আজকে ২৪ এপ্রিল, ২০১৯ | | সময়ঃ-০৬:৩৬ অপরাহ্ন    

Home » ২০১৯ » মার্চ

Monthly Archives: মার্চ ২০১৯

কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজে জিমনিসিয়াম ভবনের উদ্বোধন

নিউজ ডেস্কঃ- বান্দরবানের লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নের কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজে প্রথম নবনির্মিত জিমনিসিয়াম ভবনের উদ্বোধন করেছে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো:জাহিদ আহসান রাসেল এমপি।

রবিবার সকালে বান্দরবানের লামা উপজেলার দুর্গম সরই ইউনিয়নের কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো:জাহিদ আহসান রাসেল এমপি এই জিমনিসিয়াম ভবনের উদ্বোধন করেন। এসময় ফিতা কেটে ফলক উন্মোচনের মধ্য দিয়ে নবনির্মিত জিমনিসিয়ান ভবনের কার্যক্রম শুরু হয়।

অনুষ্ঠানে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের বিভিন্ন কোয়ান্টা শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের মনোমুগ্ধকর জিমন্যাস্টিকস শো প্রদর্শন করে।

এসময় চীন ,থাইল্যান্ড, কোরিয়া, ভারতসহ বিভিন্ন দেশে অংশগ্রহণ করে স্বর্ণ,রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ পদক বিজয়ী শিক্ষার্থীরা তাদের বিভিন্ন মনোমুগ্ধকর জিমন্যাস্টিকস শো প্রদর্শন করে।

নবনির্মিত জিমনিসিয়াম ভবনের উদ্বোধন শেষে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয় । এসময় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো:জাহিদ আহসান রাসেল এমপি, বাংলাদেশ জিমন্যাস্টিক ফেডারশনের সাধারণ সম্পাদক আহমেদুর রহমান, কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি অধ্যাপিকা আমেনা বেগম, কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ ছালেহ আহম্মদসহ বিদ্যালয়ের ২ হাজার ২শত ছাত্রী ছাত্রী উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল মাঠে শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় এক মনোমুগ্ধকর শরীরচর্চা প্রদর্শনী ও ডিসপ্লে অনুষ্ঠিত হয় । শরীর চর্চা প্রদর্শনী ও ডিসপ্লেতে উপস্থিত থেকে সালাম গ্রহন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো:জাহিদ আহসান রাসেল এমপি।

অনুষ্ঠানে অতিথিরা কোয়ান্টাম শিশুদের দেশ ও বিদেশে ক্রীড়াক্ষেত্রে বিভিন্ন অবদান রাখার জন্য শিশু শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং আগামীতে দেশের হয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলাধুলায় অংশ নিয়ে দেশের সুনাম অক্ষুণ রাখার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান।

রাঙ্গুনিয়ায় লামা উপজেলা চেয়ারম্যানের পাজেরো-অটোরিক্সা সংঘর্ষ: বাবা-মেয়ে নিহত, আহত ৪

ডেস্ক রিপোর্টঃ-ল চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কের রাঙ্গুনিয়ায় বান্দরবান জেলার লামা উপজেলা পরিষদ পরিষদ চেয়ারম্যানের গাড়ি (বান্দরবান-ঘ-১১-০০১৮) ও নম্বরবিহীন অটোরিক্সার সাথে সংর্ঘষে বাবা-মেয়ে নিহত হয়েছে, আহত হয়েছে ৪ জন। নিহত ব্যক্তির নাম আবদুল আজিজ (৩৫) ও তার শিশু কন্যা আছিয়া আক্তার (৩)।
আহত হয়েছেন স্ত্রী তাহেরা বেগম (২৩) ও তাদের বহনকারী অটোরিকশা চালক মো. কাঞ্চন। তাঁদের বাড়ি রাঙ্গুনিয়া উপজেলার কোদালা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে। তাঁদের চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে হাসপাতালের জরুরী বিভাগ সূত্রে জানা গেছে। আহত লামা উপজেলা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান থোয়াই নু অং চৌধুরী (৪৯) ও তাঁর পুত্র অংকিয় চৌধুরী (৮) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে জিয়াউর রহমান গাড়ি চালক সামান্য আঘাত পান বলে প্রত্যক্ষদশীরা জানিয়েছেন।
রোববার (৩১ মার্চ) পোমরা ইউনিয়নের সেলিমা কাদের কলেজ গেইট এলাকায় সকাল ৯ টার দিকে এই দূর্ঘটনা ঘটে।
রাঙ্গুনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তোফা ফজল ও রবিউল হোসেন বলেন, “লামা উপজেলা চেয়ারম্যান ও তাঁর পুত্র সামান্য আঘাত পেয়েছেন। তাঁরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গিয়েছেন।” উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের অফিস সহকারি কামরুল হাসান মুঠোফোনে বলেন, “ উপজেলা চেয়ারম্যান কাপ্তাইয়ের চন্দ্রঘোনায় শশুড় বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছিলেন। চেয়ারম্যান ও তাঁর ছেলে আহত হয়েছেন খবর পেয়েছি।” রাঙ্গুনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) ইমতিয়াজ মো. আহসানুল কাদের ভুঞা বলেন, “ দূর্ঘটনার খবর শুনে ঘটনাস্থলে গিয়েছি। বেপরোয়া গাড়ী চালানোর এই দূর্ঘটনা ঘটে।”
আরও খবর

অগ্নিঝরা ৩০শে মার্চ

নিউজ ডেস্কঃ- স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম বাঙালির জাতীয় জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের পর স্বাধীন পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বাঙালিরা পাকিস্তান রাষ্ট্রের শোষণ, অত্যাচার ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে সংগ্রাম ও আন্দোলন চালিয়ে এসেছিল। ২৬শে মার্চ বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণার মাধ্যমে তা চূড়ান্ত রূপ ধারণ করে। বাঙালি জাতি গড়ে তুলে সশস্ত্র প্রতিরোধ।
১৯৭১ সনের ৩০শে মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হল থেকে ভারপ্রাপ্ত পাক সেনাদের মেজর পৌরসভায় টেলিফোনে সংবাদ দেন রোকেয়া হলের চারিদিকে মানুষের লাশের পচা গন্ধে বসা যাচ্ছে না, অবিলম্বে ডোম পাঠিয়ে লাশ তুলে ফেলা হোক। ছয়জন ডোম নিয়ে রোকেয়া হলে প্রবেশ করে রোকেয়া হলের সমস্ত কক্ষে তন্ন তন্ন করে খুঁজে কোন লাশ না পেয়ে চারতলা ছাদের উপর গিয়ে আঠার বছরের জনৈক রুপসী ছাত্রীর উলঙ্গ লাশ দেখতে পায় তৎকালীন সুইপার ইন্সপেক্টর ছাহেব আলী। রোকেয়া হলের চার তলার ছাদ থেকে উদ্ধার করা হয় বিবস্ত্র যুবতীর ক্ষত-বিক্ষত লাশ। সেখানে দায়িত্বরত জনৈক পাকী সেনাকে জিজ্ঞেস করলে উত্তরে পাকী সেনাটি অট্টহাসিতে ফেটে পড়ে বললো, আমরা সকলে মিলে ওকে ধর্ষণ করতে করতে মেরেছি। এদিন বুড়িগঙ্গা নদী থেকে কয়েকটি ট্রাকে করে লাশ তুলে স্বামীবাগে আনা হয়।
পাকিস্তানিরা বিভিন্ন কলাকৌশল গ্রহণ করে তখনও পূর্ব-পাকিস্তানের ব্যবসায়ী এবং পুঁজিপতিদের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করছিলো। এদিন রাওয়ালপিন্ডি থেকে প্রকাশিত পাকিস্তান টাইমসের খবরে বলা হয়, মার্চের প্রথম দিকে রাজনৈতিক সঙ্কটের কারণে স্টক এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে যে অসুবিধার সৃষ্টি হয়েছিল তা দ্রুত কেটে যাচ্ছে এবং শেয়ার বাজারের অবস্থাও স্বাভাবিক হয়ে আসছে।
সামরিক কর্তৃপক্ষের এক ঘোষণায় এদিন হাসপাতালের কর্মচারীদের অবিলম্বে কাজে যোগদানের নির্দেশ দেয়া হয়। আর এক সামরিক ঘোষণায় ৫ জনের অধিক ব্যক্তিকে একত্রে জমায়েতের উপর বিধি নিষেধ জারি করা হয়। পশ্চিম-পাকিস্তানের ‘ডন’ পত্রিকায় ভুট্টোর অভিমত প্রকাশিত হয়। ভুট্টো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ফ্যাসিস্ট ও সাম্প্রদায়িক হিসেবে আখ্যায়িত করে। ভুট্টো আরো বলে যে, পূর্ব-পাকিস্তানের পরিস্থতি সম্পূর্ণভাবে শেখ মুজিবের নিয়ন্ত্রণাধীন ছিলো। তিনি জনসাধারণকে ভুল পথে পরিচালিত করলেন এবং প্রকৃতই তিনি দেশকে নৈরাজ্যের দিকে ঠেলে দিলেন। ভুট্টো জানায়, পূর্ব-পাকিস্তানের পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে প্রেসিডেন্ট যে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে তা পাকিস্তানের নিজস্ব ও অভ্যন্তরীণ ব্যাপার।
তখনও পূর্ব-পাকিস্তান রাইফেলস সেক্টর হেড কোয়ার্টার এবং রিজার্ভ পুলিশ লাইনে বাঙালি সৈনিকরা পাকী সেনাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের দুর্গ তৈরি করে রেখেছে। কমান্ডো হামলার মাধ্যমে ব্যাপক ক্ষতি স্বীকার করে পাকী সেনারা বেতার কেন্দ্র দখল করে। বেতার কেন্দ্র দখল করতে ঢাকা থেকে দুটো জেট বিমান নিয়ে গিয়ে আক্রমণ চালায়। কুষ্টিয়া শহরেও এদিন পাকী সেনারা বেপরোয়া গুলি বর্ষণ করে।
এদিন বর্বর পাকিস্তানি বাহিনী রংপুর ক্যান্টনমেন্ট থেকে বের হয়ে রংপুর শহর ও সংলগ্ন গ্রামগঞ্জের ওপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করে। এতে বহু লোক প্রাণ হারায়। পাশাপাশি পাকিস্তানি বাহিনী আগুন জ্বালিয়ে বাড়িঘর-মহল্লা-গ্রাম ধ্বংস করে এবং পাশবিক অত্যাচার চালায়।
সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে চট্টগ্রাম স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি ও সাহায্য দানের জন্য বিশ্বের সব গণতান্ত্রিক সরকার ও জনগণের প্রতি পুনরায় আবেদন জানায়।
১৯৭১ সালের এইদিনে সকাল ৮টায় ১০৭তম ব্রিগেড কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার এস এ আর দুররানী যশোর সেনানিবাসের অস্ত্রাগারের চাবি নিজের কাছে নিয়ে নেয়। বিকেল ৫টার দিকে মতিন পাটোয়ারীর নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা কুষ্টিয়া পুলিশ লাইনস দখল করেন। অন্যদিকে গোদাবাড়ীতে অবস্থানরত ইপিআর বাহিনীর ওপর পাকিস্তানি বাহিনীর সর্বাত্মক আক্রমণে সিপাহি আবদুল মালেক শহীদ হন।
এভাবে যত দিন যেতে থাকে বাঙালির প্রতিরোধ সংগ্রাম জোরালো হতে থাকে।

এইচ এস সি পরীক্ষা ২০১৯,নেই প্রশ্নফাঁসের শঙ্কা

নিউজ ডেস্কঃ-আসন্ন ২ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাচ্ছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। গত দুই বছর এসএসসি ও এইএইচএসসি পরীক্ষার সময় কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করায় সম্পূর্ণ প্রশ্নফাঁস মুক্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রশ্নফাঁসের চেষ্টায় জড়িতদের গ্রেফতার করে নিয়ে আসা হয়েছে আইনের আওতায়, আইন অমান্য করে পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে কোচিং সেন্টার খোলা রাখায় সারা দেশে ৩০টিরও বেশী কোচিং সেন্টার সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে। ফলশ্রুতিতে দূর হয়েছে প্রশ্নফাঁসের শঙ্কা।
এরই ধারাবাহিকতায় এবারও প্রশ্নফাঁসের যেকোনো ধরণের অপচেষ্টা কিংবা গুজব রুখতে তৎপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে সারা দেশে কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এইচএসসি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস রোধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জড়িত কোনো শিক্ষার্থী চিহ্নিত হলে প্রথমে বহিষ্কার করা হবে। এরপর সংক্ষিপ্ত বিচারের মাধ্যমে পাঠানো হবে কারাগারে।
এক্ষেত্রে জড়িত চিহ্নিত অভিভাবকও রেহাই পাবেন না। ফাঁস এবং নকলে সহায়তার দায়ে জড়িত শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করা হবে। এমনকি প্রশ্নফাঁসে কোনো ‘মূল হোতা’ চিহ্নিত হলে ক্রসফায়ার দেয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে।
পরীক্ষা শুরুর ৩০ মি‌নিট আগে পরীক্ষার্থী‌দের পরীক্ষার হ‌লে গি‌য়ে আসন গ্রহণ করতে হবে। এবারও শুরুতে বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) অংশ এবং পরে রচনামূলক অংশের পরীক্ষা হবে। ৩০ নম্বরের বহুনির্বাচনী পরীক্ষার সময় ৩০ মিনিট এবং ৭০ নম্বরের সৃজনশীল পরীক্ষার সময় আড়াই ঘণ্টা। এমসিকিউ এবং সৃজনশীল অংশের মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।
যেসব বিষয়ে ব্যবহারিক পরীক্ষা রয়েছে সেগুলোর ২৫ নম্বরের বহুনির্বাচনী পরীক্ষার সময় ২৫ মিনিট এবং সৃজনশীল অংশের জন্য ২ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরীক্ষার্থীরা সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবে। তবে প্রোগ্রামিং ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে না। পরীক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবে না।
দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, সেরিব্রাল পলসি জনিত প্রতিবন্ধী ও যাদের হাত নেই এমন প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থী শ্রুতিলেখক নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। এ ধরণের পরীক্ষার্থী ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ২০ মিনিট সময় বরাদ্দ থাকবে।
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন (অটিস্টিক ও ডাউন সিনড্রোম বা সেরিব্রাল পলসি আক্রান্ত) পরীক্ষার্থীদের ৩০ মিনিট অতিরিক্ত সময় ও পরীক্ষার কক্ষে অভিভাবক বা শিক্ষক বা সাহায্যকারী নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ থাকবে।
প্রশ্নফাঁসের কোনো শঙ্কা না থাকায় পরীক্ষা নিয়ে স্বস্তিতে রয়েছে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকরা।

সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করতে ছাত্র বেশধারীদের হামলার গুজব,ষড়যন্ত্রে সক্রিয় কুচক্রী মহল

ডেস্ক রিপোর্টঃ- ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী মেইল ট্রেনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর রিজার্ভ করা একটি বগিতে কিছু ছাত্র বেশধারী অনুপ্রবেশকারী প্রবেশের চেষ্টা চালায়। বিনা টিকেটি রিজার্ভ করা বগিতে উঠতে নিষেধ করলে বাকবিতণ্ডার জেরে রেল কর্মকর্তা ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের উপর হামলা চালায় ছাত্র বেশধারী অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা। পরবর্তীতে সেনাবাহিনীর যাবতীয় অর্জনকে ম্লান করে দিতে কিছু কুচক্রী মহলের নির্দেশে রাজধানীর বিমানবন্দর স্টেশনে আন্দোলন-অনশনের নামে সাধারণ যাত্রীদের হয়রানি করারও অভিযোগ উঠেছে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে।

শুক্রবার (২৯ মার্চ) দিবাগত রাতে ঢাকা- চট্টগ্রামগামী মেইল ট্রেনের ‘ঝ’ বগিতে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।

রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, টিকিট বিহীন অবৈধ যাত্রীদের কর্তব্যরত নিরাপত্তারক্ষীরা বারবার অনুরোধ করেন রিজার্ভ বগিতে না উঠতে এবং টিকিট কেটে নির্ধারিত বগিতে ভ্রমণ করতে। তখন সেসব টিকেট বিহীন যাত্রী ট্রেন থেকে নামতে অস্বীকৃতি জানিয়ে সেনাবাহিনীর রিজার্ভ করা ‘ঝ’ বগিতে কর্তব্যরতদের ওপর হামলা চালান। হামলার সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীও সামান্য আঘাতপ্রাপ্ত হন বলে একটি পক্ষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা গুজব রটিয়ে দেয়। পাশাপাশি ফেসবুকের বিভিন্ন পোস্টে দাবি করা হয় যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের জোর করে ট্রেন থেকে নামিয়ে দেয়া হয় এমনকি তাদের মারধরও করা হয়েছে। অথচ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। রেলওয়ে ও সেনাবাহিনীর মতো রাষ্ট্রীয় সেবায় নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানকে বিতর্কিত করে এদের সম্মান ক্ষুণ্ণ করতেই এসব করছে ছাত্র নামধারী কুচক্রী মহলের সদস্যরা।

আরো জানা যায়, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব রটিয়ে সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি নষ্ট করার প্রয়াস চালাচ্ছে একটি পক্ষ। পক্ষটি সেনাবাহিনীর নামে মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের উত্তেজিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। একটি রাজনৈতিক মহলের ইশারায় গুজব ছড়িয়ে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে।

এ বিষয়ে ঢাকা-চট্টগ্রামগামী মেইল ট্রেনে কর্মরত এক কর্মকর্তা জানান, প্রতিদিনই কিছু কিছু অবৈধ টিকেট বিহীন যাত্রী যাতায়াত করার প্রয়াস চালান। যা নতুন কিছু নয়। সেনাবাহিনীর সদস্যদের জন্য রিজার্ভ রাখা হয়েছিল ট্রেনের ‘ঝ’ বগিটি। রাতে হঠাৎ কিছু টিকেট বিহীন যাত্রী সেখানে উঠে সমস্যার সৃষ্টি করেন। তাদের বারবার নেমে যেতে বললেও তারা নামতে অস্বীকৃতি জানায়। নামতে অস্বীকৃতি জানিয়ে তারা ট্রেনে কর্মরত নিরাপত্তা কর্মী ও আমাদের উপর হামলা চালায়। অথচ এখন মিথ্যাচার করা হচ্ছে যে আমরাই নাকি তাদের উপর আক্রমণ করেছি। এগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও গুজব। রেলওয়ে ও সেনাবাহিনীকে সাধারণ মানুষের সামনে খারাপ ভাবে উপস্থাপন করতেই বিষয়টিকে বাড়িয়ে বলা হচ্ছে। এগুলো ঠিক না। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও গৌরবের জায়গাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে কেউ লাভবান হতে পারবে না।

ঘটনার রাতের এক প্রত্যক্ষদর্শী চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার এক স্থানীয় ব্যবসায়ী সেলিম রহমান বলেন, ঢাকা- চট্টগ্রামগামী মেইল ট্রেনে টিকেট বিহীন কিছু যাত্রী সেনা সদস্যদের জন্য রিজার্ভ করা ‘ঝ’ বগিতে উঠলে সমস্যার সৃষ্টি হয়। সেখানে দু’একজন ঢাবির শিক্ষার্থী ছিল বলেও শুনেছি। ট্রেনে কর্মরত নিরাপত্তারক্ষীরা ঐ বগি থেকে টিকেট বিহীন যাত্রীদের নেমে যেতে বললে সেখানে হাতাহাতির সূত্রপাত হয়। সাধারণ যাত্রীরাও না বুঝে অনেকে প্রতিবাদ জানিয়ে সমস্যাকে আরো জটিল করে তুলেন। আসলে মিথ্যার আড়ালে সত্য ঘটনাকে লুকাতে ছাত্র নামধারী কিছু যুবক এসব করেছে।

সেলিম রহমান আরো জানান, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব রটিয়ে একটি পক্ষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থী প্রকৃত ঘটনা না জেনে বিভ্রান্ত হয়ে অনশনে বসেছেন যা খুব-ই দুঃখজনক। রেলওয়ে ও সেনাবাহিনী কখনই শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে নয়। আপনাকে তো আইন মানতে হবে। আইন অমান্য করে অন্যায়ভাবে দাবি করলে তো সে দাবির প্রতি কেউ সমর্থন দিবে না। এটাই সত্য।

বেড়েই চলছে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স

নিউজ ডেস্কঃ-দেশে বেড়েই চলছে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে শেষের দিকে রেমিটেন্সের পরিমাণ কমলেও ২০১৮-১৯ অর্থবছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত আবারো পুরোদমে বেড়ে চলছে রেমিটেন্স। এদিকে চলতি মার্চ মাসের ২২ দিনেই ১১০ কোটি (১.১ বিলিয়ন) ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান সূচক রেমিটেন্সে সুখবর দিয়ে শেষ হয়েছিল ২০১৮ সাল। গত বছরে এক হাজার ৫৫৩ কোটি ৭৮ লাখ (১৫.৫৪ বিলিয়ন) ডলারের রেমিটেন্স পাঠিয়েছিলেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানকারী প্রবাসীরা। যা ছিল ২০১৭ সালের চেয়ে প্রায় ১৫ শতাংশ বেশি। তারই ধারাবাহিকতায় ২০১৯ সালের প্রথম মাস জানুয়ারিতে ১৫৯ কোটি ৭২ লাখ ডলারের রেমিটেন্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। যা ছিল এক মাসের হিসাবে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিটেন্স।
দ্বিতীয় মাস ফেব্রুয়ারি ছিল ২৮ দিনে; তারপরও ১৩২ কোটি ডলার রেমিটেন্স এসেছিল। তৃতীয় মাস মার্চের ২২ দিনে (১ মার্চ থেকে ২২ মার্চ পর্যন্ত) ১০৯ কোটি ৫৭ লাখ ৩০ হাজার ডলারের রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। মাস শেষে আরও নয় দিনের রেমিটেন্স যোগ হলে এই মাসে মোট রেমিটেন্সের পরিমাণ ১৫০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে জানুয়ারি মাসের কাছাকাছি গিয়ে পৌঁছবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম।
রেমিটেন্স বাড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদেশী মুদ্রার সঞ্চয়নও (রিজার্ভ) সন্তোষজনক অবস্থায় রয়েছে। সোমবার পর্যন্ত ব্যাংকে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩১ দশমিক ৮০ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলেছেন, গত ৭ মার্চ এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মেয়াদের ১০০ কোটি ডলারের আমদানি বিল পরিশোধের পরও রিজার্ভ ৩২ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি অবস্থান করছে।
এদিকে চলতি অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি মাসে অগ্রণী, জনতা, রূপালী, সোনালী, বেসিক ও বিডিবিএল—এই ৬টি রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক ২৮০ দশমিক ৮৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার গ্রহণ করে। আর একমাত্র রাষ্ট্র মালিকানাধীন বিশেষায়িত ব্যাংক বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ১৫ দশমিক শূন্য ১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার গ্রহণ করে।
রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মধ্যে অগ্রণী ব্যাংক ১১৩ দশমিক ৭৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, জনতা ব্যাংক ৭০ দশমিক ৪৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, রূপালী ব্যাংক ১৪ দশমিক ৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, সোনালী ব্যাংক ৮১ দশমিক ৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ও বেসিক ব্যাংক শূন্য দশমিক শূন্য ৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার গ্রহণ করে।
অন্যদিকে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে প্রবাসীরা ১,০১১ দশমিক শূন্য ৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রেরণ করে। এসব বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের মধ্যে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড (আইবিবিএল) সবচেয়ে বেশি অর্থ ২০৬ দশমিক ৭৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার গ্রহণ করে। ডাচ বাংলা ব্যাংক লিমিটেড (ডিবিবিএল) ১৪০ দশমিক ৯০ মার্কিন ডলার গ্রহণ করে। অপর দিকে প্রবাসীরা ১০ দশমিক ৭৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে পাঠান।

অগ্নিঝরা ২৯শে মার্চ

নিউজ ডেস্কঃ-১৯৭১ সালের অগ্নিঝরা মার্চেই বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ডাক এসেছিল বাঙালির স্বাধীনতার। শুরু করেছিল পরাধীনতার গ্লানি থেকে নিজেকে মুক্ত করার সশস্ত্র সংগ্রাম। প্রায় দুই যুগের ধারাবাহিক আন্দোলনের পথ ধরে এ মার্চেই অগ্নিস্ফুলিঙ্গের মতো ছড়িয়ে পড়ে বাঙালির স্বাধীনতার সংগ্রাম।
যুদ্ধের বাকি দিনগুলোর মতো এইদিনও পাক বাহিনীর তাণ্ডবলীলা চলছিলো। অন্যদিকে বাঙালীরাও তাদের দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে পাক বাহিনীকে প্রতিহত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলো। এইদিন সকালে ময়মনসিংহের রাবেয়া মেমোরিয়াল বালিকা বিদ্যালয়ের ইপিআর বাহিনী ও হাজার হাজার জনতার উপস্থিতিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর বিকেল নাগাদ ময়মনসিংহের ইস্টবেঙ্গল ব্যাটালিয়নের সমাবেশের কাজ সম্পন্ন হয়। ব্যাটালিয়নের অফিসার ও সৈনিকদের একত্রিত করে বাংলাদেশের প্রতি তাদের আনুগত্য প্রকাশের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মেজর কে এম সফিউল্লাহ।
একাত্তরের আজকের দিনে পাক বাহিনী চট্টগ্রাম সেনানিবাসের বাইরে এসে মেডিকেল কলেজ ও নিকটবর্তী পাহাড়ের উপর সমাবেত হয়। সন্ধ্যার দিকে তারা প্রথম আক্রমণের সূচনা করে। পরে মুক্তিবাহিনী এই আক্রমণ ব্যর্থ করে দেয়।
এদিন সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধুকে সেনানিবাস থেকে হেলিকপ্টারে করে তেজগাঁও বিমানবন্দরে নিয়ে আসা হয়। এরপর সামরিক বাহিনীর একটি বিশেষ বিমানযোগে করাচী নিয়ে যাওয়া হয়।
’৭১ এর আজকের দিনে ক্যাপ্টেন রশীদের সফল অভিযানে ২৫ পাঞ্জাবের মেজর আসলাম ও ক্যাপ্টেন ইশফাকসহ ৪০ জন পাকিস্তানি সৈন্য পাবনা থেকে গোপালপুরের পথে নিহত হয়। জীবিতদের অনেকে রাজশাহীর দিকে যাওয়ার পথে প্রাণ হারায়। এইদিন রাতে ১০০ জনের মতো বাঙালী ইপিআর সদস্যকে পাকিস্তানি সৈন্যরা প্রেসিডেন্ট হাউজ থেকে তিনটি গ্রুপে ভাগ করে রমনা কালী মন্দিরের কাছে নিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।

বান্দরবানে ‘দৈনিক আমাদের সময়’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

সিএইচটি টাইমস ডেস্কঃ- বর্ণাঢ্য আয়োজনে বান্দরবানে ‘দৈনিক আমাদের সময়’ পত্রিকার ১৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করা হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) সকালে প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বান্দরবান প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইমলাম বাচ্চুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান বেতার কেন্দ্রের বার্তা নিয়ন্ত্রক মো. মোকছেদ হোসেন । এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারী বার্তা নিয়ন্ত্রক অজিত কান্তি নাথ, দৈনিক কালের কন্ঠের জেলা প্রতিনিধি মনিরুল ইসলাম মনু, প্রথম আলোর প্রতিনিধি বুদ্ধ জ্যোতি চাকমা, দৈনিক ইত্তেফাক এর প্রতিনিধি মিলন চক্রবর্তী, এটিএন বাংলার প্রতিনিধি মিনারুল হক, যুগান্তরের প্রতিনিধি আলাউদ্দিন শাহরিয়ার, আরটিভির প্রতিনিধি শাফায়েত হোসেনসহ বান্দরবানের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা।পরে উপস্থিত অতিথিরা দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার ১৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কেক কাটার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্ত করেন।

এবার রাঙামাটিতে হচ্ছে না সাংগ্রাই জল উৎসব

ডেস্ক রিপোর্টঃ-জেলার সার্বিক পরিস্থিতি ‘অনুকূলে না’ থাকায় এবার পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে পালিত হচ্ছে না পাহাড়ে বসবাসরত মারমা সম্প্রদায়ের সামাজিক অনুষ্ঠান সাংগ্রাই জল উৎসব।

গতকাল বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতি এ তথ্য জানিয়েছে মারমা সংস্কৃতি সংস্থার (মাসস) সাধারণ সম্পাদক মংউচিং মারমা।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘মারমা সংস্কৃতি সংস্থা (মাসস) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে মারমাদের সামাজিক অনুষ্ঠান সাংগ্রাই জল উৎসব পালন করে আসছে। রাঙামাটি জেলার সার্বিক পরিস্থিতি-পরিবেশ অনুকূলে না থাকায় মাসস এর উদ্যোগে ২০১৯ সালের সাংগ্রাই জল উৎসব উদযাপন করা হবে না।’

বেগম জিয়ার দুর্দশার জন্য দায়ী বিএনপি,দীর্ঘায়িত হতে পারে কারাবাস!

নিউজ ডেস্কঃ- বিএনপির কারাবন্দী চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সুপরিকল্পিতভাবে হত্যার ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার (২৭ মার্চ) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল এই অভিযোগ করেন। এদিকে বেগম জিয়ার অসুস্থতা, দীর্ঘ কারাজীবন, ভঙ্গুর দশা ও রাজনৈতিক ব্যর্থতার জন্য বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দদের দায়ী করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। বেগম জিয়া দলীয় অপকর্মের শাস্তি ভোগ করছেন এবং বেগম জিয়াকে মুক্ত করতে ব্যর্থ বিএনপি এখন দায় এড়াতে সরকারকে দোষারোপ করার চেষ্টা চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ করছেন তারা।

বেগম জিয়ার দুরবস্থা এবং রাজনৈতিক অধঃপতনের জন্য বিএনপি নেতারা দায়ী বলে অভিযোগ করে বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের একজন অধ্যাপক বলেন, বেগম জিয়াকে বিএনপির পাপাচারের জন্য জেল খাটতে হচ্ছে। বিএনপি নেতাদের পাপের বোঝা কাঁধে নিয়ে একাই পাপ মোচনের জন্য কারাবাস ভোগ করতে হচ্ছে বেগম জিয়াকে।

তিনি আরো বলেন, বেগম জিয়াকে মুক্ত করতে না পারার ব্যর্থতা বিএনপির। বিএনপির ব্যর্থতার সুযোগ নিচ্ছে ক্ষমতাসীনরা, এটাই চরম বাস্তবতা। নিয়ম হলো বিরোধী দলের নেতা জেল-জুলমের শিকার হলে আন্দোলন সংগ্রাম করে তাকে মুক্ত করবে তার দল। কিন্তু বিএনপি বেগম জিয়ার মুক্তিতে আদালত ও রাজপথে পরাজিত হয়ে এখন সরকারের ঘাড়ে দোষ চাপাচ্ছে। এটি তো পরাজিত রাজনীতির লক্ষণ। বেগম জিয়ার কিছু হলে সরকার নয় বরং বিএনপিকে দায়ী হতে হবে।

বিষয়টিকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করে বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেন, আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি বেগম জিয়াকে মুক্ত করতে। শুনতে খারাপ লাগলেও এটি সত্য যে, আমরা আদালত ও রাজপথ- এ দুই জায়গাতেই পরাজিত হয়েছি। এই পরাজয়ে কিন্তু সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বেগম জিয়া। বেগম জিয়ার মুক্তির ব্যর্থতার দায় কারো নয়। বিএনপি নেতাদের উদাসীনতা ও আন্দোলনে অনীহার কারণে ম্যাডামের কারাবরণ আরো দীর্ঘায়িত হতে পারে। কারণ, আমরা আন্দোলন-সংগ্রামে ক্রমাগতভাবে ব্যর্থ হচ্ছি।