আজকে ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯ | | সময়ঃ-১২:০৮ অপরাহ্ন    

Home » ক্রীড়াঙ্গণ

ক্রীড়াঙ্গণ

শারীরিক সুস্থতায় ক্রীড়ার কোন বিকল্প নেই: মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং

বান্দরবান অফিসঃ- পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি শারীরিক সুস্থতার জন্য ক্রীড়ার কোন বিকল্প নেই। শারীরিক প্রশান্তি ও মানসিক উন্নয়নে ক্রীড়া অগ্রনী ভুমিকা পালন করে। এছাড়াও খেলাধুলার মাধ্যমে একটি শিশুকে একজন সুশৃংঙ্খল জাতিতে পরিনত করা যায়, খেলাধুলা মানুষকে শৃংঙ্খলা ও সহানুভুতিতা শেখায়। তাই প্রতিটি মানুষের জীবন গঠনে পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলার পরির্”চা অপরিসীম।এসময় পার্বত্য মন্ত্রী আরো বলেন, লেখা পড়ার পাশাপাশি শারীরিক সুস্থতার জন্য ক্রীড়ার কোন বিকল্প নেই। শারীরিক প্রশান্তি ও মানসিক উন্নয়নে ক্রীড়া অগ্রনী ভুমিকা পালন করে। নৈসর্গিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি বান্দরবানের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বান্দরবান ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০১৯ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী গতকাল শনিবার বিকালে কলেজ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।শান্তির প্রতীক শ্বেত কপোত এবং বেলুন উড্ডয়নের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। বিএনসিসির চৌকস ক্যাডেট, গার্ল গাইডস সমূহ, ফুল দৌড়, দৃষ্টিনন্দন রিলে সহ কয়েকটি ইভেন্টের প্রতিযোগিতা, ভিভিআইডি অতিথিদের অংশগ্রহণে গলফ খেলা অনুষ্ঠিত হয়।প্রতিষ্ঠানের তায়কোয়ান্দো দলের চমকপ্রদ শারীরিক কসরত এবং ডিসপ্লে দলের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনায় দর্শক মন্ত্রমুগ্ধ হয়। ডিসপ্লেতে নজরুল হাউজ আবহমান বাংলার সংস্কৃতি, শহীদুল্লাহ হাউজ মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ এবং বরকত হাউজ ক্ষুদ্র-নৃ-গোষ্ঠির সংস্কৃতিক সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলে।এসময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠান পরিচালনা পর্ষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি লেঃ কর্ণেল এস এম আব্দুল্লাহ আল-আমিন, পিএসসি।স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ লে: কর্ণেল মো: রেজাউল ইসলাম পিএসসি, পিএইচডি, এইসি।এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আলী হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ আবু হাসান সিদ্দিক, বান্দরবান সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুছ, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য লক্ষীপদ দাশ, সদস্য মো: মোজাম্মেল হক বাহাদুর, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবান ইউনিটের প্রকল্প পরিচালক এম আব্দুল আজিজ, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবান ইউনিটের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বিন মোহাম্মদ ইয়াছির আরাফাত, প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাচ্চু, মাসিক নীলাচল পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক আলহাজ¦ মোহাম্মদ ইসলাম কোম্পানী সহ পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি বিজয়ী হাউস ও বিভিন্ন ইভেন্টের খেলা প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

বান্দরবানে শুরু হল শীতকালীন ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা

স্পোর্টস ডেস্কঃ- ব্যাডমিন্টন খেলোড়ারদের উৎসাহ যোগাতে বান্দরবানে শুরু হল শীতকালীন ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা । বুধবার সন্ধায় বান্দরবান জেলা আউটার স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় টুর্নামেন্টের উদ্বোধণী খেলা।
এতে অংশগ্রহন করে আহসান উল আলম রুমু ও তার সাথী বনাম আরিফুর রহমান ও সাথী। উদ্বোধনী খেলায় রুমু ও তার সাথীকে হারিয়ে জয়লাভ করে আরিফ ও সাথী।
লীগ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত এ টুর্নামেন্টে দুইটি গ্রæপে সিঙ্গেল খেলায় ১৩ জন ও দ্বৈত খেলায় ৯টি দল অংশগ্রহন করে। টুর্ণামেন্ট কমিটির সদস্য সচিব ওমর ফারুক জানান, লীগ পদ্ধতিতে গ্রæপ পর্বের খেলা শেষে নক আউট পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে সেমি ফাইনাল ও ফাইনাল খেলা। সন্ধা ৭টা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত চলবে গ্রæপ পর্বের সকল খেলা। সিঙ্গেল ও ডাবল গ্রæপের প্রতিদিন ৮টি খেলা অনুষ্ঠিত হবে।

 

বিপিএলের চট্টগ্রাম পর্ব ঘিরে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা

নিউজ ডেস্কঃ-বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ টি-২০ (বিপিএল) এর ৬ষ্ঠ আসর এবং ইংল্যান্ড অনুর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলের চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিতব্য ম্যাচগুলো সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার স্বার্থে ৬টি নিরাপত্তা নির্দেশনা দিয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)।

বৃহস্পতিবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় সিএমপি কনফারেন্স হলে আয়োজিত নিরাপত্তা সমন্বয় সভায় এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সভায় গৃহীত নিরাপত্তা নির্দেশনাগুলো হল- ব্যাগ, ব্যাকপ্যাক, সফট ড্রিংকস, টিফিন বক্স, ক্যামেরা, অ্যালকোহল, পানির বোতল (কাঁচের বোতল/টিনের ক্যান), মার্বেল অর্থাৎ নিক্ষেপযোগ্য কোন পদার্থ নিয়ে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করা যাবে না।

আগ্নেয়াস্ত্র, খেলনা আগ্নেয়াস্ত্র, বিস্ফোরক, চাকু, ছুরি, ধারালো অস্ত্র, লাঠি, পাথর নিয়ে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করা যাবে না।

লাঠিবিহীন জাতীয় পতাকা, প্ল্যাকার্ড নিয়ে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করা যাবে।

কোন প্রকার ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস, ক্যাবল বা তার, লেজার পয়েন্টার নিয়ে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করা যাবে না।

ধর্মীয়, উপজাতীয়, গোষ্ঠীগত, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারী বক্তব্য সম্বলিত ব্যানার-পোস্টার নিয়ে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করা যাবে না।

নিরাপত্তাকর্মীদের কাছে বিপজ্জনক বিবেচিত যে কোন জিনিস নিয়ে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করা যাবে না।

সিএমপি কমিশনার মো. মাহাবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন, অর্থ ও ট্রাফিক) কুসুম দেওয়ান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশন) আমেনা বেগমসহ সিএমপির উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

পুলিশ কমিশনার ক্রিকেট ম্যাচগুলো নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে সকল সংস্থাকে একযোগে আন্তরিকতার সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সমন্বয় সভায় সিএমপির উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, বিসিবি, বিভাগীয় কমিশনার, সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, সিডিএ, র‌্যাব-৭, জেলা প্রশাসন, ভেন্যু ম্যানেজার, ডিজিএফআই, এনএসআই, চমেক হাসপাতাল, ওয়াসা, এপিবিএন, বাংলাদেশ রেলওয়ে, বিভাগীয় তথ্য অফিস, পিডিবি, সিভিল সার্জন, বিটিসিএল, বিআরটিএ, এয়ারপোর্ট ম্যানেজার, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, ইউসিবিএল, হোটেল দি পেনিনসুলা চিটাগং, হোটেল আগ্রাবাদ, হোটেল রেডিসন ব্লু, কর্ণফুলী গ্যাস, আরবিসিবিভি’র প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

দেশের উচ্চতম ট্রেইল ম্যারাথন বান্দরবানে অনুষ্ঠিত

নিউজ ডেস্কঃ-বান্দরবানের রুমা উপজেলার বগালেকে দেশের উচ্চতম ট্রেইল ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কম্পাস ৩৬০ডিগ্রি এডভেঞ্চার ক্লাব ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর রুমা ২৭বেঙ্গলের যৌথ আয়োজনে এই ট্রেইল ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হয়।

শুক্রবার সকাল ৭টায় বগালেক সেনা ক্যাম্পের সামনে থেকে এই ট্র্ইেল ম্যারাথন শুরু করে এ্যাথলেটরা পাহাড়ের বিভিন্ন দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে দুর্গম কেউক্রাডং প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ করে।

আয়োজকরা জানায়, প্রথমবারেরমত বান্দরবানের রুমা উপজেলার বগালেক থেকে কেউক্রাডং পর্যন্ত ২১কি:মি দীর্ঘ পাহাড়ী পথে এই ট্রেইল ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হয়। এ ট্রেইল ম্যারাথনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মোট ৪২জন এ্যাথলেটার অংশ নেয়। এদের মধ্যে ৯জন নারী। ট্রেইল ম্যারাথনে ২ঘন্টা ১২মিনিট সময় নিয়ে প্রথম হয় তাম্মাত বিল খয়ের। ২ঘন্টা ২১মিনিটে ২য় হয় সাজ্জাদ হোসেন ও ২ঘন্টা ৩০মিনিটে তৃতীয় হয় সজীব আহম্মদ।

এসময় ট্রেইল ম্যারাথনে উপস্থিত থেকে ছিলেন রুমা ২৭বেঙ্গলের জোন কমান্ডার লে: কর্ণেল মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ (এসইউপি, পিএসসি)। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন লে:জাহিদ হাসান, বগালেক সেনা ক্যাম্প কমান্ডার মোঃ নজরুল ইসলাম,কম্পাস ৩৬০ডিগ্রি এডভেঞ্চার ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান মোঃ ইমতিয়াজ।

মাশরাফির রেকর্ড ম্যাচে জয় উপহার দিল টাইগাররা

স্পোর্টস ডেস্কঃ-মাশরাফি বিন মর্তুজা বাংলাদেশের হয়ে ছুঁয়ে ফেললেন ক্যারিয়ারের ২০০তম ম্যাচ। তার এই রেকর্ড ম্যাচে বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়কে জয় উপহার দিল টাইগার বাহিনী। সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৫ উইকেটে জয় পেয়েছে টিম টাইগার। টাইগারদের হাতে ছিল ৯০ বল।

রোববার মিরপুর-শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে উইন্ডিজের ছুঁড়ে দেওয়া ১৯৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। সহজ লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে সাবধানী শুরু বাংলাদেশের। সপ্তম ওভারে কেমার রোচের বলে উড়িয়ে মারতে গিয়ে হেটমেয়ারের কাছে ক্যাচ তুলে দেন লিটন দাস। তবে থার্ড আম্পায়ার সেটিকে নো বল ঘোষণা করেন।

এর কিছু পরেই রোস্তন চেজের বলে বিশুর হাতে ধরা পড়েন তামিম। একটু পরে কিছু বুঝে ওঠার আগেই থমাসের বলে সরাসরি বোল্ড হন ইমরুল কায়েস।

প্রাথমিক চাপ সামলে দলের হাল ধরেন মুশফিক ও লিটন দাস। তাদের ৪৭ রানের জুটি ভাঙে লিটনের বিদায়ে। দলের ৮৯ রানে কিমো পলের বলে সরাসরি বোল্ড হন তিনি। ব্যক্তিগত ৪১ রানে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান।

এরপর মুশফিককে সঙ্গী করে দলের রান দ্রুত বাড়াতে থাকেন সাকিব। দলীয় ১৪৬ রানে রোভম্যান পাওয়েলের বলে উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। সাকিব ২৬ বলে ৩০ রান করতে চারটি চার মারেন। সাকিবের পরে মুশফিকের সাথী হন সৌম্য। সে ও উত্তেজনা ছড়িয়ে রোভম্যান পাওয়েলের বলে রোস্তন চেজের হাত বল তুলে দিয়ে ১৯ রানে ঘরের পথ ধরেন।

শুরুতে টস হেরে ফিল্ডিংয়ে নামে বাংলাদেশ। বোলিংয়ে নেমেই সাফল্য তুলে নেয় বাংলাদেশ। দলীয় একশ রানের আগেই সফরকারীরা হারায় চার উইকেট। শুরুটা করেছিলেন সাকিব আল হাসান। তাকে আক্রমণ করতে গিয়ে কিরণ পাওয়েল ক্যাচ তুলে দেন রুবেলের হাতে। এরপরেই চলতে থাকে মাশরাফির আগুন ঝড়া বোলিং। উইন্ডিজের প্রথম উইকেট পতনের পর জোড়া আঘাত করেন টাইগার দলপতি।

মাশরাফির বলে আক্রমণ করতে গেলে তামিমের এক দুর্দান্ত ক্যাচে পরিণত হন ড্যারেন ব্রাভো। ব্যক্তিগত ৪৩ রানে সেট হওয়া শাই হোপসকেও মিরাজের তালুবন্দিতে শিকার করেন মাশরাফি। ৭৮ রানে তিন উইকেট হারানোর পর দলের স্কোরকে গতি আনতে ব্যাট হাতে নামেন ভয়ংকর হেটমেয়ার।

আর এতেই মাশরাফি পৌঁছে যায় আর এক মাইল ফলকে ওয়ানডেতে ২৫৩ উইকেট ছিল ভারতীয় কিংবদন্তি অলরাউন্ডার কপিল দেবের সংগ্রহে। এই কিংবদন্তিকে ছাড়িয়ে যেতে মাশরাফির দরকার ছিল মাত্র দুটি উইকেট। মিরপুরে সেটিই করে দেখালেন ম্যাশ। ওয়ানডেতে সবমিলিয়ে ২৫৩ উইকেট নিতে ২২৫ ম্যাচ খেলতে হয়েছিল কপিল দেবকে। এদিক থেকেও এগিয়ে আছেন মাশরাফি। ২০০তম ম্যাচে মাঠে নেমেই কপিল দেবকে টপকে গেছেন বাংলাদেশ দলের ওয়ানডে অধিনায়ক।

তারপর আঘাত হানেন মিরাজ। দলীয় ৯৪ রানে কিছু বুঝে উঠার আগে মিরাজ বোল্ড করে দেন এই বাঁহাতি হার্ড হিটার ভয়ংকর হেটমেয়ারকে। এই নিয়ে চলতি সিরিজে পাঁচ ইনিংসেই হেটমেয়ারকে আউট করলেন মিরাজ। দুই টেস্টের চার ইনিংসেই তিনি এই ক্যারিবিয়ানকে পরাস্ত করেন। এরপরই ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক রোভম্যান পাওয়েলকে লিটনের শিকারে পরিণত করেন তিনি। এরপর বেশ কয়েকবার জীবন পাওয়া সামুয়েলস আক্রমণ করার চেষ্টা করলে রুবেলের বলে বাউন্ডারি লাইনে লিটন দাসের তালুবন্দি হন।

এরপরই কিছুটা ঘুরে দাঁড়ায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। রোস্তন চেজ ও কিমো পলের ব্যাটে ভর করে ৬১ রানের জুটি গড়ে তারা। পুরো ম্যাচ ভালো বল করেও উইকেট না পাওয়া মুস্তাফিজ চেজকে ফিরিয়ে দেন মিরাজের হাতে ক্যাচ বানিয়ে। এরপর আরো দুটি উইকেট তুলে নেন তিনি। শেষ পর্যন্ত কিমো পল ও কেমার রোচ ঝড়ে ১৯৫ রান তোলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

বাংলাদেশের পক্ষে মাশরাফি ৩টি, মুস্তাফিজ ৩টি, সাকিব-মিরাজ ও রুবেল প্রত্যেকে একটি করে উইকেট নেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে শাই হোপস ৪৩, চেজ ৩২ ও কিমো পল।

বাংলাদেশের ঘূর্ণি তোপে হোয়াইটওয়াশ উইন্ডিজ

স্পোর্টস ডেস্কঃ-ওয়েস্ট ইন্ডিজকে স্পিনজালে আটকে অ্যান্টিগা-জ্যামাইকার ‘দুঃখ’ ভুলিয়ে দিল বাংলাদেশ। চট্টগ্রামের পর মিরপুরেও ঘূর্ণিফাঁদ পেতে ক্যারিবীয়দের নাকাল করেছে টাইগাররা। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট জয়টি এসেছে ইনিংস ও ১৮৪ রানের বিশাল ব্যবধানে। ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের পর কোনো দলকে প্রথমবার হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। সঙ্গে লাল-সবুজরা এই প্রথম ইনিংস ব্যবধানে কোনো টেস্ট জিতল।

শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে প্রতিপক্ষকে প্রথমবার ফলো-অনে ফেলার পর ঝটপট উইকেট তুলে তৃতীয় দিনের চা-বিরতির আগেই ম্যাচ শেষ করে দেন মেহেদী হাসান মিরাজ। এ অফস্পিনার প্রথম ইনিংসে ৭ ও দ্বিতীয় ইনিংসে নেন ৫ উইকেট।

দুই ম্যাচের সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৪০ উইকেট পড়ল স্পিনে। চট্টগ্রামের পর মিরপুর টেস্টেও ক্যারিবীয়দের ২০ উইকেট তুলে নিয়েছে বাংলাদেশের স্পিন-চতুষ্টয়। দ্বিতীয় ইনিংসে তাইজুল ইসলাম নেন ৩ উইকেট। একটি করে উইকেট নিয়েছেন সাকিব আল হাসান ও নাঈম হাসান।

মিরপুরে এ পর্যন্ত ৫ টেস্ট জয়ে প্রতিপক্ষের ৯২ উইকেট নিয়েছেন বাংলাদেশের স্পিনাররা। দুটি রান আউট আর দুই ব্যাটসম্যান চোটের কারণে ব্যাটিংয়ে নামেননি। পেসাররা নেন মাত্র ৪ উইকেট। এ ম্যাচে টাইগারদের একাদশে বিশেষজ্ঞ কোনো পেসার রাখার প্রয়োজন পড়েনি সে কারণেই!

ইনিংস ব্যবধানে জয়ের সম্ভাবনা উঁকি দেয় রোববার তৃতীয় দিনের প্রথম ঘণ্টায় উইন্ডিজের শেষ ৫ উইকেট তুলে নিলে। আগের দিন ৫ উইকেট হারিয়ে ৭৫ রান তোলা ক্যারিবীয়রা যোগ করতে পারে আর মাত্র ৩৬ রান। ১১১ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পর ফলো-অনে পড়ে আবারও ব্যাটিংয়ে নামে তারা। ৩৯৭ রানে পিছিয়ে থাকা দলটি অলআউট হয় দুইশ পার করার পর।

বাংলাদেশের স্পিন আক্রমণে নেতৃত্ব দেন মিরাজ। মিরপুর টেস্টে মোট ১২ উইকেট নিয়ে নাম লেখান সাকিব আল হাসানের পাশে। ম্যাচে দুইবার ১০ উইকেট শিকার করা একমাত্র বাংলাদেশি বোলার ছিলেন এ বাঁহাতি স্পিনার। অধিনায়কের কীর্তিতে ভাগ বসালেন খুলনার তরুণ।

২০১৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মিরাজ শিকার করেন ১২ উইকেট। সেই মিরপুরে এবার উইন্ডিজের বিপক্ষে নিলেন ১২ উইকেট। কম রান দেয়ায় এটিই থাকছে এগিয়ে। ম্যাচে একবার করে ১০ উইকেট শিকার করা অন্য দুই বোলার এনামুল হক ‍জুনিয়র ও তাইজুল ইসলাম।

প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২৯ রানে হারিয়েছিল প্রথম পাঁচ ব্যাটসম্যানকে। দ্বিতীয় ইনিংসে একই রানে তারা হারায় ৪ উইকেট। চরম ব্যাটিং বিপর্যয় থেকে এবারও হাল ধরেন শিমরন হেটমায়ার। শাই হোপের সঙ্গে ৫৬ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশের জয়োল্লাসের অপেক্ষা বাড়ান।

হার নিশ্চিত জেনেই আক্রমণে যান হেটমায়ার। টি-টুয়েন্টি স্টাইলে খেলে ৯২ বলে করেন ৯৩ রান। মাত্র একটি চার মারলেও ছক্কা হাঁকান ৯টা। মিরাজের বলেই ধরা পড়েন এ বাঁহাতি। অষ্টম ব্যাটসম্যান হিসেবে লংঅনে মিঠুনের হাতে ক্যাচ তুলে দিতেই লেজ বেরিয়ে পড়ে ক্যারিবীয়দের।

চার মাস আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে টেস্ট সিরিজে নাভিশ্বাস উঠেছিল বাংলাদেশের। ৪৩ রানে গুটিয়ে যাওয়ার লজ্জা, প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই ২-০তে সিরিজ হারের বেদনা জাগ্রত রেখেই খেলতে নামে বাংলাদেশ। প্রতিপক্ষকে ঘরের মাঠে পেয়ে সেই যন্ত্রণা ফিরিয়ে দিল। ক্যারিবীয়রা পেস তোপে নাকাল হয়েছিল টাইগাররা। এবার তাদের স্পিনবিষে নীল করলেন মিরাজ-সাকিব-তাইজুল-নাঈমরা।

বাংলাদেশের করা ৫০৮ রানের জবাবে ম্যাচের দ্বিতীয় দিন উইন্ডিজের পাঁচ ব্যাটসম্যান সাজঘরে ফেরেন বোল্ড হয়ে। যেখানে মিরাজের শিকার ৩ উইকেট। তৃতীয় দিনের সকালে প্রতিরোধ গড়া শিমরন হেটমায়ারকে সোজা ব্যাটের শটে দারুণ ক্যাচ নিয়ে কট অ্যান্ড বোল্ড করেন এ বাঁহাতিকে। করে যানন ৩৯ রান। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে আসে ৫৭ রান। ২৯ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর এই জুটিটাই ছিল সফরকারীদের শেষ ভরসা।

দেবেন্দ্র বিশু নেমেই মিরাজের শর্ট বলে কাভার ড্রাইভ করতে গিয়ে সিলিতে ক্যাচ দেন সাদমান ইসলামের হাতে। বিশু জোরের উপর খেললেও বলের উপর থেকে চোখ সরাননি সাদমান। লুফে নেন দারুণ ক্যাচ। ঝটপট দুই শিকার করে ষষ্ঠবার ৫ উইকেট কীর্তিতে নাম লেখান মিরাজ। কেমার রোচ এসেও সময় নেননি সাজঘরে ফিরতে। উইকেটরক্ষক লিটন দাসের হাতে ক্যাচ তুলে দেন মিরাজের বলেই।

মিরাজকে সপ্তম উইকেট দিয়ে ডওরিচ ফেরেন দলের রান একশ পার করে। ৩৭ রান করা এ ডানহাতি ব্যাটসম্যান হন এলবিডব্লিউ। রানের খাতা খোলার আগেই ক্যারিবীয়দের শেষ ব্যাটসম্যান লুইস সাকিবের ঘূর্ণিতে হন এলবিডব্লিউ। পরের ইনিংসে মিরাজের সপ্তবার টেস্ট ইনিংসে পাঁচ উইকেটের কীর্তি গড়ার পাকে পড়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল সফরকারীরা।

বান্দরবানে ফুটবল লীগের উদ্বোধন

নিউজ ডেস্কঃ-বান্দরবানে পার্বত্য জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের আয়োজনে পার্বত্য জেলা ফুটবল লীগ-২০১৮ এর শুভ উদ্বোধন হয়েছে । শনিবার বিকাল ৩টায় বান্দরবান জেলা স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিক ভাবে এই ফুটবল লীগের উদ্বোধন করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বেলুন উড়িয়ে পার্বত্য জেলা ফুটবল লীগের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম। এ সময় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পার্বত্য জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সহ -সভাপতি আব্দুর রহিম চৌধুরী এর সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকির হোসেন মজুমদার, পৌর মেয়র ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইসলাম বেবী, পার্বত্য জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের আহ্বায়ক কাজল কান্তি দাশ, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি দীপ্তি কুমার বড়ুয়া, জেলা ফুটবল খেলোয়ার সমিতির সভাপতি মোঃ নাছির উদ্দিন, জেলা শ্রমিকলীগের সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলামসহ প্রমুখ । উদ্বোধনী খেলায় ফুটবল খেলার ধারাভাষ্য প্রদান করেন ধারাভাষ্যকার মোঃ মাহাফুজ রশিদ বাচ্চু। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, যুবকদের ক্রীড়ামূখী করার লক্ষ্যে এ ফুটবল লীগের আয়োজন করা হয় । উদ্বোধনী খেলায় বান্দরবান ফুটবল একাডেমী দল বনাম ঈগল স্পোটিং ক্লাব দল অংশ গ্রহণ করে। খেলায় উভয় দল ১-১গোল করায় খেলাটি ড্র পরিণত হয় । উদ্বোধনী খেলায় ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হয় বান্দরবান ফুটবল একাডেমীর খেলোয়ার নেলসন । প্রসঙ্গত, বান্দরবান পার্বত্য জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের আয়োজিত ফুটবল লীগে জেলার ৭টি ক্লাব অংশ নিয়েছে ।

খেলাধুলা যুবকদের শরীরিক- মানসিক বিকাশে অবদান রাখে

বান্দরবান অফিসঃ-লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ জহির উদ্দিনের পৃষ্ঠপোষকতায় অান্তঃ পদুয়া চেয়ারম্যান গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০১৮ এর ফাইনাল খেলা সম্পন্ন হয়েছে।

২রা নভেম্বর (শুক্রবার) বিকেল ৩টায় পদুয়া হাই স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত ফাইনাল খেলায় পদুয়া জগন্নাথ ক্লাব ফুটবল একাদশকে ট্রাইবেকারে হারিয়ে পদুয়া মাস্টার পাড়া ফুটবল একাদশ বিজয়ী লাভ করে।

খেলায় প্রধান অতিথি ছিলেন, বান্দরবান জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র ইসলাম বেবী। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অাবু অাসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন, লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম।বিশেষ অতিথি ছিলেন,বনফুল এন্ড কোম্পানির পরিচালক এম.এ শুক্কুর,কক্সবাজার জেলা যুবলীগের সাবেক সদস্য মাসুকুর রহমান বাবু,লোহাগাড়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার অর্থ সম্পাদক ও ব্রিকফিল্ড মালিক সমিতির সভাপতি শাহাব উদ্দিন চৌধুরী,পদুয়া ইউনিয়ন অা’লীগের সাধারণ সম্পাদক অাবছার অাহমদ,সাতকানিয়া ব্রিকফিল্ড মালিক সমিতির সভাপতি ফরিদুল অালম,লোহাগাড়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাস্টার এস.কে শামশুল অালম,বান্দরবান খেলোয়াড় সমিতির নাছির উদ্দিন।উত্তর সাতকানিয়া যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ওসমান অালী।সাগর এভিয়েশন হজ্ব কাফেলার চেয়ারম্যান ও ফরিয়াদের কুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি জাহাঙ্গীর অালম,লোহাগাড়া উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য ফজলুল হক টিপু,চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি মুজিবুল হক টিটু,সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জসিম উদ্দিন,পদুয়া ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা আদেল চৌধুরী,ছাত্রলীগনেতা সোহেল,মাকসুদ,আরিফ,আবদুলাহ আল সাঈদী,মিজান,পারভেজসহ আরো অনেকে।

এসময় প্রধান অতিথি বান্দরবান জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র, পদুয়ার কৃতি সন্তান ইসলাম বেবী বলেন, খেলাধুলা যুবকদের শরীরিক ও মানসিক বিকাশে বিরাট অবদান রাখে। খেলাধুলা যুবকদের বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ড থেকে বিরত রাখে। তাই যুবকদের খেলাধুলার প্রতি আকৃষ্ট করতে এরকম টুর্ণামেন্ট আরো বেশি করে আয়োজন করতে হবে।

ধারাবর্ণনায় ছিলেন মাহফুজুর রশিদ বাচ্চু’ খেলার সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন টুর্ণামেন্ট পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ আইয়ুব,সাধারণ সম্পাদক সোলায়মান।

রোয়াংছড়িতে বঙ্গবন্ধু ফুটবল টুর্নামেন্টের সমাপ্তি

বান্দরবান অফিসঃ-বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলায় হয়ে গেল বঙ্গবন্ধু ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা।আজ সোমবার বিকালে উপজেলার নোয়াপতং ইউনিয়নের সোনাইসেপ্রুপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এই খেলা অনুষ্ঠিত হয় । টান টান উত্তেজনাকর এই খেলায় ওয়াব্রাইন পাড়া দল খেলার শেষার্ধ্বে ১-০ গোলে সিক্কা কারবারী পাড়াকে পরাজিত করে ।খেলা শেষে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা মার্মা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ী দলের হাতে গোল্ড কাপ তুলে দেন । এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ সদস্য কাঞ্চনজয় তঞ্চঙ্গ্যা ও পৌর কমিশনার অজিত দাশ । এছাড়াও অন্য খেলোয়াড়াদের দেয়া হয় মেডেল ।খেলা শেষে চেয়ারম্যান বিজয়ীদলকে পনেরো হাজার টাকা এবং পরাজিত দলকে দশ হাজার টাকা প্রদান করেন । এছাড়াও বিদ্যালয়ের খেলার মাঠটি আরো যুগপোযোগী করার জন্য খুব শীঘ্রই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে ঘোষণা দেন ।১০ অক্টোবর শুরু হওয়া এই টুর্ণামেন্টে অংশ নেয় ২৪টি দল । দূর-দূরান্ত থেকে এই খেলা উপভোগ করার জন্য ছুটে আসেন আদিবাসীরা ।

বান্দরবানে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি ফুটবল টুর্ণামেন্ট ২০১৮ এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

বান্দরবান অফিসঃ-বান্দরবান শহরের বালাঘাটা বিলকিছ বেগম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে শুক্রবার বিকেলে বান্দরবান বঙ্গবন্ধু স্মৃতি ফুটবল টুর্ণামেন্ট ২০১৮ এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলায় বান্দরবান ফুটবল একাডেমী ১-০ গোলে আর্মীপাড়া একাদশকে হারিয়ে শিরোপা লাভ করেছে। খেলায় ম্যান অব দি ম্যাচ হয়েছেন ফুটবল একাডেমীর খেলোয়াড় মো: হেলাল।
খেলা শেষে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি শিরোপা লাভকারী বান্দরবান ফুটবল একাডেমীর অধিনায়কের হাতে ট্রফি তুলে দেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মো.জাকির হোসেন মজুমদার, বান্দরবান জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদকও পৌর মেয়র মোহাম্মদ ইসলাম বেবী,পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য মোজাম্মেল হক বাহাদুর,পৌর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক শামসুল ইসলাম,জেলা শ্রমিক লীগের সহ সভাপতি রফিকুল ইসলাম, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কাউছার সোহাগ এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।উল্লেখ্য, বান্দরবান বঙ্গবন্ধু স্মৃতি ফুটবল টুর্ণামেন্টের ২০১৮ এর মোট ৩৩টি দল অংশ নেন