেতা রেভারেন্ড এডউইন রোলেন্ডস। বর্তমানে পাড়াটির অস্তিত্ব না থাকলেও পার্বত্য চট্টগ্রামের বম সম্প্রদায় প্রকৃতি পূজা ছেড়ে খ্রিস্ট ধর্ম পালন শুরু করে।

পার্বত্য চট্টগ্রামে বম সম্প্রদায়ের জনসংখ্যা প্রায় ২০ হাজার।

পার্বত্য অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহে ৫৬৫ কোটি টাকার প্রকল্প চলমান

বান্দরবান অফিসঃ- পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকায় সোলার প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে স্থানীয় জনগণের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়কমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং। তিনি বলেন, ‘পার্বত্য অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য ৫৬৫ কোটি টাকার প্রকল্প চলমান আছে। এছাড়াও দুর্গম এলাকায় যেখানে বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্ভব হচ্ছে না, সেখানে সোলার প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হচ্ছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ তথা অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প অব্যাহত আছে এবং প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে নানামুখী নতুন প্রকল্প নেওয়া ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

বুধবার (১৬ জানুয়ারি) পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মলেন কক্ষে ‘পার্বত্য জেলাসমূহের দারিদ্র্য বিমোচনে কৌশল নির্ধারণ’ বিষয়ক কর্মশালায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নূরুল আমিন এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) সুদত্ত চাকমা।

বীর বাহাদুর উশৈসিং আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার দূরদর্শী নেতৃত্বে পার্বত্য অঞ্চলে সশস্ত্র সংঘাতকে রাজনৈতিক সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর শান্তি চুক্তি সম্পাদন করেন। এর ফলে পার্বত্য এলাকায় উন্নয়ন ত্বরান্বিত হচ্ছে। বিএনপি-জামায়াত জোট এই চুক্তিকে কালো চুক্তি আখ্যায়িত করে আবারও পার্বত্য অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করতে চেয়েছিল। কিন্তু, শান্তিপ্রিয় পার্বত্যবাসী তা হতে দেয়নি।’

কর্মশালায় বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান যথাক্রমে ক্য শৈ হ্লা, বৃষকেতু চাকমা ও কংজরী চৌধুরী, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কে এস মং, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সদস্য, তিন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী, জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি, বিভিন্ন উপজেলার চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসাররা উপস্থিত ছিলেন।

সন্ত্রাস চাঁদাবাজি বন্ধে পাহাড়ে জিরো টলারেন্স দেখানো হবেঃ-(পার্বত্যমন্ত্রী)

নিউজ ডেস্কঃ-পাহাড়ে সন্ত্রাস চাঁদাবাজি বন্ধে জিরো টলারেন্স দেখানো হবে বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং।তিনি বলেন, পার্বত্য বান্দরবান জেলাকে পর্যটনের একটি রোল মডেল হিসেবে গড়ে তোলা হবে। সে লক্ষ্যে তার মন্ত্রণালয় কাজ করছে।আজ রোববার বান্দরবান জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা আইন শৃঙ্খলা ও মাসিক উন্নয়ন সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।জেলা প্রশাসক মো. দাউদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার জাকির হোসেন মজুমদার, পৌর মেয়র মো. ইসলাম বেবী, সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নোমান হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের নেতা আবদুর রহিম চৌধুরী, জেলা পরিষদের সদস্য লক্ষি পদ দাশ প্রমুখ।সভায় নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মকর্তা জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।পার্বত্যমন্ত্রী আরো বলেন, উন্নয়ন ও সম্প্রীতি জন্য শান্তি স্থাপন করা জরুরি। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধ করার জন্য নিরাপত্তা বাহিনীকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পাহাড়ে যেসব সমস্যা রয়েছে সেগুলো সবার সাথে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় সমস্যা চিহ্নিত করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তা দ্রুত সমাধান করা হবে।এলাকার উন্নয়নে দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, কর্মমুখী শিক্ষাকে গুরুত্ব দেয়া হবে। এছাড়া কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে উপজেলায় কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও জেলায় একটি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট গড়ে তোলা হবে। এছাড়া কৃষিভিত্তিক প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে আর্থসাজিক অবস্থার পরবর্তনে কাজ করা হবে।মন্ত্রী একটি সুষ্ঠু সুন্দর নির্বাচন উপহার দেয়ার জন্য প্রশাসনের কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানান।

 

বান্দরবানের প্রকাশিত হলো বম নৃ-গোষ্ঠীর ভাষায় প্রথম ব্যাকরণ বই

নিউজ ডেস্কঃ-বান্দরবানে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বম ভাষায় প্রথম ব্যাকরণের বই প্রকাশিত হয়েছে। ১১ জানুয়ারি শুক্রবার সকালে জেলা শহরের কালাঘাটায় বম ছাত্রাবাস মিলনায়তনে ‘বেসিক বম গ্রামার’ নামক বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন জেলা পরিষদের সদস্য জুয়েল বম। বইটি রচনা করেছেন বম ভাষার লেখক ভাননুনসিয়াম বম।মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে ভাননুনসিয়াম জানান, বম জনগোষ্ঠীর জনসংখ্যা মাত্র ১১ হাজারের কাছাকাছি। ভাষার মাধ্যমেই জাতিসত্ত্বার পরিচয় টিকে থাকে। কিন্তু এতোদিন বম ভাষার শুদ্ধ চর্চার জন্যে কোনো ব্যাকরণ ছিলোনা। তাই ভাষাও বিকৃত হয়ে যাচ্ছিলো। এসব বিষয় মাথায় রেখেই ব্যাকরণ বই প্রকাশের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন প্রেসবেটারিয়ান চার্চের পরিচালক লালজারলম বম। অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদের সদস্য সিংইয়ং ম্রো, লেখক পাকসিম বিতলুং, থিমকুব বম, প্রথম আলোর বান্দরবান প্রতিনিধি বুদ্ধজ্যোতি চাকমা, মানবাধিকারকর্মী অং চ মং, খুমি নৃ-গোষ্ঠীর নেতা লেলুং খুমিসহ জেলার বিশিষ্টজনেরা।বইটি প্রকাশ করেছে প্রেসবেটারিয়ান চার্চ অব বাংলাদেশ।

পার্বত্য চট্টগ্রামের সুষম উন্নয়ন করা আমার দায়িত্বঃ-(পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং)

নিউজ ডেস্কঃ-বান্দরবান শহরের রাজার মাঠে গণসংবর্ধনায় মঞ্চে পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর বলেন,আমাকে নির্বাচিত করার জন্য আমি আমার বান্দরবানবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞ ও চির ঋনি। এই ঋন আমি বিগত দিনের মতো কাজের মাধ্যমেই শোধ কারার চেষ্টা করবো। আজ আমি আপনাদেরই সন্তান আর কাল থেকেই শুধু আমি আপনাদের সন্তান নই, কাল থেকে আমি হবো সমগ্র পার্বত্য এলাকার মানুষের প্রতিনিধি, সকল মানুষকে সকল এলাকার মানুষদের সকল ধমের্র, সকল বর্ণের এই পার্বত্য বাসীর কল্যাণের জন্য শান্তির জন্য সম্প্রীতির ও সমৃদ্ধি জন্য ও উন্নয়নের জন্য আমাকে কাজ করতে হবে। সুতরাং রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি তিন জেলারই প্রতিনিধি আমি, তাই সবাই কে সমান চোখে, সবাইকে সমতালে, সমভাবে উন্নয়ন করা, শান্তি প্রতিষ্ঠা করা আমার দায়িত্ব।শুক্রবার বিকেলে বান্দরবান শহরের রাজার মাঠে এক নাগরিক সংবর্ধনায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি একথা বলেন।এসময় পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর আরো বলেন, বান্দরবানবাসীর প্রতি ভালোবাসার বহি:প্রকাশ বলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে টানা ৬বার মনোনয়ন দিয়েছে বলে আমি কৃতজ্ঞ। বান্দরবানবাসীর নেত্রীর প্রতি শ্রদ্ধা আছে বলেই আমাকে বারবার বিপুল ভোটে নির্বাচিত করেছেন এবং সর্বোপরি প্রধানমন্ত্রী আমাকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পূর্নমন্ত্রী হিসাবে নিয়োগ করে কাজ করার সুযোগ দিয়েছে বলে আমি কৃতজ্ঞ।বান্দরবান ৩০০নং আসনের সংসদ সদস্য বীর বাহাদুর উশৈসিং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়ার পর শুক্রবার নাগরিক সংবর্ধনায় যোগ দিতে চট্টগ্রাম থেকে বান্দরবানে আসেন। এসময় চট্টগ্রামের কেরানীহাট থেকে বান্দরবানে আসার পথে পথে স্থানীয়রা মোটরসাইকেল শোভাযাত্রার মধ্যে দিয়ে ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে বরণ করে নেন পাহাড়ের এই জনপ্রিয় নেতাকে। এসময় মন্ত্রীকে অনেকে পরিয়ে দেন ফুলের মালা। ফুলেল ভালোবাসায় সিক্ত পার্বত্যমন্ত্রী বীর বাহাদুর বান্দরবান জেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে শুক্রবার বিকেলে জেলা শহরের রাজার মাঠে বিকাল পাঁচটার দিকে তিনি সংর্বধনার মঞ্চে উপস্থিত হন। এসময় রাজার মাঠে লালগালিচার পাশাপাশি ফুল ছিটিয়ে তাকে বরণ করে নেন নেতাকর্মীরা।পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপিকে বরণ করে নিতে শহরের রাজার মাঠে আয়োজন করা হয়েছে বিশাল নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের।শুক্রবার বিকাল ৩টায় বান্দরবান শহর থেকে ২৩ কিলোমিটার দুরের কেরাণীহাট থেকেই পার্বত্য মন্ত্রীকে গাড়িবহরে করে শোভাযাত্রার মাধ্যমে বান্দরবানে নিয়ে আসা হয়। এসময় তিনি বান্দরবানে প্রবেশের সাথে সাথে বিভিন্ন মহলের ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হন। এরপরই তিনি যোগ দেন রাজার মাঠের নাগরিক সংবর্ধনায়।মন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত দলীয় নেতাকর্মীরা সহ পুরো বান্দরবান বাসী। মন্ত্রীর আগমনে পুরো বান্দরবান শহরে এখন সাজ সাজ রব। রাজার মাঠের মুক্ত মঞ্চকে প্রস্তুত করা হয়েছে আকর্ষণীয় সাজে। ফুলে ফুলে সাজানো হয়েছে মঞ্চসহ আশপাশ। তবে কেন্দ্রীয় নির্দেশে এবার ৭টির বেশি তোরণ নির্মাণ করেনি আয়োজকরা।সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জেলা আওয়ামী লীগের জেষ্ঠ নেতারাও বক্তব্যে রাখেন বান্দরবানবাসীর উদ্যেশে।জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ক্যশৈহ্লার সভাপতিত্বে উক্ত সংবর্ধনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি মোঃ শফিকুর রহমান, আবদুর রহিম চৌধুরী, একেএম জাহাঙ্গীর, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কাজল কান্তি দাশ, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইসলাম বেবী, জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক লক্ষীপদ দাশ, জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ক্যশৈঅং মার্মা, পার্বত্য জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মংক্যচিং চৌধুরী, পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ক্যসা প্রু, সদস্য মোজাম্মেল হক বাহাদুর, সদস্য ¤্রাসা খেয়াং, সদস্য মোঃ মোস্তফা জামাল, সদস্য ফিলিপ ত্রিপুরা, সদস্য ক্যানে ওয়ান চাক, সদস্য থোয়াই হ্লামং মারমা, জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অজিত কান্তি দাশ, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি অমল কান্তি দাশ, সাধারণ সম্পাদক সামশুল ইসলাম, জেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি মোঃ মুছা কোম্পানী, জেলা সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি সাদেক হোসেন চৌধুরী,জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ কাউছার সোহাগ সহ জেলা আওয়ামীলীগ, জেলার ৭টি উপজেলা আওয়ামীলীগ ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।উল্লেখ্য,বান্দরবান ৩০০ নং আসন থেকে টানা ষষ্ঠবারের মতো নির্বাচিত সাংসদ বীর বাহাদুর উশৈসিংএমপি। তিনি ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।এর আগে ১৯৯৮ সালে রাঙামাটির কল্পরঞ্জন চাকমা পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিযুক্ত হন। এরপরে বিভিন্ন মেয়াদে রাঙামাটির দীপংকর তালুকদার ও বান্দরবানের বীর বাহাদুর এই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। এবং একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০নং আসন থেকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পর পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পান বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি।

বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি পূর্ণ মন্ত্রী হওয়ায় ফুলেল শুভেচ্ছা জানালো বান্দরবান জেলা পরিষদ

নিউজ ডেস্কঃ-একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদীয় ৩০০নং বান্দরবান আসনে আওয়ামী লীগ থেকে ৬ষ্ঠ বারের মতো নির্বাচিত বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপিকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী থেকে পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ায় ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ।আজ মঙ্গলবার (৮ জানুয়ারী) সকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সরকারি কার্যালয়ে পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি কে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা এর নেতৃত্বে বান্দরবান জেলা পরিষদ সদস্যরা এই ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।এসময় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা পরিষদের প্রভাবশালী সদস্য লক্ষীপদ দাশ,মোজাম্মেল হক বাহাদুর,মোস্তফা কামাল প্রমুখ।প্রসঙ্গত, তিন পার্বত্য জেলা (বান্দরবান,রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি)’র মধ্যে ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি অনুযায়ী ১৯৯৮ সালে গঠিত পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে খাগড়াছড়ির সাংসদ কল্পরঞ্জন চাকমাকে মন্ত্রী করা হয়েছিল।এরপর থেকে পার্বত্য জেলার সবাই ছিলেন উপমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে।দীর্ঘ ১৮ বছর পর গত ৭ জানুয়ারি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসাবে বীর বাহাদুর উশৈসিংকে এমপিকে পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব প্রদান করেছেন রেকর্ড চতুর্থবারের প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা।

বান্দরবান সেনাবাহিনী কতৃক শিক্ষার্থীদের আর্থিক অনুদান,উন্নত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসা সহায়তা ও শীতার্থদের জন্য শীতবস্ত্র বিতরণ

নিউজ ডেস্কঃ-বান্দরবান সেনা জোন এর আওতায় বান্দরবানের গরীব অসহায় শিক্ষার্থীদের আর্থিক অনুদান,নিস্ব:ব্যক্তিদের উন্নত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসা সহায়তা ও শীতার্থদের জন্য শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।সোমবার সকালে বান্দরবান সেনা জোন এর আয়োজনে জোন কমান্ডারের কার্যালয় প্রাঙ্গনে এই শিক্ষা-চিকিৎসা সহায়তা ও শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। এসময় গরীব অসহায় শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার জন্য আর্থিক অনুদান প্রদান, উন্নত চিকিৎসার জন্য আর্থিক অনুদান প্রদান ও বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকার শীতার্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।অনুষ্ঠানে বান্দরবান সেনা জোন (২৬ বীরের) জোন কমান্ডার লে:কর্ণেল এস এম আব্দুল্লাহ আল-আমিন (পিএসসি), জোন উপ-অধিনায়ক মেজর জাহিদুল ইসলাম, জোনাল স্টাফ অফিসার মেজর,মো:আল-জাবির আসিফ, এস এম মো:কামিরুল ইসলাম, সার্জেন্ট আল আমিনসহ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পদ মর্যাদার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।এসময় জোন কমান্ডার লে:কর্ণেল এস এম আব্দুল্লাহ আল-আমিন (পিএসসি) উপস্থিত গরীব ও অসহায়দের শিক্ষা-চিকিৎসা সহায়তা এবং শীতার্থদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন এবং বলেন, সেনাবাহিনী দুর্গম পাহাড়ে বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ করে যাচ্ছে এবং আগামীতে এই উন্নয়ন কর্মকান্ড চলমান থাকবে।

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান,পূর্ণ মন্ত্রী হলেন বীর বাহাদুর

নিউজ ডেস্কঃ-সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে পূর্ণ মন্ত্রী হলেন ৬ষ্ঠ বারের মতো নির্বাচিত সংসদ সদস্য বীর বাহাদুর উশৈসিং।তাকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী করা হয়েছে।আগামীকাল সোমবার মন্ত্রিপরিষেদে শপথ নিবেন বীর বাহাদুর। এর আগে তিনি এ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা ছিলেন এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে।দীর্ঘদিন পর পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে একজন পূর্ণ মন্ত্রী দেয়া হলো এলাকার একজনকে। ১৯৯৮ সালে মন্ত্রণালয়টি গঠনের সময়ে খাগড়াছড়ির প্রয়াত সংসদ সদস্য কল্পরঞ্জন চাকমা পূর্ণ মন্ত্রী ছিলেন।পরে রাঙ্গামাটির সংসদ সদস্য দিপংকর তালুকদার দীর্ঘ পাঁচ বছর প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।রোববার সকালে গণভবন থেকে মন্ত্রিপরিষদের শপথ নিতে বীর বাহাদুরকে ফোন করা হয়।এর পর খবরটি ছড়িয়ে পড়লে বীর বাহাদুরের নিজ এলাকা বান্দরবানে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়। সর্বত্রই এখন উৎসবের অমেজ। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী সমর্থকরা এখন আনন্দের বন্যায় ভাসছেন। মিষ্টি বিতরণ হয়েছে বিভিন্ন জায়গায়। বিশেষ করে যারা নির্বাচনে বীর বাহাদুরের জয়লাভের জন্য বেশি খেটেছেন তাদের আনন্দের সীমা নেই।খবরটি ছড়িয়ে পড়লে বান্দরবানের বিভিন্ন দুর্গম পাহাড়ি গ্রামগুলোতেও উৎসবের বন্যা বইছে। নেতা-কর্মীরা বীর বাহাদুরকে শুভেচ্ছা জানাতে দলে দলে ছুটছেন ঢাকার মন্ত্রিপাড়ায়। সেখানে জেলার আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন মন্ত্রী বীর বাহাদুরকে।এদিকে ক্ষুদ্ধ অপর পাহাড়ি জেলা রাঙ্গামাটির নেতা-কর্মীরা। তারা অনেকটা নিশ্চিত ছিলেন সমতা আনতে এবার দিপংকর তালুকদারকে মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী করা হবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটি না হওয়ায় হতাশ জেলার বাসিন্দারা।জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক লক্ষি পদ দাশ জানান,প্রধানমন্ত্রী ও দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।এটি পাহাড়ি জনপদের লোকজনদের জন্য সৌভাগ্যের।প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে সফল ছয় ছয় বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য বীর বাহাদুরকে পূর্ণ মন্ত্রী করার জন্য আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছিলাম। তৃণমূল নেতা-কর্মীদের দাবিও ছিল একটাই। অবশেষে আমাদের প্রত্যাশা সফল হয়েছে। এখন এগিয়ে যাওয়ার পালা।তিনি বলেন, মন্ত্রী বীর বাহাদুরের নেতৃত্বে পাহাড়ের আনাচে-কানাচে উন্নয়নের ধারা বয়ে যাবে বলে আশা আমাদের।১৯৯১ সালে বান্দরবান ৩০০নং আসন থেকে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এক সময়ের ফুটবল খেলোয়াড় বীর বাহাদুর উশৈসিং। পরে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। পর পর ৬ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। সর্বশেষ একাদশ সংসদ নির্বাচানে প্রতিপক্ষ বিএনপির প্রার্থী সাচিং প্রু জেরীর সঙ্গে ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন বীর বাহাদুর।তবে একইসঙ্গে রাঙ্গামাটিতে সিনিয়র নেতা দিপংকর তালুকদার ও খাগড়াছড়িতে কুজেন্দ্র লাল জয়ী হওয়ায় এবার পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব কার হাতে দেয়া হয় তা নিয়ে পাহাড়ের নেতাদের মধ্যে চলে স্নায়ুযুদ্ধ।শেষ পর্যন্ত মুকুট পরলেন বীর বাহাদুর উশৈসিং।