আজকে ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯ | | সময়ঃ-১২:০৮ অপরাহ্ন    

Home » অন্যান্য

অন্যান্য

অন্ধকার থেকে আলোতে আসছে দেশের ৬৮১ কিলোমিটার সড়ক

নিউজ ডেস্কঃ- ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল জনরায় নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার আগে আওয়ামী লীগ সরকার তাদের চমকপূর্ণ ইশতেহার প্রকাশ করে।
জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জেতার পর একে একে বাস্তবায়ন করতে শুরু করেছে তাদের ইশতেহারের বিভিন্ন ধাপ। এই ধাপের আওতায় রয়েছে দেশের নয়টি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের ৬৮১ কিলোমিটার রাস্তা নতুন রূপে ঢেলে সাজানো। এই ধাপটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার উদ্দেশ্যে ইতোমধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছে সরকার। শুধু তাই নয়, সড়কগুলো দৃষ্টিনন্দন ও মসৃণের পাশাপাশি ‘অন্ধকার থেকে আলোতে’ আনতে লাইটিং করা হবে। এসব কাজের জন্য ‘টেকনিক্যাল এসিস্ট্যান্স ফর সাব রিজিওনাল রোড ট্রান্সপোর্ট প্রজেক্ট প্রিপারেটরি ফ্যাসিলিটি’ প্রকল্প গ্রহণ করেছে সরকার। আর এসব সড়কের নকশা করতে পরামর্শক নিয়োগ করা হবে মূলত বাজার, ব্যস্ত সড়কে কি ধরণের লাইটিং এবং স্ট্রিট লাইটিং হবে সে বিষয়ে পরিকল্পনা করার জন্য।
প্রকল্পের আওতায় নয়টি সড়কের নকশা করা হবে। সড়কগুলোর মধ্যে ফরিদপুর-ভাঙ্গা-ভাটিয়াপাড়া-কালনা-লোহাগড়া-নড়াইল-যশোর-বেনাপোল সড়ক অন্যতম। এই সড়কের মোট দৈর্ঘ্য ১৩৫ কিলোমিটার। এছাড়া রংপুর থেকে বাংলাবান্ধা পর্যন্ত ১৭২ কি.মি. সাভার নবীনগর থেকে পাটুরিয়া পর্যন্ত ৫৮ কি.মি. রংপুর থেকে মহীপুর-কাকিনা পর্যন্ত ১৯ কি.মি. চট্টগ্রাম বন্দর এক্সেস রুটে ৫৮ কি.মি. সড়কে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে।
আর নাটোর নবপাড়া হয়ে কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ রুটের ১০৫ কি.মি., সিলেট হয়ে সুতারকান্দি রুটের ৪৬ কি.মি. এবং রংপুরের পাগলাপীর হয়ে ডালিয়া-বরখাতা রুটে ৬০ কি.মি. সড়কে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পের আওতায় ঢেলে সাজানো হবে ময়মনিসংহের রঘুরামপুর হয়ে নালিতাবাড়ি-নকুগাঁও রুটের ৭২ কি.মি. সড়ক।
জানা যায়, প্রকল্পের আওতায় নয়টি গুরুত্বপূর্ণ সড়কে ডিটেইল্ড নকশা করা হবে। সড়কগুলোর নকশা করতে ৫০ কোটি ৪৯ লাখ টাকা ব্যয় হবে। পুরো নকশার কাজ ২০২০ সালের মার্চে শেষ হবে। এরপরই নেওয়া হবে ‘মেগা প্রকল্প’।
যেসব সড়ক ঘিরে এ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে, মূলত এসবের অধিকাংশই থাকে অন্ধকারে। ফলে অনেক সময় ছিনতাই, ডাকাতিসহ বিভিন্ন ধরনের দুর্ঘটনা ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। সেজন্য দৃষ্টিনন্দন সড়ক অবকাঠামোর জন্য ল্যান্ডস্ক্যাপ অর্কিটেক্ট কাজ করা হবে। সড়কগুলো দৃষ্টিনন্দন ও মসৃণ করতে রোড সেফটি ইঞ্জিনিয়ারিং, ট্রান্সপোর্টেশন ইঞ্জিনিয়ার, হাইওয়ে ইঞ্জিনিয়ার ও ব্রিজ-স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার যৌথভাবে কাজ করবে।
সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ সূত্র জানায়, সরকারের বহুমাত্রিক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেশের উপ-আঞ্চলিক সড়ক যোগাযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সরকার কিছু বিনিয়োগ প্রকল্প গ্রহণের পরিকল্পনা নিয়েছে। বিনিয়োগ প্রকল্প গ্রহণের লক্ষ্যে দেশের উপ-আঞ্চলিক সড়ক নেটওয়ার্কের আওতায় জাতীয় মহাসড়ক, আঞ্চলিক মহাসড়ক এবং জেলা সড়কের ফিজিবিলিটি স্ট্যাডি এবং ডিটেইল্ড ডিজাইনের প্রয়োজন হতে পারে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সহায়তায় প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে।

দুর্নীতির দুর্দিন চলছে

নিউজ ডেস্কঃ- একটা সময় ছিল, যখন দেশের প্রতিটি নাড়ি-নক্ষত্র জুড়ে ছিল দুর্নীতি। তখন ছিল দুর্নীতির ভরা যৌবন। দুর্নীতি দাপিয়ে বেড়াতো দেশের প্রতিটি সেক্টরে। টানা পাঁচবার আমাদের এই স্বাধীন দেশ ছিল দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন, এই চ্যাম্পিয়ন হওয়া ছিল দেশের জন্য চরম লজ্জার।
সময় এখন পাল্টে গেছে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের নানা পদক্ষেপ এবং বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়নের ফলে, দেশ এখন এগিয়ে যাচ্ছে। সেই সাথে দুর্নীতি নামক কালো থাবা থেকে রক্ষা পাওয়ার অপেক্ষায় দেশ।
একটি দেশের শাসক যখন ভক্ষক হয়, তখন সে দেশের চেয়ে দুখী দেশ আর হতে পারে না। জামায়াত-বিএনপির শাসনামলে এদেশের শাসক সমাজ ছিল ভক্ষকের ভূমিকায়। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রীসভা থেকে শুরু করে তার আমলা, প্রত্যেকেই ছিল দুর্নীতির কালো ছায়ায় বন্দী।
বেগম জিয়ার পরিবার ছিল দুর্নীতির প্রধান ঘাটি। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি, বড়পুকুরিয়া কয়লা দুর্নীতি, গ্যাটকো দুর্নীতি, নাইকো দুর্নীতিসহ অসংখ্য দুর্নীতিতে জড়িত ছিল জিয়া পরিবার ।
বেগম জিয়ার ছেলে আরাফাত রহমান কোকো ছিল “সিমেন্সের দুর্নীতি” কেলেঙ্কারীতে জড়িত। আরাফাত রহমান কোকোকে ঘুষ দেওয়ার কথা স্বীকার করেছে সিমেন্স। যা সারা বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে খারাপভাবে তুলে ধরেছে। যার প্রভাব সারা দেশের উপর পড়ে। দেশ ধারাবাহিকভাবে পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়। এই অবস্থায় দেশের উপর আসতে থাকে নানা অর্থনৈতিক বাধা। বাংলাদেশ চলে যায় এক অন্ধকার যুগে।
এ অবস্থায় ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিপুল জনগণের রায় নিয়ে দেশের হাল ধরেন শেখ হাসিনা। যার শক্ত হাতের নিপুণ ছোয়ায় দেশের প্রতিটি স্তর থেকে দুর্নীতি কমিয়ে প্রায় শূন্যের দিকে আনা হয়। যার ফলে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ফুলে উঠে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বের ৪১তম অর্থনৈতিক দেশ। দুর্নীতির কালো ছোঁয়া থেকে দেশ এখন অনেকাংশে মুক্ত। বাংলাদেশ এখন তলাবিহীন ঝুঁড়ির কোন দেশ নয়।
আওয়ামী লীগের ইশতেহারে ২১টি অঙ্গীকারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো – দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ।
সরকারি কৌশল ও ডিজিটালাইজেশন-এর ফলে দেশের দুর্নীতি এখন অনেকাংশ কমে গেছে। শেখ হাসিনার দুর্নীতি দমনে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিজয় এখন শুধু সময়ের ব্যাপার, সমৃদ্ধির পথে বাংলাদেশ।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জালে আরও দুই ভুয়া প্রশ্নপত্র ফাঁসকারী সদস্য আটক

নিউজ ডেস্কঃ-২০১৯ সালের এসএসসি পরীক্ষা চলছে। গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া চলমান এসএসসি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে প্রশ্নপত্র ফাঁস ও ফাঁসের গুঞ্জন বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। এই পদক্ষেপের ফলে বিভিন্ন সময় ধরা পড়েছে চক্রের একাধিক সদস্য। প্রশ্ন ফাঁসের মতো ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধি রুখে দিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই তৎপরতা অব্যাহত রাখা হবে। একে যুগান্তকারী পদক্ষেপ বলে বিচেনা করেছেন শিক্ষাবিদরা।
প্রসঙ্গত, ৯ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে গণিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলেন, সাগরদিঘী শ্যামল কোচিং সেন্টারের পরিচালক শ্যামল সাহা ও সাগরদিঘী উচ্চ বিদ্যালয়ের দপ্তরি আব্দুর রহমান।
ঘাটাইলের সাগরদিঘী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক (ওসি) আশরাফুল ইসলাম জানান, সাগরদিঘী এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে শ্যামল সাহা ও দপ্তরি আব্দুর রহমানকে আজকের গণিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্রসহ হাতে নাতে ধরে পুলিশ। পরে তাদের আটক করে পুলিশি হেফাজতে নেয়া হয়।
এর আগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, এসএসসি পরীক্ষা শুরুর আগে থেকেই সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যমসহ বোর্ড পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজনদের চিহ্নিত করে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করায় ভুয়া প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত তৎপরতায় সাতক্ষীরা, মুন্সিগঞ্জ, গাজীপুর, যশোর, জামালপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে অন্তত ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যারা প্রত্যেকেই প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ছড়িয়ে বিভিন্নভাবে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছিল। টাঙ্গাইলের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১২ জনকে আটক করল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
আসন্ন প্রতিটি পরীক্ষাতেই এমন তৎপরতা অব্যাহত থাকবে জানিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস একটি সামাজিক ব্যাধিতে রূপান্তরিত হয়েছিল। যা এখন প্রায় শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে। এর পেছনে যেমন সরকার, শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে শুরু করে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সকলের অবদান রয়েছে তেমনি সফলতার পেছনেও সমাজের সকল স্তরের মানুষেরও ভূমিকা কম নয়। তাই আগামীতেও এই ধারা অব্যাহত রেখে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা এখন আমাদের সকলের দায়িত্বের আওতায় পড়ে।

জাতীয় গ্রন্থাগার দিবসে বান্দরবানে নানা কর্মসূচি

সিএইচটি টাইমস নিউজ,বান্দরবানঃ-‘গ্রন্থাগারে বই পড়ি, আলোকিত মানুষ গড়ি’ স্লোগানে বান্দরবানে পালিত হয়েছে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালে জেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়। চত্বরে বিভিন্ন জায়গা ঘুরে এসে আবার সেখানে শেষ করা হয় শোভাযাত্রা। এতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

পরে জেলা সরকারি গ্রন্থাগারের আয়োজনে পরিষদের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা মারমা। জেলা সরকারি গ্রন্থাগারে আহবায়ক সিংইয়ং ম্রো’র সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সদস্য মোজাম্মেল হক বাহাদুর, ক্যসাপ্রু মারমা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা।

মাদক থেকে যুব সমাজকে দুরে রাখতে বান্দরবানে বর্ণাঢ্য মোটর সাইকেল শোভাযাত্রা

নিউজ ডেস্কঃ-মাদক থেকে যুব সমাজকে দুরে রাখতে বান্দরবানে মোটর সাইকেল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।গতকাল শুক্রবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে বান্দরবান ব্রাদার হুড বিডি নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের আয়োজনে এই মোটর সাইকেল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয় । এসময় বান্দরবানের বিভিন্ন উপজেলার যুব সমাজের প্রায় ৫ শত মোটর সাইকেল চালকেরা এই মোটর সাইকেল শোভাযাত্রায় অংশ নেয়। সকাল ৮টায় বান্দরবান রাজার মাঠ থেকে শোভাযাত্রাটি শুরু হয়ে বান্দরবানের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই লেক পর্যটন কেন্দ্রের উদ্যোশে রওনা দেন।এসময় যুবকেরা বান্দরবান থেকে কাপ্তাই দীর্ঘ ১৬৬ কিলোমিটার সড়কে মোটর সাইকেল চালান এবং পথে পথে বিভিন্ন স্থানে দাড়িঁয়ে পথচারীদের মাদকের ক্ষতিকর দিক সর্ম্পকে অবহিত করে এবং মাদক থেকে যুব সমাজকে দূরে থাকার আহবান জানান।মোটর বাইক চালক রিমন পালিত বলেন, আমরা আশা করি আমাদের এই বাইক রাইটের মাধ্যমে মাদকের বিরুদ্ধে একটি গণ জোয়ার সৃষ্টি করতে পারবো। বান্দরবান ব্রাদার হুড বিডির জেলা সমন্বয়ক সিফাতুর রহমান বলেন আমরা ২০১৬ সালে গুড়িকয়েক আমাদের বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে বান্দরবান ব্রাদার হুড এমসি বিডি যাত্রা শুরু করে এভাবে করে বর্তমানে আমাদের প্রায় ১ হাজার সদস্য তৈরী হয়েছে। আমরা প্রতিবার একটি একটি করে গুরুত্ব পূর্ণ বিষয়কে প্রতিপাদ্যকরে আমাদের এই শোভাযাত্রা টি করে থাকি। এবছর আমরা আমরাদের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছি মাদক কে না বলুন ,মাদক থেকে তরুণ প্রজন্মকে দুরে রাখুন এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ আমরা প্রায় ৫ শত মোটর সাইকেল রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলা পর্যন্ত আমাদের এই প্রচারণা চালিয়ে যাবো।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, বান্দরবান ব্রাদার হুড বিডির মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম,বিডি ক্লিন বান্দরবান এর জেলা সমন্বয়ক আবু বক্কর সিদ্দিকসহ বান্দরবান ব্রাদার হুড বিডির প্রায় ৫শত সদস্য।প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে বান্দরবানের কিছু উদ্যোমী যুবকের ব্যতিক্রমী উদ্যোগে গড়ে ওঠে বান্দরবান ব্রাদার হুড বিডি নামের একটি সংগঠন,আর এই সংগঠন সৃষ্টির পর থেকেই প্রতি বছরই মাদকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে সংগঠনের সদস্যরা ।

২৩ কর্মকর্তাকে ঢাকার বাইরে পাঠাল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়

নিউজ ডেস্কঃ-দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ঢাকায় কর্মরত স্বাস্থ্য অধিদফতরের ২৩ কর্মকর্তাকে ঢাকার বাইরে বদলি করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (৩১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের যুগ্মসচিব (পার-২) একেএম ফজলুল হক খান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বদলির প্রজ্ঞাপন জারি হয়।
এতে বলা হয়, আগামী সাতদিনের মধ্যে তারা বদলি করা কর্মস্থলে যোগ না দিলে, বর্তমান কর্মস্থল থেকে তাৎক্ষণিক অব্যাহতি পেয়েছেন বলে গণ্য হবে। দুপুরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের সঙ্গে দুদক কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খানের সাক্ষাতের পর এ সিদ্ধান্ত নেয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

এর আগে দুদক থেকে এই ২৩ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বদলির জন্য সুপারিশ করে চিঠি দেওয়া হয়েছিল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে।

চিঠিতে বলা হয়, স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিভিন্ন কার্যালয়ে কতিপয় দুর্নীতিবাজ, স্বেচ্ছাচারী ও ক্ষমতার অপব্যবহারকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে দুর্নীতির হাত শক্ত করছেন। যা স্বাস্থ্য অধিদফতরের সুশাসনের ক্ষতি করছে। এসব কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন দুনীতির করে। দুদকে তাদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে অনেক অভিযোগ জমা হয়েছে। যা আমাদের গোয়েন্দা ইউনিটের অনুসন্ধান পর্যায়ে রয়েছে।

চিঠিতে এসব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দুর্নীতি প্রতিরোধের জন্য বর্তমান কর্মস্থল থেকে জরুরি ভিত্তিতে অন্যত্র বদলির ব্যবস্থা গ্রহণে দুদকের কাছ থেকে অনুরোধ করা হয়।

ওই ২৩ কর্মকর্তা-কর্মচারী হলেন- স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালকের (স্বাস্থ্য) কার্যালয়ের সহকারী প্রধান (পরিসংখ্যানবিদ) মীর রায়হান আলী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ফারুক হাসান, প্রধান সহকারী আশরাফুল ইসলাম, প্রধান সহকারী সাজেদুল করিম, উচ্চমান সহকারী তৈয়বুর রহমান, উচ্চমান সহকারী সাইফুল ইসলাম, চট্টগ্রাম স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালকের কার্যালয়ের প্রধান সহকারী ফয়জুর রহমান, প্রধান সহকারী মাহফুজুল হক, কম্পিউটার অপরেটর আজমল খান, ময়মনসিংহ স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালকের কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, প্রধান সহকারী-কাম হিসাবরক্ষক আব্দুল কুদ্দুস, সিলেটের স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালকের কার্যালয়ের প্রধান সহকারী নুরুল হক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা গোস আহমেদ, উচ্চমান সহকারী আমান আহমেদ, অফিস সহকারী-কাম কম্পিউটার অপরেটর নেছার আহমেদ চৌধুরী, খুলনা স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালকের কার্যালয়ের ব্যক্তিগত সহকারী ফরিদ হোসেন, অফিস সহকারী মো. মাসুম, প্রধান সহকারী আনোয়ার হোসেন, বরিশাল স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালকের কার্যালয়ের প্রধান সহকারী মো. রাহাত খান, উচ্চমান সহকারী জুয়েল, রংপুর স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালকের কার্যালয়ের উচ্চমান সহকারী আজিজুর রহমান, স্টেনোগ্রাফার সাইফুল ইসলাম এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম।

শনিবারের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন স্থগিত

সিএইচটি টাইমস,বান্দরবানঃ –অনিবার্য কারণবশত আগামী শনিবার (১৮ জানুয়ারি) জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন স্থগিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ জানুয়ারি) জাতীয় পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা. মো. ইউনুস স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘ক্যাম্পেইনের তারিখ পরবর্তীতে জানানো হবে।’

প্রতিষ্ঠানটির জাতীয় পুষ্টি সার্ভিসের ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. মো. এম ইসলাম বুলবুল বলেন, অনিবার্য কারণে আগামী শনিবারের ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের তারিখ পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এটা পরবর্তীতে কবে করা হবে সেটা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে আমাদের জানিয়ে দেওয়া হবে। তবে আশা করছি আগামী সপ্তাহে এই ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হতে পারে। আমরা পরবর্তী নির্দেশের জন্য অপেক্ষা করছি।

প্রতি বছর প্রধানমন্ত্রী নিজে শিশুদের ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাইয়ে এই ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন। এতে ১ থেকে ১২ মাস বয়সী শিশুদের একটি ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। ১ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের অন্য একটি ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। এ ক্যাপসুল শিশুদের রাতকানা রোগসহ অন্ধত্ব প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে।

যেসব কারণে টিআইবির প্রতিবেদন ‘মনগড়া’ বলতে দ্বিধা নেই

নিউজ ডেস্কঃ- একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয়ের পর বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে আঁতাত করে বিএনপি নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে সচেষ্ট হয়েছে। তারই সূত্র ধরে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ আখ্যায়িত করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। টিআইবির প্রতিবেদনটি বিশদ বিশ্লেষণ করলে নিছক মনগড়া বলতে কোন দ্বিধা থাকে না।

টিআইবি সংসদ নির্বাচনকেন্দ্রীক প্রতিবেদনটিকে ‘গবেষণা প্রতিবেদন’ বলে দাবি করছে। কিন্তু তা কোন গবেষণা নয়। কেননা, গবেষণা করতে যেসব পদ্ধতি প্রয়োগ করতে হয়, তা এখানে প্রয়োগ করা হয়নি। এমনকি গবেষণা বিষয়ক কোন পদ্ধতির বর্ণনাই উল্লেখ করেনি প্রতিবেদনটিতে। কিন্তু সচেতন মানুষ মাত্রই জানেন, গবেষণার পদ্ধতি এবং প্রয়োগের বিষয়ে প্রতিবেদনে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরা বাঞ্ছনীয়। নইলে প্রতিবেদনটি সচেতন মানুষের সংশয় তৈরি করতে পারে। টিআইবির প্রতিবেদনটিতে গবেষণা সংক্রান্ত কোন তথ্য তুলে না ধরায় এ সত্য উন্মোচিত যে, প্রতিবেদনটি মনগড়া এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

এছাড়া প্রতিবেদনটি সম্পর্কে টিআইবির কর্তাগণ বলেছেন, এটি তাদের প্রাথমিক প্রতিবেদন। কিন্তু কোন গবেষণা প্রতিষ্ঠান প্রাথমিক প্রতিবেদনের প্রাপ্ত ফলাফল গভীর পর্যালোচনা ছাড়া উপস্থাপন করতে পারে না। অর্থাৎ প্রতিবেদনটি তড়িঘড়ি করে উপস্থাপন করা হয়েছে বিশেষ উদ্দেশ্যে। অর্থাৎ প্রতিবেদনটি মনগড়া তা বলা অমূলক নয়।

টিআইবি বলছে, ২৯৯ আসনের মধ্যে দ্বৈবচয়নের ভিত্তিতে গবেষণা করে এমন তথ্য পাওয়া গেছে এবং গবেষণাটি গুণবাচক। এতে মুখ্য তথ্যদাতার সাক্ষাৎকার ও পর্যবেক্ষণ এবং ক্ষেত্রবিশেষে সংখ্যাবাচক তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। তথ্য নেওয়া হয়েছে পরোক্ষ উৎস থেকে।

কিন্তু এভাবে কোন গবেষণা হয় না। ভোটের কারচুপির তথ্য নিলে অবশ্যই তা সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কাছ থেকে নিতে হবে অথবা লিখিত কোন ডকুমেন্ট থেকে নিতে হবে। কিন্তু তারা এসবের কিছুই করেনি। কাজেই এটিকে গবেষণা বলা অযৌক্তিক।

টিআইবি বলেছে, তারা বাছাই করা প্রার্থীদের কাছ থেকে তথ্য নিয়েছে। এ ক্ষেত্রে জামায়াতের প্রার্থীদের কাছ থেকে তথ্য নিলে গবেষণা প্রতিবেদন এক রকম হবে। আবার আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের থেকে নিলে তা আরেক রকম হবে। কিন্তু এই গবেষণায় টিআইবির বাছাই করা প্রার্থী কারা, সেটা স্পষ্ট নয়। তাই প্রতিবেদন প্রশ্নবিদ্ধ।

এ প্রসঙ্গে রাজনৈতিক সচেতন সুশীল সমাজ বলছে, নির্বাচন উপলক্ষে আসা একাধিক বিদেশি পর্যবেক্ষক দল যখন বলছে নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক, অবাধ নির্বাচন হয়েছে তখন বিএনপি তথা বিএনপি মনভাবাপন্ন বিভিন্ন সংগঠন নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে বিভিন্ন অপতৎপরতা চালাচ্ছে যা হীনউদ্দেশ্যের বহিঃপ্রকাশ।

প্রসঙ্গত, ৩০ ডিসেম্বর ২৯৯ আসনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। গাইবান্ধা-১ আসনের একজন প্রার্থী মৃত্যুবরণ করায় পুনঃ তফসিলের পর সেখানে ২৭ জানুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। তবে এই আসনে বিএনপি তার প্রার্থী সরিয়ে নিয়েছে। ২৯৯ আসনের মধ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তথা মহাজোট মোট ২৮৮টি, বিএনপি তথা জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মোট ৮ টি এবং স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচিত হয়েছেন ৩ আসন।

কর্মসংস্থান তৈরিতে বিনিয়োগ বাড়ানোর চ্যালেঞ্জ নিচ্ছে সরকার

নিউজ ডেস্কঃ-জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশবাসীকে একটি এক স্বাধীন রাষ্ট্র উপহার দিয়েছিলেন। আর পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধু কন্যা সেই যুদ্ধ বিদ্ধস্ত ও অনুন্নত দেশটির রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ ক্ষমতার দায়িত্বে আসার পর গত টানা দশ বছরে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের অবস্থান থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উঠে এসেছে।

যেখানে গত এক দশক ধরে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার গড়ে ৬ শতাংশের ওপরে রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরে প্রবৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ অতিক্রম করে ৮ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছেছে।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সাম্প্রতিক সময়ের বিশ্লেষণে বলছে বাংলাদেশের ভবিষ্যত অর্থনীতি শক্তিশালী হয়ে ওঠার ক্ষেত্রে সামনে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। যারমধ্যে অন্যতম ও প্রধান চ্যালেঞ্জটি হচ্ছে ‘বাংলাদেশ এখন স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বিভিন্ন দেশে যে ধরণের বাণিজ্য–সুবিধা পেয়ে থাকে, পাকাপাকিভাবে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উঠে গেলে সেসব সুবিধা হারাবে।’ গবেষকরা বলছেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার অধীনে ২০৩০ সাল নাগাদ বেশ কিছু কঠিন অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত লক্ষ্য অর্জনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এর সঙ্গে লক্ষ্য রয়েছে ২০৩০ সাল নাগাদ একটি উচ্চ–মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়া এবং ২০৪১ সাল নাগাদ উন্নত বিশ্বের কাতারে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জগুলো অন্তরায় হয়ে দাঁড়াতে পারে।

দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চাকা আরও গতিশীল করা এবং প্রবৃদ্ধির সুফল সবার মধ্যে বণ্টনের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক সুশাসনের উন্নতি, ব্যাংকিং খাত, শেয়ারবাজার, কর অবকাঠামো এবং অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় সংস্কারের চ্যালেঞ্জ গহণ করেছে বলে এর আগেই জানিয়েছে সরকারের একটি মহল।

গবেষকরা বলছেন, ওই লক্ষ্যমাত্রাগুলো অর্জনের জন্য প্রবৃদ্ধির গুণগত মানের দিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির উর্ধ্বগতির সঙ্গে প্রবৃদ্ধির গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন আছে। কর্মসংস্থান এবং বৈষম্য এই দুটি বিষয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গুণগত মানের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এটি উদ্বেগের বিষয় যে এক দশকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি উর্ধ্বমুখী হওয়া সত্ত্বেও কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বৈষম্য কমানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাফল্য বেশি নয়। যেখান থেকে সরকারের বের হয়ে আসাটা একটা বড় চ্যালেঞ্চ।

কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বড় উদ্বেগের জায়গা হিসেবে গবেষকরা চিহ্নিত করছেন, শ্রমবাজারে নারীদের অংশগ্রহণে এক ধরণের স্থবিরতা এবং পোশাক খাত ছাড়া অন্য কোনো শিল্প খাতে এখনো বিপুলসংখ্যক নারী শ্রমিকের কাজের সুযোগ সৃষ্টি না হওয়াকে।

গবেষকদের মতে, ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগ কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চালক। বাংলাদেশে বিনিয়োগের ৮০ শতাংশেরও বেশি ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগ থাকে। এক দশকে পরিমাণের দিক থেকে ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগ বেড়েছে। তবে জিডিপির অনুপাতে এ খাতের বিনিয়োগ এক ধরণের স্থবির অবস্থায় রয়েছে। কারণ অবকাঠামোগত সমস্যা, ঋণের প্রাপ্যতার অভাব, ঋণের উচ্চ সুদের হার, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা এবং অর্থনৈতিক নীতির সংস্কারের অভাব রয়েছে এ খাতে।

প্রবৃদ্ধির হার বাড়িয়ে দুই অঙ্কের ঘরে নিতে হলে বিনিয়োগের হার জিডিপির অনুপাতে বর্তমানে ৩১ শতাংশ থেকে প্রায় ৪০ শতাংশে উন্নীত করতে হবে। এর অর্থ হচ্ছে, ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগের হার জিডিপির অনুপাতে বিদ্যমান ২৩ থেকে বাড়িয়ে ৩০ শতাংশের ওপরে নিতে হবে। যা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

সকল ভূমি কর্মকর্তাদের দিতে হবে সম্পদের হিসাব

নিউজ ডেস্কঃ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই শোনা যাচ্ছিলো যে এবার চমক থাকবে মন্ত্রীসভায়। ঠিকই চমক রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এবারের মন্ত্রীসভায় রয়েছে বেশ কিছু তরুণ নতুন মুখ। পুরাতনদের অভিজ্ঞতা ও নতুনদের তারুণ্য দীপ্ত মনোভাব নিয়ে তৈরী করা হয়েছে নতুন মন্ত্রীসভা। বেশ কিছু মন্ত্রণালয়ে পাওয়া গেছে নতুন মুখ। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে নতুন মুখ উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে রয়েছেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পরই নতুন রূপে সাজাতে ব্যস্ত নতুন মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী। এক জরিপে দেখা যায় বাংলাদেশ দুর্নীতি মুক্ত একটি দেশ। এই দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশকে টিকিয়ে রাখতেই তিনি নিয়েছেন পদক্ষেপ। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে শুরু করে মন্ত্রণালয় পর্যন্ত সব কর্মকর্তা কর্মচারীকে সম্পদের হিসাব জমা দিতে হবে। চট্টগ্রামে সাংবাদিকদের সাথে এক মত বিনিময় সভায় ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী এই ঘোষণা দেন। মন্ত্রণালয়ে গিয়ে তিনি এ বিষয়ে লিখিত পরিপত্র জারি করবেন বলে জানান।

মন্ত্রণালয়ে যাতে কোন রকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে এজন্য পুরো মন্ত্রণালয় সিসিটিভির আওতাভুক্ত করবে নতুন এই ভূমিমন্ত্রী। সেখানে রাখা হবে ভয়েস রেকর্ডারের ব্যবস্থা। অর্থাৎ সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের আওতায় আনা হবে ভূমি মন্ত্রণালয়। সেই সাথে আধুনিকায়ন করা হবে দেশের ভূমি মন্ত্রণালয়কে।

নতুন ভূমিমন্ত্রী দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে বেশি মনোযোগী। কারণ দুর্নীতি সকল ধরণের উন্নয়নের অন্তরায়। দেশে গত কয়েক বছর ধরে দুর্নীতি নেই বলেই সর্বস্তরে উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। নিশ্চিত হয়েছে জনগণের নাগরিক সুবিধা। দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশের এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট সকলে।