আজকে ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯ | | সময়ঃ-১২:০২ অপরাহ্ন    

Home » আলোচিত খবর

আলোচিত খবর

লামার কিংবদন্তী নেতা আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল আর নেই

নিউজ ডেস্কঃ- লামা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও বিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল আর নেই (ইন্নানিল্লাহি …. রাজিউন)। শুক্রবার (১৫ ফেব্রুয়ারী) রাত সাড়ে ৮টায় লামা বাজারস্থ জেলা পরিষদ গেস্ট হাউজের ২য় তলায় আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে প্রস্তুতিমূলক মিটিংয়ে তিনি স্ট্রোক করেন। এসময় দ্রুত তাকে লামা হাসপাতালে জরুরী বিভাগে ভর্তি করা হয়। অবস্থার আরো অবনতি হলে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম নেয়ার পথে কক্সবাজারের চকরিয়ায় জমমজম হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

এদিকে আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল এর মৃত্যু খবর ছড়িয়ে পড়লে বান্দরবান, কক্সবাজার জেলা সহ সমগ্র এলাকায় শোকে ছায়া নেমে আসে। সকল শ্রেণীর মানুষ প্রিয় নেতার শেষ মুখখানি একবার দেখতে তার লামা বাজারের নয়াপাড়াস্থ তার বাড়িতে ভিড় জমায়। লামা উপজেলার অন্যতম অভিভাবক এর মৃত্যুতে দলীয় নেতাকর্মীরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।

বান্দরবান আওয়ামীলীগ পরিবারের অন্যতম সংগঠক আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল এর মৃত্যুর সংবাদ শুনে পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি ও বান্দরবান জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা শোক প্রকাশ করেছেন। শনিবার (১৬ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে পারিবারিক করবস্থানে মরহুমের জানাযা নামাজ সম্পন্ন হওয়া কথা রয়েছে। জানাযা নামাজে পার্বত্য মন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন বলে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বাথোয়াইচিং মার্মা নিশ্চিত করেছেন।

আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল ১৯৯২ সালে প্রথমবারের মত লামা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তারপর ২০০২ সালে লামা পৌরসভার ১ম পরিষদের প্রথম মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি ২০০৮ সালে ৩য় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে লামা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এছাড়া লামা উপজেলায় অসংখ্য স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ, মন্দির, ক্যাং, গির্জা ও প্রতিষ্ঠান তিনি নির্মাণ করেন। সমগ্র লামা উপজেলায় তার উন্নয়নের চিহ্ন রয়েছে। সর্বজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল কে লামাবাসি একজন অভিভাবক হারিয়েছে।

নাইক্ষংছড়ি ১১ বিজিবি”র অভিযানে সারে চার লাখ পিচ ইয়াবা উদ্ধার

নিউজ ডেস্কঃ- বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ১১ ব্যাটালিয়ান বিজিবি”র সাড়াশি অভিযানে ৪ লাখ ৪০ হাজার পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। যার আনুমানিক বাজার মূল্যে ১৩ কোটি ২০ লাখ টাকা হবে বলে ধারণা করেছেন বিজিবির সদস্যরা।

১৫ই ফেব্রুয়ারী শুক্রবার ভোর রাতে ১১ বিজিবির অধিনায়ক লেঃ কর্নেল আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে বিজিবির ১টি টহল দল নাইক্ষ্যংছড়ির সদর হইতে আনুমানিক ৪ কিলোমিটার দক্ষিণে পূর্বে অবস্থিত রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের হাজির পাড়া নামক স্থানের একটি ছোট টিলার সাথে থাকা খামার বাড়িতে অভিযান চালিয়েরুমে  এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

শুক্রবার বেলা ১১টার সময় ১১ বিজিবি”র হল রুমে অনুষ্ঠিত সংবাদ ব্রিফিং এ লেঃ কর্নেল আসাদুজ্জামান জানান, ৪লাখ ৪০ হাজার পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট অভিযান চালিয়ে উদ্ধারের সময় বিজিবি”র উপস্থিতি টের পেয়ে চোরা কারবারীরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক ও গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে অভিযান অব্যাহত রাখা হবে বলেও জানান। উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেট মাদকদৃব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তিনি সংবাদ ব্রিফিং এ আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং বিজিবির ডিজি মহোদয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। তাছাড়া শুধু মাদক নয়, সীমান্ত এলাকা দিয়ে অস্ত্র পাচার, অবৈধ কাঠ পাচার, ও পরিবহন সহ অন্যান্য যেকোন ধরনের অবৈধ পণ্য সামগ্রী পাচার এবং সীমান্তে এলাকায় যেকোন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম রোধে বিজিবির এ ধরনের কার্যক্রম ও তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য নাইক্ষ্যংছড়ির ১১ ব্যাটালিয়ান বিজিবির এটি ছিল সব চেয়ে বড় ধরনের আলোচিত ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার অভিযান। এ অভিযানকে স্থানীয় লোকজন স্বরণকালের সেরা অভিযান উল্লেখ করেন বিজিবির অধিনায়ক ও সকল সদস্যদের সাধুবাদ জানান।

পার্বত্য এলাকার শান্তি শৃংঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসনকে আরো জোরালো ভূমিকা রাখতে হবে : পার্বত্যমন্ত্রী

নিউজ ডেস্কঃ-  পার্বত্য এলাকায় কোন শরনার্থী অবস্থান করতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি। তিনি আরো বলেন,পার্বত্য এলাকায় কোন শরনার্থী থাকবে না,ভিনদেশী রোহিঙ্গাদের পার্বত্য এলাকা বাদ দিয়ে ভিন্ন জায়গায় অবস্থানের কথা প্রশাসনের ভাবতে হবে।

রোববার বান্দরবান জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা আইন শৃংঙ্খলা ও মাসিক উন্নয়ন সমন্বয় সভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। এসময় মন্ত্রী আরো বলেন, আমাদের দেশের নাগরিক নয় এমন কোন ব্যক্তিকে কেউ আশ্রয় প্রশ্রয় দিবেন না। কেউ শরনার্থীদের আশ্রয় দিয়ে বিপদে জড়াবেন না।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দাউদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, বিজিবির ৩৮ ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক লে:কর্ণেল মো:সানবীর হাসান, বান্দরবান সেনা রিজিয়নের স্টাফ অফিসার (জি টু) মেজর ইফতেখার হোসেন পিএসসি,পৌর মেয়র মোহাম্মদ ইসলাম বেবী,আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কাজল কান্তি দাশ,পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মোজাম্মেল হক বাহাদুর,ফাতেমা পারুলসহ পুলিশ,আনছার,বিজিবি ও সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা।

সভায় বিজিবির ৩৮ ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক লে:কর্ণেল মো:সানবীর হাসান বলেন, বান্দরবানের রুমা সীমান্তের ৭২ নং পিলারের কাছে বেশ কয়েকজন শরনার্থী অবস্থান করছে এবং শীঘ্রই তাদের ফিরে যেতে প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে।

সভায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে রুমা সীমান্তের ৭২নং পিলারের কাছে বেশ কিছু মিয়ানমারের নাগরিক অবস্থান করছে তবে তারা মিয়ানমার সীমান্তে রয়েছে এবং তাদের দায়ভার সম্পুর্ণ মিয়ানমার সরকারের। এসময় জেলা প্রশাসক আরো বলেন, আমাদের দেশের অভ্যন্তরে আমার জেলা ও উপজেলার কোন নাগরিক যদি শীতে কষ্ট পায় অথবা অনাহারে দিন কাটায় তবে আমি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেব।

সভায় বর্তমান সময়ের সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে বেশ জোরালো আলাপ আলোচনা হয় এবং জেলার সার্বিক আইন শৃংঙ্খলা উন্নয়নে প্রশাসনকে আরো বেশি সর্তক থাকার আহবান জানান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি।

জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সর্বোচ্চ সেবা দিচ্ছে সরকার: বীর বাহাদুর

বান্দরবান অফিসঃ- পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং বলেছেন, ‘জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সর্বোচ্চ সেবা দিচ্ছে সরকার। বর্তমান সরকার জনসাধারণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নানা উন্নয়ন প্রকল্পও বাস্তবায়ন করছে।’

শনিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে বান্দরবান সদরের রেইচা এলাকায় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

বীর বাহাদুর উশৈসিং বলেন, ‘বিভিন্ন বয়সী শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোসহ বিনামূল্যে টিকা দেওয়া হচ্ছে।’

অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আবুল কালাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান, সিভিল সার্জন ডা. অংসুই প্রু মারমা, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক ডা. অংচালু মারমা, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. তাহমিনা শবনম সোবহান, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা সাসুইচিং মারমা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, এবার বান্দরবানে ৬২ হাজার ৫শ’ ৮১ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

নিউজ ডেস্কঃ- শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নকে প্রধান্য দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত এলাকায় নতুন আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার কাজ শুরু করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর।বৃহস্পতিবার সকালে বান্দরবানে নতুন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় উদ্বোধনের সময় তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পাহাড়ে উচ্চ শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং দেশের অন্যতম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে এ বিশ্ববিদ্যালয়টি।মন্ত্রী আরো বলেন, পাহাড়ের যে সব এলাকায় স্কুল নেই যেসব এলাকাকে অগ্রাধিকার দিয়ে সেখানে নতুন নতুন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে। গরিব অসহায়রা যাতে শিক্ষার সুযোগ পায় সেদিকে সরকার দৃষ্টি রাখছে। গ্রামকে শহরে রুপান্তরের কাজ সরকার শুরু করেছে।ফলক উন্মোচন করে শহরের গোরস্থান মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাস আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মন্ত্রী।এ সময় তার সাথে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. প্রদানেন্দু চাকমা, বান্দরবান জেলা প্রশাসক দাউদুল ইসলাম, বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএইচএম জেহাদুল করিম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. নুসুরুল্লা, জেলা পরিষদের চেয়াম্যান ক্য শৈ হ্লা, সেনা রিজিয়নে কর্মকর্তা মেজর ইফতেখার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান প্রমুখ।এর আগে উদ্ধোধন উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। পরে হিল ভিউ সেন্টারে শিক্ষাবিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ১শ শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা শুরু হলো বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের। গত বছর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়টির অনুমোদন দেয়।এতে উন্নয়ন অধ্যয়ন, ইংরেজি, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও বিবিএসহ ৫টি বিভাগ রয়েছে বলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়। জেলার সুয়ালক ইউনিযনের হলুদিয়া এলাকায় প্রায় ১০ একর এলাকা জুড়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির মূল ক্যাম্পাস তৈরি করা হচ্ছে।

শেখ হাসিনা বিশ্বে দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী নেতা : জোলি

বান্দরবান অফিসঃ-বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বে দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী নেতা বলে মন্তব্য করেছেন হলিউড অভিনেত্রী এবং জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর’র বিশেষ দূত অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা করে অ্যাঞ্জেলিনা জোলি এ কথা বলেন। তিনি বুধবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ মন্তব্য করেছেন। সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

অ্যাঞ্জেলিনা জোলি বলেন, ‘এ মুহূর্তে বিশ্বে শেখ হাসিনার মতো নেতা খুব কমই রয়েছে। বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা বাংলাদেশের ওপর বিশাল বোঝা সৃষ্টি করেছে। আশ্রয় শিবিরগুলোতে এতো বিপুল সংখ্যক মানুষের দেখভাল করা খুবই কঠিন কাজ। জাতিসংঘ, ইউএনসিএইচআর ও বিশ্ব ব্যাংক বাংলাদেশের বোঝা লাঘবে একযোগ কাজ করবে।’ অ্যাঞ্জেলিনা জোলি বর্তমানে কক্সবাজারে অবস্থানরত মিয়ানমারের নাগরিকদের প্রত্যাবাসনে একটি অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির ওপর জোর দেন।

রোহিঙ্গা শিশুদের ভবিষ্যতের ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করে অ্যাঞ্জেলিনা জোলি বলেন, ‘বাংলাদেশ তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অন্যান্য ইস্যুতে সহযোগিতার চেষ্টা করার সত্ত্বেও তাদের ভবিষ্যৎ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।’

জোলি উল্লেখ করেন যে, তিনি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা নারীদের ওপর নির্যাতন ও তাদের হত্যার সাম্প্রতিক ঘটনা সম্পর্কে শুনেছেন।

সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের বিশেষ দূত অ্যাঞ্জেলিনা জোলিকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘রোহিঙ্গা সংকট অবশ্যই সমাধান করতে হবে। মিয়ানমার বাংলাদেশের নিকট প্রতিবেশী এবং তাদের নাগরিকদের প্রত্যাবাসনে দেশটির সঙ্গে একটি চুক্তি ও স্বাক্ষরিত হয়েছে।’  তবে শেখ হাসিনা সেই চুক্তি বাস্তবায়নে বিলম্বে হতাশা প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে এবং ইতোমধ্যে আশ্রয় শিবিরগুলোতে এ পর্যন্ত ৪০ হাজার মতো নতুন শিশুর জন্ম হয়েছে।’

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে তার সরকারের গৃহীত উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এক লাখের বেশি শরণার্থী সেখানে অপেক্ষাকৃত উন্নত পরিবেশে সাময়িক আশ্রয় পাবে।’ এ প্রসঙ্গে তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের এক কোটির বেশি লোক পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে আশ্রয় নেওয়ার তিক্ত অভিজ্ঞতার বিবরণ দেন। শেখ হাসিনা ১৯৭১ সালে তার মাসহ তিনি ও বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যদের গৃহবন্দি থাকার এবং ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর ৬ বছর ধরে তার নির্বাসনে থাকার মুহূর্তগুলোর বর্ণনা দেন।

জাতিসংঘের বিশেষ দূত অ্যাঞ্জেলিনা জোলি প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সেই বেদনাময় কাহিনী শুনে দুঃখ প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর ভগ্নিপুত্র রেদোয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব নজিবুর রহমান এ সময় উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস।

 

লামায় আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্থদের সুখ-দুঃখের কথা শুনলেন পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর

নিউজ ডেস্কঃ-পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি বান্দরবানের লামার রুপসীপাড়া বাজারে আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করেছেন। বুধবার (৬ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে রুপসীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে এ ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গত মঙ্গলবার মধ্যরাত ৩টা ৪০মিনিটে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে লাগা আগুনে রুপসীপাড়া বাজারে ৩১টি দোকান ও বসতবাড়ি ভস্মীভূত হয়।

আগুনে পুড়ে নিঃস্ব হওয়া ব্যবসায়ী ও বাড়ি মালিকদের সহায়তা এবং তাদের সুখ-দুঃখের কথা শুনতে ছুঁটে আসেন পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর। তিনি ৩১টি দোকানের ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী ও দোকান মালিকদের পার্বত্য মন্ত্রণালয়, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ, বান্দরবান জেলা প্রশাসন ও রুপসীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে জনপ্রতি ৩০ কেজি করে চাল, নগদ ২০ হাজার টাকা ও ২ বান ঢেউটিন প্রদান করেন। এছাড়া বান্দরবান জেলা ও লামা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ আরো সহায়তার প্রদানের আশ্বাস দেন।

বিতরণ অনুষ্ঠানে পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর সবাইকে আগুনের ব্যাপারে সতর্ক হতে পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, আসন্ন শুষ্ক মৌসুমে আগুনের বিষয়ে আমরা সতর্ক না হলে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বাড়তে পারে। এসময় তিনি রুপসীপাড়া বাজারের পুকুরটি সংস্কার ও খনন, ব্যবসায়ীদের জন্য একটি ডিপ টিউবয়েল, বাজারের সড়ক গুলো পাঁকা করা ও বাজারের জন্য ৭টি স্ট্রিট সোলার লাইট দেয়ার কথা বলেন। উন্নয়নের বিষয়ে জনপ্রতিনিধিদের ভোটের চিন্তা ও পক্ষপাতমূলক আচরণ না করতে বলেন।

রুপসীপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান ছাচিংপ্রু মার্মার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, বান্দরবান জেলা প্রশাসক মো. দাউদুল ইসলাম, লামা-আলীকদমের জোন কমান্ডার লে. কর্ণেল সাইফ শামীম পিএসসি, বান্দরবানে সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার আলী হোসেন, লামা সার্কেলের সহাকারী পুলিশ সুপার আবু সালাম চৌধুরী, আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কাজল বরণ দাশ, লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ জান্নাত রুমি, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল, জেলা পরিষদ সদস্য লক্ষীপদ দাশ, মোস্তফা জামাল, ফাতেমা পারুল, অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অপ্পেলা রাজু নাহা, ইউপি চেয়ারম্যান বাথোয়াইচিং মার্মা, মিন্টু কুমার সেন সহ প্রমূখ। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন রুপসীপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. বাসিদ হোসেন।

বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্বোধন ৭ ফেব্রুয়ারি

নিউজ ডেস্কঃ-বান্দরবানবাসীর স্বপ্নের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের শুভ উদ্ভোধন হতে যাচ্ছে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি। আর এ উপলক্ষ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শুভ উদ্বোধন করবেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং।মন্ত্রণালয় ও ইউজিসি সূত্র জানায়, এ বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোক্তা হিসেবে রয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং। তবে তার সঙ্গে স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী রয়েছেন বলে জানা গেছে।
মন্ত্রণালয় সূত্র আরও জানায়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১০ এর ৩৬ ধারা অনুযায়ী শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার প্রতিশ্রুতিতে একই আইনের ৭ এর ১ ও ২ ধারা অনুযায়ী ২৩টি শর্তে সাময়িকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় দুটির অনুমোদন দেয়া হয়। এর মধ্যে আছে, প্রস্তাবিত বিশ্ব বিদ্যালয়ের কমপক্ষে ২৫ হাজার বর্গফুট আয়তনের নিজস্ব বা ভাড়া করা ভবন, কমপক্ষে তিনটি অনুষদ ও ছয়টি বিভাগ,পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ, লাইব্রেরি, ল্যাবরেটরি, শিক্ষার্থীদের জন্য কমন রুম, সেমিনার কক্ষসহ পর্যাপ্ত অবকাঠামো থাকতে হবে। পূর্বানুমোদন ছাড়া বিভাগ খোলা যাবে না। বিভাগে শর্ত অনুযায়ী নির্দিষ্টসংখ্যক পূর্ণকালীন শিক্ষক থাকতে হবে। আচার্যের (রাষ্ট্রপতি) পূর্ব অনুমোদন ছাড়া বিদেশ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য তহবিল সংগ্রহ করা যাবে না। আরোপিত শর্তগুলোর ওপর ৩০০ টাকার ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর কর্যালয় থেকে গত বছরের ২৯ মার্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে চিঠি পাঠানো হয়। এর প্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছে।সুত্রঃ-(পাহাড় বার্তা)

শারীরিক সুস্থতায় ক্রীড়ার কোন বিকল্প নেই: মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং

বান্দরবান অফিসঃ-পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি শারীরিক সুস্থতার জন্য ক্রীড়ার কোন বিকল্প নেই। শারীরিক প্রশান্তি ও মানসিক উন্নয়নে ক্রীড়া অগ্রনী ভুমিকা পালন করে। এছাড়াও খেলাধুলার মাধ্যমে একটি শিশুকে একজন সুশৃংঙ্খল জাতিতে পরিনত করা যায়, খেলাধুলা মানুষকে শৃংঙ্খলা ও সহানুভুতিতা শেখায়। তাই প্রতিটি মানুষের জীবন গঠনে পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলার পরির্”চা অপরিসীম।এসময় পার্বত্য মন্ত্রী আরো বলেন, লেখা পড়ার পাশাপাশি শারীরিক সুস্থতার জন্য ক্রীড়ার কোন বিকল্প নেই। শারীরিক প্রশান্তি ও মানসিক উন্নয়নে ক্রীড়া অগ্রনী ভুমিকা পালন করে। নৈসর্গিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি বান্দরবানের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বান্দরবান ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০১৯ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী গতকাল শনিবার বিকালে কলেজ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।শান্তির প্রতীক শ্বেত কপোত এবং বেলুন উড্ডয়নের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। বিএনসিসির চৌকস ক্যাডেট, গার্ল গাইডস সমূহ, ফুল দৌড়, দৃষ্টিনন্দন রিলে সহ কয়েকটি ইভেন্টের প্রতিযোগিতা, ভিভিআইডি অতিথিদের অংশগ্রহণে গলফ খেলা অনুষ্ঠিত হয়।প্রতিষ্ঠানের তায়কোয়ান্দো দলের চমকপ্রদ শারীরিক কসরত এবং ডিসপ্লে দলের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনায় দর্শক মন্ত্রমুগ্ধ হয়। ডিসপ্লেতে নজরুল হাউজ আবহমান বাংলার সংস্কৃতি, শহীদুল্লাহ হাউজ মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ এবং বরকত হাউজ ক্ষুদ্র-নৃ-গোষ্ঠির সংস্কৃতিক সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলে।এসময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠান পরিচালনা পর্ষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি লেঃ কর্ণেল এস এম আব্দুল্লাহ আল-আমিন, পিএসসি।স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ লে: কর্ণেল মো: রেজাউল ইসলাম পিএসসি, পিএইচডি, এইসি।এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আলী হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ আবু হাসান সিদ্দিক, বান্দরবান সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুছ, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য লক্ষীপদ দাশ, সদস্য মো: মোজাম্মেল হক বাহাদুর, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবান ইউনিটের প্রকল্প পরিচালক এম আব্দুল আজিজ, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবান ইউনিটের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বিন মোহাম্মদ ইয়াছির আরাফাত, প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাচ্চু, মাসিক নীলাচল পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক আলহাজ¦ মোহাম্মদ ইসলাম কোম্পানী সহ পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি বিজয়ী হাউস ও বিভিন্ন ইভেন্টের খেলা প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

রুমা-রোয়াংছড়ি সংযোগ সড়ক নির্মাণ কাজের উদ্বোধন

নিউজ ডেস্কঃ-পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং বলেছেন, পাহাড়ের অনেক গ্রাম আছে যেখানে উৎপাদন ভালো হয়, কিন্তু যোগযোগের অভাবের কারণে কৃষকরা তাদের সেই উৎপাদিত পণ্য ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করতে পারে না। এই সড়কগুলো হয়ে গেলে যারা ব্যবসা বাণিজ্য করেন তারা আমাদের উৎপাদিত পণ্য নিয়ে যেতে পারবেন এবং কৃষকরাও ন্যায্য মূল্য পাবেন।

শুক্রবার সকালে বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলা সদর থেকে রুমা উপজেলা সদর পর্যন্ত ৪৮ কোটি টাকা ব্যয়ে পল্লী সড়ক নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে প্রায় ২১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের ওই সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে ।

বীর বাহাদুর উশৈসিং আরও বলেন, এক উপজেলার সঙ্গে আরেক উপজেলার সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। আর সড়ক পথের যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে রাস্তার দুই পাশে আনাবাদী জমিগুলো আবাদযোগ্য হবে। আর রাস্তার দুই পাশ ঘিরে পাড়া, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে। এই সড়কের ফলে বান্দরবান-রুমা-রোয়াংছড়ি যোগাযোগ আরও বেশি উন্নত হবে এবং মানুষের কষ্ট লাঘব হবে ।

অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আবুল কালাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো কামরুজ্জামান,বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য কাঞ্চন জয় তঞ্চঙ্গ্যা, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকোৗশলী ইয়াসির আরাফাত, প্রকল্প পরিচালক আব্দুল আজিজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।