আজকে ২৬ এপ্রিল, ২০১৯ | | সময়ঃ-০২:৩০ অপরাহ্ন    

Home » জেলার-খবর

জেলার-খবর

নুসরাত হত্যাকাণ্ডে জড়িত রুহুল আমিনের মূল পরিচয় জানুন

নিউজ ডেস্কঃ- মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহানকে যৌন নিপীড়নের পর আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে ফেনীর সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি রুহুল আমিনকে আটক করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। শুক্রবার বিকালে পৌরসভার তাকিয়া রোড এলাকার নিজ কার্যালয় থেকে তাকে আটক করা হয়। নুসরাতের শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন দেয়ার পর থেকেই তার দিকে অভিযোগের তীর বিদ্ধ হচ্ছিল। মামলার আসামিদের জবানবন্দিতে নুসরাত হত্যার সঙ্গে জড়িত বলে তার নাম আসে।
এদিকে রুহুল আমিনকে গ্রেপ্তার করার পর বেরিয়ে আসে তার বিরুদ্ধে কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। যা রীতিমত অবাক করেছে সবাইকে। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দলে থাকলেও আগে তিনি জাতীয় পার্টির ফেনী জেলার সদস্য পদে ছিলেন। ১৯৯৭ সালে রুহুল আমিন আওয়ামী লীগে যোগ দিলেও ২০০১ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ নয় বছর তিনি সৌদি আরবে অবস্থান করছিলেন। এরপর দেশে ফিরে তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের নির্বাচিত সদস্য হিসেবে ২০১৩ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত টানা তিনবছর দায়িত্বে ছিলেন। এদিকে তিনি পূর্বে জাতীয় পার্টির জেলা সদস্য হিসেবে দায়িত্বে থাকলেও ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য নিজাম হাজারীর ছত্রছায়ায় তিনি ২০১৮ সালে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে অধিষ্ঠ হোন।
এদিকে আরো বেশি কিছু তথ্য বের হয়ে এসেছে রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে। রুহুল আমিনের পরিবারে তার দুইভাই আছে। তাদের দুইজনই এলাকায় বিএনপির কর্মী হিসেবে পরিচিত। তার বড় ভাই আবুল কাসেম যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সদস্য পদে আছেন। তার ছোট ভাই সুফিয়ান সোনাগাজীতে থেকে স্থানীয় বিএনপির কর্মী হিসেবে আছেন। রুহুল আমিনের তিন ছেলে মেয়ে ও তার স্ত্রী বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন। বছরে দুইবার তিনি সেখানে যাতায়াত করেন। এছাড়াও রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে মৃত্যুঘাতী মাদক ইয়াবার সাথে সখ্যতারও সংবাদ পাওয়া গিয়েছে। স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সোনাগাজী উপজেলা যুবদলের সম্পাদক খোরশেদ আলম ও কুখ্যাত ইয়াবা ব্যবসায়ী দুলালের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।

শপথ নিতে ভোটারদের হুঁশিয়ারি, আতঙ্কে বিএনপির বিজয়ী প্রার্থী জাহিদ

নিউজ ডেস্কঃ-  একাদশ সংসদে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ নেয়ার সময় ফুরিয়ে আসছে৷ হাতে আছে ১০ দিনেরও কম সময়৷ অন্যদিকে শপথ বিষয়ে ভোটারদের চাপ তো আছেই। তবুও বিএনপির নোংরা রাজনীতির বলি হতে চলেছেন একাধিক অসহায় বিজয়ী প্রার্থী। এমনই একজন ঠাকুরগাঁও-৩ আসন থেকে বিজয়ী প্রার্থী জাহিদুর রহমান। সম্প্রতি তিনি প্রকাশ্যে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, শপথ না নিলে তার এলাকার লোকজন তাকে হেনস্তা করতে পারে। এমনকি শারীরিকভাবে লাঞ্ছিতও করতে পারে। তার ভাষ্যমতে, ঠাকুরগাঁওয়ের জনগণ ইতোমধ্যেই শপথ না নিলে তাদের সঙ্গে বেইমানি করা হবে বলেও হুমকি ধমকি দিতে শুরু করেছেন।

এ প্রসঙ্গে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের অধিভুক্ত রানীশংকৈল উপজেলার হোসেনগাঁও ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দা আবুল হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, একাদশ নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী জাহিদুর রহমানকে স্থানীয় জনগণ সংসদে জনগণের কথা জানানোর জন্য ভোট দিয়েছেন। জনগণের সমস্যার কথাই যদি তিনি সংসদে বলতে না পারেন তাহলে নির্বাচনে দাঁড়ানোর কোনো প্রয়োজন ছিলো না। শপথ না নিলে বিএনপি নেতা জাহিদুর রহমান এলাকায় আর কখনো ঢুকতে পারবেন কিনা সন্দেহ আছে।

তিনি বলেন, বিএনপির নোংরা রাজনীতির জন্য ঠাকুরগাঁও-৩ আসন থেকে বিজয়ী প্রার্থী জাহিদুর রহমান শপথ নিতে চাচ্ছেন না। যা স্থানীয় জনগণ কখনই মানবে না। সাধারণ জনগণ মনে করেন, জনগণের স্বার্থে তার শপথ নেয়া উচিত।

প্রসঙ্গত, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট থেকে মোট ৮ জন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন৷ তাদের মধ্যে ছয় জন বিএনপি’র এবং দুই জন গণফোরামের৷ ৩০ জানুয়ারি জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসলেও ৮ মার্চ শপথ নেন মৌলভীবাজার-২ আসন থেকে গণফোরামের সংসদ সদস্য সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ৷ আর ২ এপ্রিল শপথ নেন গণফোরাম থেকে নির্বাচিত আরেকজন সংসদ সদস্য সিলেট-২ আসন থেকে নির্বাচিত মোকাব্বির খান।

তবে বিএনপি থেকে নির্বাচিত ছয় জন এখনো শপথ নেননি৷ নির্বাচনের পরপরই বিএনপি তথা জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে নির্বাচন বয়কট করে৷ দলের নির্বাচিত এমপিরা শপথ নেবেন না বলে জানানো হয়৷ পরে গণফোরামের দুই এমপি শপথ নিলেও বিএনপির বিজয়ীরা সংসদে যাবে না বলে স্পষ্ট ঘোষণা দেয়া হয়। এ নিয়ে দলের অভ্যন্তরে মতানৈক্য দেখা দিলেও শপথ না নেয়ার সিদ্ধান্তেই অনড় দলের একাংশ।

নুসরাত কে বাঁচানো গেল না

ডেস্ক রিপোর্টঃ- যৌন নিপীড়নের প্রতিবাদের কারণে গায়ে কেরোসিন ঢেলে পুড়িয়ে দেওয়া ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি মারা গেছেন।
পাঁচ দিন ধরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন ছিলেন নুসরাত। প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়ার নির্দেশ দিলেও শারীরিক অবস্থার কারণে তা সম্ভব হচ্ছিল না।আজ বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটের সমন্বয়ক সামন্ত লাল সেন।ফেনীর সোনাগাজীর মেয়ে নুসরাত এ বছর আলিম পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছিলেন।ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ-দৌলার বিরুদ্ধে ‘শ্লীলতাহানির’ অভিযোগ এনে গত মার্চে সোনাগাজী থানায় একটি মামলা করে নুসরাতের পরিবার।সেই মামলা তুলে না নেওয়ায় অধ্যক্ষের অনুসারীরা গত শনিবার নুসরাতের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় বলে মেয়েটির পরিবারের অভিযোগ।
অগ্নিদগ্ধ নুসরাতকে প্রথমে সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে ফেনী সদর হাসাপাতালে এবং পরে শনিবার রাতেই তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে যাওয়া নুসরাতের অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় সোমবার তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।

উন্নয়নের জোয়ারে বদলে গেছে পতেঙ্গা সৈকত

নিউজ ডেস্কঃ-দেশে প্রতিটি পর্যটন স্পটে পর্যটনদের সংখ্যা বাড়াতে নতুন করে প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। এর আওতায় পর্যটন স্পটগুলোতে নতুন করে সাজানোর কাজ শুরু করেছে সরকার। এর অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতকে নতুন আঙ্গিনায় নিয়ে গেছে সরকার। এই সমুদ্র সৈকতে আগের বড় পাথর বদলিয়ে দেয়া হয়েছে ছোট বড় রঙ বেরঙের পাথর। নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ হাটার রাস্তা। সেই সাথে করা হয়েছে চোখ জুড়ানো ফুলের বাগান। আর সম্পূর্ণ এই কাজটি করা হয়েছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে।
সৈকতের স্বল্প দূরত্বে করা হয়েছে বসার স্থান, হাঁটার পথ ও সবুজ বাগান। পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে দর্শনার্থীদের ভিড় বেড়েছে আগের তুলনায়। রাতের আলো ঝলমল পরিবেশ যেন অপরূপ দৃশ্য। পুরোপুরি বদলে গেছে আগের পরিবেশ।
একদিকে সমুদ্র তলদেশ দিয়ে নির্মিত হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম টানেল। এ টানেল সন্নিহিত এলাকায় নির্মিত হচ্ছে ১৭ কিলোমিটারব্যাপী সিটি আউটার রিং রোড। আনুষ্ঠানিকভাবে এ রিং রোড খুলে দেওয়া না হলেও সমুদ্রের অপরূপ দৃশ্য উপভোগে ইতোমধ্যে সৌন্দর্য পিপাসুদের ভিড় জমজমাট রূপ নিচ্ছে। বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নারী-পুরুষ ও শিশুদের উপস্থিতি। এ যেন হাজারও মানুষের মিছিল। দুই ভাগে সৈকতের পাঁচ কিলোমিটারজুড়ে দু’পাশে যতদূর চোখ যায়, কেবল মানুষ আর মানুষ।
পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতের ৫ কিলোমিটারেরও বেশি ওয়াকওয়েতে একসঙ্গে ৫০ হাজার মানুষ হাঁটতে পারবে। এলাকাটিকে দুটি জোনে ভাগ করা হয়েছে। জোন ওয়ান ও জোন টু। জোন ওয়ান হচ্ছে সমুদ্রসৈকত। জোন টু হচ্ছে পাঁচ কিলোমিটার শেষে রিং রোড। সেখান থেকে আসা-যাওয়ার জন্য ক্যাবল কারের ব্যবস্থা থাকবে। পর্যায়ক্রমে ফাইভ স্টার হোটেল, কনভেনশন হল, শপিং মলসহ সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত এলাকা গড়ে তোলা হবে।
পরিবার-পরিজন, বন্ধু ও প্রিয় মানুষকে নিয়ে দর্শনার্থীরা চষে বেড়াচ্ছে আধুনিক পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত। কেউ ব্যস্ত সুসজ্জিত বাগানের ফুলের সঙ্গে ছবি তুলতে। কেউ বা বসার আসনে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন আয়েশে। অনেকে আবার হাঁটাপথ (ওয়াকওয়ে) ধরে সমুদ্রের সৌন্দর্য উপভোগ করছিলেন। কেউ কেউ একটু নিচে নেমে সমুদ্রের বালুচরে হেঁটে বেড়াচ্ছেন। সমুদ্রের ঢেউয়ের সঙ্গে পানিতে গোসল করছেন মনের আনন্দে। বাগানে ফোটা ফুলের ঘ্রাণে মুগ্ধ হয়ে উপভোগ করছেন সমুদ্রের বিশালতা। স্পীড বোটে চড়ে চক্কর দিচ্ছেন সমুদ্রে। অন্যদিকে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশ ও বিচ কমিউনিটি পুলিশকে তৎপর থাকতে দেখা গেছে। বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোতে অতিরিক্ত দর্শনার্থীদের বিষয়টি মাথায় রেখে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।
এদিকে নতুন করে সাজানোর পর থেকে আগের তুলনায় বেশ আনাগোনা বেড়ে সৈকত এলাকায়। নতুন করে বসা ও হাটার জায়গা তৈরি করার কারণে অনেকেই আসছেন তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে। ভ্রমণের ফাকে তারা জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের এই পর্যটন স্পটকে ঘিরে যে কাজটি করেছেন তার কারণে আমরা উনার প্রতি চির কৃতজ্ঞ থাকবো। মুন নামের অন্য এক দর্শনার্থী বলেন, আগে এই এলাকায় আলো কম ছিলো। সন্ধ্যার পরই এখানে ভুতুড়ে পরিবেশে সৃষ্টি হতো। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই সৈকতকে নজর দিয়ে কাজের মতো কাজ করেছেন। এখন রাতে একা হাঁটলেও ভয় লাগে না। কারণ চারদিকে আলো আর আলো। প্রতিটি স্পটে নিরাপত্তা বাহিনী টহলে থাকে। আমরা শেখ হাসিনার প্রতি চির কৃতজ্ঞ।

রাঙ্গুনিয়ায় লামা উপজেলা চেয়ারম্যানের পাজেরো-অটোরিক্সা সংঘর্ষ: বাবা-মেয়ে নিহত, আহত ৪

ডেস্ক রিপোর্টঃ-লচট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কের রাঙ্গুনিয়ায় বান্দরবান জেলার লামা উপজেলা পরিষদ পরিষদ চেয়ারম্যানের গাড়ি (বান্দরবান-ঘ-১১-০০১৮) ও নম্বরবিহীন অটোরিক্সার সাথে সংর্ঘষে বাবা-মেয়ে নিহত হয়েছে, আহত হয়েছে ৪ জন। নিহত ব্যক্তির নাম আবদুল আজিজ (৩৫) ও তার শিশু কন্যা আছিয়া আক্তার (৩)।
আহত হয়েছেন স্ত্রী তাহেরা বেগম (২৩) ও তাদের বহনকারী অটোরিকশা চালক মো. কাঞ্চন। তাঁদের বাড়ি রাঙ্গুনিয়া উপজেলার কোদালা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে। তাঁদের চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে হাসপাতালের জরুরী বিভাগ সূত্রে জানা গেছে। আহত লামা উপজেলা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান থোয়াই নু অং চৌধুরী (৪৯) ও তাঁর পুত্র অংকিয় চৌধুরী (৮) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে জিয়াউর রহমান গাড়ি চালক সামান্য আঘাত পান বলে প্রত্যক্ষদশীরা জানিয়েছেন।
রোববার (৩১ মার্চ) পোমরা ইউনিয়নের সেলিমা কাদের কলেজ গেইট এলাকায় সকাল ৯ টার দিকে এই দূর্ঘটনা ঘটে।
রাঙ্গুনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তোফা ফজল ও রবিউল হোসেন বলেন, “লামা উপজেলা চেয়ারম্যান ও তাঁর পুত্র সামান্য আঘাত পেয়েছেন। তাঁরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গিয়েছেন।” উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের অফিস সহকারি কামরুল হাসান মুঠোফোনে বলেন, “ উপজেলা চেয়ারম্যান কাপ্তাইয়ের চন্দ্রঘোনায় শশুড় বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছিলেন। চেয়ারম্যান ও তাঁর ছেলে আহত হয়েছেন খবর পেয়েছি।” রাঙ্গুনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) ইমতিয়াজ মো. আহসানুল কাদের ভুঞা বলেন, “ দূর্ঘটনার খবর শুনে ঘটনাস্থলে গিয়েছি। বেপরোয়া গাড়ী চালানোর এই দূর্ঘটনা ঘটে।”
আরও খবর

নুর হোসেনের বান্ধবী সেই নীলা ফের আলোচনায়!

ডেস্ক রিপোর্টঃ-আবারো আলোচনায় উঠে এসেছে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর জান্নাতুল ফেরদৌস নীলা। সে নারায়ণগঞ্জের আলোচিত ৭ খুন মামলার ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সাবেক কাউন্সির নুর হোসেনের বান্ধবী।

৭ খুনের ঘটনার পর নীলাকে নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠে। সিদ্ধিরগঞ্জের একটি হত্যা মামলায় রোববার বিকালে তদন্ত সংস্থা সিআইডি তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। আর এতে করে ফের আলোচনায় উঠে আসে নীলা।

সিদ্ধিরগঞ্জের মাদক ব্যবসায়ী খায়রুল ইসলাম জুয়েল হত্যা মামলার অধিকতর তদন্তের অংশ হিসেবে মামলার তদন্ত অফিসার জেলা সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মো. ছরোয়ার জাহান সরকার রোববার বিকালে নীলাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এ মামলায় নীলা জামিনে রয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক হাবিবুর রহমান বলেন, ২০১৩ সালের ২৬শে অক্টোবর নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন আজিবপুর গ্রাম থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ে মস্ককবিহীন একটি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করার পর জানতে পারে মরদেহটি নোয়াখালী জেলার মাসুমপুর গ্রামের ফিরোজ খানের ছেলে খায়রুল ইসলাম জুয়েলের (৩০)।

আদালত সূত্রমতে, জুয়েল হত্যা মামলায় কিলার লঞ্চ সোহেল, কালা সোহাগ ও মনা ডাকাত নামে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তারা হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

সেখানে তারা বলেছিলেন, মাদক ব্যবসার দেনা-পাওনা নিয়ে নীলার সঙ্গে জুয়েলের বিরোধ দেখা দেয়। এতে নীলার নির্দেশে খায়রুল ইসলাম জুয়েলকে গলা কেটে হত্যার পর দেহ এক স্থানে ও মাথা আরেক স্থানে ফেলে দেন তারা। আসামিদের স্বীকারোক্তির পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ নীলাকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেয়।

পুলিশ এই হত্যা মামলায় নীলাসহ ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেয়। কিন্তু পুনরায় মামলাটি সিআইডি তদন্ত করতে গিয়ে নীলাসহ ১৭ জনকে অব্যাহতির আবেদন করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন জেলা সিআইডির পরিদর্শক মো. নূরুন নবী।

যদিও অব্যাহতি চাওয়া ১৭ জন আসামির মধ্যে ১৩ জনের নাম স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে রয়েছে। এছাড়া সিআইডির অভিযোগপত্রে ২৫ জনের মধ্যে ৮ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

কিন্তু সেখানে অধিকাংশ আসামিকে কেন অব্যাহতির আবেদন করা হয়েছে তার ব্যাখ্যা চার্জশিটে বিস্তারিত উল্লেখ করেননি তদন্ত কর্মকর্তা। তাই আদালত মনে করেছেন এ চার্জশিটটি স্পষ্ট নয় এবং দাখিলকৃত চার্জশিট সন্তোষজনক বলে প্রতীয়মান হয় না।

সূত্রটি আরও জানায়, আসামিদের জবানবন্দি ন্যায় বিচারের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হওয়ায় ২০১৬ সালের ২১শে জুলাই নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অশোক কুমার দত্তের আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য জেলা সিআইডিকে নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য সাতখুনের ঘটনার পর জান্নাতুল ফেরদৌস নীলা ব্যাপকভাবে আলোচনায় উঠে আসেন। কারণ তিনি ৭ খুন মামলার অন্যতম আসামি নুর হোসেনের বান্ধবী। ২০১১ সালের ৩০শে অক্টোবর নাসিকের নির্বাচনে সংরক্ষিত ওয়ার্ডে (৪, ৫ ও ৬) নারী কাউন্সির নির্বাচিত হন জান্নাতুল ফেরদৌস নীলা। একই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতা নুর হোসেন ৪নং ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। এর অল্প দিনের মাথায় নুর হোসেনের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে উঠে নীলার।

২০২২ সালেই যাত্রা শুরু করবে বঙ্গবন্ধু টানেল

নিউজ ডেস্কঃ-ক্ষুদ্র আয়তনের একটি উন্নয়নশীল দেশ হয়েও বাংলাদেশ ইতোমধ্যে সারা বিশ্বের নিকট প্রাকৃতিক দুর্যোগের নিবিড় সমন্বিত ব্যবস্থাপনা, ক্ষুদ্র ঋণের ব্যবহার এবং দারিদ্র দূরীকরণে তার ভূমিকা, জনবহুল দেশে নির্বাচন পরিচালনায় স্বচ্ছ ও সুষ্ঠুতা আনয়ন, বৃক্ষরোপণ, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সূচকের ইতিবাচক পরিবর্তন প্রভৃতি ক্ষেত্রে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে। ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে জন্ম নেওয়া এই বাংলাদেশকে আজকের অবস্থানে আসতে অতিক্রম করতে হয়েছে হাজারো প্রতিবন্ধকতা। বাংলাদেশে হচ্ছে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ।
বাংলাদেশের মানুষ আগে বড় প্রকল্পের বাস্তব রূপ দেখার স্বপ্নও দেখতে পারতো না। দুর্নীতির চাপে পড়ে এই স্বপ্ন মুহূর্তেই ধূলিসাৎ হয়ে যেত। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে একে একে হাতে নেওয়া শুরু করেন বিভিন্ন বড় বড় প্রকল্পের কাজ। ইতোমধ্যে বাস্তবে রূপ নিতে শুরু করেছে এই প্রকল্পগুলো।
এদিকে ‘ফাস্ট ট্র্যাক’ বা দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য অগ্রাধিকার পাওয়া ১০টি বড় উন্নয়ন প্রকল্পে গতি বাড়ানোর উদ্যোগ নিচ্ছে নতুন সরকার। এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজের গতি আশানুরূপ ছিল না। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা, ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসারের মাধ্যমে উচ্চতর প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে প্রকল্পগুলোকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিয়েছে সরকার। গত নভেম্বর মাস পর্যন্ত প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের তৈরি করা প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ফাস্ট ট্র্যাকভুক্ত পদ্মা বহুমুখী সেতু, মেট্রোরেল, পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প, দোহাজারী থেকে ঘুনদুম পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, এলএনজি টার্মিনাল, রামপাল থার্মাল পাওয়ার প্লান্ট, পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দর ও সোনাদিয়া গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্প লক্ষ্য অনুযায়ী বাস্তবায়ন কাজ এগিয়েছে লক্ষ্যণীয় গতিতে।
এইসব বড় বড় প্রকল্পের সাথে সাথে নতুন করে যুক্ত হয়েছে বঙ্গবন্ধু টানেল। কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ এই টানেলের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে। আগামী ২০২২ সাল থেকেই এই টানেল দিয়ে যান চলাচল শুর করবে।
প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে ৯ হাজার ৮৮০ কোটি টাকায় নির্মাণ করা হচ্ছে ৩ হাজার ৫ মিটার দীর্ঘ টানেল। এটি দেশের প্রথম টানেল প্রকল্প। টানেলটি নেভাল একাডেমি পয়েন্ট থেকে শুরু হয়ে কাফকো ও সিইউএফএল পয়েন্টের মাঝখান দিয়ে অপর প্রান্তে যাবে। ৪ হাজার ৭৯৯ কোটি ৪৪ লাখ টাকার যোগান দেবে চীনের এক্সিম ব্যাংক। বাকি টাকা সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে দেওয়া হবে।
নদীর তলদেশে সর্বনিম্ন ৩৬ ফুট থেকে সর্বোচ্চ ১০৮ ফুট গভীরে স্থাপন করা হবে দু’টি টিউব। কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণের জন্য ২০১৪ সালের ১০ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে বেইজিংয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। টানেলটি নির্মাণ করছে চীনা প্রতিষ্ঠান চায়না কমিউনিকেশনস কন্সট্রাকশন কোম্পানি (সিসিসিসি)। প্রকল্পের ৩২ শতাংশ কাজ এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে সেতু কর্তৃপক্ষ। ২০২২ সালে প্রকল্পটির কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

নির্মিত হতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে

নিউজ ডেস্কঃ-আগামীকাল থেকে শুরু হতে যাচ্ছে বন্দর নগরী চট্টগ্রামের প্রথম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণ কাজ। এটির কাজ শেষ হলে চট্টগ্রামের বিমানবন্দর সড়ক ও সমুদ্রবন্দর কেন্দ্রিক যানজট নিরসনের আশা করছে কর্তৃপক্ষ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কতৃক একই দিনে এলিভেটেড এক্সপ্রেস নির্মাণ প্রকল্পের উদ্বোধন করার পাশাপাশি মেগাপ্রকল্প কর্ণফুলীর তলদেশে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল’-এর বোরিং কাজের উদ্বোধন কর্মসূচীর কথা রয়েছে।
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (চউক) ৩ হাজার ২৫০ কোটি ৮৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এই এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণ কাজে হাত দিয়েছে, যা আগামীতে নগরীর বহদ্দারহাট থেকে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজতর ও দ্রুততর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নগরীর লালখান বাজার থেকে চট্টগ্রাম বন্দর ঘেঁষে চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের প্রতিটি জংশনে অর্থাৎ টাইগারপাস, আগ্রাবাদ, বারিক বিল্ডিং, নিমতলা, চট্টগ্রাম কাস্টম, চট্টগ্রাম ইপিজেড, কর্ণফুলী ইপিজেড, কাটগড়, পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত মোড়সহ বিভিন্ন জংশনে যানবাহন উঠানামার জন্য ১৮টি র‌্যামের ব্যবস্থা রাখা হবে। এছাড়া টাইগারপাস, আগ্রাবাদ, কাস্টম, ইপিজেড এবং কাটগড়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ জংশনসমূহে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে বাস-বে নির্মাণেরও সুবিধা থাকবে বলে প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের সূত্রে জানা গেছে।
ব্যয়বহুল এ প্রকল্পে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ২০ ভাগ অর্থাৎ ৬শ’ কোটি টাকা এবং বাকি ২ হাজার ৪শ’ কোটি টাকা দেবে সিএটিআইসি-ইএনজি। প্রকল্প বাস্তবায়নে সময় লাগবে ৩৬ মাস। ৬০ ফুট প্রশস্ত চার লেনের এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ওঠা-নামার পথ থাকবে ছয়টি। এর মধ্যে ইপিজেড, কাস্টম মোড়, আগ্রাবাদ, টাইগারপাস, সদরঘাট এবং ফিশারি ঘাটে ওঠা-নামার পথ থাকবে বলে চউক সূত্রে জানা গেছে।
এছাড়া একই দিনে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণের বোরিং উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কর্ণফুলী নদীর তলদেশে ৯ হাজার ৮৮০ কোটি টাকায় নির্মাণ করা হচ্ছে ৩ হাজার ৫ মিটার দীর্ঘ টানেল। টানেলটি নেভাল একাডেমি পয়েন্ট থেকে শুরু হয়ে কাফকো ও সিইউএফএল পয়েন্টের মাঝখান দিয়ে অপর প্রান্তে যাবে। নদীর তলদেশে সর্বনিম্ন ৩৬ ফুট থেকে সর্বোচ্চ ১০৮ ফুট গভীরে স্থাপন করা হবে দুটি টিউব।
২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে এক নির্বাচনী জনসভায় তার বক্তব্যে ঘোষণা দিয়েছিলেন, তার দল যদি নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করতে পারে, তাহলে তিনি চট্টগ্রামের উন্নয়ন নিজ কাঁধে নেবেন। নগরবাসীকে দেওয়া সেই প্রতিশ্রুতি তিনি রক্ষা করেছেন। একের পর এক উন্নয়নে পাল্টে যাচ্ছে বন্দর নগরীর চিত্র।

লামার ইলিয়াছ ৩০ হাজার ইয়াবাসহ চট্টগ্রামে গ্রেফতার

বান্দরবান অফিসঃ-চট্টগ্রাম নগরের বন্দর এলাকা থেকে ৩০ হাজার পিস ইয়াবাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ০২ ফেব্রুয়ারি শনিবার বন্দর এলাকার মনছুর মার্কেটের সামনে থেকে একটি ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন-কুমিল্লার মো. খুরশীদ (৩০), বান্দরবানের লামা পৌরসভার চেয়ারম্যান পাড়া এলাকার মো. জহিরের ছেলে মো. ইলিয়াছ (২৮) ও নগরের আকবর শাহ এলাকার আবু বক্কর সোহাগ (২৫)।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পু্লিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (বন্দর জোন) আরেফিন জুয়েল বলেন, ভোরে একটি ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে ৩০ হাজার ইয়াবাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে বন্দর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

নতুন জীবনে ফিরছে দেড়শ ইয়াবা কারবারি

নিউজ ডেস্কঃ-বাংলাদেশে মাদক কারবারি নতুন কিছু নয়। বহুবছর আগে থেকেই এই দেশে মাদক কারবারি চলে আসছে। আগে দেশে মাদক বলতে গাঁজা, ফেন্সিডিল আর হেরোইনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও বেশ কয়েক বছর ধরে দেশে নতুন মাদক হিসেবে যোগ হয় ইয়াবা। সস্তা ও সহজলভ্য হওয়ায় মাদকাসক্তদের মাঝে নতুন মাদক হিসেবে প্রবেশ করে ইয়াবা। মিয়ানমারের সীমান্ত দিয়ে দেশের ভেতর ঢুকে পড়া এই মাদক সহজেই আসক্তদের হাতে হাতে পৌঁছে যাচ্ছে।
ছোট থেকে বড় প্রায় সবাই ইয়াবার নেশায় আসক্ত হচ্ছে। যা রীতিমত উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শেখ হাসিনার বর্তমান নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রায় নিয়মিতভাবে মাদক কারবারিরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়তে শুরু করেছে। এর ফলে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসে পড়েছে মাদক। তবে এর মধ্যে একটি বিষয় জনগণের মাঝে খুশির সংবাদ বয়ে নিয়ে আসছে। তা হল, প্রায় দেড়শ ইয়াবা কারবারিরা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। যেই জেলা দিয়ে মিয়ানমার থেকে দেশের বাজারে ইয়াবা প্রবেশ করে, সেই জেলাতেই হয়েছে এই আত্মসমর্পণের অনুষ্ঠান।
শনিবার সকালে টেকনাফ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ.বি.এম. মাসুদ হোসেন অনুষ্ঠানের ব্যাপারটি নিশ্চিত করেছেন।
এসপি জানান, অনুষ্ঠানের আগেই দেড় শতাধিক তালিকাভুক্ত ও চিহ্নিত ইয়াবা চোরাকারবারি আত্মসমর্পণের জন্য কক্সবাজারের বিশেষ একটি স্থানে নিজেদের উদ্যোগে নিরাপদ হেফাজতে জড়ো হয়েছিলেন। আরও অনেকে পুলিশসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন।
এদিকে আত্মসমর্পণকারীরা স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ পাবেন বলে জানান এই ‍পুলিশ কর্মকর্তা।
১৫ ফেব্রুয়ারি সকালে বিমানে কক্সবাজার পৌঁছান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ওইদিন বিকালে কক্সবাজারে জেলার ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। আজ সকালে তিনি টেকনাফে আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে যান।
আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠান এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আগমনের সার্বিক প্রস্তুতির তদারকিতে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী তার আগেই কক্সবাজারে এসেছেন বলেও জানান এসপি।
এসপি মাসুদ জানান, গত বছরের শেষ দিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের করা সর্বশেষ তালিকায় ইয়াবা পাচারকারী হিসেবে চিহ্নিত ১ হাজার ১৫১ জন কক্সবাজারের। তাদের মধ্যে শীর্ষ ইয়াবা চোরাকারবারি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে ৭৩ জনকে।
আত্মসমর্পণকারীদের নতুন সুস্থ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে বলে জানা গেছে।