আজকে ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯ | | সময়ঃ-১২:১২ অপরাহ্ন    

Home » ধর্ম

ধর্ম

প্রতিশ্রুতি পূরণে সারা দেশে ৫৬০টি মডেল মসজিদ নির্মাণ করছে সরকার

নিউজ ডেস্কঃ- সরকারের ইসলাম প্রসারী মনোভাব বজায় রাখতে বাংলাদেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আধুনিক সুবিধা-সংবলিত দৃষ্টিনন্দন মসজিদ বা ইসলামী স্থাপনা তৈরি করতে এবং মসজিদভিত্তিক সমাজের ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনা করে ইসলামী মূল্যবোধের প্রসার ও ইসলামী সংস্কৃতি বিকাশের উদ্দেশ্যে প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের ২০১৪ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে উন্নত মসজিদ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিলো। সে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২০১৫ সালে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় পরিদর্শনকালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা প্রদান করেন, প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে একটি করে মডেল মসজিদ নির্মাণ করতে হবে। উক্ত কমপ্লেক্সে লাইব্রেরি, গবেষণাকক্ষ, ইসলামিক সাংস্কৃতিক কার্যক্রম, শিশুশিক্ষা কার্যক্রম এবং পুরুষ ও মহিলাদের পৃথক নামাজ কক্ষ, মেহমানদের আবাসন ব্যবস্থা, বিদেশি পর্যটকদের পরিদর্শনের ব্যবস্থা, হজযাত্রীদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ইত্যাদি থাকবে।’
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ‘প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে মোট ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্প গ্রহণ করেছ।
এ প্রকল্পের প্রাক্কলন ব্যয় ধরা হয়েছে আট হাজার ৭২২ কোটি টাকা। যার পুরোটাই বাংলাদেশ সরকার অর্থায়ন করবে। প্রকল্পের মেয়াদকাল ধরা হয়েছে এপ্রিল ২০১৭ থেকে ডিসেম্বর ২০২০ পর্যন্ত। প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো, ইসলামিক জ্ঞান ও সংস্কৃতি সম্প্রসারণের মাধ্যমে ইসলামী মূল্যবোধের পরিচর্যা ও প্রসার ঘটানো। প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি জেলায় চারতলা এবং উপজেলায় তিনতলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মিত হবে।
মূল মসজিদটি হবে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। উপকূলীয় এলাকায় নিচতলা উন্মুক্ত রেখে ভবনটি নির্মিত হবে। নারী মুসল্লিদের জন্য আলাদা নামাজের ব্যবস্থা থাকবে। অসুস্থ ও প্রতিবন্ধী মুসল্লিদের জন্য আলাদা ক্যাম্প থাকবে। মসজিদের অবকাঠামোর মধ্যে থাকবে মুসলমান নারী ও পুরুষদের নামাজ আদায়ের সুবিধা, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের অফিস, লাইব্রেরি, গবেষণা ও দাওয়াহ কার্যক্রম, পবিত্র কোরআন পাঠের স্থান ও তাহফিজ, কনফারেন্স হল, প্রশিক্ষণকেন্দ্র, শিশুশিক্ষা, নারী ও পুরুষদের জন্য পৃথক অজুর ব্যবস্থা, অতিথিশালা, বিদেশি পর্যটকদের আবাসন, মৃতদেহ গোসলের ব্যবস্থা, হজযাত্রী ও ইমাম প্রশিক্ষণসহ নানাবিধ সুযোগ-সুবিধা।
প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে মোট ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ৪ লক্ষ ৪০ হাজার ৪৪০ পুরুষ এবং ৩১ হাজার ৪০০ নারীর নামাজ পড়ার সুযোগ হবে। পবিত্র কোরআন ও হাদিসের জ্ঞান অর্জনের লক্ষ্যে ৩৪ হাজার পাঠকের জন্য লাইব্রেরি সুবিধা নিশ্চিত হবে। প্রতিদিন ৬ হাজার ৮০০ গবেষকের গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রতিদিন ৫৬ হাজার মুসল্লির দ্বীনই দাওয়াতি কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ হবে। প্রতিবছর ১৪ হাজার শিক্ষার্থীর কোরআন হিফজ করার সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি ১৬ হাজার ৮০০ শিশুর প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা অর্জনের ব্যবস্থা তৈরি হবে। প্রতিদিন ২ হাজার ২৪০ দেশি-বিদেশি অতিথির আবাসনের সুবিধা পাওয়া যাবে।
এছাড়া মৃতদেহ গোসলের ব্যবস্থা এবং হজযাত্রী ও ইমামদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা যাবে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে বিগত ৫ এপ্রিল ২০১৮ ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে এ প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশের ৯টি স্থানে মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন। উক্ত উদ্বোধনকৃত ৯টি স্থানে এরই মধ্যে কার্যাদেশ প্রদান করা হয়েছে।
প্রকল্পটির আওতায় বিভিন্ন সংস্থার মালিকাধীন ১৭৭টি জমির স্বত্ব/দখল ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অনুকূলে হস্তান্তরের জন্য সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে। এ পর্যায়ে গত ৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ উপজেলা পরিষদের ১৬২টি জমির সমঝোতা স্মারক স্থানীয় সরকার বিভাগ ও ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সম্পাদিত হয়েছে। এছাড়া গণপূর্ত অধিদপ্তর (৩টি), বাংলাদেশ রেলওয়ে (৪টি), সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (৫টি), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (১টি), পানি উন্নয়ন বোর্ড (১টি) এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর (১টি)-এর মালিকাধীন জমি/স্থান এ মডেল মসজিদ নির্মাণের জন্য বর্ণিত সংস্থাগুলো নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়/বিভাগ- এর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট সচিবদের কাছে ডিও লেটার প্রেরণ করা হয়েছে।

বান্দরবানে বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট এর শিক্ষা সামগ্রী,সনদপত্র বিতরণ

বান্দরবানঃ –  ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের অর্থায়নে বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট এর আয়োজনে প্যাগোডা ভিক্তিক প্রাক- প্রাথমিক শিক্ষা প্রকল্পেরে আওতায় বান্দরবানে ৭টি উপজেলার ৫০টি বিহারের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রাণয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপির বান্দরবানস্থ বাসভবনে এই শিক্ষা উপকরণ মেধাবী শিক্ষার্থীদের সনদপত্র ও পুরস্কার বিতরণ করা হয় । এসময় বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট এর বান্দরবান জেলা ট্রাস্টি মংক্যচিং চৌধুরী, উজানীপাড়া বৌদ্ধ বিহারের বিহারাধক্ষ্য উ চাইন্দাওয়ারা মহাথেরসহ বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা প্যাগোডা ভিত্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি এসময় বিহার ভিত্তিক প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেধানুসারে স্থান পাওয়া ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে সনদপত্র ও পুরস্কার বিতরণ করেন। এসময় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি বলেন, পরিবারে সবার আগে মাকে শিক্ষিত হতে হবে ,আর মা শিক্ষিত হলে অবশ্যই সন্তান সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হবে ।

 

হজের বিমান ভাড়া কমলো ১০ হাজার টাকা

নিউজ ডেস্কঃ- কমানো হয়েছে হজের বিমান ভাড়া। গত বছর পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি হজযাত্রী প্রতি বিমানভাড়া ১ লাখ ৩৮ হাজার ১৯১ টাকা নির্ধারিত ছিল। এই বছর ১০ হাজার টাকা কমে ১ লাখ ২৮ হাজার ১৯১ টাকা ধার্য করার ঘোষণা দিয়েছেন নতুন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী।
বৃহস্পতিবার (১৭ জানুয়ারি) সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে হজ সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সভা শেষে গণমাধ্যমের সামনে প্রতিমন্ত্রী এ ঘোষণা দেন।

চলতি বছর সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে হজ অধিকতর সুচারুভাবে পালনের লক্ষে তার মন্ত্রণালয় থেকে ধর্ম মন্ত্রণালয়কে সর্বাত্মক সহায়তা করা হবে জানিয়ে মো. মাহবুব আলী বলেন, হাজিরা আল্লাহর ঘরের মেহমান। তাদের যেন কোনো প্রকার কষ্ট না হয়, সে ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব সময় খেয়াল ও পরামর্শ দিয়ে থাকেন। হাজিদের কথা ভেবেই হজ ভাড়া কমানো হচ্ছে।

গুরুত্বপূর্ণ এ সভায় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আবদুল্লাহ, ধর্ম সচিব মো.আনিছুর রহমান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মহিবুল হক, হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) সভাপতি আবদুস সোবহান, মহাসচিব শাহাদাত হোসেন তছলিম উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, ধর্ম মন্ত্রণালয়, আটাব ও সিভিল এভিয়েশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারাও ছিলেন।

গত বছর সরকারি ব্যবস্থাপনায় সাত হাজার ১৯৮ ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এক লাখ ২০ হাজার বাংলাদেশি হজ পালন করে। সম্প্রতি সৌদি সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের হজ চুক্তি হয়। গত বছরের মতো এবারও এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজ পালন করবেন। তবে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত আরও ৩০ হাজার মানুষের হজের কোটা বৃদ্ধির আবেদন করা হয়েছে। বিষয়টি বিবেচনাধীন।

রুমায় তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠান আজ থেকে

নিউজ ডেস্কঃ – বাংলাদেশে বসবাসকারী বম সম্প্রদায়ের খ্রিস্ট ধর্ম গ্রহণের শতবর্ষপূর্তি উপলক্ষে আজ ১৮ জানুয়ারি থেকে বান্দরবান পার্বত্য জেলার রুমা উপজেলা সদরে তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে।

শতবর্ষ উদযাপন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, এই উৎসবে দেশি-বিদেশি প্রায় পাঁচ হাজার অতিথির যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

রুমা উপজেলা সদরের সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিশাল প্যান্ডেল স্থাপন করা হয়েছে। তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার সূচনা ঘটবে আজ সন্ধ্যা ৬টায় বিসিসি হলে উৎসর্গ প্রার্থনার মধ্য দিয়ে। তবে মূল অনুষ্ঠান শুরু হবে আগামীকাল শনিবার সকাল ৯টায় স্কুল মাঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে। কাল দুপুর ১টায় পাঁচ হাজার অতিথির জন্য আয়োজন করা হয়েছে সম্মিলিত সুহূদভোজ। সন্ধ্যায় বিশেষ অতিথিদের বক্তৃতার পাশাপাশি আয়োজন থাকবে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার। ২০ জানুয়ারি অনুরূপ অনুষ্ঠান আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানমালার সমাপ্তি ঘটবে।
১৯১৮ সালের ১২ ডিসেম্বর বান্দরবান জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলার নোয়াপতং এলাকায় ছয়-সাতটি পরিবার বিশিষ্ট ভাইরেলহ গ্রামে যিশু খ্রিস্টের সুসমাচার পৌঁছে দেন রেভারেন্ড এড্উইন রোলেল্ডস। বর্তমানে ভাইরেলহ গ্রামের কোনো অস্তিত্ব না থাকলেও যিশু খ্রিস্টের এই বাণী পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে গড়ে ওঠা বম জনগোষ্ঠীর গ্রামগুলোতে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই দীর্ঘকালের প্রকৃতি পূজারি বম সম্প্রদায়ের প্রায় সবাই খ্রিস্ট ধর্মে দীক্ষিত হয়ে যায়।

খ্রিস্টের সুসমাচার প্রচারের শতবর্ষপূর্তিতে বম জনজাতি অধ্যুষিত প্রায় সব কটি গ্রামে প্রথম ধর্ম প্রচারক রেভারেন্ড এড্উইন রোলেল্ডসের ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়েছে। নির্মিত হয়েছে তোরণ ও স্মৃতিফলক।

আয়োজন কমিটির সভাপতি পেকলিয়ান বম জানান, বম জনগোষ্ঠীর বিভিন্ন কৃষ্টি ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরতেই খ্রিস্টীয় সুসমাচার প্রচারের শতবর্ষ পূর্তির এ আয়োজন। ১০০ জন শিল্পীর অংশগ্রহণে জাতীয় সংগীত, দলীয় নাচ-গান পরিবেশন ও পবিত্র বাইবেল থেকে পাঠ করা হবে। তিনি জানান, কর্মসূচি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে ১৬টি উপকমিটি গঠন করা হয়েছে।

রুমা থানার ওসি মোহাম্মদ আবুল হোসেন বলেন, উত্সব উদযাপনকালে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

নানা আয়োজনে সনাতন ধর্মালম্বীদের উত্তরায়ন সংক্রান্তি উদযাপন

নিউজ ডেস্কঃ- নানা আয়োজন বান্দরবানের সনাতন ধর্মালম্বীরা উদযাপন করছে উত্তরায়ন সংক্রান্তি। দিনটি সনাতন ধর্মালম্বীদের কাছে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিন। পৌষ সংক্রান্তিকে উত্তরায়ন সংক্রান্তি বলা হয়। পৌষ মাসের শেষ দিনকে সনাতন ধর্মালম্বীরা পূন্যতিথি বিবেচনা করে প্রতিবছরই উত্তরায়ন সংক্রান্তি উদযাপন করে।

সকালে উত্তরায়ন সংক্রান্তি উপলক্ষে বান্দরবান গীতা আশ্রমের আয়োজনে সদরের নোয়াপাড়া মন্দির প্রাঙ্গনে নানা ধর্মীয় অনুষ্টানের আয়োজন করা হয়। উত্তরায়ন সংক্রান্তি উপলক্ষে দিনব্যাপী চলছে উষাকীর্ত্তন,মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জলন, পার্থ সারথি পুজা,মঙ্গল আরতি,গীতা পাঠ,ধর্মীয় আলোচনা ও মহাপ্রসাদ বিতরনসহ নানা আয়োজন। দেব প্রভাতের সুচনালগ্নে জগতের মঙ্গল কামনায় প্রতিবছর এ উত্তরায়ন অনুষ্টিত হয়।

দিনব্যাপী এই মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানে জেলার সনাতন ধর্মালম্বী নারী ও পুরুষেরা অংশ নিয়ে জগতের সুখ শান্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনায় মিলিত হয়।

থানছিতে ধম্মাজেয়া বৌদ্ধ বিহারে ১৭তম দানোত্তম শুভ কঠিম চীবর দানোৎসব সম্পন্ন

চহ্লামং মারমা (চহ্লা),থানছিঃ-থানছি বলিপাড়ায় ধম্মাজেয়া বৌদ্ধবিহারে দায়ক/দায়িকাদের আয়োজনে বৌদ্ধধর্মল্বীদের শ্রেষ্ঠ দান দানোত্ত শুভ কঠিন চীবর দানোৎসব গত সোমবার যথাযথ মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগম্বীর পরিবেশে পালিত হয়েছে।অনুষ্ঠানে ১ম পর্বে থাইল্যান্ড থেকে আনীত বুদ্ধমূর্তি জীবন্যাস এবং ২য় পর্বে সংঘের দানও পূজারী উদ্দেশ্যে ধর্মদেশনা দেওয়া হয়।ভগবান গৌতম বুদ্ধের অহিংস বাণী সমাজের প্রতিটি স্তরে পৌঁছে দিতে পারলে মানুষের মধ্যে হিংসা, বিদ্বেষ, লোভ, মোহ, দুঃখ, দুর্দশা থাকবে না।কঠিন চীবর দান একটি সর্বোত্তম দান, কারণ দানেতে দুর্গতি খন্ডে।
পশ্চিম বলিপাড়া ধম্মাজেয়া বৌদ্ধ বিহারে বিহারধ্যক্ষ জ্ঞানশ্রী মহাথের এর সভাপতিত্বে কঠিন চীবর দান উৎসবে প্রধান ধর্মদেশক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বলিপাড়া বৌদ্ধ বিহারে বিহারঅধ্যক্ষ। এতে উপস্থিত ছিলেন থানছি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যহ্লাচিং মারমা,৪নং বলিপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান জিয়াঅং মারমা,৩৬১নং থাইক্ষ্যং মৌজা হেডম্যান মংপ্রু মারমা সহ উপস্থিত বিভিন্ন পাড়া থেকে দায়ক/দায়িকারা। এছাড়া বিভিন্ন দুরদুরান্ত এলাকা থেকে আগত বিভিন্ন বিহারের পুজনীয় ভিক্ষু সংঘরা উপস্থিত ছিলেন।

 

প্রধানমন্ত্রীকে ‘কওমি জননী’ উপাধি দিলেন আলেমরা

বান্দরবান অফিসঃ-দাওরায়ে হাদিসকে স্নাতকোত্তরের (ইসলামিক শিক্ষা ও আরবি) স্বীকৃতি দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘কওমি জননী’ উপাধি দিয়েছেন কওমি মাদ্রাসাগুলোর সর্বোচ্চ সংস্থা ‘আল-হাইয়াতুল উলিয়া লিল জামিআাতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’র সদস্য মাওলানা মুফতি রুহুল আমিন।

রোববার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ‘আল-হাইয়াতুল উলিয়া লিল জামিআাতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’ আয়োজিত ‘শুকরানা মাহফিলে’ বক্তৃতাকালে মুফতি রুহুল আমিন এ উপাধি দেন। কওমি মাদ্রাসা শিক্ষার সর্বোচ্চ স্তর দাওরায়ে হাদিসকে স্নাতকোত্তরের স্বীকৃতি দেওয়ায় এ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

মুফতি রুহুল আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আপনি ‘কওমি জননী’। আপনি না থাকলে সাহাবা ও আলেম-ওলামাবিরোধী জামায়াত-মওদুদীবাদীরা এটা হতে দিতো না।

প্রধানমন্ত্রীর ছেলে ও তার তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কেও আলেমদের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে রুহুল আমিন বলেন, সজীব ওয়াজেদ জয়কেও আলেমদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট করে দিন।

রুহুল আমিনের বক্তব্যকে সমর্থন জানিয়ে ‘আল-হাইয়াতুল উলিয়া লিল জামিআাতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’র আরেক সদস্য মওলানা ফরিদ উদ্দিন মাসউদ বলেন, আমাদের একজন আপনাকে ‘কওমি জননী’ বলেছেন। আপনি মায়ের দরদ দিয়ে ইমামদের ৫ হাজার টাকা, মোয়াজ্জিনদের ৩ হাজার টাকা ভাতা দেবেন।

কওমি আলেমদের সহযোগিতা চেয়ে আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শেখ আবদুল্লাহ অনুষ্ঠানে বলেন, আপনাদের একজন প্রধানমন্ত্রীকে ‘কওমি জননী’ বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী কওমি জননী হলে আপনারা কী? সন্তান। আপনারা সন্তান হলে সন্তানের প্রতি পিতা-মাতার যেমন দায়িত্ব আছে, তেমনি জননীর প্রতিও সন্তানদের দায়িত্ব রয়েছে। আপনাদের সহযোগিতা চাই।

কওমি মাদ্রাসাগুলোর সর্বোচ্চ সংস্থা ‘হাইআতুল উলয়া লিল জামিয়াতিল কওমি বাংলাদেশ’র ব্যানারে আয়োজিত মাহফিলে সভাপতিত্ব করছেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান ও হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী।

অনুষ্ঠান মঞ্চে কওমি আলেম-ওলামাদের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান প্রমুখ উপস্থিত রয়েছেন।

আরবী ও ইসলামিক স্টাডিজ বিষয়ে মার্স্টাসের সমমান স্বীকৃতি প্রদান করায় বান্দরবানে র‌্যালী ও শুকরিয়া সমাবেশে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী

বান্দরবান অফিসঃ-গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কওমি শিক্ষার সর্বোচ্চ স্তর দাওরায়ে হাদিস (তামিল) কে ‘আল হাইতুল উলয়া লিল জামি’আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’ এর অধীনে আরবি ও ইসলামিক স্টাডিজ বিষয়ে মাস্টার্সের সমমান স্বীকৃতি প্রদান করে জাতীয় সংসদে বিল পাশ করায় বান্দরবান জেলা কওমি উলামা ঐক্য পরিষদ এর আয়োজনে র‌্যালি ও শুকরিয়া সমাবেশ অনুষ্ঠতি হয়।রবিবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হতে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয় র‌্যালিটি বান্দরবান শহরের প্রধান প্রধান প্রদক্ষিণ কওে পুনরাই একই একই স্থানে এসে শেষ হয়।র‌্যালির পর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গনের সম্প্রীতির মঞ্চে এক বিশাল শুকরিয়া সমাবেবেশের আয়োজন করা হয়। শুকরিয়া সমাবেশে বান্দরবান ইসলামি শিক্ষা কেন্দ্রের পরিচালক ও বান্দরবান জেলা কওমি উলামা ঐক্য পরিষদ এর সভাপতি মাওলানা হোছাইন মুহাম্মদ ইউনুছ এর সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পাবর্ত্য প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এম.পি। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম আল-জামিয়া আল ইসলামিয়া পটিয়া এর মহা-পরিচালক ও আঞ্জুমানে ইত্তেহাদুল মাদারিস বাংলাদেশ(কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এর সেকেটারী আল্লামা মুফতি আব্দুল হালিম বুখারী,সাতকানিয়া-লোহাগাড়া চট্টগ্রাম-১৫নং আসন এর সংসদ সদস্য প্রফেসর ড.আবু রেজা মুহাম্মদ নেজাম উদ্দিন নবভী এম.পি, বান্দরবান জেলা আওয়ামী লীগ এর সিনিয়র সহ-সভাপতি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য আলহাজ্ব মোহাম্মদ শফিকুর রহমান, বান্দরবান জেলা আওয়ামী লীগ এর সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুর রহিম চৌধুরী, বান্দরবান পৌর সভার মেয়র মোহাম্মদ ইসলাম বেবী, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পুরষদের সদস্য মোজাম্মেল হক বাহাদুর। এছাড়াও বান্দরবানের সাত উপজেলা কওমি উলাম পরিষদের নেত্রীবৃন্দগন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক গন উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে পাবর্ত্য প্রতিমন্ত্রী বলেন বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকার জনগনের কাছে যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তা বাস্তবায়ন করেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কওমি শিক্ষার সর্বোচ্চ স্তর দাওরায়ে হাদিস (তামিল) কে ‘আল হাইতুল উলয়া লিল জামি’আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’ এর অধীনে আরবি ও ইসলামিক স্টাডিজ বিষয়ে মাস্টার্সের সমমান স্বীকৃতি প্রদান করে জাতীয় সংসদে বিল পাশ করে আবারও সেটা জলজেন্ট প্রমান করেছেন মানবতার নেত্রেী আমার নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। আমরা মানুষের উন্নয়নে রাজনীতি করি,আমরা উন্নয়নে বিশ্বাসী,আমাদের সরকার কথা দিলে কথা রাখে,উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে পুনরই নৌকা মার্কায় আপনাদেও মহামূল্যবান ভোট দিয়ে আওমীলীগ সরকারকে ক্ষমতায় পাঠান,আমরা পুনরই সরকার গঠন করতে পারলে আগমীতে আপনাদের জন্য আরো বেশী বেশী উন্নয়নমূলক কাজ করার সুযোগ সুস্টি হবে। সভাপতির বক্তব্যে বলেন,আমরা কওমি উলামা ঐক্য পরিষদ পুর্বেও আপনাদের সাথে ছিলাম,বর্তমানে আছি, ভবিষ্যতে থাকবো ইনশাআল্লাহ। পরে প্রতিমন্ত্রী কওমি মাদ্রাসার সর্বপ্রকার সার্বিক সহযোগীতা প্রদান করার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন।

লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত আরাফাতের ময়দান

বান্দরবান অফিসঃ-মুসলমানদের সবচেয়ে বড় সম্মেলন পবিত্র হজের মূলপর্ব শুরু হয়েছে আজ সোমবার।

মিনা প্রান্তর থেকে ২০ লক্ষাধিক হাজী আরাফাতের ময়দানে পৌঁছাতে শুরু করেছেন। হাজীদের লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত আরাফাত প্রান্তর।

সেলাইবিহীন শুভ্র কাপড়ে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সারা বিশ্ব থেকে সমবেত মুসলমানরা আজ থাকবেন সেখানে।

আজ ফজরের নামাজের পর থেকেই আরাফাতের ময়দানে পৌঁছাতে শুরু করেছেন হাজীরা।

আগামীকাল মঙ্গলবার সৌদি আরবে পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে শেষ হবে হজের আনুষ্ঠানিকতা।

এর আগে মিনায় অবস্থান নেয়ার মধ্য দিয়ে শনিবার সন্ধ্যায় শুরু হয়েছে পবিত্র হজ পালনের আনুষ্ঠানিকতা।

রোববার সারা দিন ও রাত তারা মিনায় কাটান ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে। আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় মশগুল ছিলেন জিকির ও তালবিয়াতে। নামাজ আদায় করেন জামাতের সঙ্গে।

আজ সকালে হাজীরা সমবেত হয়েছেন প্রায় ৬ কিলোমিটার দূরে বিদায় হজের স্মৃতিজড়িত আরাফাতের ময়দানে। চার বর্গমাইল আয়তনের এ বিশাল সমতল মাঠের দক্ষিণ দিকে মক্কা হাদা তায়েফ রিংরোড, উত্তরে সাদ পাহাড়।

সেখান থেকে আরাফাত সীমান্ত পশ্চিমে আরও প্রায় পৌনে এক মাইল বিস্তৃত। পবিত্র এ ভূমিতে যার যার মতো সুবিধাজনক জায়গা বেছে নিয়ে তারা ইবাদত করবেন; হজের খুতবা শুনবেন এবং জোহর ও আসরের নামাজ পড়বেন।

সৌদি দৈনিক আল-আরাবিয়া জানিয়েছে, বাদশাহ সালমান এবার হজের খুতবা পড়ার দায়িত্ব দিয়েছেন মসজিদে নববীর ইমাম শেখ হুসেইন বিন আবদুল আজিজকে। এ খুতবা রেডিও ও টেলিভিশনে সম্প্রচার করা হবে বিশ্বময়।

এ আরাফাতে উপস্থিত না হলে হজ পূর্ণ হয় না। তাই হজে এসে যারা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, তাদেরও অ্যাম্বুলেন্সে করে আরাফাতের ময়দানে নিয়ে আসা হয় স্বল্প সময়ের জন্য।

ইসলামি রীতি অনুযায়ী, জিলহজ মাসের নবম দিনটি আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করে ইবাদতে কাটানোই হল হজ।

আরাফাত থেকে মিনায় ফেরার পথে আজ সন্ধ্যায় মুজদালিফায় মাগরিব ও এশার নামাজ পড়বেন সমবেত মুসলমানরা। মুজদালিফায় রাতে খোলা আকাশের নিচে থাকবেন তারা। এ সময়েই তারা সাতটি পাথর সংগ্রহ করবেন, যা মিনার জামারায় শয়তানকে উদ্দেশ্য করে ছোড়া হবে।

আগামীকাল মঙ্গলবার সকালে মিনায় ফিরে সেই পাথর তারা প্রতীকী শয়তানকে লক্ষ্য করে ছুড়বেন। এর পর কোরবানি দিয়ে ইহরাম ত্যাগ করবেন। সবশেষে কাবা শরিফকে বিদায়ী তাওয়াফের মধ্য দিয়ে শেষ হবে হজের আনুষ্ঠানিকতা।

সৌদি আরবের সংবাদমাধ্যমের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বের ১৬৪ দেশের ২০ লাখের বেশি মুসলমান এবার হজ করছেন, যাদের মধ্যে বাংলাদেশির সংখ্যা প্রায় সোয়া লাখ।

এতিম ও বৌদ্ধ অনাথালয়ের শিশুদের পাশে সহযোগিতার হাত বাড়ালেন মে হ্লা প্রু

সিএইচটি নিউজ ডেস্কঃ-বান্দরবানে ওছমান বিন আফফান (রাঃ) হেফজখানা ও এতিমখানার এতিম শিশু এবং বৌদ্ধ অনাথালয়ের শিশুদের পাশে দাড়িয়েছেন পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি’র সহধর্মিনী মে হ্লা প্রু।গতকাল বুধবার ২৫ জুলাই বিকালে বান্দরবান পৌরসভার রোয়াংছড়ি বাসস্টেশন এলাকায় বান্দরবান বৌদ্ধ অনাথালয় স্কুল এন্ড অনাথ আশ্রম এবং বান্দরবান পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড পশ্চিম বালাঘাটায় ওছমান বিন আফফান (রাঃ) হেফজখানা ও এতিমখানা পরির্দশনে যান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি’র সহধর্মিনী মে হ্লা প্রু।এসময় উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি কাউছার সোহাগ,পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মোজাম্মেল হক বাহাদুর’র সহর্ধমিনী লাকী বাহাদুর,১ নং ওয়ার্ড পৌর কাউন্সিলর আবুল খায়ের আবু,পৌর মহিলা আওয়ামী লীগে সহ-সভানেত্রী এ মেচিং মার্মা, ১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি শামসুল ইসলাম সানু,জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি আশীষ বড়ুয়া,পৌর ছাত্রলীগের সদস্য সচিব কাজী আশরাফ হোসেন আশু,সাবেক ছাত্রনেতা আকাশ চৌধুরী,১ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি মোহাম্মদ হাকিম চৌধুরীসহ স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা।এসময় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি’র সহধর্মিনী মে হ্লা প্রু বলেন,তোমরা কেউ এতিম নও,তোমাদের সাথে আমরা আছি, তোমরা আমাদের পরিবারের সন্তান।এসময় তিনি ওছমান বিন আফফান (রাঃ) হেফজখানা ও এতিমখানার ৬০জন শিক্ষার্থীর মাঝে ৩ শত কেজি চাউল এবং আর্থিক সাহায্য প্রদান করেন।পরে বান্দরবান বৌদ্ধ অনাথালয় স্কুল এন্ড অনাথ আশ্রমের ১৩০ জন শিক্ষার্থীর জন্য ৫ শত কেজি চাউল এবং আর্থিক সাহায্য প্রদান করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি’র সহধর্মিনী মে হ্লা প্রু।