আজকে ২৬ এপ্রিল, ২০১৯ | | সময়ঃ-০২:২৭ অপরাহ্ন    

Home » অপরাধ

অপরাধ

সংবাদ পরিবেশনের ১ ঘন্টার মধ্যে গাঁজা ক্ষেত ধ্বংস করল পুলিশ

নিউজ ডেস্কঃ- “বান্দরবানের লামায় হচ্ছে গাজা চাষ” বিভিন্ন পত্রিকার অনলাইনে শনিবার সকাল ১০টায় প্রকাশিত সংবাদের ১ ঘন্টার মধ্যে অভিযানে নামে বান্দরবানের লামা থানা পুলিশ। বান্দরবান জেলা পুলিশ সুপার জাকির হোসেন মজুমদার প্রকাশিত সংবাদের মাধ্যমে বিষয়টি অবগত হয়ে লামা থানাকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে বলেন।পুলিশ সুপার এর নির্দেশে লামা থানায় সদ্য যোগদানকৃত অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আমিনুল হক সঙ্গীয় ১৫/২০ জন পুলিশের অফিসার,সদস্য ও মহিলা পুলিশ নিয়ে অভিযানে নামেন।অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন, লামা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক কৃষ্ণ কুমার দাশ, আসাদুজ্জামান, আয়াত, এএসআই সুজন ভৌমিক, রাম প্রসাদ দাশ, সহ প্রমূখ।শনিবার (২০ এপ্রিল) সকাল ১১টা হতে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত লামা পৌর শহরের কাছাকাছি সদর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড রোয়াজা ঝিরি এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।২০ শতক জমিতে করা প্রায় ৮ শতাধিক পূর্ণ বয়স্ক গাঁজা গাছ ও ১ হাজারের মত গাঁজা গাছের চারা উপড়ে ফেলে হয়।এসময় গাঁজা ক্ষেতের মালিক মো.ইয়াহিয়া মিন্টুর স্ত্রী খুরশিদা বেগমকে ঘটনাস্থল থেকে হাতেনাতে আটক করা হয়।আটক খুরশিদা বেগম ও গাঁজা গাছ গুলো পুলিশ লামা থানায় নিয়ে আসে।ক্ষেতের মালিক মো. ইয়াহিয়া মিন্টু কয়েকদিন যাবৎ লামায় না থাকায় তাকে আটক করা যায়নি।লামা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আমিনুল হক বলেন,খবর শুনার সাথে আমরা অভিযান পরিচালনা করি।প্রায় ২০ শতক জমিতে চাষ করা ৮ শতাধিক পূর্ণ বয়স্ক গাঁজা গাছ ও ১ হাজারের অধিক নার্সারীর গাঁজা চারা ধ্বংস করতে সক্ষম হই।এসময় গাঁজা ক্ষেতের মালিক মো.ইয়াহিয়া মিন্টুর স্ত্রী খুরশিদা বেগমকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।প্রসঙ্গত,লামা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের রোয়াজা ঝিরি এলাকার লোকমানের বাড়ির পূর্ব পাশে পাহাড়ের কোল ঘেষে ৬০ শতক জমি বর্গা নিয়ে বিভিন্ন প্রজাতির শাক-সবজি চাষাবাদ করে মো.ইয়াহিয়া মিন্টু।তার স্ত্রী খুরশিদা বেগম (৩২) ক্ষেতের কাজে সহায়তা করে।উক্ত জমিটি লামা পৌরসভার ছাগলখাইয়া এলাকার আব্দুল মজিদের ছেলে আব্দুস ছালাম লেদুর কাছ থেকে ১ বছরের জন্য ১৫ হাজার টাকা দিয়ে বর্গা নেয় মিন্টু। সেখানে ভুট্টা, সীম, পেঁপে, বেগুন, মরিচ সহ নানা রকম সবজির চাষাবাদ করা হয়েছে।পাশের চলাচলের রাস্তা হতে ক্ষেতের দিকে তাকিয়ে দেখলে এইসব ক্ষেত দেখা যায়। এইসব ফসলের ভিতরে লুকিয়ে প্রায় ২০ শতক জমিতে নেশাদ্রব্য গাজার চাষ করছে সে।

নুর হোসেনের বান্ধবী সেই নীলা ফের আলোচনায়!

ডেস্ক রিপোর্টঃ- আবারো আলোচনায় উঠে এসেছে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর জান্নাতুল ফেরদৌস নীলা। সে নারায়ণগঞ্জের আলোচিত ৭ খুন মামলার ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সাবেক কাউন্সির নুর হোসেনের বান্ধবী।

৭ খুনের ঘটনার পর নীলাকে নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠে। সিদ্ধিরগঞ্জের একটি হত্যা মামলায় রোববার বিকালে তদন্ত সংস্থা সিআইডি তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। আর এতে করে ফের আলোচনায় উঠে আসে নীলা।

সিদ্ধিরগঞ্জের মাদক ব্যবসায়ী খায়রুল ইসলাম জুয়েল হত্যা মামলার অধিকতর তদন্তের অংশ হিসেবে মামলার তদন্ত অফিসার জেলা সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মো. ছরোয়ার জাহান সরকার রোববার বিকালে নীলাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এ মামলায় নীলা জামিনে রয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক হাবিবুর রহমান বলেন, ২০১৩ সালের ২৬শে অক্টোবর নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন আজিবপুর গ্রাম থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ে মস্ককবিহীন একটি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করার পর জানতে পারে মরদেহটি নোয়াখালী জেলার মাসুমপুর গ্রামের ফিরোজ খানের ছেলে খায়রুল ইসলাম জুয়েলের (৩০)।

আদালত সূত্রমতে, জুয়েল হত্যা মামলায় কিলার লঞ্চ সোহেল, কালা সোহাগ ও মনা ডাকাত নামে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তারা হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

সেখানে তারা বলেছিলেন, মাদক ব্যবসার দেনা-পাওনা নিয়ে নীলার সঙ্গে জুয়েলের বিরোধ দেখা দেয়। এতে নীলার নির্দেশে খায়রুল ইসলাম জুয়েলকে গলা কেটে হত্যার পর দেহ এক স্থানে ও মাথা আরেক স্থানে ফেলে দেন তারা। আসামিদের স্বীকারোক্তির পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ নীলাকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেয়।

পুলিশ এই হত্যা মামলায় নীলাসহ ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেয়। কিন্তু পুনরায় মামলাটি সিআইডি তদন্ত করতে গিয়ে নীলাসহ ১৭ জনকে অব্যাহতির আবেদন করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন জেলা সিআইডির পরিদর্শক মো. নূরুন নবী।

যদিও অব্যাহতি চাওয়া ১৭ জন আসামির মধ্যে ১৩ জনের নাম স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে রয়েছে। এছাড়া সিআইডির অভিযোগপত্রে ২৫ জনের মধ্যে ৮ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

কিন্তু সেখানে অধিকাংশ আসামিকে কেন অব্যাহতির আবেদন করা হয়েছে তার ব্যাখ্যা চার্জশিটে বিস্তারিত উল্লেখ করেননি তদন্ত কর্মকর্তা। তাই আদালত মনে করেছেন এ চার্জশিটটি স্পষ্ট নয় এবং দাখিলকৃত চার্জশিট সন্তোষজনক বলে প্রতীয়মান হয় না।

সূত্রটি আরও জানায়, আসামিদের জবানবন্দি ন্যায় বিচারের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হওয়ায় ২০১৬ সালের ২১শে জুলাই নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অশোক কুমার দত্তের আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য জেলা সিআইডিকে নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য সাতখুনের ঘটনার পর জান্নাতুল ফেরদৌস নীলা ব্যাপকভাবে আলোচনায় উঠে আসেন। কারণ তিনি ৭ খুন মামলার অন্যতম আসামি নুর হোসেনের বান্ধবী। ২০১১ সালের ৩০শে অক্টোবর নাসিকের নির্বাচনে সংরক্ষিত ওয়ার্ডে (৪, ৫ ও ৬) নারী কাউন্সির নির্বাচিত হন জান্নাতুল ফেরদৌস নীলা। একই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতা নুর হোসেন ৪নং ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। এর অল্প দিনের মাথায় নুর হোসেনের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে উঠে নীলার।

লামার ইলিয়াছ ৩০ হাজার ইয়াবাসহ চট্টগ্রামে গ্রেফতার

বান্দরবান অফিসঃ- চট্টগ্রাম নগরের বন্দর এলাকা থেকে ৩০ হাজার পিস ইয়াবাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ০২ ফেব্রুয়ারি শনিবার বন্দর এলাকার মনছুর মার্কেটের সামনে থেকে একটি ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন-কুমিল্লার মো. খুরশীদ (৩০), বান্দরবানের লামা পৌরসভার চেয়ারম্যান পাড়া এলাকার মো. জহিরের ছেলে মো. ইলিয়াছ (২৮) ও নগরের আকবর শাহ এলাকার আবু বক্কর সোহাগ (২৫)।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পু্লিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (বন্দর জোন) আরেফিন জুয়েল বলেন, ভোরে একটি ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে ৩০ হাজার ইয়াবাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে বন্দর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

দুদককে ঘুষ দিতে এসে গ্রেফতার বান্দরবানের সাবেক ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক

নিউজ ডেস্কঃ- দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চট্টগ্রাম কার্যালয়ে ঘুষ দিতে গিয়ে গ্রেফতার হয়েছেন আনসার কমান্ড্যান্ট আশিকুর রহমান।

বৃহস্পতিবার সকালে সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২-এ ঘুষের এক লাখ টাকাসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে ডাবলমুরিং থানায় মামলা হয়েছে।

দুদক সূত্র জানায়, আশিকুর রহমান বিসিএস ক্যাডারের কর্মকর্তা। তিনি নীলফামারীর জেলার আনসার কমান্ডেন্ট। বান্দরবানের ১৭ নম্বর আনসার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক হিসেবে কর্মরত থাকা অবস্থায় একটি টেন্ডার অনিয়মের সঙ্গে জড়িত হন। এই অভিযোগে তার অনুসন্ধান করছিলেন দুদকের উপসহকারী পরিচালক জাফর সাদেক শিবলী।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য জানান, অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে আজ দুদক অফিসে আনসার কমান্ড্যান্ট আশিকুর রহমান উপস্থিত হন। এসময় তিনি নগদ এক লাখ টাকা ঘুষের বিনিময়ে অনুসন্ধান নিষ্পত্তি করার প্রস্তাব দেন।

পরে বিষয়টি দুদকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হলে আশিকুরকে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে গ্রেফতারের নির্দেশ দেওয়া হয়

বান্দরবানে দুই ভুয়া সাংবা‌দিকসহ আটক ৩

বান্দরবান অফিসঃ-বান্দরবা‌নে চাঁদাবা‌জির অ‌ভি‌যো‌গে ২জন ভুয়া সাংবা‌দিক ও ১জন ক্যা‌মেরাম্যান‌ ৩জনকে আটক ক‌রে‌ছে পু‌লিশ।
আটককৃতরা হ‌লেন, নজরুল ইসলাম (মজিব) (৪৮), মো.ফিরোজ (৪৫) ও ক্যামেরাম্যান মো. জাবেদ। এ‌দেরম‌ধ্যে নজরুল ইসলাম (ম‌জিব) বান্দরবা‌নের লামা উপ‌জেলার ফাইতং ও বাকী দুইজন কক্সবাজা‌রের চক‌রিয়ার বা‌সিন্দা। র‌বিবার রা‌তে এ ঘটনা ঘ‌টে।স্থানীয়রা জানায়, ক‌য়েকবছর ধ‌রে নজরুল ইসলাম (মজিব) একু‌শে সংবাদ, চাটগাঁর সংবাদ, অপরাধ চিত্র ও দৈ‌নিক খব‌রসহ বেশ ক‌য়েক‌টি প‌ত্রিকার প্রতি‌নি‌ধি প‌রিচয় দি‌য়ে বান্দরবানসহ চট্টগ্রা‌মের বি‌ভিন্ন জায়গায় চাঁদাবা‌জি ক‌রে আস‌ছিল।র‌বিবার বিকা‌লে বান্দরবা‌নের কুহালং ও সুয়াল‌কের বি‌ভিন্ন ব্রিক ফি‌ল্ডে ছ‌বি তু‌লে চাঁদা দা‌বি কর‌লে সেখানকার ম্যা‌নেজা‌রের স‌ন্দেহ হ‌লে স্থানীয় সাংবা‌দিক ও পুলিশকে খবর দেয়। প‌রে তা‌দের আই‌ডি কার্ড যাচাই বাছাই কর‌লে প্র‌তি‌নি‌ধির সত্যতা না পাওয়ায় তা‌দের‌কে পু‌লিশ থানায় নি‌য়ে আ‌সে। এসময় তা‌দের কাছ থে‌কে ২টি ক্যা‌মেরা, ক‌য়েক‌টি মোবাইল ফোন, বি‌ভিন্ন প‌ত্রিকার ক‌য়েক‌টি ভুয়া আই‌ডি কার্ড, চাঁদা আদা‌য়ের টাকা জব্দ করা হয়।
এ ব্যাপা‌রে বান্দরবান অ‌তি‌রিক্ত পু‌লিশ সুপার (সদর সা‌র্কেল) মোঃ ইয়া‌ছির আরাফাত ব‌লেন, এ‌ তিনজন তা‌দের সাংবা‌দিক প‌রিচয় দি‌য়ে সদ‌রের ক‌য়েক‌টি ব্রিক‌ফি‌ল্ডে গি‌য়ে ছবি তু‌লে চাঁদা দা‌বি ক‌রে‌ছে ও কিছু কিছু ফিল্ড থে‌কে চাঁদা নি‌য়ে‌ছে। এখন আমরা তা‌দের বিরু‌দ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিব।উ‌ল্লেখ্য, গত ৭জানুয়ারী চাইথোয়াই চিং মারমা (৩২) ও চিং‌থোয়াইনু মারমা না‌মে দুইজন ভুয়া সাংবা‌দিক‌কে গাছ ব্যবসায়ী‌দের কা‌ছে থে‌কে চাঁদাবা‌জির সময় সদ‌রের বালাঘাটা থে‌কে আটক ক‌রে পু‌লি‌শে দেয় জনতা। তারা বর্তমা‌নে চাঁদাবা‌জি মামলায় বান্দরবান কারাগা‌রে র‌য়ে‌ছে।

চাকরিচ্যুত সেনাকর্মককর্তার বাসা থেকে অস্ত্রসহ জাল টাকা উদ্ধার

নিউজ ডেস্কঃ- রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস এলাকায় সেনাবাহিনীর এক চাকরিচ্যুত কর্মকর্তার বাসা থেকে ডেটোনেটর, অস্ত্র, গুলি ও জাল টাকা উদ্ধার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম বিভাগ (সিটিটিসি)।

বৃহস্পতিবার সকালে চালানো এই অভিযানে কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। চাকরিচ্যুত ওই সেনা কর্মকর্তা তাঁর পরিবার নিয়ে বিদেশে অবস্থান করছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সূত্র জানায়, উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ৫০টি ডেটোনেটর, ম্যাগাজিনসহ ২টি বিদেশি পিস্তল, ১১ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, ম্যাগাজিনসহ ২টি শটগান এবং ২ রাউন্ড শটগানের কার্তুজ। এ ছাড়াও ঘটনাস্থল থেকে ৭টি জিহাদি বই, ৩ লাখ টাকা এবং ৩ লাখ বাংলাদেশি জাল টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় শুক্রবার ক্যান্টনমেন্ট থানায় সন্ত্রাস দমন আইন, জাল টাকা ও অস্ত্র আইনে পৃথক তিনটি মামলা হয়েছে।

সিটিটিসি সূত্র বলছে, বারিধারা ডিওএইচএস এর দুই নম্বর সড়কের একটি বাড়ির তৃতীয় তলার ওই ফ্ল্যাটটি সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্নেল (চাকরিচ্যুত) শহীদ খানের। ১৫বছর আগে সর্বশেষ তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিজিবিতে কর্মরত ছিলেন। সে সময় মানি লন্ডারিং এর ঘটনায় তাঁকে চাকরিচ্যুত করা হয়। এরপর দীর্ঘদিন তাঁর কোনো খোঁজ ছিল না। তাঁর ফ্ল্যাটও তালাবদ্ধ ছিল। আদালতের অনুমিত নিয়ে সেখানে তল্লাশি চালানো হয়।

সিটিটিসির ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এডিসি) আসাদুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, জঙ্গি অর্থায়নের একটি সূত্র ধরে শহীদ খানের বাড়িটি শনাক্ত করা হয়। বাসাটিতে আল কায়েদাকে অনুসরণকারীদের বইও পাওয়া গেছে আবার আইএসকে অনুসরণকারীদের বইও পাওয়া গেছে। শহীদ খান তাই কোন ধারার ছিলেন তা এখনই বোঝা যাচ্ছে না।
আসাদুজ্জামান বলেন, তিন কন্যা ও স্ত্রীকে নিয়ে শহীদ খান বেশ কিছুদিন আগেই দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। তিনি এখন পরিবার নিয়ে লন্ডনে অবস্থান করছেন বলে তাদের কাছে তথ্য রয়েছে।

বান্দরবানে এলজিইডি’র কাজে নিম্নমানের বালু ও ইট ব্যবহারের অভিযোগ

নিউজ ডেস্কঃ-বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) সড়ক নির্মাণ কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে নিম্নমানের বালু, মাটি ও নিম্নমানের ইটের কংকর। রোয়াংছড়ির ঘেরাও ভিতর পাড়ার এক কিলোমিটার রাস্তার নতুন কার্পেটিং করছে মেসার্স আবছার কন্সট্রাকশনের মো. আবছার নামের ঠিকাদার। এ কাজের ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি টাকারও বেশি।সরেজমিন পরিদর্শন করে দেখা গেছে, ঘেরাও ভিতর পাড়ায় নতুন কার্পেটিং সড়কের কাজ চলছে।আর এ কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে পাহাড় কেটে সংগৃহীত নিম্নমানের মাটি মিশ্রিত বালি ও পুরাতন ইটের নিম্নমানের কংকর।এ বিষয়ে রোয়াংছড়ির সাথুই অং মারমা বলেন, যে রাস্তার কাজ করা হচ্ছে তাতে বালু এবং ইটের কংকর দুটোই ব্যবহার করা হচ্ছে অত্যন্ত নিম্নমানের। আর এতে এ সড়কটি স্থায়িত্বের আশঙ্কা করছেন তিনি।সড়ক নির্মাণ শ্রমিকরা জানান, পাহাড়ের মাটি মিশ্রিত বালি ও পুরাতন ইট দিয়ে কাজ করায় এ সড়কটি দ্রুত ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তারপরও ঠিকাদারের দেওয়া সরঞ্জাম ও নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে কাজ না করার উপায় নেই।এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে কাজের মাঝি ইলিয়াছ ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত সটকে পড়েন।রোয়াংছড়ি এলজিইডি অফিসের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা সিনিয়র প্রকৌশলী নাজমুস সাহাদাত জিল্লুর রহমান বলেন, সড়ক নির্মাণের যে কাজটির ব্যয় ১ কোটি টাকার কিছু বেশি। তবে পাহাড়ের বালু মাটি ব্যবহারের বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে এ রাস্তায় আগে যে পুরাতন ইট ছিল তা ব্যবহার করার জন্যও নির্দেশনা রয়েছে।এ প্রসঙ্গে জানতে ঠিকাদার আবছারকে একাধিকবার ফোন করে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

ছাত্রীর আত্মহত্যা,পালালেন ভিকারুননিসার অধ্যক্ষ

নিউজ ডেস্কঃ-নবম শ্রেণির ছাত্রী অরিত্রি অধিকারীর (১৫) মৃত্যুর সংবাদ শুনে সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস। সেখানে তিনি অরিত্রির স্বজনদের রোষানলের মুখে পড়েন। এ সময় তারা প্রিন্সিপালের গাড়ি ঘিরে রাখেন। কিছুক্ষণ পর তিনি দ্রুত হাসপাতাল ছেড়ে চলে যান।স্কুলের প্রিন্সিপাল নাজনীন সুলতানা বলেন, অরিত্রি তার মোবাইল ফোনে বইয়ের বেশ কিছু পাতার ছবি তুলে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করে। বিষয়টি নজরে আসে শাখা প্রধানের। পরে শিক্ষার্থীর মা-বাবাকে ডেকে এনে তাদের পুরো ঘটনা খুলে বলা হয়। এরপর অরিত্রিকে বহিষ্কারের বিষয়টি তাদের জানানো হয়েছে মাত্র। বাবাকে অপমানের জন্য নয়, নকলে ধরা পড়ার বিষয়টি জানাজানি হয়ে যাওয়ার লজ্জা থেকেই অরিত্রি আত্মহত্যা করতে পারে বলেও জানান তিনি।এই দায় কার? জানতে চাইলে স্কুলের গভর্নিং কমিটির সভাপতি গোলাম আশরাফ তালুদার বলেন, ‘ঘটনাটি মর্মান্তিক। দুঃখজনক।’ তিনি বলেন, ‘ওই শিক্ষার্থীকে স্কুল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি, তবে ছাড়পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল।’ পরীক্ষায় নকলের অপরাধে শিক্ষক অপমান করায় আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছে ভিকারুন্নিসা নুন স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী অরিত্রি। সন্তানকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ মা, তবে প্রতিবাদের সরব সহপাঠীরা। প্রশ্ন তুলেছেন স্কুল কর্তৃপক্ষের নৈতিকতা ও গভর্নিং বডির ভূমিকা নিয়ে। ঘটনার নায্যবিচার দাবিতে মঙ্গলবার থেকে পরীক্ষা বর্জনেরও ঘোষণা দিয়েছে অরিত্রির সহপাঠীরা। সহপাঠীরা বলে, অরিত্রির বাবা-মাকে অনেক খারাপ কিছু বলা হয়েছে যা অরিত্রি সহ্য করতে পারিনি।স্কুল কর্তৃপক্ষের এ ধরণের আচরণ নৈতিকতা পরিপন্থি কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। প্রশ্ন উঠেছে গভর্নিং বডির ভূমিকা নিয়েও। অপমানের গ্লানি মাথায় নিয়ে অরিত্রি চলে গেছে। প্রিয় সন্তানকে হারানোর এই শোক কিভাবে সামাল দেবে তার পরিবার?সোমবার দুপুরে শান্তিনগরের ৭ তলার বাসায় অরিত্রি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। পরে তাকে উদ্ধার করে বিকাল ৪টার দিকে পরিবারের সদস্যরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।অরিত্রি অধিকারী ভিকারুন্নেসা স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। অরিত্রির ছোট বোন ঐন্দ্রিলা অধিকারীও একই স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। অরিত্রির বাবা দিলীপ অধিকারী একজন কাস্টসম (সিঅ্যান্ডএফ) ব্যবসায়ী। মা বিউটি অধিকারী গৃহিণী। পরিবারের সাথে রাজধানীর শান্তিনগরে থাকতো সে। তাদের গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালী জেলায়।অরিত্রির বাবা দিলীপ অধিকারী জানান, অরিত্রির বার্ষিক পরীক্ষা চলছিল। রোববার স্কুলে পরীক্ষার সময় তার মেয়ে মোবাইল নিয়ে গিয়েছিল। মোবাইলে নকল আছে এমন অভিযোগে ওই স্কুলের শিক্ষক সোমবার তাদের স্কুলে আসতে বলেন। সোমবার পরীক্ষার সময় অরিত্রির সঙ্গে তারা স্কুলে যান। পরে তাদের ভাইস প্রিন্সিপালের কাছে নিয়ে গেলে তারা মেয়ের নকল করার ব্যাপারে ভাইস প্রিন্সিপালের কাছে ক্ষমা চান।কিন্তু ভাইস প্রিন্সিপাল কিছু করার নেই বলে তাদের প্রিন্সিপালের রুমে যেতে বলেন। সেখানে গিয়েও তারা ক্ষমা চান। কিন্তু প্রিন্সিপালও তাতে সদয় হননি। এসময় স্কুল পরিচালনা পর্ষদের একজন সদস্যও ছিল। পরে তার মেয়ে প্রিন্সিপালের পায়ে ধরে ক্ষমা চাইলেও তাদের বেরিয়ে যেতে বলেন এবং পরের দিন টিসি নিয়ে আসতে বলেন। এ সময় আমি মেয়ের সামনেই কেঁদে ফেলি। অরিত্রি হয়তো আমার ওই কান্না-অপমান মেনে নিতে পারেনি।অরিত্রির বাবার অভিযোগ, প্রিন্সিপাল তাদের অপমান করায় তার মেয়ে দ্রুত বাসায় চলে যায়। বাসায় ফিরে সে তার ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয় এবং ফ্যানের সাথে ঝুলে আত্মহত্যা করে। বাহির থেকে অনেক ডাকাডাকি করেও দরজা না খোলায়, দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করি। পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।পল্টন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আতাউর রহমান বলেন, সুরতহাল করে অরিত্রির লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর তার মৃত্যু কারণ জানা যাবে।ময়নাতদন্ত সম্পন্ন শেষে ঢামেকের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক সোহেল মাহমুদ জানান, প্রাথমিকভাবে মনে হয়েছে মেয়েটি গলায় ফাঁস দিয়েছে। তার গলায় দাগ ছিল। তার ‘নেক টিস্যু’ সংগ্রহ করা হয়েছে, তা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে।

মীরসরাইয়ে কিশোরী ধর্ষণ,ধর্ষক গ্রেফতার

নিউজ ডেস্কঃ-চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে এক উপজাতী কিশোরীকে (১৩) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।পরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ওই কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় পুলিশ একই সম্প্রদায়ের যুবক শিমুল ত্রিপুরাকে গ্রেপ্তার করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার উপজেলার খৈয়াছরা ইউনিয়নের উজালিয়া পাড়ায় তরুণী ধর্ষণের ঘটনা ঘটলেও

আজ শুক্রবার (০৯ নভেম্বর) বিকালে ধর্ষিতা কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে মিরসরাই থানায় একটি মামলা দায়ের করে। পরে পুলিশ আজ সন্ধ্যায় মামলার প্রধান আসামীকে গহীন পাহাড় থেকে গ্রেপ্তার করে।

ধর্ষিতা কিশোরীর বাবা জানায়, গত বৃহস্পতিবার উপজেলার উজালিয়া পাড়ার পাশের একটি পাহাড়ে দৈনিক শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে যায় ওই তরুণী। এসময় বাগান পরিস্কার কাজ দেখাশুনা করছিল শিমুল ত্রিপুরা। ওইদিন বেলা ১টার সময় পাশের পাহাড়ে নিয়ে প্রথমে নিজে ধর্ষণ করে পরে বাগান পরিস্কার কাজের ঠিকাদার মান্নানকে দিয়ে পুনরায় ধর্ষণ করায় শিমুল।

পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া ধর্ষক শিমুল ত্রিপুরা অভিযোগ স্বীকার করে বলে, ‘আমি ধর্ষন করে মান্নান নামের এক ব্যক্তির হাতে ওই তরুণীকে তুলে দিয়েছিলাম।

মীরসরাই থানার ওসি জাহিদুল কবির বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে। খৈয়াছড়া উজালিয়া পাড়ার ১৩ বছর বয়সি এক কিশোরী একই পাড়ার শিমুল ত্রিপুরা প্রেমের ছলে ধর্ষণ করে। পরে ঠিকাদারী ব্যবসার সাথে জড়িত মান্নান নামের একজনের কাছে তাকে (কিশোরী) তুলে দেয়া হয়।

আজ শুক্রবার ধর্ষিতা তরুণীর বাবা থানায় এসে পুলিশকে ঘটনাটি জানানোর পর আমরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রজু করি। পরে কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে মামলার প্রধান আসামী শিমুলকে গহীন পাহাড় থেকে আমরা গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই। অপর আসামী মান্নানকেও আমরা খুব দ্রুত গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হব।

বিপুল পরিমাণ ইয়াবা সহ নারী মাদক ব্যাবসায়ী গ্রেফতার

বান্দরবান অফিসঃ-দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করে আসা তোমাচিং মার্মা এবার ধরা পরলেন বান্দরবান জেলা পুলিশের গোয়েন্দাদের জালে।রাঙামাটির ইয়াবা ব্যবসায়ী তিনি,বান্দরবানে এসে ইয়াবা বিক্রি করতেন তরুণদের কাছে।বান্দরবানের বালাঘাটা যাত্রী ছাউনীর সামনে থেকে আজ বুধবার ভোরে এই ইয়াবা ব্যবসায়ি তরুণীকে আটক করে পুলিশ।সে রাঙামাটি জেলার,কাউখালি উপজেলার বেতবুনিয়া ইউনিয়নের মৃত রেপতি মারমার মেয়ে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,অবৈধ ইয়াবা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে জেলা শহরের বালাঘাটা যাত্রী ছাউনিতে অবস্থান করছে এই তরুণী,এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোয়েন্দা পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে ইয়াবাসহ আটক করে।এসময় তার কাছ থেকে ৬হাজার ৬৯১ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।যার মূল্য অনুমানি মূল্য দুই লক্ষ সাত হাজার তিনশত টাকা।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এই তরুণী জানান,সে দীর্ঘদিন যাবৎ কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত এলাকা থেকে ইয়াবা নিয়ে বান্দরবানসহ আশপাশ এলাকায় ইয়াবা ট্যাবলেট সরবরাহ করে আসছিল।বান্দরবানের পুলিশের গোয়েন্দা শাখার পুলিশ পরিদর্শক জসিম উদ্দিন বলেন,উক্ত ঘটনায় আটকর্কৃত তরুণীর বিরুদ্ধে সদর থানায় ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন (সংশোধনী/ ২০০৪) এর ১৯(১) টেবিলের ৯(খ) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।